০৫:৩৬ পি.এম
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে পরিচিত চীন তাদের অভ্যন্তরীণ চাহিদাকে পুনরুজ্জীবিত করতে হিমশিম খাচ্ছে। জুলাই মাসে চীনের কারখানা খাতের কার্যক্রম হ্রাস পেয়েছে বলে শুক্রবার প্রকাশিত সরকারি তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে।
চীনের শিল্প খাতের অবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সূচক ম্যানুফ্যাকচারিং পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই) জুলাইয়ে সংকোচনের পর্যায়ে নেমে ৪৯ দশমিক ২-এ দাঁড়িয়েছে। জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (এনবিএস) প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে।
বেইজিং থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানিয়েছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় তথ্য ও সতর্কতার ওপর স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
এটি অর্থনীতিবিদদের ওপর পরিচালিত ব্লুমবার্গের জরিপভিত্তিক ৫০ দশমিক ১ সম্প্রসারণের পূর্বাভাসের তুলনায় অনেক কম। গত জুনে এই সূচক ৫০ দশমিক ৩ ছিল।
চলতি বছর মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার ফলে চীনের উৎপাদন খাত অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
অভ্যন্তরীণ ভোগব্যয় দুর্বল থাকলেও, ইলেকট্রনিকস ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংশ্লিষ্ট হার্ডওয়্যারের শক্তিশালী বৈদেশিক চাহিদার কারণে রপ্তানি বেড়েছে। ফলে খাতটি কিছুটা সহায়তা পেয়েছে।
তবে সংকটের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে সরকারি অ-উৎপাদন খাতের (ভৌত পণ্য উৎপাদনের বিষয় জড়িত নয় এমন অর্থনৈতিক খাত) পিএমআইও জুলাই মাসে তীব্রভাবে কমে ৪৯ দশমিক ০-এ নেমেছে। এই সূচকে সেবা ও নির্মাণ খাতের কার্যক্রম পরিমাপ করা হয়।
আরও পড়ুন: মানসিক স্বাস্থ্য গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রী
এটি গত তিন বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় সংকোচন সূচক হিসেবেও চিহ্নিত হয়েছে।
এনবিএসের পরিসংখ্যানবিদ হুয়ো লিহুই এক বিবৃতিতে বলেন, এই সূচক জুলাইয়ে ‘অ-উৎপাদন খাতের সমৃদ্ধির স্তর কমে যাওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এই হতাশাজনক তথ্য প্রকাশের একদিন আগে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দেশের অর্থনীতির সামনে থাকা ‘কঠিন পরিস্থিতি ও চ্যালেঞ্জের’ কথা স্বীকার করেছেন।
রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়ার বরাতে জানা যায়, দেশের নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে শি বলেন, বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ‘অভ্যন্তরীণ চাহিদার সম্ভাবনা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতির কার্যকারিতা আরও বাড়াতে হবে।’
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ, শুরু গণনা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন