শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪৩ এম
বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ দেশের লাভজনক ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা বিদেশি কোম্পানির কাছে লিজ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে 'আত্মঘাতী ও অদূরদর্শী' বলে উল্লেখ করেছে। দলটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক দাবি করেছেন, স্পর্শকাতর জাতীয় সম্পদ নিয়ে এমন পদক্ষেপ গ্রহণের আগে জনগণের মতামত ও জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করা অপরিহার্য।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশ ও বিক্ষোভে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল বন্দর লিজের পদক্ষেপ, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বাজার সিন্ডিকেট, অনিয়ম ও জননিরাপত্তাহীনতার প্রতিবাদ করা।
সমাবেশে সাইফুল হক মন্তব্য করেন, ‘জাতীয় অর্থনীতির অতিসংবেদনশীল কন্টেইনার টার্মিনাল অস্বচ্ছ ও অযৌক্তিকভাবে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার পেছনে গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যাখ্যা সরকার দিতে পারেনি। বিনিয়োগ ও আর্থিক লাভের যে হিসাব দেওয়া হচ্ছে, তা তথ্যভিত্তিক নয়।’ তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘মাথাব্যথার জন্য আমরা নিশ্চয়ই মাথা কেটে ফেলতে পারি না। বন্দরের ব্যবস্থাপনা গতিশীল করার সুযোগ রয়েছে এবং তা নিজেদের ব্যবস্থাপনায়ই করা সম্ভব।’
দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সাইফুল হক আরও বলেন, বাজার সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি কঠোরভাবে দমন করতে হবে। তিনি শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানান। এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্য সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সৌদি আরবে বাংলাদেশি শ্রমিক প্রেরণে উদ্যোগী হওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাকের সভাপতিত্বে সমাবেশে রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খানসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তারা সতর্ক করে বলেন, জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব উপেক্ষা করে বন্দর বা কোনো কৌশলগত স্থাপনা বিদেশিদের হাতে তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে বামপন্থী ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলো কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে।
সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়ে সেগুনবাগিচায় দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরাইলি বিজ্ঞাপনপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডিসকভার-টেকের সহযোগিতায় আল-জাজিরা এবং অন্যান্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত অসংখ্য ডিভাইসে গোপনে নজরদারি চালানোর জন্য ক্ষতিকর সফটওয়্যার ইনস্টল করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারটি ডিভাইসে থাকা ব্যক্তিগত নথি, ই-মেইল, বার্তা এবং ব্রাউজারের তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। ব্যবহারকারীর অজান্তে মাইক্রোফোন ও ওয়েবক্যামের মাধ্যমেও তথ্য নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এসব ডিভাইসে এই সফটওয়্যারটি প্রবেশ করানো হয়েছে, যেখানে ব্যবহারকারীদের কোনো লিংকে ক্লিক করার প্রয়োজন হয়নি।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত একটি তদন্ত প্রতিবেদনে এই তথ্যগুলো জানানো হয়েছে, যা টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাপ্রতিষ্ঠান সিটিজেন ল্যাব দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।
আল-জাজিরার নিজস্ব তদন্তের ভিত্তিতে এই অনুসন্ধান পরিচালিত হয়েছে। এতে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, ইসরাইলি নজরদারি সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্যান্ডিরুর তৈরি ক্ষতিকর সফটওয়্যার আক্রান্ত ডিভাইসগুলোতে ইনস্টল করা হয়েছিল। ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকার ক্যান্ডিরুকে ক্ষতিকর সাইবার কার্যক্রমের অভিযোগে কালো তালিকাভুক্ত করে।
আল-জাজিরা মিডিয়া নেটওয়ার্ক বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তাদের কয়েকজন কর্মীর ওপর এই ধরনের নজরদারি হামলার নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে কর্মী ও প্রযুক্তিব্যবস্থার সুরক্ষা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর আঘাত। এ ঘটনার জন্য দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বানও জানানো হয়েছে।
সিটিজেন ল্যাবের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ডিসকভার-টেক নজরদারির সফটওয়্যারযুক্ত বিজ্ঞাপন কিনেছিল। পরে সেই বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ক্যান্ডিরুর তৈরি ক্ষতিকর সফটওয়্যার ডিভাইসগুলোতে প্রবেশ করানো হয়। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে লক্ষ্যভিত্তিক হামলার এটি প্রথম শনাক্ত হওয়া ঘটনা বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এই পদ্ধতিকে ‘জিরো-ক্লিক’ হামলা বলা হয়, যেখানে ব্যবহারকারীকে কোনো লিংকে ক্লিক করতে বা ফাইল ডাউনলোড করতে হয় না। আক্রান্ত বিজ্ঞাপনটি ডিভাইসে প্রদর্শিত হলেই সেটিতে ক্ষতিকর সফটওয়্যার প্রবেশ করতে পারে।
এই সফটওয়্যারটি ডিভাইসে থাকা বিভিন্ন ধরনের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম। এর মধ্যে রয়েছে ফাইল, নথিপত্র, ব্রাউজারের কুকি, বুকমার্ক এবং সংরক্ষিত প্রবেশসংক্রান্ত তথ্য। ব্যবহারকারী কিবোর্ডে কী লিখছেন, তা রেকর্ড করা, পর্দার ছবি তোলা এবং মাইক্রোফোন ও ওয়েবক্যামের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করাও সম্ভব। জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যমে থাকা ই-মেইল ও বার্তাও হাতিয়ে নিতে পারে সফটওয়্যারটি।
নজরদারির বিষয়টি যাতে সহজে ধরা না পড়ে, সেজন্য সফটওয়্যারটি এনক্রিপ্ট করা যোগাযোগব্যবস্থা ব্যবহার করে। সংগৃহীত তথ্য ছোট ছোট অংশে ভাগ করে বিভিন্ন সময়ে পাঠানো হয়, যা নিরাপত্তাব্যবস্থার নজর এড়িয়ে তথ্য পাচার করা সহজ করে। ব্যবহৃত নির্দিষ্ট নজরদারি প্রযুক্তিটির দাম কয়েক মিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যান্ডিরুর মতো প্রতিষ্ঠানের তৈরি প্রযুক্তি এবং সেগুলোর গ্রাহকেরা আধুনিক সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা এড়িয়ে যাওয়ার জটিল কৌশল ব্যবহার করছে। আল-জাজিরার সাংবাদিকদের পাশাপাশি আরও বহু মানুষের ডিভাইস এই হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল। তাদের মধ্যে স্পর্শকাতর বিষয়ে প্রতিবেদন করা কয়েকজন সাংবাদিকও রয়েছেন।
আল-জাজিরার নিজস্ব প্রযুক্তি দল ২০২৪ সালে প্রথম কয়েকজন সাংবাদিকের ব্যবহৃত ডিভাইসে অস্বাভাবিক কার্যক্রম শনাক্ত করে। ২০২৫ সালেও এ ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকে। এসব ঘটনার পেছনে নজরদারির সফটওয়্যার থাকার সন্দেহ থেকে বিস্তারিত তদন্তের জন্য সিটিজেন ল্যাবের সঙ্গে যোগাযোগ করে আল-জাজিরা।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে সিটিজেন ল্যাব জানায়, হামলার সময় আল-জাজিরার সংগ্রহ করা নেটওয়ার্কের তথ্য বিশ্লেষণ করে হামলাটি কীভাবে চালানো হয়েছিল, তার একটি স্পষ্ট সময়ভিত্তিক চিত্র পাওয়া গেছে।
আল-জাজিরা বলেছে, সিটিজেন ল্যাবের সঙ্গে সহযোগিতার ফলে হামলাগুলো যাচাই করা এবং সেগুলো সম্পর্কে জনসমক্ষে তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব হয়েছে।
এদিকে নিউইয়র্কভিত্তিক বিজ্ঞাপন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান কনফিয়্যান্টের পৃথক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিসকভার-টেকের কিছু বিজ্ঞাপন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ নেটওয়ার্কেও দেখা গেছে।
ক্যান্ডিরুর তৈরি নজরদারির সফটওয়্যার এর আগেও বিভিন্ন দেশে সাংবাদিক, ভিন্নমতাবলম্বী এবং অন্যান্য ব্যক্তিদের ওপর নজরদারিতে ব্যবহার করা হয়েছে। এ ধরনের নজরদারির শিকার হয়েছেন অন্তত ১০০ জন।
এএম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের তিনটি বিভাগের ওপর বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া প্রবাহিত হতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, দেশের অন্যান্য স্থানে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত প্রদত্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে, দেশের অন্যান্য স্থানে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।
এ সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
ঢাকায় পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীতে বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫৬ শতাংশ।
শুক্রবার ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ৩২ মিনিটে এবং শনিবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ৫৭ মিনিটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জুলাই-পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, সংস্কার আন্দোলন এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক নিয়ে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম একটি বিস্ফোরক স্ট্যাটাস প্রকাশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টে তিনি বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ‘আজব দশা’ বলে অভিহিত করেছেন। জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্র শিবির (যা পোস্টে ‘জাশি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে), বিএনপি, সেকুলার সুশীল সমাজ এবং ঐতিহ্যবাহী আলেম সমাজের ভবিষ্যৎ পরিণতি নিয়ে তিনি কড়া বিশ্লেষণ ও মন্তব্য করেছেন।
মাহফুজ আলম তাঁর পোস্টের শুরুতেই লিখেছেন, "জুলাই পরবর্তী রাজনীতির আজব দশা।" তিনি উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় থেকেই সেকুলার সিভিল সোসাইটি, বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান জামায়াতে ইসলামী এবং অন্যান্য গোষ্ঠীর প্রতি ঝুঁকতে দেখা গেছে।
ক্ষমতার রাজনীতি ও সংস্কারের নামে বিএনপি বিরোধিতার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি লেখেন, "যারা আসলে আজীবন কালচারালি লীগ ছিলেন, বিএনপি উনাদের রুচির সাথে যায় না—তাদের জাশির কোলে উঠার আপ্রাণ চেষ্টা দেখেছি। কোলে উঠার পর অনেকে নামতে পারবে না দেখে এখনো জাশির কোলবন্দী হয়ে আছেন।"
রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘ডিজিটাল মব’ এবং ডানপন্থার উত্থান প্রসঙ্গে তিনি সতর্কবার্তা দিয়েছেন। ডিজিটাল মবের চাপে অনেককে ডানপন্থী থেকে উগ্র-ডানপন্থী হতে দেখা যাচ্ছে। এসব ডিজিটাল মবকে তিনি ‘সিস্টেমেটিক প্রোপাগান্ডা ও ক্যারেক্টার এসাসিনেশন মেকানিজম’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। মাহফুজ আলমের মতে, "দেশ (উগ্র)ডানপন্থার ট্রেনে উঠে গেছে। হরেক রঙ্গের নরম-গরম ডান মিলে এটা নিশ্চিত করে ছাড়বে।"
স্ট্যাটাসে সেকুলার সমাজ এবং ঐতিহ্যবাহী আলেম সমাজের প্রতি ইঙ্গিত করে সাবেক এই উপদেষ্টা বলেন, বিএনপি বিরোধিতা করতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কাছাকাছি যাওয়ার খেসারত সেকুলার সমাজ এবং ঐতিহ্যবাহী আলেম সমাজ উভয়কেই দিতে হবে। তিনি মন্তব্য করেন, "লাভের গুড় খাওয়ার পরে ছুড়ে ফেলা হবে দুই গোষ্ঠীকেই।"
রাজনৈতিক ভবিষ্যতের পূর্বাভাস দিতে গিয়ে তিনি লেখেন, "গুড টাইম ইজ কামিং ফর জাশি এন্ড ৭২ আদার্স। এ আশু ভবিষ্যত পাল্টানোর সাধ্য আপাতত কারো নেই। আর, জাশি যত গুড টাইমে যাবে, ততই লীগ ফেরা অনিবার্য হয়ে উঠবে। উই আর গোয়িং ব্যাক টু সেভেন্টি-ওয়ান। যেখানে বিএনপির একাংশ জাশির দুনিয়ায়, অন্য অংশ লীগের দুনিয়ায় বাস করবে।"
পোস্টের শেষ অংশে সাধারণ এবং অন্যান্য রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক কর্মীদের উদ্দেশ্যে মাহফুজ আলম একপ্রকার কটাক্ষের সুরে লেখেন, "তোমরা বাকিরা আপাতত জাশি প্রযোজিত কালচারাল ওয়ারে নিজেদের ব্যস্ত রাখো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ২৪টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় ১২ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) পর্যন্ত বিজিবি সদস্যরা নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং সমন্বিত নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
চুয়াডাঙ্গা-৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক ও অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় ব্যাটালিয়ন সদরের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ২টি এবং সীমান্তের ৮ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে অবস্থিত ২২টি পূজামণ্ডপ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে বিজিবি।
এছাড়া, গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলার জন্য বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হবে।
তিনি আরো বলেন, "সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বাংলাদেশের ঐতিহ্য। দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিজিবি সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।"
এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি জনসাধারণ ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য গুজবে কান না দেয়া, যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করা এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কার্যকলাপ নজরে এলে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলের উৎসবটি শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময় করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ