০২:২১ পি.এম
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি নতুন বার্তা প্রদান করেছেন। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা মেহেরের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষা সপ্তাহ‘ উপলক্ষে তিনি দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশংসা করেছেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলি হামলার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুরুত্বের বিষয়টিও তিনি তুলে ধরেছেন।
মোজতবা খামেনি তাঁর বার্তায় বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ইরানের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিভিন্ন সংঘাত ও যুদ্ধের সময় এটি আরও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা
তিনি উল্লেখ করেন, নিরাপত্তা হলো আল্লাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। ইরানের বড় শহর থেকে শুরু করে গ্রাম ও পাড়ার ক্ষুদ্রতম জনবসতি পর্যন্ত; প্রতিকূল আবহাওয়া এবং পাহাড়ি ও সামুদ্রিক জলবায়ুর মধ্যে কঠিন সীমান্ত পাহারা থেকে শুরু করে সমতল ভূমি, বন-জঙ্গল ও দেশের কেন্দ্রস্থল পর্যন্ত—সর্বত্র নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিবেদিতপ্রাণ ও কঠোর পরিশ্রমী সদস্যদের সাহসিকতা ও বীরত্বের কারণে। এই বাহিনী দেশের নিরাপত্তার অন্যতম শক্তিশালী স্তম্ভ।
তিনি আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও স্টাফ পর্যায় থেকে শুরু করে থানা ও পুলিশ ফাঁড়ি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা আরও জোরালো হয়েছে। বিশেষ করে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধগুলোর সময় তাদের এই প্রভাব ও ভূমিকার বিষয়টি আরও স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়েছে।
মোজতবা খামেনি বলেন, মার্কিন-জায়নবাদী শত্রুরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে সম্মুখসারির ইউনিট পর্যন্ত আঘাত হানার জন্য যে বিশেষ মনোযোগ ও মরিয়া প্রচেষ্টা চালিয়েছে, তা এই প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বকে আরও বেশি স্পষ্ট করে তুলেছে।
তিনি বলেন, সমাজের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তার স্তম্ভগুলোর ওপর চালানো এই মরিয়া প্রচেষ্টা এবং বিদ্বেষপূর্ণ আঘাত—যার কোনো নজির ইতিহাসে নেই—তা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহসী সদস্যরা তাদের দায়িত্ব পালনে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হননি।
আরও পড়ুন: ক্ষমতা হারালেই কি গ্রেফতার হবেন নেতানিয়াহু?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন