ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম


বিশ্ববাজারে ফের বাড়ল তেলের দাম

ইরানকে কেন্দ্র করে নতুন সামরিক উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে আবারও তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে ইরানের ওপর নৌ অবরোধ অনির্দিষ্টকাল ধরে রাখতে হুমকি দেওয়ার পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ নিয়ে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) একটি প্রতিবেদনে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, শুক্রবার গ্রিনিচ মান সময় রাত ১টা ৩০ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯ সেন্ট বা ০.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৭.১৬ ডলার হয়েছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ৪ সেন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮১.২৯ ডলার।

আরও পড়ুন: চকরিয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আকিত হোসেন সজিব গ্রেফতার

এর আগে বৃহস্পতিবার বিশ্বজুড়ে তেলের চাহিদা কমে যাওয়ার আশঙ্কায় উভয় বেঞ্চমার্কের দাম ২ শতাংশের বেশি হ্রাস পেয়েছিল। যদিও ব্রেন্ট ক্রুড টানা ছয় সেশন এবং ডব্লিউটিআই ক্রুড টানা পাঁচ সেশন বৃদ্ধি পাওয়ার পর চলতি সপ্তাহে দুই ধরনের তেলের দাম প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়ার দিকে রয়েছে।

এদিকে, ইরানের আধাসামরিক বাহিনীর বাসিজের প্রধান হোসেইন তাইয়েব জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে’ রয়েছে। আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স এই তথ্য জানিয়েছে।

এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে বাঁধা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফলে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা তেলের দাম বৃদ্ধির জন্য চাপের সৃষ্টি করছে।

তবে এর বিপরীতে তেলের চাহিদা নিয়ে আন্তর্জাতিক পূর্বাভাস কিছুটা দুর্বল হয়েছে। চলতি সপ্তাহে ওপেক ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে তেলের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে এনেছে।

আরও পড়ুন: আওয়ামী লীগ আখ্যা দিয়ে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সিপিবি কার্যালয়ে হামলা

এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত তেলের মজুত সাড়ে তিন বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাপ্তাহিক বৃদ্ধি পেয়েছে, যা তেলের দাম বৃদ্ধির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুমার দিনে বেশি দরুদ পড়লে মিলবে বিশেষ রহমত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২১ এম


জুমার দিনে বেশি দরুদ পড়লে মিলবে বিশেষ রহমত

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। মহান আল্লাহ তাআলা নিজেই নবীজি (সা.)-এর প্রতি রহমত ও প্রশংসা করেন এবং ফেরেশতারাও তাঁর জন্য বরকতের দোয়া করেন। এই কারণে মুমিনদের নবীজি (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন—

إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا

অর্থ: “নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর প্রতি দরুদ পাঠ করেন। হে মুমিনগণ, তোমরাও তাঁর প্রতি দরুদ পাঠ করো এবং যথাযথভাবে সালাম পাঠ করো।”

(সুরা আল-আহজাব, আয়াত: ৫৬)

হাদিসে দরুদ পাঠের বড় ফজিলতের কথা এসেছে। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি একবার তাঁর ওপর দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তার ওপর ১০টি রহমত বর্ষণ করবেন।

(সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৪৮৫)

তবে জুমার দিনে দরুদ পাঠের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আওস ইবন আওস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিন মানুষের দিনগুলোর মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন। এই কারণে এ দিনে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করার কথা বলেছেন তিনি। কারণ, মুমিনদের পাঠ করা দরুদ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে পেশ করা হয়।

সাহাবিরা প্রশ্ন করেছিলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ইন্তেকালের পর কীভাবে দরুদ তাঁর কাছে পৌঁছাবে? উত্তরে তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তাআলা মাটির জন্য নবী-রাসুলদের দেহ ভক্ষণ করা হারাম করেছেন।

(সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৭)

অন্য এক হাদিসে আনাস ইবন মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, জুমার দিন ও জুমার রাতে তাঁর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করতে। কারণ, যে ব্যক্তি একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার ওপর ১০টি রহমত নাজিল করবেন।

(সহিহুল জামে, হাদিস: ১২০৯)

তাহলে জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলের মধ্যে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ কাজ। মুমিনরা এ দিনে নামাজ, দোয়া ও অন্যান্য ইবাদতের পাশাপাশি বেশি বেশি দরুদ পাঠ করে আল্লাহর রহমত লাভের চেষ্টা করতে পারেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসিনার রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছা ‘মামার বাড়ির আবদার’: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ এম


হাসিনার রাজনীতিতে ফেরার ইচ্ছা ‘মামার বাড়ির আবদার’: রিজভী

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ভারতে বসে রাজনৈতিক সংবাদ সম্মেলন করা এবং দেশে ফিরে রাজনীতি করার ঘোষণা দেয়াকে ‘মামার বাড়ির আবদার’ এবং ‘ধৃষ্টতা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেছেন, হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করার পর এই ধরনের বক্তব্য জনগণ মেনে নেবে না। জনগণের দাবি হলো গুম ও খুনের বিচার দেখা।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর পল্লবীতে বিএনপির প্রয়াত ক্রীড়াসংগঠক আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়ার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বর্তমান সরকারকে ন্যায়-নিষ্ঠার ওপর দাঁড়ানো সরকার হিসেবে উল্লেখ করেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, বিগত দিনে যারা গুম করেছে ও খুনের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিচার দেখতে চায় দেশের সাধারণ মানুষ। শেখ হাসিনার বিচার অবশ্যই বাস্তবায়িত হতে হবে। যিনি এত মানুষকে হত্যা করেছেন, তিনি আবার বিদেশে বসে প্রেস কনফারেন্স করে বলছেন ডিসেম্বরে ফিরে আসবেন, রাজনীতি করবেন। এটা যেন মামার বাড়ির আবদার।

রিজভী আরও বলেন, যারা শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছেন, মূলত তারা তাকে দিয়ে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চান। শেখ হাসিনা ও তার দল জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে।

অনুষ্ঠানে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে রিজভী বলেন, আরাফাত রহমান কোকো রাজনীতি করতেন না, তিনি ছিলেন একজন ক্রীড়াসংগঠক। কিন্তু তার মৃত্যু স্বাভাবিক ছিল না। মা'র উপর অত্যাচার ও নির্যাতন তিনি সহ্য করতে পারেননি।

একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেছেন, গত ১৭ বছরে বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মী অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তবে এত কিছুর পরেও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি চান না, বরং তিনি দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়ে সুবিচারের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চান।

অনুষ্ঠানে পল্লবী ও রূপনগর থানার বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ সময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ এম


জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ সময়

জুমার দিবস মুসলমানদের জন্য এক অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ দিন। এই দিনে এমন একটি বিশেষ সময় রয়েছে, যখন আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে দোয়া করলে তা কবুল হওয়ার আশা থাকে। তবে সেই বিশেষ সময়টি ঠিক কখন, সে সম্পর্কে আলেমদের মধ্যে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ মত রয়েছে, যা হাদিসের বর্ণনার আলোকে বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

রাসুলুল্লাহ (সা.) এর মতে—

فِيهِ سَاعَةٌ لَا يُوَافِقُهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ وَهُوَ يُصَلِّي يَسْأَلُ اللَّهَ شَيْئًا إِلَّا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ

অর্থ: জুমার দিনে এমন একটি সময় রয়েছে, যখন কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ তাকে তা দান করেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৯৩৫)

প্রথম মত: খুতবা থেকে নামাজ শেষ হওয়া পর্যন্ত

একদল আলেমের মতে, জুমার দিনের দোয়া কবুলের বিশেষ সময় হলো ইমামের খুতবার জন্য বের হওয়া থেকে জুমার নামাজ শেষ হওয়া সময়। আবু বুরদা ইবন আবু মুসা আশআরি (রা.) থেকে বর্ণিত, যখন আবদুল্লাহ ইবন উমর (রা.) জুমার দিনের সেই বিশেষ সময় সম্পর্কে জানতে চান, তিনি বলেন যে, তাঁর বাবা আবু মুসা আশআরি (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছেন—

هِيَ مَا بَيْنَ أَنْ يَجْلِسَ الْإِمَامُ إِلَى أَنْ تُقْضَى الصَّلَاةُ

অর্থ: ইমামের বসা থেকে নামাজ শেষ হওয়ার সময়টিই সেই বিশেষ সময়। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৮৪৮)

দ্বিতীয় মত: আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত

অন্যদিকে, আরেকদল সাহাবি ও আলেমের মতে, জুমার দিনের দোয়া কবুলের বিশেষ সময় হলো আসরের নামাজের পর থেকে সূর্যাস্তের আগে, বিশেষত, দিনের শেষ সময়। হাদিসে বলা হয়েছে—

اثْنَتَا عَشْرَةَ سَاعَةً لَا يُوجَدُ فِيهَا عَبْدٌ مُسْلِمٌ يَسْأَلُ اللَّهَ شَيْئًا إِلَّا آتَاهُ إِيَّاهُ فَالْتَمِسُوهَا آخِرَ سَاعَةٍ بَعْدَ الْعَصْرِ

অর্থ: জুমার দিনে এমন একাধিক সময় রয়েছে, যখন যদি কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহর কাছে কিছু চান, তিনি তা দান করেন। তাই আসরের পর দিনের শেষ সময়টি খুঁজুন। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৮; সুনানে নাসাঈ সহ অন্যান্য হাদিসগ্রন্থে এ বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে)

অতএব, জুমার দিনকে সাধারণ দিনের মতো না দেখে, ইবাদত এবং দোয়ার জন্য বিশেষভাবে কাজে লাগানো উচিত। আলেমদের এই দুই মত অনুযায়ী, খুতবা ও জুমার নামাজের সময়ে এবং আসরের পর সূর্যাস্ত পর্যন্ত বেশি বেশি দোয়া করা যেতে পারে।

জুমার দিনের সেই বিশেষ মুহূর্তটিকে নির্দিষ্টভাবে জানা না গেলেও, সারাদিন আল্লাহর কাছে দোয়া করা উত্তম। বিশেষ করে নিজেদের, পরিবারের, ও প্রিয়জনদের জন্য এই দোয়ার মাধ্যমে দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ কামনা করা উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সেরা অঙ্গরাজ্যের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে নিউ জার্সি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:৩১ এম


যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সেরা অঙ্গরাজ্যের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে নিউ জার্সি

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের জন্য সেরা অঙ্গরাজ্যের তালিকায় নিউ জার্সি দ্বিতীয় স্থান লাভ করেছে। এটি ২০২৬ সালের একটি সাম্প্রতিক গবেষণার ফলাফল।

এই তালিকা তৈরির জন্য পাঁচটি প্রধান বিষয়গুলোকে বিবেচনা করা হয়েছে। বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে জীবনযাত্রার খরচ, অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, জীবনযাত্রার মান এবং নিরাপত্তা।

তালিকায় প্রথম স্থানে এনে দিয়েছে আইডাহো। নিউ জার্সি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে এবং তৃতীয় স্থানের অধিকারী হয়েছে উইসকনসিন।

নিরাপত্তার দিক থেকে ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে নিউ জার্সি প্রথম স্থান অর্জন করেছে। সেখানে সহিংস অপরাধের হার দেশের মধ্যে নবম সর্বনিম্ন এবং সম্পত্তিসংক্রান্ত অপরাধের হার সপ্তদশ সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে।

আমরা দেখতে পাচ্ছি যে নিউ জার্সিতে জীবনযাত্রার খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি। এই খরচের দিক থেকে অঙ্গরাজ্যটির অবস্থান ৪৯তম। তবে, বাসিন্দাদের আয় করার সুযোগ এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা এই উচ্চ খরচকে কিছুটা সামাল দিতে সক্ষম হয়েছে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতেও নিউ জার্সির অবস্থান সপ্তম। এখানে মানুষের গড় আয়ু দেশের মধ্যে তৃতীয় সর্বোচ্চ এবং অকালমৃত্যুর হার দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।

জীবনযাত্রার মানের মূল্যায়নেও নিউ জার্সির অবস্থান নবম। সমুদ্রসৈকত, শহরতলির উন্নত জীবনযাত্রা ও নিউইয়র্ক এবং ফিলাডেলফিয়ার মতো বড় শহরের কাছাকাছি থাকা এই অঙ্গরাজ্যটিকে বসবাসের জন্য অত্যন্ত আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

গবেষণার তালিকায় প্রথম দশে থাকা অন্যান্য অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে—আইডাহো, উইসকনসিন, ম্যাসাচুসেটস, নিউ হ্যাম্পশায়ার, ওয়াইওমিং, উটাহ, মিনেসোটা, পেনসিলভানিয়া এবং ফ্লোরিডা।

সূত্র: ফক্স ফাইভ নিউইয়র্ক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%