০৩:২১ পি.এম
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান মন্তব্য করেছেন যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনও তাদের সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে পারে না। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করার জন্য তিনি জামায়াত-এনসিপিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
আজ রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রাশেদ খান এসব মন্তব্য করেন। তিনি ফেসবুক পোস্টে বলেন, জামায়াত কখনোই সিদ্ধান্তে স্থির থাকতে পারে না, সেটার প্রমাণ তারা আবারো দিলো রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির আগে প্রার্থী ঘোষণা করে।
তিনি আরও জানান, এর আগে জুলাই মাসে জাতীয় সনদে স্বাক্ষরের সময়েও জামায়াত তাদের সিদ্ধান্ত পাল্টিয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দল প্রার্থী দেবে না—এমন সংবাদের পর রাশেদ খান প্রশ্ন তুলেছিলেন, জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতায় যেতে পারবে না বুঝতে পেরেও জামায়াত-এনসপি নির্বাচন বর্জন করেছিল কি না?
আরও পড়ুন: ২৪ ঘন্টায় ডিএমপি’তে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ২১১১টি মামলা
রাশেদ খান নির্বাচনে জয় পাওয়ার চেয়ে অংশগ্রহণ করাকেই গণতান্ত্রিক সৌন্দর্য হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বলেন, ঠিক জাতীয় নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা বিরোধী দলের দায়িত্ব।
তিনি জানান, বিরোধী দল হিসেবে কার্যকরভাবে ফাংশন করতে হলে, হেরে যাওয়ার নিশ্চিত সম্ভাবনা না থাকলেও নির্বাচনী প্রক্রিয়াগুলোতে অংশগ্রহণ করতে হবে। এটিই সংসদীয় রাজনীতি। জামায়াত-এনসিপিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি মন্তব্য করেন।
আজ রবিবার দুপুরে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করেছেন ১১ দলীয় জোট।
জোটের বৈঠকের পর জোটের অন্যতম শরিক দল এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জানান, দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।
আরও পড়ুন: ভূমি খাতে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে
রাশেদ খান ওই পোস্টে উল্লেখ করেন, আমার ধারণা, কর্নেল অলি আহমদ হয়তো জামায়াত-এনসিপির কাছেও একটি প্রতিবন্ধকতা হয়ে উঠছে। এজন্য তাকে কৌশলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী করে জোটের নেতৃত্ব থেকে বিদায় জানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, অলি আহমদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই। আবার প্রার্থী হওয়ার পর তার জাতীয় রাজনীতি করার সুযোগও আর থাকবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন