রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৬ এম
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বা নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের ক্ষেত্রে আবারও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করা সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সূত্রগুলো জানাচ্ছে, যদি রোববার গেজেট প্রকাশ না হয়, তবে এই সপ্তাহের মধ্যে তা প্রকাশ করা হতে পারে। সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১০ সেপ্টেম্বরের কথা শোনা যাচ্ছে। তবে নির্দিষ্ট তারিখটি নির্ভর করছে বাকি থাকা প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া কত দ্রুত শেষ হয় তার ওপর।
কেন বারবার পেছাচ্ছে গেজেট
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে প্রধান বাধা কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নয়; বরং এটি সংশ্লিষ্ট ধারাবাহিক প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। মন্ত্রিসভায় পে স্কেল অনুমোদনের পরেও সরাসরি গেজেট প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এর আগে প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত করতে হয়, সরকারি মুদ্রণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যাচাই এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করতে হয়।
জানা গেছে, নবম জাতীয় পে স্কেলের রেজুলেশন ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) পাঠানো হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে এটি আবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। এরপর খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং শেষ হওয়ার পর এসআরও নম্বর দিয়ে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।
অর্থাৎ, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হয়ে গেলেও গেজেট প্রকাশের আগে একাধিক দাপ্তরিক ধাপ সম্পন্ন হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ‘রেজুলেশন বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। বিজি প্রেসের প্রক্রিয়া শেষে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। সবশেষে এসআরও নম্বর দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে। আশা করছি, বাকি কাজ ও প্রক্রিয়া চলতি সপ্তাহেই হয়ে যাবে।’
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরও প্রজ্ঞাপন জারির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ও আইনগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার প্রয়োজন রয়েছে। এসব ধাপ সম্পন্ন করতেই প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা বেশি সময় লাগছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের রাজধানী কিনশাসায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে অন্তত ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কিছু ব্যক্তি। স্থানীয় কর্মকর্তাদের মতে, নিহতের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর লিংওয়ালা এলাকার একটি ভবনে বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালীন আগুনের সূত্রপাত ঘটে। আগুন দ্রুতভাবে পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়লে অতিথিদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই বের হওয়ার চেষ্টা করলেও, ভবনের সরু করিডোর এবং সীমিত বের হওয়ার পথের কারণে তারা আটকা পড়েন।
লিংওয়ালা এলাকার মেয়র নরবার্ট মুশিঙ্গা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ২২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে উদ্ধার ও শনাক্তকরণ কার্যক্রম সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা চূড়ান্তভাবে বলা সম্ভব নয়।
অগ্নিকাণ্ডের ফলে আহতদের চিকিৎসা রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চলছে। স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগুন লাগার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।
কঙ্গোর উপপ্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাকম্যাঁ শাবানি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি এই ঘটনাকে একটি মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি হিসেবে উল্লেখ করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে কঙ্গোর জাতীয় রেডিও ও টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান গাই কিতোকো আলোমাও ছিলেন। বিয়ের অনুষ্ঠানে এমন প্রাণহানির ঘটনায় কিনশাসা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের অনুগত বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে হুথি বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষে ৬০ জনেরও বেশি প্রাণ হারিয়েছেন। ২০২২ সালে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ হওয়ার পর থেকে এটি দেশের মধ্যে ঘটে যাওয়া কিছু তীব্র লড়াইয়ের মধ্যে একটি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সংঘর্ষের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা দেশটির চিকিৎসা ও সামরিক সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর তিনটি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ওইদিন দক্ষিণপশ্চিম ইয়েমেনে দু'পক্ষের মধ্যে কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা লড়াইয়ে সরকারি বাহিনীর ২৬ সেনা নিহত হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরান সমর্থিত হুথি গোষ্ঠির চিকিৎসা ও সামরিক সূত্রগুলো জানায়, এ সংঘর্ষে ৩১ বিদ্রোহী যোদ্ধার মৃত্যু হয়েছে।
সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা তায়িজ শহরের একটি মেডিকেল সূত্র জানায়, একটি যাত্রীবাহী বাসে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ছয় বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও সাতজন আহত হয়েছেন।
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার গত শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) হুথিদের অবস্থানে ধারাবাহিক বিমান হামলা চালায়। এর ফলে দু'পক্ষের মধ্যে সংঘাত উল্লেখযোগ্যভাবে তীব্র হয়ে ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উপজেলার ফিলিপনগর দারোগার মোড় এলাকার একটি স্থানীয় কবরস্থানে আবদুর রহমান ওরফে শামীমকে দাফন করা হয়েছিল। গত শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় কে বা কারা কবর খুঁড়ে লাশ তুলে নিয়ে ‘শামীম বাবার দরবার’ প্রাঙ্গণে নতুন করে দাফন করেন। মৃত্যুর পর তার লাশ তিনবার ভিন্ন ভিন্ন সময়ে দাফন করা হয়েছে, যা একটি অস্বাভাবিক ঘটনা।
শনিবার দুপুরে দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ কুমার দাস ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা বিষয়টি নিশ্চিত করতে তদন্ত শুরু করেন। এ সময় প্রাথমিকভাবে কবর স্থানান্তরের আলামত পাওয়া যায়। দরবার প্রাঙ্গণের নতুন কবরে পলিথিনের প্যাকেটে মোড়ানো লাশ দেখতে পাওয়া যায়, যা তদন্তের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
তবে সেটি শামীমের মরদেহ কিনা, তা নিশ্চিত করার জন্য প্রথমে দাফন করা কবরের কিছু অংশ খুঁড়ে সেখানে মরদেহ আছে কিনা পরীক্ষা করা হয়। পরে শামীমের মরদেহ দরবার প্রাঙ্গণে সরিয়ে নেওয়া ও সেখানে দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর শনিবার দুপুরে পুলিশি পাহারায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দরবার এলাকার নতুন কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করা হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তা আগের কবরস্থানে পুনরায় দাফন করা হয়।
এ সময় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে মরদেহ কারা সরিয়ে নিয়েছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। শামীমের স্বজন ও স্থানীয় কয়েকজনের ধারণা, তার ভক্তদের কেউ এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন। নিহত শামীমের বড় ভাই ফজলুর রহমান বলেন, "সকালে খবর পেয়ে আমরা কবরস্থানে গিয়ে মাটি খোঁড়া ও মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার স্পষ্ট আলামত দেখতে পাই। পরে দরবার প্রাঙ্গণে গিয়ে নতুন একটি কবর খুঁড়ে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় তা দেখতে পেয়ে বিষয়টি পুলিশকে জানাই। তবে এ ঘটনার সঙ্গে আমাদের পরিবারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।"
দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, "দুটি কবরের আলামত দেখে মনে হচ্ছে শুক্রবার রাতেই লাশ উত্তোলন ও নতুন কবরে দাফনের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের পাশাপাশি এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ঘটনাস্থলে উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ কুমার দাস বলেন, "অনুমতি ছাড়া কবর থেকে মরদেহ উত্তোলন করা বেআইনি। আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কোনোভাবেই মরদেহ উত্তোলন করে অন্যত্র পুনরায় দাফন করা যায় না।" বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর দরবার প্রাঙ্গণ থেকে উত্তোলন করা মরদেহটি আগের কবরস্থানে পুনরায় দাফন করা হয়েছে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, চলতি বছরের ১১ এপ্রিল দুপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে শামীমের দরবারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। ওই দিনই তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন ১২ এপ্রিল ময়নাতদন্ত শেষে স্থানীয় কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
নিহত আবদুর রহমান শামীম নিজেকে ‘কালান্দার বাবা’ হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং তিনি সুরেশ্বরী দরবারের অনুসারী ছিলেন। ফিলিপনগরের দারোগার মোড় এলাকায় নিজস্ব দরবার শরিফ গড়ে তুলে তিনি সুফিবাদী আধ্যাত্মিক চর্চা চালিয়ে আসছিলেন।
এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির ভাই বাদী হয়ে কুষ্টিয়া জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ও খেলাফত মজলিসের এক নেতাসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন। মামলায় নাম থাকা চার আসামি বর্তমানে জামিনে রয়েছেন।
ইয়েমেনের সামরিক বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, এদিন সরকারি যুদ্ধবিমানগুলো তায়িজ ও হোদেইদাহে হুথিদের অবস্থান, সেনা সমাবেশ ও গাড়ি লক্ষ্য করে অন্তত ১৫ বার আঘাত হেনেছে।
গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) হুতিরা তায়িজ ও হোদেইদাহের দক্ষিণাঞ্চলীয় লড়াই প্রান্তগুলো বরাবর বড় ধরনের আক্রমণ শুরু করলে দু'পক্ষের মধ্যে তীব্র যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। আক্রমণে হুতিরা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন ব্যবহার করে আর কামানের ব্যাপক গোলাবর্ষণের ছত্রছায়ায় তাদের স্থল সেনারা লোহিত সাগরের উপকূলবর্তী সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর দিকে এগিয়ে যায়।
এরপর থেকে তায়িজ ও সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিকটবর্তী বন্দর আল-মাখাকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে লড়াই চলতে থাকে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে একটি জ্বালানি ট্যাংকারের বিস্ফোরণে অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৬ জন, এমনটি জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম আইআরআইবি।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) হামেদান-সানান্দাজ মহাসড়কে একটি সড়ক দুর্ঘটনার পর ট্যাংকারটিতে বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স জানায়, ট্যাংকারটির কারিগরি ত্রুটির কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।
সানান্দাজ শহরের গভর্নর জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর সৃষ্ট আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে নিহতদের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হতাহতদের সংখ্যা প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে এবং এটি পরবর্তীতে পরিবর্তিত হতে পারে।
ইরানে জ্বালানি ট্যাংকার ও বাসের ভয়াবহ দুর্ঘটনা নতুন কিছু নয়। দুর্বল সড়কব্যবস্থা, পুরোনো যানবাহন এবং অতিরিক্ত ভারী যান চলাচলের কারণে দেশে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটে।
২০১৮ সালে সানান্দাজের কাছে যাত্রী তোলার জন্য থেমে থাকা একটি বাসে জ্বালানি ট্যাংকারের ধাক্কায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছিলেন।
জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, ইরানে সড়ক দুর্ঘটনার হার বিশ্বের গড়ের তুলনায় প্রায় ২০ গুণ বেশি। দেশের সড়কের দুরবস্থা ও দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে এর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০১৭ সালের মে মাসে তেহরানভিত্তিক সংবাদপত্র ফাইন্যান্সিয়াল ট্রিবিউন’র এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, ইরানে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় ২০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৮ লাখ মানুষ আহত হন।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ