প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় বেতন কাঠামো বা নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের ক্ষেত্রে আবারও অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নতুন বেতন কাঠামোর গেজেট প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে তা হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করা সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সূত্রগুলো জানাচ্ছে, যদি রোববার গেজেট প্রকাশ না হয়, তবে এই সপ্তাহের মধ্যে তা প্রকাশ করা হতে পারে। সম্ভাব্য তারিখ হিসেবে ১০ সেপ্টেম্বরের কথা শোনা যাচ্ছে। তবে নির্দিষ্ট তারিখটি নির্ভর করছে বাকি থাকা প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়া কত দ্রুত শেষ হয় তার ওপর।
কেন বারবার পেছাচ্ছে গেজেট
সংশ্লিষ্টদের ভাষ্যমতে, পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে প্রধান বাধা কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত নয়; বরং এটি সংশ্লিষ্ট ধারাবাহিক প্রশাসনিক ও আইনগত প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। মন্ত্রিসভায় পে স্কেল অনুমোদনের পরেও সরাসরি গেজেট প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এর আগে প্রজ্ঞাপনের খসড়া প্রস্তুত করতে হয়, সরকারি মুদ্রণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের যাচাই এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিংসহ কয়েকটি ধাপ সম্পন্ন করতে হয়।
জানা গেছে, নবম জাতীয় পে স্কেলের রেজুলেশন ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) পাঠানো হয়েছে। সেখানে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে এটি আবার অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। এরপর খসড়াটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং শেষ হওয়ার পর এসআরও নম্বর দিয়ে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে।
অর্থাৎ, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন হয়ে গেলেও গেজেট প্রকাশের আগে একাধিক দাপ্তরিক ধাপ সম্পন্ন হওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অর্থ মন্ত্রণালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ‘রেজুলেশন বিজি প্রেসে পাঠানো হয়েছে। বিজি প্রেসের প্রক্রিয়া শেষে এটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে আসবে। এরপর আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। সবশেষে এসআরও নম্বর দিয়ে গেজেট প্রকাশ করা হবে। আশা করছি, বাকি কাজ ও প্রক্রিয়া চলতি সপ্তাহেই হয়ে যাবে।’
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পরও প্রজ্ঞাপন জারির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ও আইনগত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার প্রয়োজন রয়েছে। এসব ধাপ সম্পন্ন করতেই প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা বেশি সময় লাগছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন