ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাসসের নতুন এমডি কাদের গনি চৌধুরীকে খুলনা এমইউজে’র অভিনন্দন


বাসসের নতুন এমডি কাদের গনি চৌধুরীকে খুলনা এমইউজে’র অভিনন্দন

খুলনা, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা -এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান সম্পাদক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন খুলনা মহানগর সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) নেতারা। 

আজ এক বিবৃতিতে খুলনা এমইউজে’র সভাপতি মো. রাশিদুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক রানা বলেন, বাসসের নতুন এমডি মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরীর পেশাগত অভিজ্ঞতা, সততা এবং দক্ষতা দেশের গণমাধ্যমকে আরও শক্তিশালী করতে অবদান রাখবে।

এমইউজে নেতারা মুহাম্মদ কাদের গনি চৌধুরীর সাফল্য ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন।

আরও পড়ুন: নওগাঁয়ে ঘরে মাটির নিচে ২৪৫ কেজির কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার, আটক ১

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানাডাকে জাতীয়তাবাদে উজ্জীবিত করে দিচ্ছেন ট্রাম্প!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৪ পি.এম


কানাডাকে জাতীয়তাবাদে উজ্জীবিত করে দিচ্ছেন ট্রাম্প!

দ্বিতীয় মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার আগে আমেরিকা-কানাডা সম্পর্কটি ছিল পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস এবং বন্ধুত্বের। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে ৮ হাজার ৮৯১ কিলোমিটারের বিশ্বের দীর্ঘতম আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবরই সম্পূর্ণ অরক্ষিত বা সামরিকায়নমুক্ত। দুই দেশের নাগরিকরা অবাধে যাতায়াত করতে পারেন। মার্কিন নাগরিকরা কানাডাকে তাদের সবচেয়ে পছন্দের দেশগুলোর একটি মনে করতেন এবং সাধারণ কানাডিয়ানদের মধ্যেও আমেরিকার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ছিল। এখনো অধিকাংশ আমেরিকান কানাডার প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করেন। তবে কানাডায় এখন মার্কিনবিরোধী মনোভাব প্রবল। কানাডায় এখন দেশপ্রেমের জোয়ার বইছে। আর এর পেছনে একক দায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।

দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডাকে আমেরিকার ৫১তম অঙ্গরাজ্য বনে যাওয়ার প্রস্তাব দেন। কানাবার সরকারি, বিরোধী দলসহ সর্বস্তরে এ প্রস্তাবের প্রবল প্রতিক্রিয়া হয়। এরপর ট্রাম্প আরও অনেক দেশের মতো কানাডাকেও শুল্ক আরোপ করে কাবু করতে চেয়েছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের প্রতিবাদে গতবছর মার্চে কানাডাও পাল্টা শুল্ক আরোপ করে। একই সময়ে কানাডার প্রাদেশিক সরকারগুলো মার্কিন অ্যালকোহল আমদানির ওপর আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পরবর্তীতে কানাডা কিছু ক্ষেত্রে পাল্টা শুল্ক প্রত্যাহার করলেও বেশিরভাগ প্রদেশই মার্কিন মদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলেনি।

কানাডার ১৩টি প্রদেশ ও অঞ্চলের মধ্যে ১১টিতেই এই বয়কট ও নিষেধাজ্ঞা দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকর রয়েছে। যার ফলে কানাডার দোকানগুলোর তাক থেকে আমেরিকান মদ ও ক্যালিফোর্নিয়ার ওয়াইন পুরোপুরি উধাও হয়ে যায়। এই বয়কটের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের মদ উৎপাদনকারী শিল্প বিশাল লোকসানের মুখে পড়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় মার্কিন অ্যালকোহল আমদানি প্রায় ৮১ শতাংশ কমে গেছে। এটি বর্তমানে দুই দেশের মধ্যকার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক লড়াইয়ের অন্যতম প্রধান প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও কানাডার জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই মার্কিন অ্যালকোহল বর্জন করে। কানাডার জনগণের এই জাতীয়তাবাদী চেতনা আরও গতি পায় গত সপ্তাহে। যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যে একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলছিল। কিন্তু কানাডার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্নকারী কিছু শর্ত এবং শেষ মুহূর্তের অন্যায্য পরিবর্তনের কারণে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এই আলোচনা বাতিল ঘোষণা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাম্প কানাডার পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। জবাবে কানাডাও মার্কিন পণ্যের ওপর ৫০ ভাগ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করে।

এমনিতেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা অন্যায্য বক্তব্য ও আচরণে বিরক্ত ছিল কানাডার মানুষ। বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে কানাডার সরকারের অনমনীয় অবস্থান সাধারণ কানাডিয়ানদের মধ্যে তীব্র মার্কিন-বিরোধী ক্ষোভ ও অর্থনৈতিক দেশপ্রেম জাগ্রত করেছে। সাধারণ ভোক্তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবেই মার্কিন মদ, কফি কিংবা পণ্য কেনা বর্জন করে নিজস্ব কানাডিয়ান পণ্য বেছে নিতে শুরু করেছেন। কানাডার সরকারও জনগণকে আগের চেয়ে বেশি মার্কিন পণ্য বর্জনের জন্য উৎসাহিত করছে।

নতুন মার্কিন শুল্কের জবাবে কানাডার পদক্ষেপ ঘোষণা করার সময় গত মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেন জোর দিয়ে বলেন, ‘এটি মনে রাখা ভালো যে আমাদের সবার সবচেয়ে বড় ক্ষমতা হলো আমাদের নিজেদের ক্রয়ক্ষমতা। আমরা কানাডিয়ান পণ্য কেনার সিদ্ধান্ত নিতে পারি এবং আমাদের অবশ্যই কানাডিয়ান পণ্য বেছে নিতে হবে।’ শিল্পমন্ত্রী মেলানি জোলি যোগ করেন, ‘আপনি যখন একটি কানাডিয়ান পণ্য বেছে নেন, তখন আপনি কেবল যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপই সৃষ্টি করছেন না, বরং কানাডায় কর্মসংস্থানও রক্ষা করছেন।’

মন্ট্রিলের একটি সুপারমার্কেটের ব্যবস্থাপক পিটার জিয়ানোপোলিস বুধবার বলেন, ওয়াশিংটনের সাথে বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ করার বিষয়ে কানাডা সরকারের সিদ্ধান্তের পর থেকে তিনি ভোক্তাদের আচরণে ইতিমধ্যেই একটি পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘গ্রাহকরা জানতে চান পণ্যগুলো কোথা থেকে এসেছে এবং পণ্যগুলো বেশি ব্যয়বহুল হলেও সর্বদা কুইবেকের পণ্যগুলোকে প্রাধান্য দেন।’

গত বছর থেকে দোকানগুলোতে পণ্যের উৎস স্পষ্টভাবে চিহ্নিত করার জন্য লেবেল এবং কানাডার পতাকার ম্যাপেল পাতার ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়েছে। অনেক খুচরা বিক্রেতা অর্থনৈতিক দেশপ্রেমের আহ্বান জানাচ্ছেন। মন্ট্রিলের একটি কানাডিয়ান টায়ার দোকানের কর্মচারীরা বুধবার একটি উদ্দীপনামূলক স্লোগান লেখা টি-শার্ট পরেছিলেন, ’আমরা সবাই কানাডার জন্য খেলি।’

খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাইরেও এই বয়কট পর্যটনে প্রভাব ফেলছে। আইনজীবী শার্লট ডুমোনসো বলেন, ‘আমি আগামী কয়েক বছর যুক্তরাষ্ট্রে ছুটিতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ এবার কিছুটা বাড়লেও গতবছর যুক্তরাষ্ট্রে কানাডিয়ানদের ভ্রমণের সংখ্যা ২৫ শতাংশ কমে গিয়েছিল।

উদ্বিগ্ন কিছু মার্কিন সীমান্ত রাজ্যের পর্যটন ব্যবসায়ীরা কানাডিয়ানদের জন্য বিভিন্ন ছাড়ের ব্যবস্থা করে লাল গালিচা সংবর্ধনা দিচ্ছেন। নিউইয়র্ক রাজ্য বিশেষ করে তাদের ’নিউইয়র্ক লাভস কানাডা’ উদ্যোগ চালু করেছে, যার মাধ্যমে বছরের শেষ নাগাদ কানাডিয়ানদের জন্য ধারাবাহিক কিছু প্রচারণামূলক ছাড়ের অফার দেওয়া হচ্ছে। তবে এসব বিচ্ছিন্ন চেষ্টায় কাজ হবে বলে মনে হয় না। যুক্তরাষ্ট্র-কানাডার সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সিদ্ধান্ত আসতে হবে সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রশাসনের স্থগিতাদেশের পরও জাবিতে ভিপি-জিএসের নির্দেশে মাঠ সংস্কারের কাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


প্রশাসনের স্থগিতাদেশের পরও জাবিতে ভিপি-জিএসের নির্দেশে মাঠ সংস্কারের কাজ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল-সংলগ্ন খেলার মাঠ সংস্কারের কাজ প্রশাসনের স্থগিতাদেশ থাকা সত্ত্বেও অব্যাহত রয়েছে। হল সংসদের ভিপি অমিত বণিক এবং জিএস মাহমুদুল হাসান ইমনের নির্দেশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মাঠ সংস্কারের কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত করার কথা জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, সরকারি ক্রয় বিধিমালা (পিপিআর) লঙ্ঘন করে দরপত্র ছাড়াই লাইসেন্সবিহীন ঠিকাদারকে কাজ দেওয়ার অভিযোগের ভিত্তিতে সংস্কারকাজ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। অভিযোগের তদন্তের জন্য অধ্যাপক ড. মাহবুব কবীরকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে প্রশাসনের স্থগিতাদেশের পরও শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে মাঠে সংস্কারকাজ চলতে দেখা যায়। এ সময় একটি বুলডোজার দিয়ে মাঠের মাটি সমান করা হচ্ছিল। পাশাপাশি ট্রাক্টরে করে মাটি এনে মাঠে ফেলা হচ্ছিল। কয়েকজন শ্রমিককে কোদাল ও ঝুড়ি দিয়ে মাটি সরানোর কাজ করতেও দেখা যায়।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নোটিশ পাওয়ার পরই তিনি ঠিকাদারকে কাজ বন্ধ করে সরঞ্জামাদি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নোটিশ পাওয়ার পরই আমি ঠিকাদারকে কাজ বন্ধ করার এবং সরঞ্জামাদি সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি। কাজ চালু রাখার বিষয়ে আমি অবগত নই। শিক্ষার্থীরা কোনোভাবে চাপ প্রয়োগ করে ঠিকাদারকে দিয়ে কাজ করাচ্ছে কি না, হলে গেলে বিষয়টি জানতে পারব।’

তবে হল সংসদের ভিপি অমিত বণিক কাজ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হলের শিক্ষার্থীরা মাঠের সংস্কারকাজ চালু রাখার পক্ষে। তাই কাজ চলছে। বৈধ কারণ ছাড়া প্রশাসন মাঠের সংস্কারকাজ বন্ধ করতে পারে না।’

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে হল সংসদের জিএস মাহমুদুল হাসান ইমনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

প্রশাসনের স্থগিতাদেশের পরও কিভাবে কাজ চলছে—এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, তদন্ত চলাকালে মাঠের সংস্কারকাজ বন্ধ থাকবে।

তিনি বলেন, ‘তদন্ত চলাকালীন কাজ সাময়িক বন্ধ থাকবে। তদন্তের পরে দ্রুত কাজটি শেষ করে দেওয়া হবে। অনিয়মের জন্য যারা দায়ী, তাদের চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। এটাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।’

উল্লেখ্য, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের অসমাপ্ত খেলার মাঠ সংস্কারের জন্য ৭ লাখ ৩১ হাজার টাকা বাজেট ধরা হয়েছে।

 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএনপি ধীরে ধীরে লাইনচ্যুত ও ব্যর্থতার দিকে এগিয়ে গেলে দেশের জন্য ক্ষতিকর : চাঁদপুরে সারজিস আলম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


বিএনপি ধীরে ধীরে লাইনচ্যুত ও ব্যর্থতার দিকে এগিয়ে গেলে দেশের জন্য ক্ষতিকর : চাঁদপুরে সারজিস আলম

এনসিপি’র উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক মো. সারজিস আলম মন্তব্য করেছেন যে, যখন বিএনপির সমালোচনা করা হয়, তখন তারা মনে করে এনসিপি তাদের বিরোধিতা করছে। তিনি বলেন, যদি বিএনপি ধীরে ধীরে লাইনচ্যুত হয় এবং ব্যর্থতার দিকে অগ্রসর হয়, তবে তা শুধু তাদের জন্য ক্ষতিকর নয়, বরং পুরো বাংলাদেশের জন্যও ক্ষতিকর হবে।

শুক্রবার বিকালে চাঁদপুর জেলা প্রেসক্লাব এনসিপির চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে একটি সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় সাংবাদিকদের সাথে তিনি এই কথা বলেন।

সারজিস আলম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, সংসদ বা বাইরে লোকদেখানো বুলির ওপর নির্ভর না করে বাস্তবিক কাজ করে দেখানোর আহ্বান জানাচ্ছি।

তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সমালোচনা করে উল্লেখ করেন, সকল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল মন্ত্রী হয়েও যদি তিনি নিজ দায়িত্বে ব্যর্থ হন, তবে সেই অবস্থান থেকে বেরিয়ে আসা উচিত। মন্ত্রীদের নিজেদের দপ্তরের সঠিক তথ্য ও রিপোর্ট সংসদে সঠিকভাবে উপস্থাপন করার তাগিদ দেন তিনি।

ওসমান হাদি হত্যার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, মূল হত্যাকারীদের ভারতে গ্রেপ্তার করা হলেও সংসদে শুধু তাদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, যা অবাস্তব ও ধোঁয়াশাচ্ছন্ন। এই ধরনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু ও নিশ্চিত বিচার না হলে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি সম্ভব নয়।

চাঁদপুর জেলা এনসিপি’র আহবায়ক মো. মাহবুব আলমের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মো. আমানুল্লাহ পাটোয়ারীর সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা যুগ্ম আহবায়ক ও রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য মো. আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম সদস্য সচিব ও রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য মো. সালেহ উদ্দিন সিফাত, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মো. মাহবুব আলম প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


কক্সবাজারে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ উদ্ধার

কক্সবাজার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬ : কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে গোসলে নেমে নিখোঁজ এক পর্যটকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে জেলার মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপের সৈকত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। গত বুধবার বেলা ২টার দিকে ওই এলাকা থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুগন্ধা সৈকত এলাকায় সাগরের পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন তিনি।

নিহত পর্যটকের নাম ইব্রাহিম খান (২৩)। তিনি ঢাকার জেডকেপি নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। গত বুধবার ইব্রাহিমের সঙ্গে মো. ইয়াসিন (২৫) নামের আরেক পর্যটক সাগরের পানিতে ডুবে যান। তবে ওই দিনই ইয়াসিনের লাশ উদ্ধার করেন লাইফগার্ডের সদস্যরা। ইয়াসিন ও ইব্রাহিম দু’জন সম্পর্কে চাচাতো ভাই।

পুলিশ ও লাইফগার্ডের কর্মীরা জানান, ইব্রাহিম, ইয়াসিনসহ ৫ জন সুগন্ধা সৈকতে গোসলে নেমেছিলেন। এ সময় বড় ঢেউয়ের আঘাতে ইব্রাহিম খান ও ইয়াসিন ভেসে যান। পরে সি-সেফ লাইফগার্ডের সদস্যরা তল্লাশি চালিয়ে মো. ইয়াসিন খানকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেই চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কক্সবাজার সৈকতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়োজিত বিচ-কর্মীদের সুপারভাইজার মাহবুবুর রহমান বাসস’কে বলেন, নিখোঁজের পর থেকে ইব্রাহিমের সন্ধান করা হচ্ছিল।

শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে জোয়ারের পানিতে ইব্রাহিমের লাশ ভেসে ওঠে। স্থানীয় লোকজন লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেন। পরে মহেশখালী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ মোহাম্মদ আলী বাসস’কে বলেন, নিখোঁজ পর্যটক ইব্রাহিমের লাশ কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। লাশের ময়না তদন্ত করা হবে। এরপর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%