ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আইন ও বিচার বিভাগে ১২ জেলা রেজিস্ট্রারের পদোন্নতি


আইন ও বিচার বিভাগে ১২ জেলা রেজিস্ট্রারের পদোন্নতি

 আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ ১২ জন জেলা রেজিস্ট্রারকে পদোন্নতি দিয়ে নিবন্ধন অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন (এআইজিআর) পদে পদায়ন করেছে।

সম্প্রতি আইন ও বিচার বিভাগের উপসচিব মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৪০,০০০-৫৩,১৭০ টাকা বেতন স্কেলের ষষ্ঠ গ্রেডে নিবন্ধন ক্যাডারভুক্ত সহকারী পরিদর্শক (আইআরঅ্যান্ডএস) পদ থেকে সহকারী মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন (এআইজিআর) পদে তাদের পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: সবজি কিনতে গেলে মনে হয় মাংস কিনছি, গরু-ইলিশের কথা মানুষ ভুলে যাবে: আসিফ মাহমুদ

পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা হলেন, মো. মোহছেন মিয়া (বরিশাল), মো. খন্দকার জামীলুর রহমান (চট্টগ্রাম), দীপক কুমার সরকার (পাবনা), মো. হেলাল উদ্দিন (ঠাকুরগাঁও), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (টাঙ্গাইল), মুনসী মোখলেছুর রহমান (ঢাকা), মো. আবদুল মালেক (নেত্রকোণা), মুহাম্মদ আবু তালেব (যশোর), মহসীন আলম (ঝালকাঠি), মোহা: আবদুল হাফিজ (নারায়ণগঞ্জ), মো. মিজানুর রহমান (খুলনা) এবং মো. আব্দুল بارী (জয়পুরহাট)।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কার্যবণ্টন বিধিমালা সংশোধনে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৭ এম


কার্যবণ্টন বিধিমালা সংশোধনে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশনা

 সরকার কার্যবণ্টন বিধিমালা, ১৯৯৬-এর তৃতীয় তফসিল (কার্যবণ্টন) সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে।

এ উদ্যোগে সরকারের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিধি অধিশাখার উপসচিব শারমিন ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, কার্যবণ্টন বিধিমালা, ১৯৯৬-এর ৩ নম্বর বিধি অনুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্ব এবং কার্যাবলি নির্ধারিত রয়েছে।

একই সঙ্গে বিধিমালার দ্বিতীয় তফসিলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে সরকারি কার্যাবলির দায়িত্ব বণ্টনের বিষয়গুলো উল্লেখ রয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনো বিষয়ে দায়িত্ব নির্ধারণ নিয়ে মন্ত্রণালয় বা বিভাগের মধ্যে মতপার্থক্য বা সমন্বয়ের প্রয়োজন দেখা দেয়, তবে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দপ্তরে পাঠাতে হবে।

পাশাপাশি, ১০ নম্বর বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ক্ষমতা অর্পণ এবং ১১ নম্বর বিধি অনুযায়ী বিধিমালা সংশোধনের প্রয়োজন হলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরিপত্রে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব ও কার্যাবলি পর্যালোচনা করে তৃতীয় তফসিল (কার্যবণ্টন) হালনাগাদের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া বিদ্যমান এবং প্রস্তাবিত কার্যবণ্টনের একটি তুলনামূলক বিবরণী প্রস্তুতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ক পূর্ববর্তী পরিপত্রের আলোকে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

নির্দেশনাটি সকল সিনিয়র সচিব, সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজায় পুলিশ পোস্টে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ৭ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৯ এম


গাজায় পুলিশ পোস্টে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ৭ জন

গাজার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া এলাকায় একটি পুলিশ পোস্টে ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা, আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য এবং একজন নারী রয়েছেন। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও পুলিশ সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

মঙ্গলবার জাবালিয়ার একটি ব্যস্ত বাজারের কাছে এই হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি ইসরায়েলি ড্রোন থেকে পুলিশ পোস্টটি লক্ষ্য করে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। হামলার পর এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের মানুষ আহতদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন।

গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে স্থানীয় থানার প্রধান কর্নেল মোহাম্মদ মারওয়ান সালেম রয়েছেন। এছাড়া আরো কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা হামলায় নিহত হয়েছেন। মন্ত্রণালয় এই ঘটনাকে 'গণহত্যা' আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দাবি করছে, কর্নেল মারওয়ান সালেম হামাসের সেন্ট্রাল জাবালিয়া ব্যাটালিয়নের সামরিক নিরাপত্তা প্রধান ছিলেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় তার সঙ্গে আরো তিনজন 'সন্ত্রাসী' নিহত হয়েছেন।

 

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, নিহত অন্য তিনজন হলেন আবদুল মালিক আল-জাবিন, ঘাসান আল-দাকাস এবং ইয়ামান আবু ওবেইদা। সেনাবাহিনীর দাবি, প্রথম দুজন পুলিশ কর্মকর্তা হলেও তারা হামাসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। হামলায় নিহত ও আহতদের গাজা সিটির আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নিহত এক পুলিশ কর্মকর্তার চাচা মোহাম্মদ মুসা বলেন, তার ভাতিজা কোনো যোদ্ধা ছিলেন না, তিনি বেসামরিক পুলিশ বাহিনীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

রয়টার্সকে তিনি বলেন, তার ভাতিজা একটি বেসামরিক গাড়িতে করে ফালুজাহ রাউন্ডঅ্যাবাউট এলাকায় নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন। সেই সময় একটি নজরদারি ড্রোন তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, একজন বেসামরিক পুলিশ সদস্যকে কেন লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলো। এদিকে একই দিনে দক্ষিণ গাজাতেও পৃথক হামলায় আরো দুজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী, খান ইউনিস এলাকায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় একজন নিহত এবং আরো তিনজন আহত হয়েছেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ওই হামলায় হামাসের একজন সদস্যকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। অন্যদিকে রাফাহ এলাকায় ইসরায়েলি গুলিতে ১০ বছর বয়সী মুয়াতাজ আবু শার নামে এক শিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। শিশুটির ফুফু সুজান আবু শার বলেন, হামলার সময় মুয়াতাজ নিজের তাঁবুর ভেতরে কাপড় বদলাচ্ছিল। তার ভাষায়, ছেলেটি ছিল তার মায়ের একমাত্র ভরসা। তিনি বলেন, এখন গাজায় কোথাও নিরাপদ আশ্রয় নেই। সাধারণ মানুষ প্রতিদিন আতঙ্কের মধ্যে জীবন কাটাচ্ছে। তিনি যুদ্ধ বন্ধ এবং বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা বন্ধের আহ্বান জানান।

 

রাফায় শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। গত অক্টোবরে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসরায়েল ও হামাস প্রায় প্রতিদিনই একে অপরের বিরুদ্ধে লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে। উভয় পক্ষই বলছে, অপর পক্ষ যুদ্ধবিরতির শর্ত মানছে না। গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১ হাজার ১১০ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, একই সময়ে ফিলিস্তিনি হামলায় তাদের চারজন সেনা নিহত হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বে চালানো হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যাওয়া হয়। এর জবাবে ইসরায়েল গাজায় বড় পরিসরের সামরিক অভিযান শুরু করে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেই অভিযান শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজার ২৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩২ এম


দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

দেশকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান। পাশাপাশি তিনি শিশুদের প্রতি বছর অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই বিষয়ে তিনি কথা বলেন। দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের সময় তিনি এই আহ্বান জানান। প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সারাদেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সূচনা হিসেবে, তিনি একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আজ দেশে একযোগে প্রায় ২ লাখ চারা রোপণ করা হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে।

উপস্থিত শিশুদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা চেষ্টা করবে প্রতি বছর একটি করে গাছ রোপণ করতে। সেটি তোমাদের স্কুলে হোক বা বাসার আশপাশে। যেখানে মনে করবে সেখানেই একটি করে গাছ রোপণ করবে।’

তিনি উল্লেখ করেন, ‘গাছটি কি পরিমাণ অক্সিজেন উৎপাদন করে এবং ওই গাছটি মানুষের কী কী উপকারে আসে, এই বিষয়গুলো তোমরা ইন্টারনেট ঘেটে বিভিন্নভাবে রিসার্চ করবে।’

তারেক রহমান আরও বলেন, ‘এভাবে প্রতি বছর তোমরা একটি করে গাছ সম্পর্কে নতুন কিছু জানতে পারবে। স্কুলে লাগানো গাছ বড় হলে সেটি তোমাদের ছায়া দেবে। ক্লান্ত হলে তোমরা সেই গাছের নিচে বিশ্রাম নিতে পারবে।’

তিনি বলেন, বাসায় গাছ রোপণ করলে, গাছটি যখন বড় হবে, সুন্দর বাতাস বইবে। ঘরে বসে তুমি বাতাস উপভোগ করতে পারবে। আবার পরিবেশটা অনেক ঠান্ডা হবে।

আজকের দিনটিকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, ‘আজ একটি স্মরণীয় দিন। আজ আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশের মাটিতে একসঙ্গে অনেকগুলো গাছ রোপণ করলাম।’

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী প্রাণ-প্রকৃতি বিষয়ক শিশু শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে ঘুরে দেখেন।

এ সময় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই শহিদ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনে কর্মসূচি চূড়ান্ত করল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৫ এম


জুলাই শহিদ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনে কর্মসূচি চূড়ান্ত করল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়

১৬ জুলাই ‘জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬’ এবং ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করার উদ্দেশ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও দপ্তরে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সভায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় দ্বারা প্রণীত কর্মসূচির আলোকে দুইটি দিবস পালনের জন্য বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়।

যথাযথভাবে ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জুলাই শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

অন্যদিকে, ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পাশাপাশি দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ), শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট এবং বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট।

সভায় গৃহীত কর্মসূচিগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%