ঢাকা শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ৩১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নীলফামারীতে জেলা ইজতেমা শেষ হচ্ছে কাল: বিদেশি মেহমানসহ লাখো মুসল্লির ঢল, সকালে আখেরি মোনাজাত​


নীলফামারীতে জেলা ইজতেমা শেষ হচ্ছে কাল: বিদেশি মেহমানসহ লাখো মুসল্লির ঢল, সকালে আখেরি মোনাজাত​

ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আজকার এবং দ্বীনি আলোচনার মধ্য দিয়ে নীলফামারী সদর উপজেলার ঐতিহাসিক দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল মাঠে অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। দ্বীনের দাওয়াত ও ইসলামের সুমহান আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে এই মহাসমাবেশে অংশ নিয়েছেন দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা লাখো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি।
একই ছাদের নিচে ঈমানী আবহ সৃষ্টি করতে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকেও যুক্ত হয়েছেন ধর্মপ্রাণ মেহমানরা। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, সুদান ও সৌদি আরবসহ বিশ্বের ৬টি দেশের ১২ জন বিদেশি নাগরিক এই আঞ্চলিক ইজতেমায় উপস্থিত থেকে দ্বীনের কাজ পরিচালনা করছেন।
দিনভর ইবাদত ও দ্বীনি বয়ান:
ইজতেমার মূল কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রতিদিন ফজর থেকে এশা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলছে মূল মঞ্চের আলোচনা। দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা ওলামায়ে কেরামগণ পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে মানবকল্যাণ, আত্মশুদ্ধি, দৈনন্দিন জীবনে ইসলামের নৈতিক মূল্যবোধের চর্চা এবং বিশ্বময় দ্বীনের দাওয়াত ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর বিস্তারিত বয়ান পেশ করছেন।
আজ শুক্রবার জুমার নামাজকে কেন্দ্র করে ইজতেমা ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। মূল প্যান্ডেল ছাড়িয়ে মহাসড়ক ও আশেপাশের খোলা মাঠেও পলিথিন ও চাটাই বিছিয়ে নামাজে শরিক হন লাখো মুসল্লি। জুমার খুতবায় ঐক্যবদ্ধ মুসলিম উম্মাহ গড়া ও বিশ্বশান্তির বাণী পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
শনিবার ১১টায় আখেরি মোনাজাত:
জেলা তাবলিগ জামায়াতের পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল ৩১ অক্টোবর (শনিবার) বেলা ১১টায় আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে তিন দিনব্যাপী এই ইজতেমার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে। মোনাজাতে দেশ, জাতি ও সমগ্র মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনার পাশাপাশি বিশ্ব শান্তির জন্য খাস দোয়া করা হবে। আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে শনিবার ভোর থেকেই আশেপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আরও বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম ঘটবে বলে ধারণা করছেন আয়োজকরা।
নিচ্ছিন্দ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা:
ইজতেমা ঘিরে পুরো দারোয়ানী টেক্সটাইল মিল এলাকা ও আশপাশের আঞ্চলিক মহাসড়কে জোরদার করা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তাবলয়। নীলফামারীর পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন খান জানিয়েছেন, মুসল্লিদের নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে যাতায়াত এবং অবস্থান নিশ্চিত করতে পুরো এলাকাকে দুটি বিশেষ সেক্টরে ভাগ করে ১৮৪ জন সশস্ত্র পুলিশ সদস্য নিয়োজিত রাখা হয়েছে।
এছাড়া পোশাকধারী পুলিশের সাথে সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি), সাদা পোশাকের নজরদারি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর স্পেশাল টিম। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি বা স্বাস্থ্যসেবার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে মেডিক্যাল টিম ও ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ দল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদক বিরোধের জেরে শাল্লায় মুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

​শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


মাদক বিরোধের জেরে শাল্লায় মুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় রাতের আঁধারে এক নারীর বসতঘর ও দোকানঘরসহ তিনটি ঘর ব্যাপকভাবে ভাঙচুর এবং প্রায় ৩৫ লাখ টাকার মালামাল লুটপাটের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ১ নম্বর আটগাঁও ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে গত ২৩ অক্টোবরের একটি বিরোধের জের ধরে এ বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে।

ভুক্তভোগী ফরিদা আক্তার উজ্জ্বলার অভিযোগ, ১০০ থেকে ১৫০ জনের একদল সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্ত রাতের আঁধারে তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়ে বসতঘর ও দোকানঘর গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও গবাদিপশু লুট করে নিয়ে গেছে। হামলার সময় তাঁকে এবং তাঁর অন্তঃসত্ত্বা ভাবিকে পিটিয়ে রক্তাক্ত ও আহত করা হয়।

ঘটনাস্থল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভুক্তভোগী উজ্জ্বলার দোকানঘরসহ তিনটি ঘর এবং শৌচাগার ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছে। চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ভাঙা আসবাবপত্র ও ধ্বংসাবশেষ। একসময়ের শান্ত বসতবাড়িটি এখন পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে ভুক্তভোগী উজ্জ্বলা বলেন,
“রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ শতাধিক লোক আমাদের বাড়িতে হামলা চালায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা ঘরের বাতিগুলো ভেঙে অন্ধকার করে ফেলে। এরপর বসতঘর ও দোকানঘরসহ তিনটি ঘর তছনছ করে দেয়। দুর্বৃত্তরা আমাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত করেছে এবং আমার অন্তঃসত্ত্বা ভাবিকেও ছাড় দেয়নি।”

তিনি আরও জানান, ঘর থেকে আড়াই থেকে তিন ভরি স্বর্ণালংকার, মালামাল, ফ্রিজ, টিভি ও আসবাবপত্রসহ প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে। এছাড়া ঘরের কয়েকটি গরুও হামলাকারীরা নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নিজের পরিবারের ঐতিহ্য ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তুলে ধরে ফরিদা আক্তার উজ্জ্বলা বলেন,
“আমার ফুফু ছিলেন বীরাঙ্গনা জমিলা বেগম, দাদা ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন এবং আমার বাবা ছিলেন যুদ্ধাপরাধ মামলার সাক্ষী। মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী পরিবারের সদস্য হয়েও আজ নিজ ভিটায় আমাকে এভাবে নির্যাতনের শিকার হতে হলো। আমি প্রশাসনের কাছে এর দৃষ্টান্তমূলক সুষ্ঠু বিচার চাই।”

(উল্লেখ্য, ভুক্তভোগীর মুক্তিযুদ্ধসংক্রান্ত এ সকল দাবি সংশ্লিষ্ট সরকারি নথিপত্র থেকে স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।)
ঘটনার নেপথ্যের কথা জানিয়ে উজ্জ্বলা অভিযোগ করেন, গত ২৩ অক্টোবর তাঁর দোকানে চুরির ঘটনা ঘটলে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে শাল্লা থানা পুলিশ তদন্তে যায়। তবে পুলিশ এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার পরপরই সংঘবদ্ধ চক্রটি তাঁদের ওপর এ বর্বরোচিত হামলা চালায়।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, হামলার সময় বারবার স্থানীয় থানায় ফোন করলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি। পরবর্তীতে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পরদিন পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।
হামলায় অভিযুক্ত হিসেবে তিনি স্থানীয় জালাল মিয়া, হেকিম মিয়া, আজিজুল মিয়া, আইয়ুব আলীর ছেলে শাহীন এবং হেকিম মিয়ার ছেলে শাহীনসহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, তাঁদের নেতৃত্বেই এ লুটপাট ও তাণ্ডব চালানো হয়েছে।
এদিকে, হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত পক্ষ। ১ নম্বর আটগাঁও ইউনিয়নের যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল মিয়া, শাল্লা উপজেলা মাদকবিরোধী কমিটির সহসভাপতি শাহীন আল কাউসার ও শাহজালাল মিয়া দাবি করেন, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকসংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে।
তাঁদের দাবি, উজ্জ্বলা বেগম ও তাঁর আত্মীয় হেলাল মিয়া মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। উজ্জ্বলা সম্প্রতি জেল থেকেও জামিনে বের হয়েছেন বলে তাঁরা জানান। তবে এসব ই
“এলাকার উঠতি বয়সীদের মাদকের হাত থেকে বাঁচাতে আমরা সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। তবে রাতের আঁধারে কারা বাড়িঘর ভাঙচুর বা লুটপাট করেছে, সে বিষয়ে আমরা কিছুই জানি না।
ঘটনার সত্যতা ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহেল জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,
“কেউ যদি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকে, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আইন ও বিচারব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু মাদক বা যেকোনো অজুহাতে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করার কোনো সুযোগ নেই। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি ও অগ্রহণযোগ্য।”

ওসি আরও জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একদিকে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদ ও বীরাঙ্গনা পরিবারের উত্তরসূরি পরিচয় দেওয়া নারীর বাড়িঘরে তাণ্ডব, অন্যদিকে মাদকবিরোধী আন্দোলনের নামে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার ঘটনায় এলাকায় তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সচেতন মহল মনে করছেন, কোনো অপরাধের সত্যতা থাকলেও কারোরই আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার নেই। ঘটনার প্রকৃত সত্যতা উদ্ঘাটন, হামলাকারীদের চিহ্নিতকরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এই বিষয়ে আর কোনো তথ্যের সংযোগ বা কোনো বিশেষ শিরোনাম পরিবর্তন করতে চাইলে জানাতে পারেন!

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালকিনিতে বিদ্যালয়ের নতুন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিপোর্ট- শাহ্ জালাল সরদার, কালকিনি,মাদারীপুর

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ পি.এম


কালকিনিতে বিদ্যালয়ের নতুন কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত

 

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার ৩২নং কালাই সরদারের চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের কার্যক্রম শুরু হয়। নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বি এম মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সহকারী শিক্ষক সহিদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান।

সভায় বক্তারা বিদ্যালয়ের শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বৃদ্ধি এবং সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিদ্যালয়টিকে উপজেলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।

এ সময় বিদ্যালয়ের উন্নয়নে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে—প্রতিমাসে নিয়মিত অভিভাবক সভা আয়োজন, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সময় শিক্ষকদের মোবাইল ফোন ব্যবহার থেকে বিরত রাখা এবং এসব বিষয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের মাধ্যমে নিয়মিত তদারকি করা। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

পরিচিতি সভায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক বাদল তালুকদার, উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক বি এম রেজাউল, মহরদ্দির চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আবু তাহের কালাম, পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাঞ্চন হাওলাদার, সাংবাদিক শাহ্ জালাল সরদার, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য তোতা মিয়া ও নাজমুল হোসেনসহ অনেকে।

সভায় পরিচিতি পর্ব শেষে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রধান শিক্ষকসহ সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেন। এ সময় এক আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, নবগঠিত ম্যানেজিং কমিটির সদস্য এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুঠিয়ায় বিয়ের দাবিতে হিন্দু প্রেমিকের বাড়িতে মুসলিম তরুণীর অবস্থান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


পুঠিয়ায় বিয়ের দাবিতে হিন্দু প্রেমিকের বাড়িতে মুসলিম তরুণীর অবস্থান
রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় বিয়ের দাবিতে এক হিন্দু  প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এক মুসলিম তরুণী। 
 
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার কৃষ্ণপুর বুড়া শিবতোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে স্থানীয় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শেরপুর জেলার বলাইচর দক্ষিণপাড়া এলাকার আশরাফ আলীর মেয়ের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পরিচয় হয় পুঠিয়ার কৃষ্ণপুর বুড়া শিবতোলা এলাকার বাসিন্দা বিমল দাসের মেজো ছেলের। একপর্যায়ে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছর ধরে সম্পর্ক চলার পর বিয়ের দাবিতে ওই তরুণী যুবকের বাড়িতে এসে অবস্থান নেন।

তরুণীর দাবি, গত এক বছর ধরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি পুঠিয়ায় এলে যুবকের পরিবারের সদস্যরা তাঁকে পুঠিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যান। তিনি ওই যুবককে বিয়ে করতে চান। প্রয়োজনে হিন্দুধর্ম গ্রহণ করতেও তাঁর আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, তরুণীকে তাঁর পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য যুবকের পরিবারকে বলা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা চলছে।

যুবকের বাবা বিমল দাস জানান, তরুণীর বাবা-মায়ের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তাঁরা জানিয়েছেন, মেয়ের বিষয়ে তাঁদের আর কোনো দাবি নেই। পরিবার যা ইচ্ছা করতে পারে।

এ বিষয়ে পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম বলেন, মুসলিম তরুণীর হিন্দু  প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নেওয়ার বিষয়টি পুলিশ জানতে পেরেছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।#
 

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিসাদূষণ প্রতিরোধে রাবিতে ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থের র‍্যালি-মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ পি.এম


সিসাদূষণ প্রতিরোধে রাবিতে ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থের র‍্যালি-মানববন্ধন
সিসাদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং দূষণ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) র‍্যালি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সিসাদূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) ইয়ুথনেট গ্লোবাল ও পিওর আর্থ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

‘সিসাদূষণ প্রতিরোধে, আমরা আছি একসাথে’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও বিভিন্ন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা অংশ নেন।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, আন্তর্জাতিক সিসাদূষণ প্রতিরোধ সপ্তাহ উপলক্ষে দেশের আট বিভাগে সপ্তাহব্যাপী জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। পিওর আর্থ বাংলাদেশের সহযোগিতায় ইয়ুথনেট গ্লোবাল এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এতে সহ-আয়োজক হিসেবে রয়েছে ভলান্টিয়ার ফর বাংলাদেশ, ইউক্যান ও আর্থ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন।

কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য শিশু, তরুণ, শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে সিসার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। পাশাপাশি সিসাদূষণের উৎস শনাক্ত, দূষণ প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং স্থানীয় পর্যায়ে তরুণদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

কর্মসূচিতে পিওর আর্থ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর মিতালী দাশ বলেন, শিশুদের সিসার বিষক্রিয়া থেকে সুরক্ষিত রাখতে সিসার উৎস শনাক্ত ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিরাপদ ভোগ্যপণ্য নিশ্চিত করা, পরিবেশসম্মত ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। এ লক্ষ্যে পিওর আর্থ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে যৌথভাবে সম্প্রসারিত উৎপাদক দায়বদ্ধতা (ইপিআর) নির্দেশিকা প্রণয়নে কাজ করছে। এ নির্দেশিকা লেড-অ্যাসিড ব্যাটারির কার্যকর সংগ্রহ, ট্র্যাকিং ও পরিবেশসম্মত পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে সহায়তা করবে।

ইয়ুথনেট গ্লোবালের নির্বাহী সমন্বয়ক সোহানুর রহমান বলেন, অপরিকল্পিত ও অনিরাপদ সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শুধু শ্রমিকদের নয়, আশপাশের পুরো জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য ও পরিবেশকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। ক্ষতিকর শিল্পপ্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা এবং এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নীতিগত পরিবর্তনের দাবি জোরদার করা জরুরি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম কনক বলেন, সিসাদূষণ প্রতিরোধে আইনগত সহায়তা গ্রহণের পাশাপাশি বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় কার্যকর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সিসার ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ইয়ুথনেট গ্লোবালের রাজশাহী বিভাগীয় সমন্বয়কারী হৃদিকা আহসান শ্রেয়া বলেন, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও তরুণদের সম্মিলিত উদ্যোগ সিসাদূষণ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দূষণের উৎস চিহ্নিত করা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে র‍্যালি, মানববন্ধন, উঠান বৈঠক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচারাভিযান ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ কর্মসূচি দেশব্যাপী পরিচালিত সচেতনতামূলক উদ্যোগের অংশ।#

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%