ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রবাসীদের জন্য সৌদির নতুন আইন


প্রবাসীদের জন্য সৌদির নতুন আইন

সৌদি আরব সরকার বিদেশি নাগরিকদের সম্পত্তির মালিকানার ক্ষেত্রে নতুন আইন জারি করেছে। নতুন আইনটিতে ডিসক্লোজার নীতি কঠোর করার পাশাপাশি ডিজিটাল প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই আইনের আওতায় বিধি লঙ্ঘনের কারণে সর্বোচ্চ ১ কোটি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।

গালফ নিউজের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সম্প্রতি প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নতুন আবাসন মালিকানা আইনে বিদেশি নাগরিক, কোম্পানি, এবং অলাভজনক সংস্থাগুলো কিভাবে দেশটির সম্পত্তি বা রিয়েল এস্টেটের বিনিয়োগ করতে পারবে, তার সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।

সৌদির রিয়েল এস্টেট জেনারেল অথরিটি জানিয়েছে, ‘সৌদি ভিশন ২০৩০’-এর অধীনে বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং রিয়েল এস্টেটের বাজারে শৃঙ্খলা আনার জন্য এই নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ার দাবানলে বিষাক্ত ধোঁয়ায় বিপর্যস্ত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া

নতুন এই কাঠামোর মূল কেন্দ্রবিন্দুতে একটি সমন্বিত ইলেকট্রনিক পোর্টাল রয়েছে। এটি রিয়েল এস্টেট জেনারেল অথরিটি দ্বারা পরিচালিত এবং জাতীয় রিয়েল এস্টেট রেজিস্ট্রির সাথে সরাসরি সংযুক্ত। বিদেশি নাগরিক, কোম্পানি, এবং বিদেশি অংশীদারিত্ব থাকা সৌদি কোম্পানির সম্পত্তি মালিকানার আবেদন জমা, রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ এবং সমস্ত লেনদেন সম্পন্ন করার মূল মাধ্যম হবে এই প্ল্যাটফর্মটি।

বিধিমালার আওতায়, অনাবাসী বিদেশি নাগরিকদের সম্পত্তি কেনা অথবা কোনও আবাসনের অধিকার পাওয়ার আগে অবশ্যই সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদিত একটি ডিজিটাল আইডি নিতে হবে। সেইসঙ্গে তাদের নিজেদের নামে একটি সৌদি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে এবং সেই ডিজিটাল আইডির সঙ্গে যুক্ত একটি সৌদি মোবাইল নম্বর নিবন্ধন করতে হবে।

বিদেশি কোম্পানিগুলোর জন্য কিছু আলাদা বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে। তাদের অবশ্যই বিনিয়োগ মন্ত্রণালয়ে নিবন্ধিত হতে হবে এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সব সুবিধাভোগী মালিকদের তথ্য প্রকাশ করতে হবে। এছাড়াও, অনুমোদিত সৌদি পরিচয়পত্রধারী একজন আইনি প্রতিনিধি নিয়োগ করতে হবে এবং দেশটিতে কোম্পানির নামে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে।

যদি এই শর্তগুলো পূরণ হয়, তবে সৌদি বিনিয়োগ মন্ত্রণালয় একটি নিবন্ধন নম্বর ইস্যু করবে। যদি কোম্পানির ৫ শতাংশ বা তার বেশি মালিকানা একক বা একাধিক লেনদেনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়, তবে কোম্পানিকে ১৫ দিনের মধ্যে এটি মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে।

আরও পড়ুন: সংবিধান অনুযায়ী সব নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে

বিদেশি অলাভজনক সংস্থাগুলোও এই নতুন কাঠামোর আওতায় এসেছে। তাদেরকে ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর নন-প্রফিট সেক্টর ডেভেলপমেন্ট’-এ নিবন্ধিত হতে হবে। পাশাপাশি তাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যক্তিদের তথ্য প্রকাশ করতে হবে। অনুমোদিত সৌদি পরিচয়ধারী প্রতিনিধি এবং সৌদি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চালু রাখতে হবে। কোন বড় কাঠামোগত পরিবর্তন বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের নিয়ন্ত্রণে পরিবর্তন এলে ১৫ দিনের মধ্যে তা প্রতিবেদনের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

বিদেশি পরিবারের সম্পত্তি মালিকানার জন্যও নতুন নিয়ম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সৌদি আরবে কোনও সম্পত্তি কেনার সময় বিদেশি স্ত্রী এবং সন্তানদের নির্ভরশীল হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তবে বিবাহবিচ্ছেদের ফলে কিংবা ছেলে বা মেয়ের বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হলে এই নিয়মের ব্যতিক্রম হতে পারে।

নতুন আইনটিতে দুই পবিত্র নগরের ধর্মীয় সংবেদনশীলতাও রক্ষা করা হয়েছে। মক্কা ও মদিনায় সম্পত্তির মালিকানা মুসলিম নাগরিকদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে।

বিদেশিদের দ্বারা অর্জিত রিয়েল এস্টেটে লেনদেনের ওপর ২ শতাংশ ফি ধার্য করা হয়েছে রিয়াদ, জেদ্দা, মক্কা ও মদিনায়। তবে, কিছু বিশেষ লেনদেন এই ফির আওতামুক্ত থাকবে।

আরও পড়ুন: স্পেনে প্রবল বৃষ্টিতে বন্যায় ৪ জনের মৃত্যু

রিয়েল এস্টেট রেজিস্ট্রির মাধ্যমে দলিল স্থানান্তরের আগে সম্পত্তি কেনা বা বিক্রির সাথে জড়িত সমস্ত আর্থিক লেনদেন সৌদি সেন্ট্রাল ব্যাংকের বিধিমালা অনুযায়ী অনুমোদিত ইলেকট্রনিক পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে।

নতুন বিধিমালার অধীনে রিয়েল এস্টেট জেনারেল অথরিটি দ্বারা নিযুক্ত পরিদর্শকরা নিয়ম লঙ্ঘন তদন্ত ও নথিবদ্ধ করার ক্ষমতা পাবেন। তবে, শাস্তির আগে লঙ্ঘনের ধরনের ওপর ভিত্তি করে ১০ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে ভুল সংশোধনের সময় দেওয়া হবে।

নতুন আইন অনুযায়ী, যেসব বিদেশি ক্রেতা সম্পত্তির মালিকানা অধিকার পাওয়ার জন্য মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য জমা দেবেন, তাদেরকে সম্পত্তির মূল্যের সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। এই জরিমানার পরিমাণ ১ কোটি রিয়াল পর্যন্ত হতে পারে।

আরও পড়ুন: মহেশপুরে শ্বশুরের বিরুদ্ধে জামাই আব্দুর রহমান হত্যার অভিযোগ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ ও আমেরিকা একে অপরের ইতিহাস নির্মাণে সহায়তা করেছে: ডেপুটি স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০০ পি.এম


বাংলাদেশ ও আমেরিকা একে অপরের ইতিহাস নির্মাণে সহায়তা করেছে: ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদের ডেপিটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, বাংলাদেশ ও আমেরিকা আক্ষরিক অর্থেই একে অপরের ইতিহাস নির্মাণে সহায়তা করেছে।

তিনি বলেন, আমাদের সংসদ ভবনের নকশা বিখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান করেছেন। ঠিক তেমনি, আমেরিকার স্থাপত্য নির্মাণে বিশিষ্ট বাংলাদেশি-আমেরিকান স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার ফজলুর রহমান খানের অনন্য অবদান রয়েছে। এই পারস্পরিক অবদান প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ ও আমেরিকা একে অপরের ইতিহাস নির্মাণে আক্ষরিক অর্থে সহায়তা করেছে।

আমেরিকান দূতাবাস কর্তৃক জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আজ এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো মার্কিন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী জর্জ হ্যারিসনের ঐতিহাসিক 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' এক অবিস্মরণীয় অবদান। আজকের এই সঙ্গীতায়োজন সেই একই মানবিক ও সাংস্কৃতিক চেতনা বহন করেছে, যা কেবল বাণিজ্য বা কূটনীতি নয়, বরং দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বে রূপ দেবে।

তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সংলাপ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সন্ত্রাসবাদ দমন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

ডেপুটি স্পিকার আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের বিদ্যমান অংশীদারিত্ব ভবিষ্যতে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।

তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ও সরকারের প্রতি ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনে আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এসময় তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ অংশীদারিত্বের ওপর আরও গুরুত্বারোপ করেন।

জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং বাংলাদেশ আমাদের একটি পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মানবিক সংকটের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সহায়তা এবং পাশে থাকা আমাদের এই গভীর অংশীদারিত্বেরই প্রমাণ। আমরা বিশ্বাস করি, পারস্পরিক স্বার্থ এবং অভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আগামীতে আরও সুদৃঢ় হবে, যেখানে দুই দেশের টেকসই উন্নয়ন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের অবিচ্ছিন্ন অবদান এবং যৌথ অঙ্গীকার প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের বন্ধুত्वপূর্ণ সহযোগিতা বিদ্যমান। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে এবং উভয় দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনের আইকনিক স্থাপনার সামনে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের আয়োজন দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতীক। এই আয়োজন বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের গভীরতা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা ঘোষণা করেছিলেন 'সকল মানুষ সমান'। আজ আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে 'আমেরিকা ফার্স্ট' নীতির আলোকে আমরা বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ঐতিহাসিক ক্ষণে আমরা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে চাই, যেখানে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের টেকসই নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব এবং আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা আমাদের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে ককাস সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যগণ, মার্কিন এবং অন্যান্য দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ, সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ইসলামী আন্দোলনের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৬ পি.এম


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে ইসলামী আন্দোলনের মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১০ জুলাই গণমিছিলসহ একগুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। মাসব্যাপী এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শুক্রবার (১০ জুলাই) ঢাকায় গণমিছিল, ১৮ জুলাই ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে জুলাই জাগরণ ও স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস উদযাপন, ১৯ জুলাই ইসলামী যুব আন্দোলনের আয়োজনে ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী আলোচনা সভা এবং ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতন দিবসে সমগ্র দেশে গণমিছিল।

এ ছাড়াও মাসব্যাপী জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারত, শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, আহত ও নির্যাতিতদের সঙ্গে মতবিনিময়, জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ ও সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনের জুলাই পদযাত্রা, দ্রোহ ও জাগরণের জুলাই স্মরণে সংলাপ ও দোয়া মাহফিল, শরিয়াহ অনুমোদিত গ্রাফিতি অঙ্কন ও দেয়াল লিখন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম উপস্থাপনে ছাত্র আন্দোলনের দেশব্যাপী জুলাই ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হবে।

এছাড়া জুলাইয়ের সংগ্রাম ও লড়াইয়ের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ নিয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। বৈঠকে দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, জুলাইয়ের স্মৃতি আমাদের কাছে টাটকা। তারুণ্যের রক্ত ও আহতদের আহাজারি আমাদের উদ্দীপ্ত করে। বর্তমানে স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপকল্পে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে। সংসদের প্রথম অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে এবং গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না, যা মুক্তিকামী দেশবাসীর জন্য চরম হতাশার সৃষ্টি করেছে।

ইসলামী আন্দোলন জুলাইয়ের রক্তকে বৃথা যেতে দেবে না জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা পূরণে মাঠে থাকবে ইসলামী আন্দোলন ও তার সহযোগী সংগঠনসমূহ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল আউয়াল, যুগ্ম-মহাসচিব প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক ও মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব মুফতি সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান ও হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ প্রমুখ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমাকে পরামর্শ দেওয়ার মতো একজনই আছেন: আনচেলত্তি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


আমাকে পরামর্শ দেওয়ার মতো একজনই আছেন: আনচেলত্তি

ব্রাজিলের প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি এবার সমালোচনার মুখে সরাসরি জবাব দিতে এগিয়ে এসেছেন। জাপানের বিপক্ষে ২-১ গোলের নাটকীয় জয় লাভের পরও দলের খেলা নিয়ে যে প্রশ্ন ওঠে, তাতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন ইতালীয় এই কিংবদন্তি কোচ। তার মতে, যদি কেউ তাকে উপদেশ দেওয়ার মতো যোগ্য ব্যক্তি মনে করেন, তবে তিনি কেবল স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন।

অনলাইন আলোচনা ও সমালোচনা সাধারণত শান্ত ও ধীরস্থির মানসিকতা নিয়ে পরিচিত আনচেলত্তির স্বাভাবিক স্বভাবকে গুরুত্ব দেয়। স্পেনে তার ডাকনাম ‘দ্য ডন’ রাখা হয়েছে এই কারণেই। তবে এবার তিনি সমালোচকদের লাগাতার মন্তব্যগুলোর বিরুদ্ধে নিজের অবস্থান খুব স্পষ্ট ভাবে তুলে ধরেছেন।

জাপানের বিরুদ্ধে খেলায় পিছিয়ে থেকেও দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে বিজয়ী হয়ে ওঠে ব্রাজিল। ক্যাসেমিরো ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির গোল সেলেসাওদের জন্য শেষ ষোলোতে জায়গা নিশ্চিত করে। কিন্তু জয় পাপ্তির পরেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক সমালোচক ব্রাজিলের খেলার স্টাইল এবং আনচেলত্তির কৌশল নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের মতে, বর্তমান পারফরম্যান্স নকআউট পর্বে ব্রাজিলের জন্য বিপদের কারণ হয়ে উঠতে পারে।

নিউইয়র্কে নরওয়ের বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচের পূর্বে সংবাদ সম্মেলনে আনচেলত্তি বলেন, ইতালিতে ধারণা করা হয় যে, 'সব পুরুষই ফুটবল কোচ হতে চায়, এবং সব নারী হতে চায় আর্কিটেক্ট।' এরপর কাটানো দীর্ঘ কোচিং অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, "আমি ফুটবল বুঝি কি বোঝি না, তা আমার জানার বিষয় নয়। তবে এই বিষয়ে আমাকে বিচার করার যোগ্যতা কারোর নেই। আমি ১ হাজার ৪০০-এর বেশি ম্যাচে কোচিং করেছি। ফুটবল বোঝার জন্য এটি হয়তো শেষ কথা নয়, কিন্তু অভিজ্ঞতার বিচারে এটি মোটেও সামান্য নয়।"

ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সফল কোচ স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের বিষয়ে আনচেলত্তি আরও মন্তব্য করে বলেন, "ফুটবল ইতিহাসে আমার চেয়ে বেশি ম্যাচ ডাগআউটে কাটানোর রেকর্ড স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের রয়েছে। তিনি ২ হাজারের বেশি ম্যাচে দায়িত্ব পালন করেছেন। আমি সবার পরামর্শ শুনি। কিন্তু উপদেশ দেওয়ার মতো যোগ্য ব্যক্তি যদি কেউ থাকেন, তবে তিনি কেবল স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন।"

নরওয়ের বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর লড়াইয়ের আগে আনচেলত্তির এই মন্তব্য ইতিমধ্যে ফুটবল অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেসক্লাব নেতাদের সঙ্গে গোয়াইনঘাট থানার নবাগত ওসির মতবিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


প্রেসক্লাব নেতাদের সঙ্গে গোয়াইনঘাট থানার নবাগত ওসির মতবিনিময়

সিলেটের গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন গোয়াইনঘাট থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক।

গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মনজুর আহমদ এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. করিম মাহমুদ লিমনের পরিচালনায় শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় গোয়াইনঘাট উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন, চোরাচালান রোধ এবং মাদক নির্মূলে সাংবাদিকদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন ওসি মো. ওমর ফারুক। তিনি বলেন, পুলিশ ও সাংবাদিক কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করলে সমাজ থেকে যেকোনো অপরাধ দূর করা সম্ভব। সাংবাদিকরা হচ্ছেন সমাজের দর্পণ। আপনাদের বস্তুনিষ্ঠ লেখনী ও সঠিক তথ্য পুলিশি কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে। আমি গোয়াইনঘাট থানাকে একটি জনবান্ধব ও দালালামুক্ত থানা হিসেবে গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। সাধারণ মানুষ যাতে থানায় এসে নির্বিঘ্নে আইনি সেবা পান, সেটি নিশ্চিত করার জন্য আমি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ সময় প্রেসক্লাব নেতারা উপজেলায় বিভিন্ন সমস্যা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয়ে ওসির দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং অপরাধ দমনে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমে পুলিশ প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

এতে বক্তব্য রাখেন, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এম এ মতিন, দপ্তর সম্পাদক রিয়াজুল ইসলাম, তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আমির উদ্দিন প্রমুখ।

এ সময় গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা এবং থানার অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%