প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১০ জুলাই গণমিছিলসহ একগুচ্ছ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। মাসব্যাপী এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে শুক্রবার (১০ জুলাই) ঢাকায় গণমিছিল, ১৮ জুলাই ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে জুলাই জাগরণ ও স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস উদযাপন, ১৯ জুলাই ইসলামী যুব আন্দোলনের আয়োজনে ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী আলোচনা সভা এবং ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতন দিবসে সমগ্র দেশে গণমিছিল।
এ ছাড়াও মাসব্যাপী জুলাই শহীদদের কবর জিয়ারত, শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ, আহত ও নির্যাতিতদের সঙ্গে মতবিনিময়, জুলাইয়ের স্মৃতি সংরক্ষণ ও সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ছাত্র আন্দোলনের জুলাই পদযাত্রা, দ্রোহ ও জাগরণের জুলাই স্মরণে সংলাপ ও দোয়া মাহফিল, শরিয়াহ অনুমোদিত গ্রাফিতি অঙ্কন ও দেয়াল লিখন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রাম উপস্থাপনে ছাত্র আন্দোলনের দেশব্যাপী জুলাই ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হবে।
এছাড়া জুলাইয়ের সংগ্রাম ও লড়াইয়ের দিনগুলোর স্মৃতিচারণ নিয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। বৈঠকে দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, জুলাইয়ের স্মৃতি আমাদের কাছে টাটকা। তারুণ্যের রক্ত ও আহতদের আহাজারি আমাদের উদ্দীপ্ত করে। বর্তমানে স্বৈরতন্ত্রের চিরস্থায়ী বিলোপকল্পে প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম স্থবির হয়ে আছে। সংসদের প্রথম অধিবেশনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অধ্যাদেশ অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে এবং গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না, যা মুক্তিকামী দেশবাসীর জন্য চরম হতাশার সৃষ্টি করেছে।
ইসলামী আন্দোলন জুলাইয়ের রক্তকে বৃথা যেতে দেবে না জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা পূরণে মাঠে থাকবে ইসলামী আন্দোলন ও তার সহযোগী সংগঠনসমূহ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির মাওলানা আব্দুল আউয়াল, যুগ্ম-মহাসচিব প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক ও মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব মুফতি সৈয়দ এসহাক মুহাম্মাদ আবুল খায়ের, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান ও হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন