রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:২২ এম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিয়ে পাঁচ দিনের নিউইয়র্ক সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকায় পৌঁছেছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮২ ফ্লাইটটি সকাল ৮টা ২১ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ইউএনজিএর ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে প্রথমবারের মতো ভাষণ দেওয়া এবং ধারাবাহিক উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী ২৫ সেপ্টেম্বর (স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১১টা) নিউইয়র্ক ত্যাগ করেন।
নিউইয়র্কে চার দিনের কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রী ৩০টি সরকারি কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে ১১টি দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ছিল বলে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান।
এসব বৈঠকে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক শান্তির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রী ইউএনজিএ-সংশ্লিষ্ট আটটি কর্মসূচি, ইউএনজিএর সাইডলাইনে চারটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান এবং ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গেও বৈঠক করেন।
প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও সফরকালে আটটি উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নেন। এর মধ্যে চারটি অনুষ্ঠানে তিনি বক্তব্য রাখেন। এগুলোর মধ্যে ছিল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স, ফার্স্ট স্পাউসেস’ ডায়ালগ এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য ও মিডওয়াইফারি বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করতে আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
তিনি বলেন, ১৯৭১ পরবর্তী রাজনীতি ক্রীড়াঙ্গনে অনুপ্রবেশের ফলে খেলাধুলার মান কমে যেতে থাকে। ফলে ঢাকার খেলার মাঠে ক্লাব ফুটবলের অংশগ্রহণ কমে যেতে থাকে।
শনিবার রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে মোহামেডান সমর্থক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
স্পিকার বলেন, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব আমার কাছে নিখাঁদ আবেগ ও ভালোবাসার আরেক নাম। সময়ের পরিক্রমায় খেলাধুলার প্রতি মানুষের আগ্রহ অনেকাংশে কমে গেলেও ১৯৬৭ সালে মোহামেডান ক্লাবে যখন তিনি খেলতেন, তখন ফুটবলের প্রতি জনমানুষের আবেগ ছিল অন্যরকম।
তিনি বলেন, মোহামেডানে খেলা ছিল অনেক সম্মানের। স্বাধীনতার আগে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব খুবই জনপ্রিয় ছিল। তবে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে বাঙ্গালি খেলোয়াড় থাকায় মোহামেডানের সমর্থক বেশি ছিল। ক্লাব ফুটবল থেকে শুরু করে জাতীয় দলে খেলার জন্য পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের সাথে বাঙ্গলি খেলোয়াড়দের প্রতিযোগিতা করতে হত।
এ সময় তিনি তরুণদের মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের বিগত দিনের সাফল্য ও স্পিকারের খেলোয়াড়ি জীবনের তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় স্পিকারসহ অতিথিবৃন্দকে ক্রেস্ট প্রদান, উত্তরীয় পরিধান ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ ক্রীড়াকে শুধু বিনোদন মাধ্যম হিসেবে না ভেবে, তরুণদের মাদক ও সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
মোহামেডান সমর্থক দলের সাধারণ সম্পাদক এফ. এম রফিক উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, মোহামেডান সমর্থক দলের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হাতেম, সংসদ সদস্য ও মোহামেডান সমর্থক দলের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সচিব খাইরুল কবীর খোকন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এবং মোহামেডান সমর্থক দলের সভাপতি এস এম আলমগীর আবুল।
অনুষ্ঠানে ক্লাবের আমন্ত্রিত সদস্যবৃন্দ, জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ, সংসদ সদস্য ও গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার শোলক ইউনিয়নের ধামুরা খাল গোটা অঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী এবং অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ শতবর্ষী প্রাকৃতিক জলাশয়। উজিরপুর ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের পণ্যবাহী নৌকা এবং ট্রলার ধামুরা খালের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করছে। একসময় এটি অত্যন্ত খরস্রোতা খাল হিসেবে পরিচিত ছিল। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ধামুরা বাজার গণহত্যার স্মৃতিতেও এ খালের উল্লেখ আছে।
আবহমান এ খালের দুই পাশে সবুজের সমারোহ, মাঝখানে বয়ে গেছে খালের স্বচ্ছ জলের স্রোতধারা। তার ওপরে নির্মিত ধনুকের মতো বাঁক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে দৃষ্টিনন্দন একটি সেতু। দূর থেকে দেখলে মনে হবে কোনো পর্যটন কেন্দ্রের নান্দনিক স্থাপনা। কিন্তু এটি কেবল সৌন্দর্যের প্রতীক নয়; বরিশালের উজিরপুরে প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ আর্চ সেতুটি এখন যোগাযোগ ব্যবস্থার পাশাপাশি নতুন আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। বিকেল নামলেই বদলে যায় সেতুর পরিবেশ।
স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা। কেউ পরিবার নিয়ে, কেউবা বন্ধুদের সঙ্গে। সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে খালের সৌন্দর্য উপভোগ, ছবি তোলা কিংবা কিছুটা সময় প্রকৃতির সান্নিধ্যে কাটানো—সব মিলিয়ে ধামুরা খালের ওপর নির্মিত সেতুটি এখন উজিরপুরের মানুষের কাছে নতুন এক পরিচিতি পেয়েছে।
স্থানীয়দের অনেকেই সেতুর নান্দনিক নকশাকে রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকার সেতুর সঙ্গে তুলনা করছেন। তাদের মতে, যোগাযোগের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি এমন দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো একটি এলাকার সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনাকেও নতুন মাত্রা দিতে পারে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, ‘প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস’ প্রকল্পের আওতায় উজিরপুর উপজেলার সানুহার আরঅ্যান্ডএইচ-ধামুরা জিসি-জল্লা-সাতলা জিসি সড়কের ধামুরা খালের ওপর নির্মাণ করা হয়েছে ৫৫ দশমিক ৬ মিটার দীর্ঘ আরসিসি আর্চ সেতুটি। বাংলাদেশ সরকার (জিওবি) ও আইডিএ’র অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পটির ব্যয় ৯ কোটি ৯৪ লাখ ২৩ হাজার ৫৭৩ টাকা।
২০২৩ সালের ৪ মে সেতুটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২০২৬ সালের ২৮ এপ্রিল কাজ শেষ করা হয়। এলজিইডি’র তত্ত্বাবধানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম/এস এমএই-শামস-উপকূল (জেভি) নির্মাণকাজটি বাস্তবায়ন করে। পরে উদ্বোধনের মাধ্যমে সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
আর্চ সেতুটি চালু হওয়ায় সানুহার-ধামুরা-জল্লা-সাতলা সড়কে যোগাযোগ ব্যবস্থায় এসেছে বড় পরিবর্তন। আগের মতো খাল পারাপারে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে না স্থানীয়দের। একইসঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন ও মানুষের যাতায়াত সহজ হওয়ায় এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় পুরোনো সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় সাতলা-বরিশাল সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হতো। ধামুরা খাল পারাপার ছিল স্থানীয় মানুষের জন্য বড় ভোগান্তির বিষয়। নতুন সেতুটি নির্মাণের ফলে সেই সমস্যা অনেকটাই দূর হয়েছে। এখন যোগাযোগের পাশাপাশি সেতুটি এলাকার সৌন্দর্যেরও বিশেষ অংশ হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ লিটন বলেন, ‘সেতু ভেঙে যাওয়ার কারণে আগে যাতায়াতে মানুষের অনেক কষ্ট হতো। যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যেত। এখন নতুন সেতু হওয়ায় সেই দুর্ভোগ আর নেই। সবচেয়ে ভালো লাগছে, সেতুটি দেখতে খুব সুন্দর। এখন এটি দেখতে অন্যান্য এলাকার মানুষও আসছেন।’
স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আর্চ সেতুটি নির্মাণের পর এলাকার পরিবেশই যেন বদলে গেছে। বিকেল হলেই মানুষ এখানে ঘুরতে আসে। সেতুর পাশে যদি বসার জায়গা, আলোকসজ্জা ও কিছু সৌন্দর্যবর্ধনের ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে এটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।’
ঘুরতে আসা সরদার সোহেল বলেন, ‘সেতুটির নকশা খুবই সুন্দর। খাল, গাছপালা আর সেতু মিলিয়ে চমৎকার একটি পরিবেশ তৈরি হয়েছে। ধামুরা খালের বুকে নির্মিত নান্দনিক আর্চ ব্রিজটি দেখতে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসার মতো জায়গা। ভালোভাবে উন্নয়ন করা হলে এখানে আরও বেশি দর্শনার্থী আসবেন।’
বরিশাল এলজিইডি’র নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল ইমরান বলেন, ‘বরিশাল বিভাগের গৌরনদী ও উজিরপুর উপজেলায় দুটি নান্দনিক আর্চ ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। আধুনিক প্রকৌশল নকশা, স্থায়িত্ব এবং দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে ব্রিজ দুটি নির্মাণ করা হয়েছে। হাতিরঝিলের আদলে নির্মিত ব্রিজ দুটি দেখতে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থী ভিড় করছেন।’
তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সেতুর আশপাশে পরিকল্পিত সৌন্দর্যবর্ধন, আলোকসজ্জা, বসার ব্যবস্থা ও নিরাপদ দর্শনার্থীবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। এতে ধামুরা আর্চ ব্রিজটি যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর পাশাপাশি উজিরপুরের অন্যতম দর্শনীয় স্থান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাস কয়েক বন্ধ থাকার পর ইরাকে আবারও নগদ ডলার পাঠাতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরাক সরকার। এতে নতুন কয়েকটি শর্তও যুক্ত করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দেশটির সরকারি বার্তা সংস্থা ইরাকি নিউজ এজেন্সিকে এ তথ্য জানান সরকারের মুখপাত্র হায়দার আল-আবুদি।
গত এপ্রিলে ইরাকে নগদ ডলার পাঠানো স্থগিত করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ওই সময় প্রায় ৫০ কোটি ডলারের একটি চালানও আটকে দেওয়া হয়। ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব কমাতে বাগদাদের ওপর চাপ বাড়ানোর অংশ হিসেবে ওয়াশিংটন এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।
কয়েকটি বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সম্মত হওয়ার পর এ চালান পাঠাচ্ছে জানিয়ে আল-আবুদি বলেন, ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী ফালেহ আল-জায়েদির যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় এ সমঝোতা হয়। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ডলারের একটি নতুন চালান ইরাকে পৌঁছাবে।
তবে চালানটির পরিমাণ বা নির্দিষ্ট সরবরাহের তারিখ তিনি জানাননি। নতুন এই সরবরাহ দেশের অভ্যন্তরীণ বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা মেটাতে সহায়তা করবে বলে জানান তিনি।
ইরাকি সরকারের এই মুখপাত্র বলেন, ডলার বিতরণে নজরদারি জোরদার, বৈদেশিক মুদ্রার অপব্যবহার কমানো এবং ইলেকট্রনিক পেমেন্ট বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সমঝোতা হয়েছে। ইরাক ধীরে ধীরে আরও ডিজিটাল অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইরাকের অর্থনীতিতে নগদ লেনদেনের ওপর নির্ভরতা বেশি হওয়ায় দেশটির জন্য ডলার সরবরাহ গুরুত্বপূর্ণ। ইরাকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রাখা হয় যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের একটি হিসাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর ইসিবি চত্বরে হামলা ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে, যেখানে মালামালও লুট করা হয়েছে। এই ঘটনার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি একটি ভিডিও আপলোড করেন, যেখানে সালমান মুক্তাদির তার স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের বিস্তারিত বর্ণনা দিচ্ছেন।
ভিডিওর ক্যাপশনে জামায়াত আমির উল্লেখ করেন, ‘গভীর রাতে জুলাইযোদ্ধা ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার সালমান মুক্তাদিরের বাসা ও স্টুডিওতে চাঁদাবাজদের হানা, ভাঙচুর, লুটতরাজ ও তাণ্ডব।’
তিনি চাঁদাবাজদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মাঝে মাঝে মধু আহরণকারী চাঁদাবাজরা মৌচাক মনে করে ভিমরুলের চাকেও ঢিল ছুড়ে দেয়। তখন সেই ঢিল বুমেরাং হয়ে তাদের দিকেই ফিরে আসে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘কর্তৃত্বশালীরা নিজেদের চাঁদাবাজদের কী সামলাবেন? একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। হ্যাঁ, এর শেষ হবে একদিন, ইনশাআল্লাহ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ