ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এসএসসি-এইচএসসির বিষয় ও কর্মদিবস কমছে


এসএসসি-এইচএসসির বিষয় ও কর্মদিবস কমছে

পাবলিক পরীক্ষার দীর্ঘ সময়সূচির কারণে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ কমাতে এবং স্কুল-কলেজগুলোতে স্বাভাবিক পাঠদান সচল রাখতে সরকার বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। দেশের সবচেয়ে বড় দুটি পাবলিক পরীক্ষা–এসএসসি ও এইচএসসির বিষয় সংখ্যা এবং পরীক্ষা গ্রহণের কর্মদিবস উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

 

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ইতিমধ্যে এ-সংক্রান্ত একটি প্রাথমিক ধারণাপত্র ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে। সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: রাজশাহীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে মিনুর ৬ দফা দাবি

এনসিটিবি সূত্র জানায়, বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা শেষ করতে ২৫ থেকে ৩০ কর্মদিবস এবং এইচএসসিতে ৩০ থেকে ৩৫ কর্মদিবস বা তারও বেশি সময় লাগে। এই দীর্ঘ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরীক্ষা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার ফলে হাজার হাজার স্কুলে স্বাভাবিক পাঠদান বন্ধ থাকে। এতে অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের শিখন ঘণ্টা (লার্নিং আওয়ার্স) মারাত্মকভাবে কমে যাচ্ছে। দীর্ঘ পরীক্ষার কারণে পরীক্ষার্থীরাও অসহনীয় মানসিক চাপে ভোগেন। ফলে এই জটলা ও চাপ কাটানোই সরকারের নতুন পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এ বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী জানিয়েছেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এই রূপরেখা নিয়ে একটি দুই দিনব্যাপী বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হবে। তিনি বলেন, ‘কর্মশালায় দেশের প্রথিতযশা শিক্ষাবিদ, কারিকুলাম ও মূল্যায়ন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধি এবং অভিভাবক-শিক্ষার্থীদের আমন্ত্রণ জানানো হবে। সবার মতামত পর্যালোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

জানা গেছে, প্রস্তাবিত কর্মশালায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর-এর পরিচালক অধ্যাপক হোসনে আরা বেগমসহ প্রায় ৯০ জন বিশেষজ্ঞ অংশ নেবেন। সেখানে ৬টি আলাদা দল গঠন করে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিশ্লেষণ করা হবে। বর্তমান বিষয়গুলোর কোন কোনটিকে একীভূত বা সমন্বিত করা যায়, আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক বিষয়ের পুনর্বিন্যাস কীভাবে হবে এবং প্রতিবছর ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষা শেষ করা সম্ভব কি না–তা যাচাই করা হবে এই কর্মশালায়।

অবশ্য এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে কর্মকর্তারা আভাস দিয়েছেন। এনসিটিবির প্রধান সম্পাদক মুহাম্মাদ ফাতিহুল কাদীর জানিয়েছেন, ‘পরীক্ষার সময় ও বিষয় কমানোর বিষয়ে আমরা একটি প্রাথমিক রূপরেখা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। তবে বর্তমানে প্রক্রিয়াটিতে নতুন কোনো অগ্রগতি নেই। কারণ, আমাদের পুরো টিম এখন আগামী শিক্ষাবর্ষের বইগুলোর জরুরি পরিমার্জন (কারেকশন) ও তা অন্তর্ভুক্ত করার বিশাল কর্মযজ্ঞ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে।’

আরও পড়ুন: রাজনীতিবিদদের জনকল্যাণমুখী রাজনীতি করার আহ্বান জানালেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদুল হক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে পরীক্ষার বিষয় ও দিনসংখ্যা কমানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা পরিচালনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করেই নির্ধারিত হবে।

তথ্যসূত্র: বাসস

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালয়েশিয়ায় পাচারকালে রোহিঙ্গাসহ ৫০ জন উদ্ধার, ৯ জন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৭ পি.এম


মালয়েশিয়ায় পাচারকালে রোহিঙ্গাসহ ৫০ জন উদ্ধার, ৯ জন আটক

মালয়েশিয়াগামী ট্রলার থেকে রোহিঙ্গা সহ ৫০ ভুক্তভোগীকে কক্সবাজারের টেকনাফে উদ্ধার করা হয়েছে, পাশাপাশি ৯ জন মানবপাচারকারীকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. মুত্তাকীন সিদ্দিকী শনিবার দুপুরে এ তথ্য তুলে ধরেন। আটকের জায়গায় পাচারকারিরা টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগীদের মধ্যে ১১ জন রোহিঙ্গা এবং ৩৯ জন বাংলাদেশি নাগরিক কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা।

সমুদ্রপথে মানবপাচার রোধে নিয়মিত নজরদারির অংশ হিসেবে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত কোস্টগার্ড জাহাজ মনসুর আলী, স্টেশন টেকনাফ, আউটপোস্ট শাহপরী ও বাহারছড়া যৌথভাবে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে লে. কমান্ডার মুত্তাকীন সিদ্দিকী উল্লেখ করেন যে, শুক্রবার সন্ধ্যায় কোস্টগার্ড টেকনাফের সমুদ্র উপকূল দিয়ে মানবপাচারের উদ্দেশ্যে ট্রলারযোগে লোকজন নিয়ে যাওয়ার খবর পায়। এর পরই ট্রলারটিকে থামানোর জন্য নির্দেশ দেয় কোস্টগার্ড। কিন্তু পাচারকারিরা ট্রলারটি দ্রুত চালিয়ে পালাতে চেষ্টা করে। ধাওয়া দিয়ে ট্রলারটিকে জব্দ করে এবং পরে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় ৫০ ভুক্তভোগীকে।

কোস্টগার্ডের এই কর্মকর্তা জানান, সংঘবদ্ধ পাচারকারি চক্র বিদেশে উচ্চ বেতনের চাকরি ও উন্নত জীবনের প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের টেকনাফে নিয়ে আসে, পরে তাদের গোপন আস্তানায় আটকে রেখে নির্যাতন ও মুক্তিপণ আদায় করা হয়। পাচারকারিরা উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগীদের মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচারের পরিকল্পনা করেছিল।

আটক পাচারকারিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী টেকনাফ থানায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান লে. কমান্ডার মু. মুত্তাকীন সিদ্দিকী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কবে মাংস খেয়েছেন মনে করতে পারেন না, ক্যান্সার আক্রান্ত জাহানারা বেগম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


কবে মাংস খেয়েছেন মনে করতে পারেন না, ক্যান্সার আক্রান্ত জাহানারা বেগম
বৈঠাকাটা গ্রামের জাহানারা বেগম কবে মাংস খেয়েছেন, মনে করতে পারেন না। ব্রেস্ট ক্যান্সারে আক্রান্ত স্ত্রীর চিকিৎসার খরচ জোগাতেই সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন স্বামী জামাল হাওলাদার।
 
পেশায় জেলে জামাল হাওলাদার মাছ ধরে কোনোমতে পাঁচ সদস্যের সংসার চালাতেন। কিন্তু স্ত্রীর ক্যান্সার ধরা পড়ার পর চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে বিক্রি করতে হয়েছে সহায়-সম্বল। এখন খাবার জোটানোই যেখানে কঠিন, সেখানে প্রতিদিন প্রায় ৩০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়।
 
অভাবের সংসারে অনেক সময় দুপুরের খাবার ছাড়াই থাকতে হয়। নিজেরা মাছ ধরলেও সংসারের খরচ আর ওষুধের চিন্তায় মাছও করতে হয়, খেতে পারেন না, আর মাংস?
 
শেষ কবে মাংস খেয়েছেন, শুনেই জাহানারা বেগমের চোখ ছল ছল করে ওঠে। মনে করতে পারেন না।
 
ইসলামিক রিলিফের পক্ষ থেকে দেওয়া ২ কেজি কোরবানির মাংস পেয়ে তিনি ভীষণ আনন্দিত। মাংস হাতে পেয়েই দ্রুত রান্নার আয়োজন শুরু করেন। রান্না শেষ হয়েছে কি না,ছোট ছেলেটি বারবার মায়ের কাছে ছুটে আসে। ভাত তখনও রান্না হয়নি, ছেলের আগ্রহ দেখে মুড়ি দিয়েই কিছু মাংস খেতে দেন।
 
পাশে বসে ছেলের তৃপ্তি নিয়ে মাংস খাওয়া দেখছিলেন জাহানারা। তার চোখে ছিল অপার মমতা, মুখে প্রশান্তির ছাপ। সন্তানের মুখে এমন আনন্দ দেখে কিছুক্ষণের জন্য ভুলে গিয়েছিলেন নিজের কষ্ট, অসুস্থতা আর অভাবের কথা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লেবাননের প্রেসিডেন্টের সমালোচনার জবাব দিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


লেবাননের প্রেসিডেন্টের সমালোচনার জবাব দিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন। প্রেসিডেন্ট আউন অভিযোগ করেছিলেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির আলোচনায় ইরান লেবাননকে ‘দর কষাকষির হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করছে।

 

এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেয়া এক পোস্টে জবাব দিতে গিয়ে আরাঘচি বলেন: ‘মি. আউনের মন্তব্য শুনে মনে হবে যেন ইরানই লেবাননের এক-পঞ্চমাংশ এলাকা দখল করে আছে, এক-চতুর্থাংশ লেবানিজকে বাস্তুচ্যুত করেছে এবং প্রতিদিন তার দেশে বোমাবর্ষণ করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘লেবানন যদি ইরানের দর কষাকষির হাতিয়ার হতো, তাহলে অনেক আগেই (ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র) আমাদের মধ্যে একটি চুক্তি হয়ে যেত।’ লেবানিজ প্রেসিডেন্টকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘মি. প্রেসিডেন্ট, লেবাননকে আসল শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করুন।’

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় গত বুধবার (৩ জুন) ওয়াশিংটনে ত্রিপক্ষীয় এক বৈঠকে শর্তসাপেক্ষে যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নে সম্মত হয় ইসরাইল ও লেবানন। চুক্তি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি পুরোপুরি কার্যকর হওয়া ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হওয়ার ওপর নির্ভর করে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার শর্ত হলো, হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি হামলা বন্ধ করতে হবে। সেই সঙ্গে দক্ষিণ লেবানন থেকে গোষ্ঠীটির সদস্যদের সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া দুই দেশ কিছু ‘পাইলট জোন’ প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে একমত হয়েছে। এসব এলাকা লেবানিজ সশস্ত্র বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং সেখানে কোনো অরাষ্ট্রীয় পক্ষ বা সশস্ত্র গোষ্ঠী থাকতে পারবে না।

আরও পড়ুন: ইরান ও হিজবুল্লাহর ওপর চটলেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট

তবে হিজবুল্লাহ এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে। হিজবুল্লাহ বহুবার বলেছে যে, তারা ইসরাইল-লেবানন যুদ্ধবিরতি আলোচনাকে স্বীকৃতি দেয় না এবং তা মেনে চলবে না। বিশ্লেষকরা বলছেন, খুব সম্ভবত, ইরান-মার্কিন আলোচনার অংশ হিসেবে লেবাননে একটি শর্তহীন যুদ্ধবিরতি না হওয়া পর্যন্ত হিজবুল্লাহ লড়াই চালিয়ে যাবে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কোরও (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হিজবুল্লাহকে বাদ দিয়ে করা ইসরাইল ও লেবাননের যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছে।

হিজবুল্লাহর প্রতি সমর্থন জানিয়ে আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, ইসরাইলকে অবিলম্বে লেবাননের জনগণের ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে এবং লেবাননের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমানার ভেতরে দখল করা সব এলাকা থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

হিজবুল্লাহর প্রতি ইরানের এই সমর্থনের পর তেহরান ও হিজবুল্লাহর তীব্র সমালোচনা করেন লেবাননের প্রেসিডেন্ট। শুক্রবার (৫ জুন) বৈরুতে প্রেসিডেনশিয়াল প্যালেসে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের ক্রিশ্চিয়ান আমানপুরকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ইরান লেবাননকে ‘দরকষাকষির হাতিয়ার’ হিসেবে ব্যবহার করছে, যা ‘গ্রহণযোগ্য নয়’।

ইরানের সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কড়া সমালোচনা করে জোসেফ আউন বলেন, ‘এটা আপনাদের দেশ নয়, আমাদের দেশ। এটা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের দেশের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা আপনাদের কাজ নয়।’

লেবাননের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহকেও এ বিষয়টি বুঝতে হবে। আউন বলেন, ‘হিজবুল্লাহকে বুঝতে হবে, আলোচনায় বসা ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। এই সমস্যার সমাধান এবং যা কিছু অবশিষ্ট আছে তা রক্ষা করার একমাত্র উপায় হলো আলোচনা ও কূটনীতি।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশু নির্যাতন রোধে জাতীয় শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৬ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


শিশু নির্যাতন রোধে জাতীয় শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে: ডেপুটি স্পিকার

আজ রাজধানীর শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, যেখানে নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল আলোচনা করেছে।

ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল দেশের ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, শিশু নির্যাতন একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নির্মূল করা সম্ভব নয়।

তিনি জানান যে, এ সমস্যা মোকাবিলায় পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম ও রাষ্ট্রের সকল অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজন।

রাজধানীর শাহবাগস্থ শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে, যার শীর্ষক ছিল ‘বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবিলা: প্রতিবন্ধকতা, দায়িত্ব ও করণীয়’ , ডেপুটি স্পিকার প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’ সেইসঙ্গে কায়সার কামাল আরও উল্লেখ করেন যে, শিশু নির্যাতনের মূল কারণসমূহ চিহ্নিত করা জরুরি। বিদ্যমান আইন, নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতিগুলো মূল্যায়ন করাও প্রয়োজন।

শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর এবং টেকসই কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

রামিসা হত্যার বিচার প্রসঙ্গে, ডেপুটি স্পিকার বলেছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। তিনি আরও বলেন, কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী হতে হবে।

বর্তমানে শিশুদের প্রতি শারীরিক, মানসিক ও অনলাইনভিত্তিক নির্যাতনের ঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে, প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং শিশুদের অধিকার সম্পর্কে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের আইনি, চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ মানবিক দায়িত্ব পালন করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নির্যাতিতদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

গোলটেবিল বৈঠকে ডেপুটি স্পিকার নির্যাতিত নারী ও শিশুদের জন্য আইনগত ও স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা সেল পরিচালনাকারীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সেবামূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।

গোলটেবিল বৈঠকে নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেলের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী প্রফেসর ড. মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, নীতিনির্ধারক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ, গবেষক, আইনজীবী, শিল্পী, মানবাধিকার কর্মী, উন্নয়নকর্মী, সচেতন নাগরিক, ভুক্তভোগী পরিবার এবং নারী ও শিশু অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

এ সময় বক্তারা শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে কার্যকর আইন প্রয়োগ, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, ভুক্তভোগীবান্ধব সেবা সম্প্রসারণ এবং শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন এমপি, নিপুণ রায় চৌধুরী এমপি, অভিনেতা আশরাফ উদ্দিন আহমেদ উজ্জ্বল, রামিসার বাবা, নারী ও শিশু অধিকার বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, উন্নয়নকর্মী, মানবাধিকার কর্মী, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%