ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দুর্যোগে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত-রহমতপুরে পানিবন্দী মানুষদের পাশে সকিনা ফাউন্ডেশন


দুর্যোগে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত-রহমতপুরে পানিবন্দী মানুষদের পাশে সকিনা ফাউন্ডেশন

টানা অতি ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা দ্বারা বিপর্যস্ত সন্দ্বীপ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধ এলাকার অসহায় এবং দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে সকিনা ফাউন্ডেশন।

সন্দ্বীপের সাংসদ জনাব মোস্তফা কামাল পাশার পরামর্শে মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন সকিনা ফাউন্ডেশনের কর্ণধার জনাব নিজাম উদ্দিন, যিনি পাশাপাশি রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি এবং সন্দ্বীপ জাতীয়তাবাদী ফোরাম, আবুধাবি-এর সভাপতি।

আরও পড়ুন: পূর্বধলায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সদস্য মো. গোলাম মাওলা, রহমতপুর ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা মো. খোকন, রহমতপুর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদল নেতা মো. আনোয়ার হোসেন, মো. সিরাজসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

ত্রাণ পেয়ে উপকৃত পরিবারের সদস্যরা সকিনা ফাউন্ডেশনের প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দুর্যোগের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজের বিত্তবান এবং সেবামূলক সংগঠনগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরশুরামে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বন্যা প্রস্তুতি সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


পরশুরামে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বন্যা প্রস্তুতি সভা

ফেনী জেলার সীমান্তবর্তী ও বন্যা প্রবণ উপজেলা পরশুরামে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদের মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে দিনব্যাপী একটি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, বন্যার আগাম প্রস্তুতিমূলক সচেতনতা সভা এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণের কর্মসূচি আয়োজন করেছে।

বুধবার দিনটি পরশুরাম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বিজিবি ফেনী ব্যাটালিয়নের ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হয়। এ কর্মসূচিতে সীমান্তবর্তী এবং বন্যাপ্রবণ এলাকার প্রায় সাড়ে তিন হাজার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ গ্রহণ করেন।

সকাল ১০টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অতনু বড়ুয়া আনুষ্ঠানিকভাবে মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন। ওই ক্যাম্পে স্থাপিত ৮টি বিশেষ বুথে মেডিসিন, গাইনি, চক্ষু ও চর্মরোগসহ বিভিন্ন বিষয়ে ৮ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রোগীদের চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করেন। এর পাশাপাশি রোগীদের বিনামূল্যে ব্লাড টেস্ট, চোখের পরীক্ষা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধনের পরে সকাল ১১টায় সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবি ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার।

সভায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। সভার আলোচনায় বহুবিধ বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল, যার মধ্যে সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি, নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিতকরণ, উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা এবং দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ-পরবর্তী সময়ে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

দুপুর ১২টায় এলাকার প্রায় ৩০০ সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীর মাঝে খাতা, কলমসহ বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়। সেই সঙ্গে অতিথিরা দুস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে কম্বল বিতরণ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফেনী বিজিবির সহকারী পরিচালক জসিম উদ্দিন, স্টার লাইন গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান জাফর উদ্দিন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জামাল হোসেন ভূঁইয়া, বিজিবির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করতে গিয়ে বিজিবি ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, “সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে বিজিবি সবসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী বন্যাপ্রবণ এলাকার বয়োবৃদ্ধ, শিশু ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে প্রদান করা হয়েছে। ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যাসহ যেকোনো দুর্যোগে বিজিবি যেভাবে মানুষের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও এই মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”

চিকিৎসাসেবা নিতে আসা স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা মাওলানা নুরুল হক ও সালেহা খাতুন বিজিবির এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, অত্যন্ত আন্তরিক ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে তারা চিকিৎসকের পরামর্শ ও বিনামূল্যে ওষুধ পেয়েছেন। বিশেষ করে জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের অগ্রাধিকার দেওয়ায় তারা বিজিবির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে থাকেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাট ও পাটজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: পাটমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০০ পি.এম


পাট ও পাটজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে ব্যাপক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার: পাটমন্ত্রী

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, পাটশিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য এবং দেশি ও আন্তর্জাতিক বাজারে পাট ও বহুমুখী পাটজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার ব্যাপক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে খেলাফত মজলিসের সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবুল হাসানের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, 'সরকার ইতোমধ্যে পাট ও পাটজাত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে।'

তিনি উল্লেখ করেন, দেশে পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি কৃত্রিম মোড়কের কারণে সৃষ্ট পরিবেশ দূষণ রোধে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ বাস্তবায়নে সরকার নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির যোগ করেন, পাট খাতের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সরকার পাট আইন, ২০১৭, জাতীয় পাটনীতি, ২০১৮ এবং চারকোল নীতি, ২০২২ প্রণয়ন করেছে। বিশেষভাবে, পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে রপ্তানিকারকদের নগদ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তার জন্য জুট ডাইভার্সিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার পিএলসি (জেডিপিসি)-এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পের জন্য উন্নতমানের পাট আঁশ উৎপাদন বাড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে 'উন্নত প্রযুক্তিভিত্তিক পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ' প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি জানান, পাটপণ্যের প্রচার ও বাজার সম্প্রসারণের জন্য দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং বিদেশে বাংলাদেশের বিভিন্ন মিশনে 'জুট প্রোডাক্ট কর্নার' স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, পাট অধিদপ্তর এবং জেডিপিসি যৌথভাবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পাটপণ্যের মেলার আয়োজন করছে, যাতে দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের আকৃষ্ট করা যায়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার আলোকে চলমান একটি প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ বিতরণের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল প্রসঙ্গে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালে বন্ধ হয়ে যাওয়া পাটকলগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, সরকারি সিদ্ধান্তে ২০২০ সালে বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) অধীন ২৫টি পাটকল বন্ধ করা হয়। এর মধ্যে এ পর্যন্ত ১৪টি পাটকল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ইজারা দেওয়ার কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। ইজারা দেওয়া মিলগুলোর মধ্যে ৯টি ইতোমধ্যে উৎপাদনে ফিরেছে এবং অবশিষ্ট মিলগুলো পর্যায়ক্রমে ইজারা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নগরের খেলার মাঠ ও ফুটপাত থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০২ পি.এম


নগরের খেলার মাঠ ও ফুটপাত থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘খেলার মাঠ ও ফুটপাত থেকে অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা সরকার কর্তৃক একটি অবিচল প্রতিশ্রুতি।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার ক্ষমতা নেওয়ার পর থেকে দেশের খেলাধুলার মান ব্যাপক রূপে বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া শিশুরা বর্তমানে খেলার মাঠে খেলার সুযোগ পাচ্ছে। ইতোমধ্যে ঢাকার অধিকাংশ পার্ক ও মাঠ উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে দখলমুক্ত করা হয়েছে। সেই সাথে আধুনিকায়ন কার্যক্রম অবিচ্ছিন্নভাবে চলমান রয়েছে।’

আজ বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদের তারকা চিহ্নিত এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এসব কথাগুলো উল্লেখ করেন।

তিনি নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে পার্ক ও খেলার মাঠসমূহে নিরাপত্তা প্রহরী নিয়োগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপন, সিসি টিভি লাগানো এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ডিএনসিসির মালিকানাধীন ৩৮টি পার্ক, খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান এখন দখলমুক্ত রয়েছে এবং সেগুলো সুপরিকল্পিতভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘অতীতের মধ্যে ২০টি পার্ক, ৪টি খেলার মাঠ, ২টি শিশু পার্ক এবং ২টি ঈদগাহ মাঠ উন্নয়ন কার্যক্রম আবর্তিত হয়েছে। জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ ও রাজউকসহ অন্যান্য সঙ্গী সংস্থার মালিকানাধীন অবশিষ্ট ১৫১টি পার্ক, খেলার মাঠ, শিশুপার্ক, ঈদগাহ মাঠ ও উন্মুক্ত স্থান পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন করা হবে। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন খেলার মাঠ বা পার্কসমূহের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন অধিক্ষেত্রে সিটি কর্পোরেশন ও অন্যান্য সংস্থার মালিকানাধীন ২৫৬টি পার্ক ও খেলার মাঠ রয়েছে। এসব খেলার মাঠ ও পার্কসমূহের অবৈধ দখলদারদেরও উচ্ছেদ করা হয়েছে।’

বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন খেলার মাঠ ও পার্কের উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এর মধ্যে ৩৫নং ওয়ার্ডস্থিত মালিটোলা পার্ক, শহীদ মতিউর রহমান পার্ক (গুলিস্থান পার্ক), মতিঝিল পার্ক, নবাবগঞ্জ পার্ক, ওসমানী উদ্যান, যাত্রাবাড়ী শিশু পার্ক, ইসলামবাগ বশির উদ্দিন পার্ক, শাহবাগ শিশু পার্ক, হাজী আব্দুল আলীম খেলার মাঠ, রসুলবাগ পার্ক খেলার মাঠ, জোড়পুকুর খেলার মাঠ, বাসাবো খেলার মাঠ (শহীদ আলাউদ্দিন পার্ক), সাদেক হোসেন খোকা খেলার মাঠ, দক্ষিণ গোড়ান সুলতান ভূঁইয়া ঝিলপাড় খেলার মাঠ, বাসাবো বালুর মাঠ, দক্ষিণ বাসাবো, গজমহল শিশু পার্ক, হাজারীবাগ পার্ক, আমলীগোলা খেলার মাঠ ইত্যাদির মতো উল্লেখযোগ্য স্থান রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের অধিকারাধীন খুবই অল্প সংখ্যক খেলার মাঠ রয়েছে। তবে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের আওতায় কিছু খেলার মাঠ আছে। এসব মাঠের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সিটি কর্পোরেশন কিছু অর্থ বরাদ্দ করেছে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন ৮টি জোনে ৮টি খেলার মাঠ এবং ৫৭টি ওয়ার্ডে ৫৭টি খেলার মাঠ নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।’

এছাড়া ময়মনসিংহ, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনসহ অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনের খেলার মাঠ ও পার্কগুলো দখলমুক্ত করে সেইগুলিকে খেলার উপযোগী ও পার্কের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান।

এর আগে বিকাল তিনটায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। দিনের কর্মসূচির প্রথম ত্রিশ মিনিট ছিল প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব। এই সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী ৭ জন সংসদ সদস্যের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাব দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিবি কর্মকর্তা নাজমুলসহ ৪ জনকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


ডিবি কর্মকর্তা নাজমুলসহ ৪ জনকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলায়, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এর সাবেক সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. নাজমুল হকসহ চারজনের বিরুদ্ধে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) তদন্ত প্রতিবেদন আদালত আমলে নিয়েছে। আদালত তাদেরকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ১৫ জুলাই, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম শুনানির শেষে এ আদেশ দেন। আদালত আগামী ১৯ আগস্ট, মামলার আসামিদের হাজির হতে বলেছে।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন ধানমণ্ডি থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সাইদুর রহমান হাবিব এবং মোকাররম হোসেন জিমি।

আদালত সূত্রে জানা গেছে যে, এদিনের শুনানিতে মামলার বাদী মজুমদার আরিফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন এবং তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নেওয়া হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আফজাল হোসেন মৃধা পরে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামিদের হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।

এর আগে, ২০২৪ সালে ভুক্তভোগীর ভাই মজুমদার আরিফুর রহমান আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালত সিআইডিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা প্রদান করে।

তদন্ত শেষে সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক জিয়াউল মোর্শেদ গত ২১ মে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন।

সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা, হুমকি ও অপরাধে সহায়তার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তদন্তে দেখা গেছে, ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে এএসআর কম্পিউটারাইজড সোয়েটার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের মালিক আতিকুর রহমান এবং সাইদুর রহমান হাবিবের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, ওই বিরোধের কারণে আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় এবং পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকালে তার কাছ থেকে চাপ প্রয়োগ করে চেকে স্বাক্ষর নেওয়া এবং সমঝোতার নামে আর্থিক সুবিধা নেওয়ার অভিযোগের সত্যতা সিআইডি উল্লেখ করেছে।

তদন্তে মো. নাজমুল হক, মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, সাইদুর রহমান হাবিব ও মোকাররম হোসেন জিমির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৫০৬ ও ১০৯ ধারায় অপরাধের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%