ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নারায়ণগঞ্জ ডিএনডি বাঁধ এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ মাননীয় এমপি মহোদয়ের


নারায়ণগঞ্জ ডিএনডি বাঁধ এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ মাননীয় এমপি মহোদয়ের

ডিএনডি বাঁধ এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের জন্য তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন মাননীয় এমপি মহোদয়।

সাম্প্রতিক সময়ে টানা ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে ডিএনডি বাঁধ এলাকার বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে এলাকার হাজার হাজার বাসিন্দা চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ক্রমশ বেড়েই চলেছে।

এমন পরিস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আজহারুল ইসলাম মান্নান এর নির্দেশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করা হয়েছে। বিশেষভাবে সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল পাম্প হাউস এবং কদমতলী পাম্প হাউস-এর সকল সেচ ও পানি নিষ্কাশন মেশিন সার্বক্ষণিক সচল রেখে দ্রুত পানি অপসারণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জোর তাগিদ প্রদান করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: শেরপুরে বাস-সিএনজির সংঘর্ষে জুয়েল মিয়া নিহত, আহত ৪

মাননীয় এমপি জনাব আজহারুল ইসলাম মান্নান বিশ্বাস করেন, ডিএনডি বাঁধ এলাকার মানুষের কষ্ট লাঘবে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সমন্বিত ও দ্রুত কার্যক্রমই এই সংকট মোকাবিলার একমাত্র উপায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে অতি দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মনিরুল ইসলাম রবি, এমপি মহোদয়ের বিশেষ প্রতিনিধি সেলিম হোসেন দিপু, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির নেতা সেলিম মেম্বা, গাজী মজিবুর, রাকিবুল ইসলাম সাগর, টিএই তোফা, কবির, বাদল, মাহাবুব, আনোয়ার, সাজ্জাদ সহ অন্যান্য নেতা কর্মী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আর টকশোতে দেখানো হবে না গোলাম মাওলা রনিকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৮ পি.এম


আর টকশোতে দেখানো হবে না গোলাম মাওলা রনিকে

টেলিভিশনের টকশোতে অংশ না নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক গোলাম মাওলা রনি। তিনি সোমবার একটি সংক্ষিপ্ত পোস্টে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এ ঘোষণা দিয়েছেন। গোলাম মাওলা রনি লেখেন, ‘আল বিদা টকশো। অনিবার্য কারণবশত আজ থেকে কোনো টিভি টকশোতে যাবো না। শুধুমাত্র আমার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে কথা বলবো ইনশাআল্লাহ।’

যদিও পোস্টে টেলিভিশনের টকশো থেকে সরে দাঁড়ানোর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা তিনি দেননি। এ বিষয়টি জানার জন্য গোলাম মাওলা রনি বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, “টানা ৫–৭ বছর ধরে নিয়মিত টেলিভিশন টকশো করছি। বেশির ভাগ অনুষ্ঠানের পর বাসায় ফিরতে রাত ১টা থেকে ২টা বেজে যায়। দীর্ঘকাল এই জীবনযাত্রা স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এছাড়া চিকিৎসকরাও এখন আর আমাকে এভাবে টকশো চালিয়ে নেওয়া সাপোর্ট করেন না। তাদের মতে, এই বয়সে পর্যাপ্ত ঘুম দরকার। সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে আপাতত টেলিভিশন টকশো আর করা হবে না। তবে ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুক পেজে নিয়মিত বিশ্লেষণ ও মতামত তুলে ধরবো।”

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ পি.এম


বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে জগন্নাথদেবের রথযাত্রা

বৃহস্পতিবার থেকে রাজধানীসহ দেশের ১২৮টি স্থানে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন) বাংলাদেশের উদ্যোগে শুরু হতে যাচ্ছে শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা মহোৎসব। ৯ দিনব্যাপী এই উৎসবের উদ্বোধন হবে রাজধানীর স্বামীবাগ আশ্রমে একটি বিশেষ অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মাধ্যমে।

সোমবার (১৩ জুলাই) স্বামীবাগ আশ্রমে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়।

প্রথম দিনের সূচনা সকাল ৮টায় হবে, যেখানে বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি, মানবকল্যাণ ও দেশের সমৃদ্ধি কামনায় একটি বিশেষ যজ্ঞ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর দুপুরের পর থেকেই স্বামীবাগ আশ্রম থেকে বর্ণাঢ্য রথযাত্রা শুরু হবে। এই রথযাত্রা জয়কালী মন্দির, ইত্তেফাক মোড়, শাপলা চত্বর, দৈনিক বাংলার মোড়, পল্টন, জাতীয় প্রেস ক্লাব, কার্জন হল, দোয়েল চত্বর, শহীদ মিনার এবং পলাশীর মোড় অতিক্রম করে শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে গিয়ে শেষ হবে।

এছাড়াও, আগামী ২৪ জুলাই উল্টো রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে, যা একই পথে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে শুরু হয়ে স্বামীবাগ আশ্রমে এসে শেষ হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবিরাম বৃষ্টিতে জলমগ্ন পাবনা, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২২ পি.এম


অবিরাম বৃষ্টিতে জলমগ্ন পাবনা, চরম দুর্ভোগে নগরবাসী

 

টানা বর্ষণ ও অপর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশনের কারণে পাবনা পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক, অলিগলি ও বাসাবাড়িতে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমে জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন।

জানা গেছে, জলাবদ্ধতার কারণে শহরের বিভিন্ন সড়কে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। অনেক শিক্ষার্থীকে পানি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে দেখা গেছে। এছাড়া স্থির পানি জমে থাকায় মশার উপদ্রব বেড়ে গেছে।

এতে ডেঙ্গু এবং অন্যান্য পানিবাহিত রোগ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে সরেজমিনে পৌরসভার শালগাড়িয়া, রাধানগর, দিলালপুর, নারায়ণপুর, আরিফপুর, মুজাহিদ ক্লাব আতাইকুলা রোড, গোবিন্দা, কালাচাঁদপাড়া, নূরপুর, মনসুরাবাদ আবাসিক এলাকা, ছাতিয়ানী, বাজিতপুর রোড বাইলেন বাবলাতলা, নয়নামতি, যুগিপাড়া পাড়া, হাসপাতাল রোড, মহিষের ডিপো, অনন্ত পাড়ার কলোনি, রূপকথা সিনেমা হল রোড, বিনা বানী সিনেমা হল রোড, খাদিজাতুল কোবরা মহিলা মাদরাসা রোড, অনন্ত এলাকার আবুল কাশেম মহিলা মাদরাসা পাড়াসহ বিভিন্ন সড়ক বর্ষা মৌসুমজুড়ে পানির নিচে ডুবে রয়েছে। এর পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি জমে থাকায় অনেক বাসাবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ছে, ফলে বাসিন্দাদের আসবাব ও প্রয়োজনীয় মালামাল উঁচু স্থানে সরিয়ে রাখতে হচ্ছে।

স্থানীয়দের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় পানি জমে যায়। ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকার্যকর থাকায় সেই পানি দ্রুত নামতে পারে না। ফলে প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে একই দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। পৌরবাসীর অভিযোগ, তারা ভ্যাট ট্যাক্স দিয়ে বসবাস করছে তাও ন্যূনতম নাগরিক সেবা পাওয়া যাচ্ছে না।

শালগাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল করিম বলেন, 'সামান্য বৃষ্টি হলেই আমাদের এলাকায় পানি জমে যায়। এবারের টানা বৃষ্টিতে ঘরের ভেতর পর্যন্ত পানি ঢুকে পড়েছে। শিশু ও বৃদ্ধদের নিয়ে আমরা চরম কষ্টে আছি।' রাধানগরের ব্যবসায়ী সবুজ হোসেন জানান, 'দোকানের সামনে পানি জমে থাকায় ক্রেতা আসছে না। ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে।'

আরিফপুর এলাকার বাসিন্দা খোকন হোসেন বলেন, 'সামান্য বৃষ্টিতেই হাঁটু পরিমাণ পানি জমে। বাড়ির মধ্যে পানি ডুকে গেছে। জরুরি কাজে বাহিরে বের হতে পারছি না। প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হলেও ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। দীর্ঘদিন পৌরসভার মেয়র না থাকায় ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে।'

কালাচাঁদপাড়া মহল্লার বাসিন্দা কল্পনা আক্তার বলেন, 'আজ ৫ দিন হয়ে গেছে ঘরের খাটের নিচে পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে। রান্নাবান্না থেকে শুরু করে বাড়ির কাজ পর্যন্ত করতে পারছি না। ছেলেমেয়েদের পরীক্ষা চলছে, ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছে না। পানিতে চরম ময়লা-আবর্জনা হওয়ায় ব্যাপক দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। বিকেল বয়ে মশার উপদ্রব বাড়ছে। পানিবাহিত রোগ ও ডেঙ্গু জ্বর হওয়ার আতঙ্কে দিন যাচ্ছে।'

মুজাহিদ ক্লাব এলাকার বাসিন্দা মো. রমজান আলী বলেন, 'মুজাহিদ ক্লাব এলাকা থেকে বুলবুল কলেজ পর্যন্ত সড়কে বর্তমানে নৌকা ছাড়া যাওয়ার উপায় নেই। অর্ধ মানুষ পরিমাণ পানি জমা হয়েছে। অটোরিকশা ও অটোভ্যানের যাওয়ার সুযোগ নেই। ছোটবেলা থেকেই এই রোডের এমন বেহাল দশা দেখছি।'

মুজাহিদ ক্লাব এলাকার কেমিক্যাল ব্যবসায়ী রাসেল হোসেন বলেন, 'পানি নিয়ে আমার সব সমস্যা। পাবনায় বৃষ্টি হলে কোথাও পানি না উঠলে এই মুজাহিদ ক্লাব আতাইকুলার সড়কে পানি উঠবেই। পানির মধ্যে কাস্টমার আসে না, কিন্তু তবু দোকানে আসি। দোকানে জমে থাকা পানি ফেলে দিতে। তবে আশা করছি চলমান ড্রেনের কাজ সম্পন্ন হলে এ থেকে রেহাই পাব।'

পাবনার লতিফ গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজার অচিন্ত কুমার ঘোষ বলেন, 'পাবনা পৌর এলাকার সব পানি নিষ্কাশন হয় মূলত দোহারপাড়া ও আরিফপুর সংলগ্ন বুড়িদাহ কালভার্টের নিচের খাল দিয়ে। কিন্তু পানি নিষ্কাশনের ওই খালটি দখল ও দূষণে সরু হয়ে যাওয়ায় পানি দ্রুত গতিতে বের হতে পারছে না। তাই দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য খাল দখলমুক্ত ও খনন করে প্রসার করতে হবে। এজন্য পৌরসভা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।'

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক জানিয়েছেন, গত ৪ জুলাই থেকে ১২ জুলাই (রবিবার) পর্যন্ত পাবনা জেলায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ১৬৬ মিলিমিটার। সামনের দিনগুলোতে বৃষ্টিপাত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে পাবনা পৌর প্রশাসক খাইরুল ইসলাম বলেন, 'আমরা জলাবদ্ধ এলাকাগুলো সরেজমিনে গিয়ে দেখছি। কোথায় কি ব্যবস্থা নিতে হবে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করছি। আমরা সব সময় পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করি। তারপরও কিছু ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার ও কিছু নতুন করে নির্মাণ করতে হবে। আশা করছি দ্রুত সমাধান হবে।'

পাবনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুধাংশু কুমার সরকার বলেন, 'সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ইছামতি নদী ও সংযোগ খাল খনন প্রকল্পের কাজ চলমান। নদী ও সংযোগ খালগুলো খনন হলে পাবনা পৌরসভা সহ জেলায় আর জলাবদ্ধতা থাকবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্ত অঞ্চলের হতদরিদ্র কিশোরীদের স্বাবলম্বী করতে ‘মা ছাগল বিতরণ’ কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মো : সুমন হাসান বাপ্পি, স্টাফ রিপোর্টার

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৬ পি.এম


সীমান্ত অঞ্চলের হতদরিদ্র কিশোরীদের স্বাবলম্বী করতে ‘মা ছাগল বিতরণ’ কর্মসূচি

সীমান্ত অঞ্চলের হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত কিশোরীদের আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে ‘মা ছাগল বিতরণ’ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বর্ডার ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (BVDO)।

সংস্থাটির উদ্যোগে নির্বাচিত উপকারভোগী কিশোরীদের মধ্যে মা ছাগল বিতরণ করা হবে। এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো কিশোরীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা, পারিবারিক আয় বৃদ্ধি করা এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলা।

সংস্থাটি জানিয়েছে, যেসব এলাকায় এমন হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত কিশোরী রয়েছে, সেসব এলাকার ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উপযুক্ত তথ্য দিয়ে যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। যাচাই-বাছাইয়ের পর যোগ্য উপকারভোগীদের এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

যারা আগ্রহী, তারা সরাসরি সাংবাদিক আহমেদ এসমাম এর সাথে যোগাযোগ করবেন অথবা ১ নম্বর ধর্মগড় কাউন্সিল বাজার, রানীশংকৈল, ঠাকুরগাঁও-এ অবস্থিত সংস্থার কার্যালয়ে ০১৭৯৪৮৫৯১৯৩ নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন।

বর্ডার ভিলেজ ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের এই মানবিক উদ্যোগ সীমান্ত অঞ্চলের কিশোরীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%