০৯:০৯ এম
ত্বকের যত্নের প্রধান সূত্র ক্লিনজিং, টোনিং, ময়েশ্চারাইজিং। এই সূত্রটি মানলে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল এবং সুন্দর ত্বক পাওয়া যায়। তবে বেশির ভাগ সময় দেখা যায়, ত্বকচর্চার রুটিন মূলত ক্লিনজিং এবং ময়েশ্চারাইজিং পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকে। টোনিংকে অনেকেই এড়িয়ে যান। অথচ সুস্থ, মসৃণ ত্বক পেতে এই টোনিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
টোনার ত্বককে গভীরভাবে পরিষ্কার করে। এটি ত্বকের জন্য বাড়তি পুষ্টি প্রদান করে এবং ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স বজায় রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া, টোনিং মানবশরীরের রোমকূপ সংকুচিত করে, যা ব্রণের প্রবণতা কমাতে সহায়তা করে। এছাড়া, টোনিং ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং অতিরিক্ত তেল নিঃসরণ রোধ করে। টোনিং ত্বকের বলিরেখাও কমাতে বেশ কার্যকর। এর জন্য ত্বকচর্চায় টোনিংয়ের কোনো বিকল্প নেই।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে রাস্তা পার হতে গিয়ে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত
রূপচর্চা বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে নানা ধরনের টোনার পাওয়া যাবে। বিউটি প্রোডাক্ট প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলি ত্বকের ধরন বুঝে টোনার তৈরিতে বিশেষ মনোযোগ দেয়। তবে বাজারের কেমিক্যালযুক্ত প্রোডাক্টের তুলনায় ঘরোয়া পদ্ধতিতে তৈরি টোনার মানসম্মত হবে। সব উপকরণ সহজেই হাতের কাছে পাওয়া যাবে।
এছাড়া, গরমে শরীর ঠিক রাখার জন্য কি কি খাবার খেতে হবে, তা জানা দরকার।
আরও পড়ুন: সৌদি আরবের ৩ শহরে জরুরি সতর্কতা জারি
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য টোনার:
তৈলাক্ত ত্বকে সহজেই ময়লা জমে যায়। ফলে ব্রণ এবং নানা সমস্যা দেখা দেয়। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য ঘরোয়া টোনার ব্যবহার করা যায়। ১ চা চামচ বেকিং সোডা এবং ২ চা চামচ গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন। চাইলে বোতলে ঢেলে ফ্রিজায় সংরক্ষণ করতে পারেন। এরপর তুলো নিয়ে মিশ্রণটি মুখে লাগান। ৫ মিনিট পর মুখ ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুবার করে এই মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন। এটি তৈলাক্ত ত্বকে দ্রুত কাজ করে, ফলে ত্বক উজ্জ্বল এবং নরম দেখায়।
শুষ্ক ত্বকের জন্য টোনার:
আরও পড়ুন: রাজধানীর ৩০০ ফিটে প্রাইভেট কারের ধাক্কায় একজন নিহত, একজন আহত
শুষ্ক ত্বকের অধিকারীরা কিছুটা কম সমস্যার সম্মুখীন হন, কিন্তু আর্দ্রতার অভাবে ত্বক রুক্ষ হয়ে পড়ে। এতে দ্রুত বার্ধক্য এবং বলিরেখার সৃষ্টি হয়। শুষ্ক ত্বকে নিয়মিত টোনার প্রয়োজন। ১ চা চামচ গ্লিসারিন এবং ৪ চা চামচ গোলাপজল একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। প্রথমে ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধোয়ার পর তুলো টোনারে ভিজিয়ে ত্বকে লাগান। সারা মুখে মিশ্রণটি লাগানোর পর ১০ মিনিট অপেক্ষা করুন। এরপর ময়েশ্চারাইজার লাগান। রোজ দুবার টোনার ব্যবহার করলে ত্বক উজ্জ্বল, নরম এবং মসৃণ হবে।
সংবেদনশীল ত্বকের জন্য টোনার:
যাদের ত্বক সংবেদনশীল, তাদের ত্বকের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে। প্রোডাক্ট ব্যবহারে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। অন্যথায়, ত্বকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকের জন্য ঘরোয়া টোটকা খুব কার্যকর হতে পারে। আধা কাপ ঠান্ডা দুধের সঙ্গে ২-৩ চামচ গোলাপজল মিশান। এরপর তুলো দিয়ে সারা মুখে লাগিয়ে রাখুন। ৫ থেকে ৬ মিনিট রাখার পর ভালো কোনো ব্র্যান্ডের ময়েশ্চারাইজার লাগান। দিনে অন্তত একবার এই টোনার ব্যবহার করতে পারেন।
আরও পড়ুন: জর্ডানে গির্জায় এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত ৭
মনে রাখতে হবে, যেকোনো ত্বকই হোক, টোনার ব্যবহার তুলোর সাহায্যে করতে হবে। টোনিং করার পর অবশ্যই মুখটা পানি দিয়ে ধোয়া উচিত এবং হালকা ভেজা অবস্থায় ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন