সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫৭ পি.এম
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চৌমুহনী খুর্শিদ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রায় ৩২ জন শিক্ষক-কর্মচারী দীর্ঘ সময় ধরে বেতন-ভাতা না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। প্রতিষ্ঠান তহবিল থেকে তাদের এই অর্থ প্রদান করা হচ্ছে না বলে জানা গেছে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের মধ্যে কেউ দুই বছর, আবার কেউ চার বছর ধরে বকেয়া বেতন-ভাতা পাওয়ার দাবি করেছেন। এর ফলে অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক-কর্মচারীরা বিভিন্ন সময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও ম্যানেজিং কমিটির কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন, কিন্তু কার্যকর কোনো সমাধান আসেনি। তদন্ত কমিটি গঠনের পরও তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন শিক্ষক।
প্রতিষ্ঠানটির স্কুল শাখায় ১৩ জন শিক্ষক, কলেজ শাখায় ১৫ জন শিক্ষক এবং মোট ৪ জন কর্মচারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেরই ২-৪ বছরের ভাতা বকেয়া রয়েছে।
শিক্ষক-কর্মচারীদের অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব আয়ের বিভিন্ন উৎস রয়েছে। শিক্ষার্থীদের বেতন, বিভিন্ন অনুদান এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনার আওতাধীন দোকান ও মার্কেট থেকে ভাড়া বাবদ অর্থ আদায় করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের জায়গায় একটি বেসরকারি ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকেও ভাড়া আদায়ের কথা রয়েছে। তবে এসব আয়ের সঠিক হিসাব তাদের কাছে উপস্থাপন করা হয় না বলে অভিযোগ রয়েছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ, অতীতে প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। দোকানঘর নামমাত্র ভাড়ায় ইজারা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিষ্ঠানটির জীববিজ্ঞানের শিক্ষক ফেরদৌস আহমদ বলেন, "স্কুলের আয়-ব্যয়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা করা হলে আমাদের কোনো বকেয়া থাকার কথা নয়। আমরা চাই আমাদের বকেয়া দ্রুত পরিশোধ করা হোক।"
কলেজ শাখার যুক্তিবিদ্যার শিক্ষক ফখরুল ইসলাম বলেন, "প্রায় ৪ বছর ধরে আমার প্রায় ৭ হাজার টাকা করে বকেয়া রয়েছে। আমার মতো কম-বেশি সবারই বকেয়া আছে। প্রতিষ্ঠান চাইলে এসব পরিশোধ করতে পারে।"
নৈশপ্রহরী আশরাফুল আলম জানান, "বছরের পর বছর আমরা ভাতা থেকে বঞ্চিত। এ বিষয়ে আমরা লিখিত অভিযোগও দিয়েছি।"
কয়েকজন কর্মচারী— নৈশপ্রহরী আশরাফুল আলম, পরিচ্ছন্নতাকর্মী জোবেদা খাতুন, এমএলএসএস জেসমিন আক্তার ও আব্দুল মালেক— বকেয়া ভাতা না পাওয়ার কথা জানালেও চাকরিতে ক্ষতির আশঙ্কায় বিস্তারিত বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন।
উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা ইকরাম বলেন, "কমিটির সাবেক লোকদের কারণে প্রতিষ্ঠানটি দুর্নীতির রাজ্যে পরিণত হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। আমরা আশা করি, খুব দ্রুত এসবের অবসান হবে এবং অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাকির হোসেন জানান, "ইতোমধ্যে কিছু বকেয়া আমরা পরিশোধ করেছি। বাকিগুলো পরিশোধের বিষয়ে কাজ করছি। স্কুলের আয় খতিয়ে দেখার জন্য আদায়ের অডিট কমিটি গঠন করব। আমরা স্কুলে অভিযোগ বাক্সও স্থাপন করেছি।"
প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসচিব মোহন মিয়া বলেন, "আমি নিজেও বকেয়া পাওনা রয়েছি। কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান তহবিল থেকে তাদের বেতন দিতে বাধ্য নয়। তারা রাজস্ব খাত থেকে বেতন পাচ্ছেন। শিক্ষকদের কেউ কেউ বিষয়টি অতিরঞ্জিত করছেন।"
এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, "তাদের বারবার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বিষয়টি সমাধান করতে।"
দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা বকেয়া থাকার অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির আয়-ব্যয়ের হিসাব, বকেয়া বেতন-ভাতার পরিমাণ এবং পূর্ববর্তী ম্যানেজিং কমিটির সময়কার আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদন্তের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দাকোপে সুশীলন নামক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে এ্যাডভান্সিং লোকাল ক্লাইমেট এ্যাকশন প্রকল্পের প্রারম্ভিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মশালাটি সোমবার বেলা ১১ টায় দাকোপ উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা প্রদান করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ বোরহান উদ্দিন মিঠু। ইউএনডিএফর অর্থায়নে আয়োজিত এই কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আবুবক্কর সিদ্দিক, সমাজ সেবা কর্মকর্তা প্রজিত রায়, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, আইসিটি কর্মকর্তা সমীর বিশ্বাস এবং ভেটোনারী সার্জন ডাঃ সাইদুর রহমান।
প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনা করেন প্রজেক্ট কো-অর্ডিনেটর শেখ মোঃ নূরনবী। এ সময় মনিটরিং এন্ড ডকুমেন্টেশন অফিসার তানভীর আহমেদ রিফাত এবং কমিউনিটি ম্যানেজার ইভা বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় জানানো হয়, দাকোপের সুতারখালী ও বানীশান্তা ইউনিয়নে ২ বছর মেয়াদী এই প্রকল্পের আওতায় ৭৩৯৬ জন সরাসরি উপকার সহায়তার আওতায় আসবে। উপকুলীয় এলাকায় জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ককটেল সদৃশ কিছু বস্তু পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনার পর, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ান (এসআরবি-২) এর একটি বিশেষ দল ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে এসআরবি-২ এর সিপিএসসির কোম্পানি কমান্ডার হাসান মুহতারিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে, মোহাম্মদপুর রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের ভেতরে একটি গাছের গোড়ায় পলিথিনের মোড়ানো অবস্থায় ককটেল সদৃশ বস্তু অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা রেখে গেছে।
কোম্পানি কমান্ডার হাসান মুহতারিম আরও বলেন, তারা এসআরবির বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দিয়েছেন। ইউনিটটি এসে বিষয়টি পর্যালোচনা করে বলতে সক্ষম হবে যে, এটি কোনো বিস্ফোরক জাতীয় দ্রব্য কিনা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাগেরহাটের মোল্লাহাটে রংধনু নারী উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা অনলাইন ও অফলাইন উভয় মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
সভাটি সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় উপজেলার কাহালপুর ডাঃ মনসুর আহমদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভার সভাপতিত্ব করেন রংধনু নারী উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারম্যান মোর্শেদা আক্তার। সভায় উপস্থিত ছিলেন ইনসিডিন বাংলাদেশের মোল্লাহাট উপজেলা কোঅর্ডিনেটর মোঃ মইন খান, রংধনু নারী উন্নয়ন সংস্থার উপদেষ্টা এম এম মফিজুর রহমান, গাড়ফা পল্লী সমাজের সভানেত্রী লক্ষ্মী রানী, ইনসিডিন বাংলাদেশের কর্মকর্তা সৈয়দ মারুফুল ইসলামসহ রংধনু নারী উন্নয়ন সংস্থার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিদ্যালয়ের ৫০ জন শিক্ষার্থী।
সভায় আলোচনা করা হয় শিশুদের নিরাপত্তা, অনলাইন ও অফলাইন পরিবেশে শিশুদের সুরক্ষা, সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা এবং শিশুদের অধিকার রক্ষায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজের দায়িত্ব নিয়ে। একই সঙ্গে শিশুদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বক্তারা সভায় বলেন, শিশুদের নিরাপদ বিকাশের জন্য পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি পর্যায়ে দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। বিশেষ করে অনলাইনভিত্তিক যোগাযোগ ও প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিশুদের সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করে নিরাপদ ব্যবহারের পরিবেশ তৈরি করতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ‘এশিয়া প্যাসেফিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজিষ্ট অ্যান্ড ইনোভেশন (এপিইউ)’ এ আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়াল্ড স্কুল সামিট-এর উদ্যোগে ২৬ সেপ্টেম্বর এই সম্মেলন আয়োজন করা হয়, যেখানে বিশ্বের প্রায় ৩০টি দেশ থেকে শিক্ষাবিদ, স্কুল ডিরেক্টর, শিক্ষা উদ্যোক্তা ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের যুগে শিক্ষাকে কীভাবে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করা যায়, শিক্ষার্থী গঠনে অভিভাবক ও শিক্ষকদের ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে ব্যাপক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন মাদ্রাসা আবু হুরায়রার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান। তিনি শিক্ষা, প্রতিষ্ঠান পরিচালনা, শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও দক্ষতাভিত্তিক বিকাশ এবং আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয় নিয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।
মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান তাঁর বক্তব্যে বলেন, “শিক্ষা শুধু নলেজের নাম নয়; শিক্ষা হলো নৈতিকতা ও দক্ষতার সমন্বয়।” তাঁর মতে, বর্তমান বিশ্বে তথ্য ও জ্ঞান অর্জন করাই যথেষ্ট নয়; শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা, বাস্তব দক্ষতা এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা নিয়ে গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, আধুনিক শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। মাদ্রাসা আবু হুরায়রা কীভাবে আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে ইসলামিক শিক্ষার সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলছে, সে বিষয়টিও তিনি আন্তর্জাতিক প্রতিনিধিদের সামনে তুলে ধরেন। শিক্ষকদের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীর চরিত্র গঠন, মানসিক বিকাশ, নৈতিক শিক্ষা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা তৈরিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান মাদ্রাসা আবু হুরায়রার বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমের কথাও তুলে ধরেন। প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি অসহায় ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বৃত্তির মাধ্যমে সহযোগিতা করে থাকে। তিনি জানান, প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ ও মানবিক কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা আবু হুরায়রায় বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। প্রতিষ্ঠানটির মোট ১০টি শাখায় প্রায় ২৫০ জন শিক্ষক কর্মরত রয়েছেন। এর মধ্যে হিফজুল কোরআন বিভাগে রয়েছে প্রায় ৬০০ শিক্ষার্থী। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমে আধুনিক সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামিক শিক্ষার সমন্বয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি মুফতি মোহাম্মদ মুসা খান ‘স্কুল ডিরেক্টর অব দি ইয়ার” ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি লাভ করেন এবং তাঁর হাতে ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পাশাপাশি এ স্বীকৃতি তাঁর শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার কার্যক্রমের একটি উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিক্ষা উদ্যোক্তা ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ