০৫:৩২ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী তথ্য নিয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগকে বেইজিং ‘মনগড়া’ ও ‘বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক ভাষণে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী ব্যবস্থা গুরুতরভাবে ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তিনি ভোটদান ব্যবস্থায় নতুন বিধিনিষেধ আরোপের জন্য আইনপ্রণেতাদের প্রতি আহ্বান জানান। যদিও তার নিজ দল রিপাবলিকান পার্টির মধ্যেও এ ধরনের পদক্ষেপের ব্যাপক সমর্থন নেই।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, চীন মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছে এবং অবৈধভাবে ২২ কোটি মার্কিন ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করেছে। এসব তথ্যের মধ্যে ভোটারদের নাম ও ঠিকানাসহ ভোটার নিবন্ধনের বিভিন্ন তথ্য রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার কিছু কর্মকর্তা ইচ্ছাকৃতভাবে চীনের কর্মকাণ্ড সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রেখেছেন।
আরও পড়ুন: তিব্বতে ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে নিহত ১৮, আহত ৩২
আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে করা এসব দাবি সম্পূর্ণ মনগড়া এবং বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার। বহু আগেই প্রমাণ হয়েছে, এসব অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘চীনের যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কোনো আগ্রহ নেই এবং চীন কখনোই তাতে হস্তক্ষেপ করেনি।’ লিন জিয়ান যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘নিজেদের কর্মকাণ্ড নিয়ে আত্মসমালোচনা করুন, ভিত্তিহীনভাবে চীনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বন্ধ করুন এবং নির্বাচনী ইস্যুতে চীনকে টেনে আনা থেকে বিরত থাকুন।’
২০২০ সালের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের কাছে ট্রাম্প পরাজিত হন। পরাজয়ের পর থেকেই ট্রাম্প দাবি করে আসছেন, নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। তবে ট্রাম্পের এই দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
নির্বাচন-পরবর্তী ৬০টিরও বেশি মামলায় ফল পরিবর্তনের মতো জালিয়াতির প্রমাণ আদালতে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। এছাড়া পুনর্গণনা, নিরীক্ষা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নিজস্ব বিচার বিভাগও ফলাফল পাল্টে দেওয়ার মতো কোনো জালিয়াতির প্রমাণ খুঁজে পায়নি।
আরও পড়ুন: মানবদেহে প্রথমবারের মতো শনাক্ত হলো শামোন্ডা ভাইরাস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন