ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন, হেফাজতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হুমকির অভিযোগ


নোয়াখালীতে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন, হেফাজতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হুমকির অভিযোগ

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, মিথ্যাচার, গুজব ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ তুলেছেন হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা ইমাম হোসাইন মোহম্মদ সেলিম।

তিনি সোমবার (১৭ আগষ্ট) দুপুরে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর শহীদি জামে মসজিদ কনফারেন্স হলে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এই অভিযোগ করেন।

এ সময়ে হেযবুত তওহীদের এই শীর্ষ নেতা বলেন, হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে সম্প্রতি নোয়াখালী জেলা স্কুলের মাঠে একটি ধর্মীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়। উক্ত সমাবেশে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক মিথ্যাচার, হুমকি, উসকানি, গালাগালি ও বেআইনি বক্তব্য রাখেন বক্তারা। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘সারা দেশে হেযবুত তওহীদের কবর রচনা করা হবে’, ‘সরকার হেযবুত তওহীদকে নিষিদ্ধ না করলে সারাদেশ অচল করে দেয়া হবে’, ‘হেযবুত তওহীদের আস্তানা গুড়িয়ে দেয়া হবে’—এরকম বহু বক্তব্য সেখানে রাখা হয়, যেগুলো সম্পূর্ণরূপে দেশের আইন ও সংবিধানপরিপন্থী।

আরও পড়ুন: সীতাকুণ্ডে খাস জমিতে ১৮ দোকান, ইজারা না হওয়ায় বন্ধ রাজস্ব আদায়

ইমাম সেলিম আরো অভিযোগ করেন, কওমি মাদ্রাসাকেন্দ্রিক এই গোষ্ঠীটি দেশের বিভিন্ন জায়গায় হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। তারা মিথ্যা হ্যান্ডবিল রচনা করে এবং তা হাটে-বাজারে, মসজিদে-মাদ্রাসায় বিতরণ করছে, জনগণকে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে। তারা সভা-সমাবেশে, মসজিদের মিম্বারে, শুক্রবার খুতবার বয়ানে এবং ওয়াজের মঞ্চে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে মুসল্লিদেরকে ক্ষিপ্ত করে তোলার চেষ্টা করছে। এই অবস্থায় সংগঠনের নেতা-কর্মীদের জান-মাল, বাড়িঘর, সংগঠনের কার্যালয়, স্থাপনা ও উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের উপর যে কোনো সময় হামলা হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

এ সময়ে সংগঠনের মতাদর্শ প্রচার ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার স্বাধীনতা, হুমকিদাতাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ পদক্ষেপ, নেতা-কর্মীদের জানমাল ও স্থাপনার নিরাপত্তাসহ বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন ইমাম হোসাইন মোহম্মদ সেলিম। মতবিনিময় সভায় নোয়াখালী জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও মাল্টিমিডিয়ার গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


বাংলাদেশ নিয়ে জাতিসংঘের সতর্কতা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

জাতিসংঘ সম্প্রতি বাংলাদেশে ক্রমশ আন্তর্জাতিকভাবে নিষিদ্ধ সংগঠন আল-কায়েদা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে বলে সতর্ক করেছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যংশনস মনিটরিং টিম’-এর এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশন, ২০২৫’-এর প্রতিবেদন পর্যালোচনা ও সুপারিশ প্রণয়ন কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, "আমরা এগুলো আমলে নিচ্ছি না, রিপোর্টও এখনও পড়িনি। সেখানে হয়তো কিছু অবজারভেশন থাকতে পারে। আমি না দেখে বলতে পারবো না।"

এ বিষয় নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, "আমি যতটুকু শুনেছি পত্রিকার অন্তরে, সেখানে বলা হয়েছে যে, তারা একটা এজাম্পশন করেছে। অনুমান করেছে যে এরকম হতে পারে। তো অনুমাননির্ভর রিপোর্টের ওপর আমরা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছি না।"

এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে তার দপ্তর পরিবর্তনের গুঞ্জনের বিষয়ে জানতে চান সাংবাদিকরা। জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, "আমিও গুঞ্জন শুনতেছি।"

উল্লেখ্য, সম্প্রতি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশে আল-কায়েদার তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল-কায়েদা বাংলাদেশে নিজেদের স্থায়ী ঘাঁটি ও গোপন সেল গড়ে তোলার চেষ্টা করছে।

জাতিসংঘের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আফগানিস্তানে আল-কায়েদার অবস্থান ও সক্ষমতা এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। সংগঠনটির ভারতীয় উপমহাদেশীয় শাখা ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ (একিউআইএস)ও খণ্ডিত একটি গোষ্ঠী থেকে ধীরে ধীরে আঞ্চলিক সংগঠনে রূপ নিয়েছে। তারা এখন বড় ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ও বিচ্ছিন্ন সেল গঠন করে রসদ সরবরাহ এবং আর্থিক নেটওয়ার্ক বিস্তারের চেষ্টা করছে।

প্রতিবেদনে আল-কায়েদা ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (একিউআইএস)-এর কর্মকাণ্ডের একটি উদাহরণ হিসেবে দিল্লির লাল কেল্লায় হামলার কথা বলা হয়েছে। গত বছরের নভেম্বরের ওই হামলার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটিকে দায়ী করা হয়।

এ প্রসঙ্গে বর্ণনার এক পর্যায়ে বাংলাদেশেও একিউআইএস-এর সেল বা ছোট সাংগঠনিক ইউনিট প্রতিষ্ঠার চেষ্টা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংগঠনটি বাংলাদেশকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের চেষ্টা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইউএনওর সরেজমিন তদন্তে ভাণ্ডারিয়ার প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতা ও অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ, গঠন হলো তদন্ত কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


ইউএনওর সরেজমিন তদন্তে ভাণ্ডারিয়ার প্রধান শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতা ও অর্থ আত্মসাতের প্রমাণ, গঠন হলো তদন্ত কমিটি

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

মনে হচ্ছে, নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মনগড়া রেজোলিউশন তৈরি, আর্থিক অনিয়ম, শিক্ষকদের মানসিকভাবে হয়রানি এবং নারী শিক্ষকের পোশাক নিয়ে প্রকাশ্যে কটূক্তির মতো একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। এসব অভিযোগের পর ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. হাসিবুল হাসান তদন্ত করেছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে ইউএনও বিদ্যালয়ে যান। সেখানে তিনি অভিযোগকারী ও ভুক্তভোগী শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করেন। ইউএনও তদন্তকালে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং মানসিক হয়রানি তুলে ধরেন শিক্ষকেরা।

বিদ্যালয়ের নারী শিক্ষক সেলিনা আক্তার অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক প্রকাশ্যে তার পোশাক নিয়ে কটূক্তি করেছেন। পাশাপাশি তার অভ্যন্তরীণ বেতন বন্ধ রাখার অভিযোগও করেছেন। এইসব কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক কষ্টে রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিক্ষকদের অভিযোগ রয়েছে যে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব সংরক্ষণ করা হয় না। তারা জানান, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত রশিদ ও যথাযথ ভাউচার ছাড়াই বিদ্যালয়ের বিপুল পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। ওই অর্থের ব্যয় ও হিসাবের যথাযথ উপস্থাপন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষকরা।

অন্যদিকে, সহকারী শিক্ষকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ভাউচারে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। কিছু শিক্ষক স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কাজে বাধার অভিযোগে অভিযুক্ত করা এবং সামাজিকভাবে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখিত হয়েছে যে, নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মনগড়া রেজোলিউশন ও বিভিন্ন নথিপত্র তৈরি করে শিক্ষকদের হয়রানি করা হয়েছে। শিক্ষক শ্যামল কৃষ্ণ হাওলাদারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হলেও তা ফেরত দেওয়া হয়নি। একইভাবে সহকারী প্রধান শিক্ষক হামিদা বেগমের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগকারীরা দাবি করেন, পরে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. শাহ আলমের স্বাক্ষর জাল করে সহকারী প্রধান শিক্ষক হামিদা বেগমের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। ওই মামলার পর তার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তখন থেকে তিনি প্রায় পাঁচ মাস ধরে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম থেকে দূরে রয়েছেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, ফারজানা আক্তার নিপা নামের একজনকে নিয়মবহির্ভূতভাবে প্যারা-টিচার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের প্রাইভেট ও কোচিং পড়তে বাধ্য করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, ওই কোচিং থেকে প্রধান শিক্ষক কমিশন হিসেবে অর্থ গ্রহণ করতেন।

এদিকে, ২০২৩ সালে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি লিয়াকত আলী তালুকদারের করা মামলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ওপর দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযোগকারী শিক্ষকরা দাবি করেন, তদন্ত শেষে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।

শিক্ষকদের অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের টিউশন ফি ও অন্যান্য তহবিলের অর্থ নিয়ে। তারা দাবি করেন, প্রতিদিন শিক্ষার্থী ও অন্যান্য উৎস থেকে জমা হওয়া অর্থ প্রধান শিক্ষক নিজ বাসায় নিয়ে যান এবং স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে অভ্যন্তরীণ বেতন বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া বিদ্যালয়ের স্থায়ী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না খুলে প্রধান শিক্ষক নিজে একক নামে অ্যাকাউন্ট খুলে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, ওই অ্যাকাউন্টে বিদ্যালয়ের অর্থ জমা ও উত্তোলনের বিষয় সম্পর্কে তথ্য জানানো হয়নি।

শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়ও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের টিসি বা ছাড়পত্রের জন্যও অর্থ আদায় করার অভিযোগ রয়েছে।

বিদ্যালয়ের সংস্কার ও অন্যান্য কাজের কথা বলেও শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব অর্থের যথাযথ হিসাব বা ব্যবহার দেখানো হয়নি।

শিক্ষকদের অভিযোগ, এসব অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ডের কারণে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য যে, প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান তদন্তে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি। তিনি জানান, অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা প্রশাসনিক তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. হাসিবুল হাসান জানিয়েছেন, অভিযোগগুলি পর্যালোচনা করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি আরও অধিকতর তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি জানান, তদন্ত কমিটি আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ড্রাগ টেস্টে এয়ার ইন্ডিয়ার আরও দুই পাইলট অকৃতকার্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


ড্রাগ টেস্টে এয়ার ইন্ডিয়ার আরও দুই পাইলট অকৃতকার্য

এয়ার ইন্ডিয়ার আরও দুই পাইলট প্রাথমিক ড্রাগ টেস্টে অকৃতকার্য হয়েছেন। ফুকেট-দিল্লি রুটের একটি ফ্লাইটে মাঝ-আকাশে হঠাৎ উড্ডয়ন উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনার পর, এয়ার ইন্ডিয়ার সব পাইলটের বাধ্যতামূলক ড্রাগ টেস্টের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ৩০০-এর বেশি পাইলট এতে অংশ নেয়। প্রাথমিক পরীক্ষায় দুই পাইলটের ফলাফল ‘নন-নেগেটিভ’ এসেছে বলে পিটিআই’র বরাতে ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

সংবাদমাধ্যমগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যে প্রাথমিক পরীক্ষার ফলাফল চূড়ান্ত নয়। সংশ্লিষ্ট পাইলটদের নমুনা আরও পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হবে। চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ততক্ষণ পর্যন্ত ওই দুই পাইলটকে উড্ডয়ন দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে রাখা হয়েছে।

গত ৪ আগস্ট, এয়ার ইন্ডিয়ার এআই২৩৭৯ ফ্লাইটটি ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু নিয়ে থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়। উড্ডয়নের পর ভারতের আকাশসীমায়, বিমানটি হঠাৎ প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এতে বিমানের ভেতরে সাময়িকভাবে ওজনহীনতার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং ২০ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু আহত হন।

ঘটনার পর বিমানের পাইলটদের মাদক ও মনঃপ্রভাবক পদার্থের পরীক্ষার আওতায় আনা হয়। ওই ফ্লাইটের প্রধান পাইলটের প্রাথমিক পরীক্ষার ফল ‘নন-নেগেটিভ’ আসার পর, নমুনা নিশ্চিতকরণ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরবর্তী পরীক্ষায় তার শরীরে মারিজুয়ানা শনাক্ত হয়েছে বলে সূত্রের বরাতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এরপর এয়ার ইন্ডিয়া, তাদের সমস্ত পাইলটের ড্রাগ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন ব্যবস্থার আওতায়, প্রশিক্ষণ, ফ্লাইটের পর এবং নির্ধারিত বিভিন্ন স্থানে পাইলটদের পরীক্ষা করার কথা জানানো হয়েছে। এই ব্যবস্থা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের পাইলটদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হবে।

ফুকেট-দিল্লি ফ্লাইটের ঘটনাটি বর্তমানে ভারতের এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) তদন্ত করছে। তদন্তে এয়ারবাসের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি, ফ্রান্সের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত সংস্থা বিএই (BEA) সহযোগিতা করছে। এয়ারবাসের প্রাথমিক বিশ্লেষণে বিমানটির তিনটি হাইড্রলিক ব্যবস্থায় সাময়িক চাপ কমে যাওয়ার বিষয়টিও উঠে এসেছে।

তদন্ত চলাকালে সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটের দুই পাইলটকেই উড্ডয়ন দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইনি প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনাকে দেশে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: চিফ প্রসিকিউটর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০১ পি.এম


আইনি প্রক্রিয়ায় শেখ হাসিনাকে দেশে আনতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে: চিফ প্রসিকিউটর

ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে বলে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন।

আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে ভারত সরকারের কাছে আবেদন করেছে যাতে আমরা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে (শেখ হাসিনাকে) ফিরিয়ে আনতে পারি। শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করার জন্য যেটি আবেদন করা হয়েছে, তা একটি আইনি প্রক্রিয়া। এই আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার অত্যাবশ্যক পদক্ষেপ নিয়েছে।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের ফলে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে তিনি বর্তমানে ভারতে পালিয়ে আছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%