ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
০৩:৫৪ পি.এম
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থানা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
মনে হচ্ছে, নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মনগড়া রেজোলিউশন তৈরি, আর্থিক অনিয়ম, শিক্ষকদের মানসিকভাবে হয়রানি এবং নারী শিক্ষকের পোশাক নিয়ে প্রকাশ্যে কটূক্তির মতো একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। এসব অভিযোগের পর ভাণ্ডারিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. হাসিবুল হাসান তদন্ত করেছেন।
রোববার (১৬ আগস্ট) বিকেলে ইউএনও বিদ্যালয়ে যান। সেখানে তিনি অভিযোগকারী ও ভুক্তভোগী শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন। অভিযোগের বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা করেন। ইউএনও তদন্তকালে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং মানসিক হয়রানি তুলে ধরেন শিক্ষকেরা।
বিদ্যালয়ের নারী শিক্ষক সেলিনা আক্তার অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক প্রকাশ্যে তার পোশাক নিয়ে কটূক্তি করেছেন। পাশাপাশি তার অভ্যন্তরীণ বেতন বন্ধ রাখার অভিযোগও করেছেন। এইসব কারণে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক কষ্টে রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ রয়েছে যে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব সংরক্ষণ করা হয় না। তারা জানান, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত রশিদ ও যথাযথ ভাউচার ছাড়াই বিদ্যালয়ের বিপুল পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। ওই অর্থের ব্যয় ও হিসাবের যথাযথ উপস্থাপন করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষকরা।
অন্যদিকে, সহকারী শিক্ষকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিভিন্ন ভাউচারে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। কিছু শিক্ষক স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কাজে বাধার অভিযোগে অভিযুক্ত করা এবং সামাজিকভাবে অপপ্রচার চালানোর অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখিত হয়েছে যে, নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে মনগড়া রেজোলিউশন ও বিভিন্ন নথিপত্র তৈরি করে শিক্ষকদের হয়রানি করা হয়েছে। শিক্ষক শ্যামল কৃষ্ণ হাওলাদারের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হলেও তা ফেরত দেওয়া হয়নি। একইভাবে সহকারী প্রধান শিক্ষক হামিদা বেগমের কাছ থেকেও ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগকারীরা দাবি করেন, পরে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি মো. শাহ আলমের স্বাক্ষর জাল করে সহকারী প্রধান শিক্ষক হামিদা বেগমের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। ওই মামলার পর তার সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তখন থেকে তিনি প্রায় পাঁচ মাস ধরে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম থেকে দূরে রয়েছেন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, ফারজানা আক্তার নিপা নামের একজনকে নিয়মবহির্ভূতভাবে প্যারা-টিচার হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের প্রাইভেট ও কোচিং পড়তে বাধ্য করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, ওই কোচিং থেকে প্রধান শিক্ষক কমিশন হিসেবে অর্থ গ্রহণ করতেন।
এদিকে, ২০২৩ সালে বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি লিয়াকত আলী তালুকদারের করা মামলায় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ওপর দেওয়া হয়েছিল। তবে অভিযোগকারী শিক্ষকরা দাবি করেন, তদন্ত শেষে অর্থ আত্মসাতের বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয়ের টিউশন ফি ও অন্যান্য তহবিলের অর্থ নিয়ে। তারা দাবি করেন, প্রতিদিন শিক্ষার্থী ও অন্যান্য উৎস থেকে জমা হওয়া অর্থ প্রধান শিক্ষক নিজ বাসায় নিয়ে যান এবং স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানালে অভ্যন্তরীণ বেতন বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া বিদ্যালয়ের স্থায়ী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না খুলে প্রধান শিক্ষক নিজে একক নামে অ্যাকাউন্ট খুলে অর্থ উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীরা দাবি করেন, ওই অ্যাকাউন্টে বিদ্যালয়ের অর্থ জমা ও উত্তোলনের বিষয় সম্পর্কে তথ্য জানানো হয়নি।
শিক্ষার্থীদের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়ও অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের টিসি বা ছাড়পত্রের জন্যও অর্থ আদায় করার অভিযোগ রয়েছে।
বিদ্যালয়ের সংস্কার ও অন্যান্য কাজের কথা বলেও শিক্ষকদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এসব অর্থের যথাযথ হিসাব বা ব্যবহার দেখানো হয়নি।
শিক্ষকদের অভিযোগ, এসব অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারী কর্মকাণ্ডের কারণে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। উল্লেখযোগ্য যে, প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান তদন্তে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি। তিনি জানান, অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা প্রশাসনিক তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. হাসিবুল হাসান জানিয়েছেন, অভিযোগগুলি পর্যালোচনা করে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলোর সত্যতা পাওয়া গেছে। বিষয়টি আরও অধিকতর তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি জানান, তদন্ত কমিটি আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
এয়ার ইন্ডিয়ার আরও দুই পাইলট প্রাথমিক ড্রাগ টেস্টে অকৃতকার্য হয়েছেন। ফুকেট-দিল্লি রুটের একটি ফ্লাইটে মাঝ-আকাশে হঠাৎ উড্ডয়ন উচ্চতা কমে যাওয়ার ঘটনার পর, এয়ার ইন্ডিয়ার সব পাইলটের বাধ্যতামূলক ড্রাগ টেস্টের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ৩০০-এর বেশি পাইলট এতে অংশ নেয়। প্রাথমিক পরীক্ষায় দুই পাইলটের ফলাফল ‘নন-নেগেটিভ’ এসেছে বলে পিটিআই’র বরাতে ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।
সংবাদমাধ্যমগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যে প্রাথমিক পরীক্ষার ফলাফল চূড়ান্ত নয়। সংশ্লিষ্ট পাইলটদের নমুনা আরও পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হবে। চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়ার পর তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ততক্ষণ পর্যন্ত ওই দুই পাইলটকে উড্ডয়ন দায়িত্ব থেকে সাময়িকভাবে সরিয়ে রাখা হয়েছে।
গত ৪ আগস্ট, এয়ার ইন্ডিয়ার এআই২৩৭৯ ফ্লাইটটি ১৩৭ জন যাত্রী ও আটজন ক্রু নিয়ে থাইল্যান্ডের ফুকেট থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হয়। উড্ডয়নের পর ভারতের আকাশসীমায়, বিমানটি হঠাৎ প্রায় ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায়। এতে বিমানের ভেতরে সাময়িকভাবে ওজনহীনতার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং ২০ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু আহত হন।
ঘটনার পর বিমানের পাইলটদের মাদক ও মনঃপ্রভাবক পদার্থের পরীক্ষার আওতায় আনা হয়। ওই ফ্লাইটের প্রধান পাইলটের প্রাথমিক পরীক্ষার ফল ‘নন-নেগেটিভ’ আসার পর, নমুনা নিশ্চিতকরণ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরবর্তী পরীক্ষায় তার শরীরে মারিজুয়ানা শনাক্ত হয়েছে বলে সূত্রের বরাতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।
এরপর এয়ার ইন্ডিয়া, তাদের সমস্ত পাইলটের ড্রাগ টেস্ট বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয়। নতুন ব্যবস্থার আওতায়, প্রশিক্ষণ, ফ্লাইটের পর এবং নির্ধারিত বিভিন্ন স্থানে পাইলটদের পরীক্ষা করার কথা জানানো হয়েছে। এই ব্যবস্থা এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের পাইলটদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য করা হবে।
ফুকেট-দিল্লি ফ্লাইটের ঘটনাটি বর্তমানে ভারতের এয়ারক্র্যাফট অ্যাক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো (এএআইবি) তদন্ত করছে। তদন্তে এয়ারবাসের বিশেষজ্ঞদের পাশাপাশি, ফ্রান্সের বিমান দুর্ঘটনা তদন্ত সংস্থা বিএই (BEA) সহযোগিতা করছে। এয়ারবাসের প্রাথমিক বিশ্লেষণে বিমানটির তিনটি হাইড্রলিক ব্যবস্থায় সাময়িক চাপ কমে যাওয়ার বিষয়টিও উঠে এসেছে।
তদন্ত চলাকালে সংশ্লিষ্ট ফ্লাইটের দুই পাইলটকেই উড্ডয়ন দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ : ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভারত থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে বলে চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন।
আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে ভারত সরকারের কাছে আবেদন করেছে যাতে আমরা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে (শেখ হাসিনাকে) ফিরিয়ে আনতে পারি। শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ করার জন্য যেটি আবেদন করা হয়েছে, তা একটি আইনি প্রক্রিয়া। এই আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার অত্যাবশ্যক পদক্ষেপ নিয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের ফলে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে তিনি বর্তমানে ভারতে পালিয়ে আছেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের কাউখালীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে এক মতবিনিময় সভা।
উপজেলার মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন বিষয়ক এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছে সোমবার (১৭ আগস্ট) বেলা ১১টায়, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তরের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা পল্লী উন্নয়ন অফিসার মোঃ মাসুম মিয়া ও উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর হোসাইন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য চাষী আব্দুর জলিল, মোঃ আলাউদ্দিনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা। সভায় উপজেলা মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য জলাশয়ের সঠিক ব্যবহার এবং মৎস্য খাতকে আরও টেকসই করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভার শেষে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদন বিষয়ক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান বক্তব্যে বলেন, "মৎস্য আমাদের দেশের অর্থনীতি ও মানুষের পুষ্টির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উৎস। মৎস্য সম্পদ রক্ষা করতে হলে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, মৎস্য চাষী, জেলে ও সাধারণ মানুষকেও সম্পৃক্ত করতে হবে। এ মতবিনিময় সভার মাধ্যমে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই উৎপাদনের বিষয়ে সবাইকে সচেতন করা হচ্ছে।"
তিনি আরও জানান, নদী-খাল ও জলাশয়ের জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধ এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ শিকার থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত জরুরি। একইসঙ্গে মৎস্য চাষীদের আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে মাছ চাষে উৎসাহিত করার প্রয়োজন রয়েছে।
উপজেলা মৎস্য অফিসার মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, "কাউখালীতে নদী, খাল, পুকুরসহ প্রচুর জলাশয় রয়েছে। সঠিক ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব জলাশয়ে মাছের উৎপাদন আরও বাড়ানোর যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। মৎস্য চাষীদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়ার মাধ্যমে আমরা তাদের উৎপাদন বাড়াতে সহযোগিতা করছি।"
তিনি মনে করিয়ে দেন, প্রজনন এবং বেড়ে ওঠার পরিবেশ রক্ষা করতে হবে। নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার, ছোট মাছ ও পোনা নিধন এবং জলাশয়ে ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ এবং মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে নারায়ণগঞ্জ জেলার জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ রায়হান কবির উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান জনাব মাশুকুল ইসলাম রাজিব, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব জনাব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব সিফাত উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ সদরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মৎস্য খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।
মৎস্য সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে কর্মসূচির অন্যতম অংশ হিসেবে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ || ১৬ আগস্ট, ২০২৬ খ্রি.
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ