মামুন বিল্লাহ কালিগঞ্জ, (সাতক্ষীরা)
১০:২৫ পি.এম
১৫ আগস্ট বাদ মাগরিব সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জের নলতা ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক ও উপজেলা বিএনপি'র সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ রোকনুজ্জামান, নলতা ইউনিয়ন বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ আশরাফুল ইসলাম ওসমান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাস্টার শাহিনুর রহমান, নলতা ইউনিয়ন কৃষক দলের সদস্য সচিব মোঃ হাবিকুল ইসলাম, ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেন। এ ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন কৃষক দলের আহবায়ক রমজান হোসেন, দৃষ্টিপাতের বিশেষ প্রতিনিধি সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম এবং জাতীয় দ্য ডেইলি পোস্ট পত্রিকার সাংবাদিক আবুল কালাম বিন আকবর প্রমূখ।
দোয়া অনুষ্ঠানে অতিথি রোকনুজ্জামান মন্তব্য করেন, "প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে আমরা আনন্দ উল্লাস না করে দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছি, যাতে দেশনেত্রী পরকালে শান্তি পান। আমরা তার মাগফিরাত কামনা করি। এই অনুপ্রেরণাকে মাথায় রেখে দেশ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সকল কার্যক্রমে আমরা সকলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করব ইনশাআল্লাহ।"
দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ ইয়াসির আরাফাত। শেষে উপস্থিত নেতাকর্মী, মুসল্লী ও জনসাধারণের মাঝে তাবারক বিতরণ করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দামেস্কের ক্ষমতার পালাবদলের পর সিরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়নি বরং তা একটি নতুন বাস্তবতার ভিত্তিতে আরও সুসংহত হচ্ছে।
বাশার আল-আসাদের পতনের পর অনেকে ভেবেছিলেন যে সিরিয়ায় মস্কোর প্রভাব চিরতরে শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় ধরে চলা কূটনৈতিক আলোচনা ও সমঝোতার পর চলতি আগস্ট মাসের গোড়ার দিকে, দুই দেশ একটি নতুন সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে। এর মাধ্যমে তার্তুস ও হেমেইমিম সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা প্রমাণ করে যে, দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ধ্বংসের পরিবর্তে মূলত এক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
দামেস্কের নতুন নীতিনির্ধারকরা আদর্শগত বা গতানুগতিক রাজনৈতিক আনুগত্যের চেয়ে বাস্তবভিত্তিক প্রয়োজনীয়তাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে সিরিয়ার অর্থনীতি বর্তমানে মারাত্মক সংকটের মুখে। অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি, তীব্র জ্বালানি সংকট এবং খাদ্যের উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সিরিয়া এখন এমন অংশীদারদের খুঁজছে যারা সরাসরি বাস্তব সুবিধা দিতে সক্ষম।
যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তুরস্ক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি সিরিয়া তাই মস্কোর সঙ্গে পুরোনো সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। কারণ কিয়েভ বা পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে বড় ধরনের সাহায্য পাওয়ার প্রক্রিয়ায় সময় লাগলেও, রাশিয়ার সরবরাহ করা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও জ্বালানি তাৎক্ষণিকভাবে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থায়িত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করছে।
বিশেষ করে খাদ্য নিরাপত্তা এবং জ্বালানি খাতের ওপর রাশিয়ার গভীর প্রভাব রয়েছে। সিরীয় কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২০২৬ মৌসুমে দেশটিতে আমদানিকৃত গমের প্রায় পঁচাশি শতাংশই এসেছে রাশিয়া থেকে, যার পরিমাণ প্রায় ২৯ লাখ টন। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় রুটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদা হওয়ায় এই খাদ্যপণ্য সরবরাহ দেশটির রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও অত্যন্ত জরুরি।
এছাড়া, জ্বালানি খাতেও রাশিয়ার অবদান ব্যাপক। গত বছর সিরিয়ায় প্রচুর পরিমাণে তেল সরবরাহ করেছে রাশিয়া এবং চলতি বছরের প্রথম মাসগুলোতেও এই সরবরাহের পরিমাণ বেশ উর্ধ্বমুখী ছিল। দেশের ভেতরের উৎপাদন ক্ষমতা তলানিতে ঠেকে থাকায় যাতায়াত ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং কলকারখানা সচল রাখতে এই আমদানিকৃত জ্বালানির কোনো বিকল্প নেই।
সামরিক ক্ষেত্রেও পুরোনো চুক্তি সংশোধন করে নতুন পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। তার্তুস ও হেমেইমিমের বেসামরিক স্থাপনাগুলোর নিয়ন্ত্রণ সিরিয়ার সরকারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং সামরিক সাইটগুলোকে যৌথ প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করা হচ্ছে। এর ফলে দামেস্ক যেমন নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে পারছে, তেমনি সিরিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সামরিক কারিগরি সহায়তা অক্ষুণ্ণ থাকছে।
এছাড়া, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সম্পর্ক জোরদার করতে দামেস্কে রুশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। সিরিয়ার নতুন নেতৃত্ব পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ালেও, মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন না করে বরং একটি ভারসাম্যপূর্ণ বৈদেশিক নীতি বজায় রাখছে, যা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে মোহাম্মদ নবী মুসাভিফার্ড নামে এক ইরানি ধর্মীয় নেতা প্রতিপক্ষের উদ্দেশে ভয়ংকর এক হুমকি দিয়েছেন।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) জুমার খুতবায় তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের উদ্দেশে স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন, যদি প্রতিপক্ষরা ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসে আবারও যুদ্ধ শুরু করে, তবে তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র হাতে নিতে বাধ্য করা হবে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ইরানি সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিবেদন থেকে এটি জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের আহভাজ শহরে জুমার নামাজে ইমাম মোহাম্মদ নবী মুসাভিফার্ড বলেন, ইরানের পারমাণবিক শক্তি অন্য কোনো দেশের বিষয় নয়। এটি একটি অভ্যন্তরীণ বিষয়, এবং যদি কেউ ভিন্নভাবে মনে করে, তবে তারা এসে যুদ্ধ করুক।
তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হবে মার্কিন স্বার্থ। এ ধরনের সংঘাত শুরু হলে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র হাতে তুলে নেবে।
এ সময় মুসাভিফার্ড উল্লেখ করেন, জর্ডানে মার্কিন বিনিয়োগের উপর হামলা, আমেরিকান ঘাঁটিগুলো থেকে সৈন্য প্রত্যাহার এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালীর সংকটের বিষয়। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন আত্মসমর্পণের কাছাকাছি চলে এসেছে। হরমুজ প্রণালী নিয়ে সংঘাতে প্রবেশ করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন সংকটের সম্মুখীন হয়েছে।
এদিকে, ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিল এবং অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টসের সদস্য ও ধর্মীয় নেতা আহমদ খাতামি সম্প্রতি দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মার্কিন ও ইস্রায়েলি হামলা সত্ত্বেও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে আমাদের পারমাণবিক সক্ষমতা এখনও বিদ্যমান। আমাদের পারমাণবিক শক্তি দেশের বিজ্ঞানী এবং পারমাণবিক জ্ঞানের ফসল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের ৬ জেলা সকালের ৯টা থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসাথে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে নির্দেশ করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে রবিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহ শহরের কেপি বসু সড়কসংলগ্ন বাজার এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিনের মজুদ এবং বিক্রির অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের পরিচালনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে।
শনিবার (১৫ আগস্ট) এই অভিযান পরিচালনা করা হয়, যেখানে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
যাত্রা পথে, আনুমানিক ৩২ কেজি অবৈধ পলিথিনের শপিং ব্যাগও জব্দ করা হয়েছে।
অভিযানটির নেতৃত্ব দেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজনীন সুলতানা। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৬ক(খ) ধারা অনুসারে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ঝিনাইদহ জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মুন্তাছির রহমান। এসময় অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষক আকরাম হোসেন, নমুনা সংগ্রহকারী মো. কামরুজ্জামান এবং ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে।
পরিবেশ অধিদপ্তর ঝিনাইদহ কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পরিবেশ দূষণ রোধ ও আইনের সুষ্ঠু বাস্তবায়নে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার, মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ