ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাউফলের কনকদিয়ায় খাল পরিষ্কার অভিযান, জলাবদ্ধতা নিরসনে স্বস্তি চার গ্রামের কৃষকের


বাউফলের কনকদিয়ায় খাল পরিষ্কার অভিযান, জলাবদ্ধতা নিরসনে স্বস্তি চার গ্রামের কৃষকের

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূর করার জন্য কৃষিকাজে গতি ফিরিয়ে আনতে খাল পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এই কার্যক্রমে স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, যার ফলে চারটি গ্রামের কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে সমাজসেবক ইব্রাহীম হাওলাদারের উদ্যোগে এ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়। এতে এলাকার স্বেচ্ছাসেবক, কৃষক ও সাধারণ মানুষ একযোগে অংশ নেন। খালের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা আগাছা, পলি ও আবর্জনা অপসারণের মাধ্যমে পানি চলাচলের পথ উন্মুক্ত করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, খালটি দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে থাকায় অতিবৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন সম্ভব হচ্ছিল না। এর ফলে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কলতা ও ঝিলনা এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ডের হোগলা ও কুম্ভখালী গ্রামের বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছিল। এতে বীজতলা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মৌসুমি আবাদও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়।

আরও পড়ুন: শেরপুর জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের মেঝেতে বস্তাবন্দি পড়ে থাকা ভ্যাকসিনের খবরটা না করতে সাংবাদিককে হুমকি

কৃষক সবুজ মল্লিক বলেন, “জলাবদ্ধতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে জমিতে বীজতলা তৈরি করতে পারছিলাম না। বিষয়টি ইব্রাহীম হাওলাদারকে জানালে তিনি দ্রুত খাল পরিষ্কারের ব্যবস্থা নেন। এখন পানি নামতে শুরু করায় আমরা নতুন করে চাষাবাদের আশা দেখছি।”

উদ্যোক্তা সমাজসেবক ইব্রাহীম হাওলাদার বলেন, “কৃষকদের দুর্ভোগ কমানো এবং স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খালটি সচল থাকলে জলাবদ্ধতা কমবে, কৃষিজমি দ্রুত চাষের উপযোগী হবে এবং উৎপাদনও বাড়বে।”

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ নিয়মিত অব্যাহত থাকলে জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকাংশে কমবে এবং কৃষকরা আরও নির্বিঘ্নে কৃষিকাজ পরিচালনা করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: রাজশাহী কাটাখালিতে গাঁজা ও ট্যাপেন্টাডল সহ দুই কুখ্যাত মাদক কারবারী গ্রেফতার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক জোবাইয়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি,

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৭ পি.এম


পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক জোবাইয়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন

কুড়িগ্রামের উলিপুরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানের সময় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে স্টার নিউজ টেলিভিশন এর জেলা প্রতিনিধি মুহাম্মদ জোবাইয়ের ওপর হামলার প্রতিবাদে প্রেস ক্লাবের সামনে এক ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সাংবাদিক ইউনিয়ন ও সাংবাদিক সমাজের ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সাংবাদিক নেতারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন-কুড়িগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য সচিব ও এটিএন নিউজ প্রতিনিধি মনোয়ার হোসেন লিটন, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ খন্দকার টিউটর, চ্যানেল ওয়ান প্রতিনিধি রাশিদুল ইসলাম রাশেদ, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশন প্রতিনিধি তামজিদ হাসান তুরাগ, সমকালের প্রতিনিধি সুজন মোহন্ত, এবং মানবাধিকার কর্মী রুকাইয়া আক্তার রুপা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সংবাদ সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত সাংবাদিকদের ওপর হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য একটি বড় হুমকিস্বরূপ। সাংবাদিক যদি নিরাপদ না থাকেন, তাহলে গণতন্ত্রও নিরাপদ নয়। দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিককে মারধর এবং হেনস্তা করা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি। বক্তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ওমানের সঙ্গে চুক্তি হলেও এখনই খুলছে না হরমুজ: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১১ পি.এম


ওমানের সঙ্গে চুক্তি হলেও এখনই খুলছে না হরমুজ: ইরান

হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করতে ওমানের সঙ্গে একটি নতুন সমঝোতা চূড়ান্ত করার পথে রয়েছে ইরান। কিন্তু তেহরান স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, উপসাগরীয় এই দুই উপকূলীয় দেশের মধ্যে চুক্তি হলেই কিন্তু হরমুজ প্রণালি পুনরায় পুরোপুরি খুলে দেওয়া হচ্ছে না; এই বিষয়টি এমন নয়।

ইরানের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের অবাধ চলাচল নিশ্চিত করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে একাধিক শর্ত পূরণ করতে হবে। এসব শর্তের মধ্যে রয়েছে পূর্ববর্তী সমঝোতা লঙ্ঘনের অভিযোগে ওয়াশিংটনের নেওয়া পদক্ষেপ প্রত্যাহার করা, নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ করা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করা।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি তেহরানের দাবিগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে এমন সব পদক্ষেপ প্রত্যাহার করতে হবে, যেগুলো ইরানের মতে পূর্ববর্তী প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী ছিল।

ইরানের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-

• ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার।

• যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার পর পুনর্বহাল করা নিষেধাজ্ঞা, বিশেষ করে তেল খাতের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং ইরানের জব্দকৃত সম্পদ নিয়ে পুনরায় আলোচনা শুরু করা।

• জুন মাসে ওয়াশিংটনের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকে লেবাননে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, তা বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার বিষয়টি সমাধান করা।

গারিবাবাদিকে প্রশ্ন করা হয়, ইরান কি মূলত জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তির ৫ নম্বর ধারা বাস্তবায়ন করছে? ওই ধারায় ৬০ দিনের জন্য নিরাপদ বাণিজ্যিক নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে ইরান ‘সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা’ চালানোর অঙ্গীকার করেছিল।

জবাবে তিনি বলেন, “না। ধারা ৫ কেবল কিছু দিকনির্দেশনামূলক নীতি নির্ধারণ করেছিল, এটি কোনও চূড়ান্ত কার্যকর পরিকল্পনা ছিল না।”

তিনি আরও বলেন, “নতুন ইরান-ওমান সমঝোতাকে সম্পূর্ণ নতুন একটি মডেল হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে, যা বর্তমান নিরাপত্তা পরিবেশের প্রতিফলন। এটি আগের প্রায় ৬০ বছরের ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নয়।”

গারিবাবাদির মতে, নতুন ব্যবস্থার ফলে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের রুট পরিবর্তিত হবে। বাণিজ্যিক জাহাজের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ইরানের আঞ্চলিক জলসীমা দিয়ে চলাচল করবে, আর বাকি অংশ ওমানের জলসীমা ব্যবহার করবে।

তিনি বলেন, এই ব্যবস্থা হরমুজ প্রণালির ওপর ‘কার্যকর সার্বভৌম কর্তৃত্ব’ প্রতিষ্ঠার একটি নতুন কৌশলের প্রতিফলন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, শান্তিকালীন পরিস্থিতিতে ইরান নিয়মিতভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ার নীতি অনুসরণ করতে চায় না।

বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের এই অবস্থান থেকে স্পষ্ট যে হরমুজ প্রণালিকে ইরান শুধু একটি বাণিজ্যিক জলপথ নয়, বরং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক দরকষাকষির একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। ফলে ওমানের সঙ্গে সমঝোতা হলেও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের অগ্রগতি ছাড়া হরমুজ প্রণালিতে পূর্ণাঙ্গ স্বাভাবিকতা দ্রুত ফিরে আসবে- এমন সম্ভাবনা আপাতত কম।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ত্রের সত্য গোপন করা হয়েছিল, ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের সঙ্গে হেগসেথের তুমুল বাগ্‌যুদ্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১২ পি.এম


অস্ত্রের সত্য গোপন করা হয়েছিল, ক্ষুব্ধ ট্রাম্পের সঙ্গে হেগসেথের তুমুল বাগ্‌যুদ্ধ

মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি, ইরানে নতুন করে বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুত নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের মধ্যে একটি উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা হয়েছে। তবে হোয়াইট হাউস এবং পেন্টাগন এ দাবিকে সরাসরি অস্বীকার করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত বুধবার ক্যাম্প ডেভিডে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরের ঘাটতি সম্পর্কে তাঁকে সঠিক তথ্য দেওয়া হয়নি। তাঁর ধারনা ছিল, সমস্যাটি ইতোমধ্যেই সমাধান হয়ে গেছে। একই দিনে সিএনএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন সামরিক বাহিনী থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রায় ৮০ শতাংশ এবং প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থার প্রায় ৫০ শতাংশ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করে ফেলেছে। এতে উল্লেখ করা হয়, গুরুত্বপূর্ণ কিছু অস্ত্রের মজুত উদ্বেগজনকভাবে কমে গেছে। ওয়াশিংটন পোস্টের দাবি অনুযায়ী, বৈঠকের সময় হেগসেথ মন্ত্রিসভায় এ বিষয়ে প্রশ্নের মুখে পড়লে তিনি তার ডেপুটি স্টিফেন ফেইনবার্গের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন। তবে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট পুরো ঘটনাকে 'শতভাগ ভুয়া' বলে দাবি করেছেন। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের ওপর পূর্ণ আস্থা রয়েছে। পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেলও একই অবস্থান নিয়েছে এবং বলেন, হেগসেথ কাউকে বিভ্রান্ত করেননি। অস্ত্রের মজুত ফুরিয়ে যাওয়া কিংবা অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের খবরও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে ট্রাম্প গণমাধ্যমে প্রকাশিত এসব প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ রয়েছে, পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্পে উৎপাদনও দ্রুত বাড়ানো হচ্ছে। তবে তিনি দাবি করেননি, অস্ত্রের মজুত সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য রয়েছে। অন্যদিকে এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরান যুদ্ধের অগ্রগতি এবং পরবর্তী কৌশল নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যে স্পষ্ট মতৈক্য নেই। একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুদ্ধের লক্ষ্য ও শেষ পরিণতি সম্পর্কে এখনো পরিষ্কার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, এতে ভবিষ্যৎ সামরিক পরিকল্পনা জটিল হয়ে উঠছে। ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি এনবিসিকে জানান, প্রেসিডেন্ট বর্তমান পরিস্থিতিতে হতাশ। তাঁর ধারণা ছিল, ইরানকে সমঝোতায় আনা সহজ হবে। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই হিসাব মিলছে না। অন্যদিকে ট্রাম্প আবারও দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে। তাঁর মতে, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে অগ্রগতি হচ্ছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি। দেশটি বলছে, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং একটি সমঝোতার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার ক্ষয়ক্ষতি দেখতে চট্টগ্রাম সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


বন্যার ক্ষয়ক্ষতি দেখতে চট্টগ্রাম সফরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক বন্যায় সৃষ্ট ক্ষত দেখতে আসছেন। আগামী রবিবার (৯ আগস্ট) তিনি দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী সফর করবেন, যা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত।

বাঁশখালীর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করার পর, পুনর্বাসন এবং ত্রাণসামগ্রী বিতরণ শেষে তিনি উত্তরের ফটিকছড়ির আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগরে যাবেন। সেখানে তিনি হেফাজত আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এরপর ফটিকছড়ি থেকে সড়ক পথে হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলামে (হাটহাজারী মাদরাসা) যাবেন।

সেখানে তিনি হেফাজতের সাবেক আমির মরহুম শাহ আহমদ শফির কবর জিয়ারত করবেন। এরপর জেলা পরিষদ বাংলোতে দুপুরের খাবার গ্রহণ করবেন। সবশেষে তিনি হাটহাজারী কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। প্রধানমন্ত্রীর সফরের শেষে চট্টগ্রামে দলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক হবে রেডিসন ব্লুতে।

এ ব্যাপারে বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুরের রহমান শামীম কালের কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী জননেতা তারেক রহমান ৯ আগস্ট চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন।

এই সফরে তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী এলাকায় পরিদর্শন করবেন এবং সেখানে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের সামগ্রী বিতরণ করবেন। এছাড়া ফটিকছড়ি হাটহাজারী সফর করবেন। দুপুরের খাবারের পর চট্টগ্রাম নগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর যেন রক্তের ধারাবাহিকতা! ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালে মার্চে বেগম খালেদা জিয়া গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত হয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

এরপর একই মাসে ২৯ এপ্রিল শতাব্দির সবচেয়ে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় লণ্ডভণ্ড করেছে চট্টগ্রাম, কক্সবাজারসহ পুরো উপকূলীয় অঞ্চল। বিধ্বস্ত চট্টগ্রামে ৮ মে ১৯৯১ বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামবাসীর পাশে ছুটে এসেছিলেন। চট্টগ্রাম নগর দক্ষিণ চট্টগ্রাম এবং দ্বীপ উপজেলা সদ্বীপেও তিনি ছুটে গিয়েছিলেন।

জিয়ার পরিবার তথা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া চট্টগ্রামের জন্য সব সময় উদার ছিলেন। ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন থেকে দেশে ফিরে তাদের সন্তান হাল ধরেছেন। এই সফরটি তারেক রহমানের জন্য ভিন্ন। তিনি এখন রাষ্ট্র প্রধান এবং দলের প্রধান। জনগণ প্রধানমন্ত্রীর থেকে বিশেষ ঘোষণা আশা করছেন।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলায় এবারের ভয়াবহ বন্যার পানি নেমে গেলেও তা দুর্ভোগের চিহ্ন রেখে গেছে। সরকারি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের বন্যায় এক হাজার ৪৫৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বিভিন্ন খাতে। প্রতিবেদনে ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সুপারিশ করা হয়েছে।

বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়নের ছোট ছনুয়া-ছনুয়া বাজার সড়ক এখন কাদা, গর্ত আর ভাঙনে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছনুয়ার সেই সড়ক পরিদর্শন করার পরিকল্পনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%