ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের হামলার নিন্দায় সৌদি আরব


হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের হামলার নিন্দায় সৌদি আরব

হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় সৌদি আরবের একটি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার ঘটনা নিয়ে সৌদি আরব নিন্দা প্রকাশ করেছে। বুধবার এই নিন্দা জানানো হয়। হামলার ফলে ফিলিপিন্সের দুই নাবিক নিহত হয়েছেন।

সৌদি আরবের শিপিং কোম্পানি বাহরি জানায়, সোমবার হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় 'সিডর' নামের ট্যাংকারটি হামলার শিকার হয়।

এক বিবৃতিতে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, “উত্তেজনা প্রশমন করা, আন্তর্জাতিক নৌচলাচলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের নিরাপত্তা, সুপ্রতিবেশীসুলভ নীতি, দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব, জাতিসংঘ সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়মকানুনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেয় সৌদি আরব।

আরও পড়ুন: ডা. জুবাইদা রহমান টোকিওতে হাসপাতাল ও জাদুঘর পরিদর্শন

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, সৌদি আরব সব পক্ষকে শান্ত থাকার, সংঘাত বন্ধ করার, আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলার এবং আলোচনা ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে ফিরে আসার আহ্বান জানাচ্ছে।

জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতে ইরানের হামলার নিন্দা জানানো হয়েছে এবং এই তিন দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশের কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আঞ্চলিক অন্যান্য দেশগুলোও সৌদি ট্যাংকার ‘সিডর’ এর ওপর ইরানের হামলার নিন্দা করেছে। কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এটি 'জঘন্য হামলা' এবং আন্তর্জাতিক আইনের 'গুরুতর লঙ্ঘন'।

কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই হামলা সামুদ্রিক নৌচলাচলের স্বাধীনতার চরম লঙ্ঘন। জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও একই সুরে কথা বলেছে এবং জানিয়েছে যে, তারা সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছে।

আরও পড়ুন: পাকিস্তানে বায়ুদূষণে মানুষের গড় আয়ু কমছে ৪ বছর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গত ছয় মাসেরও বেশি সময়ে হরমুজ প্রণালিতে ইরান কয়েকটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জ্বালানি সংকট কাটাতে ৫ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৬ এম


জ্বালানি সংকট কাটাতে ৫ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকটের মোকাবিলায় সরকার পাঁচ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে, যার মধ্যে রয়েছে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানের জন্য ভূকম্পন জরিপ পরিচালনা, বাপেক্সকে শক্তিশালী করা, পিএসসি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে অনুসন্ধান এবং এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, আগামী ১০ বছরের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি ফুলবাড়ীর কয়লা উত্তোলন, ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন এবং নতুন বিমানঘাঁটি ও রানওয়ে নির্মাণের পরিবর্তে বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা করেন।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান না করা এবং আমদানিনির্ভরতার কারণে দেশে জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। সংকট মোকাবিলায় সরকার সমন্বিতভাবে পাঁচ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

এই পরিকল্পনার মধ্যে গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, ভূকম্পন জরিপের মাধ্যমে নতুন গ্যাসের সন্ধান, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) শক্তিশালী করা, প্রোডাকশন শেয়ারিং কনট্রাক্ট (পিএসসি) ও দরপত্রের মাধ্যমে গ্যাস অনুসন্ধান এবং এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ১৫০টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভারের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি কূপের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এসব কূপ থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ১৪০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস যুক্ত হয়েছে।

বর্তমানে আরও সাতটি কূপের কাজ চলমান রয়েছে। এগুলোর কাজ শেষ হলে জাতীয় গ্রিডে আরও ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস যুক্ত হবে। বাকি কূপগুলো পর্যায়ক্রমে খনন ও ওয়ার্কওভারের আওতায় নেওয়া হবে।

দেশে নতুন গ্যাসের সন্ধানে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২-ডি এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩-ডি ভূকম্পন জরিপের পরিকল্পনা রয়েছে। বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য দুটি নতুন রিগ কেনার প্রক্রিয়াও চলছে।

এছাড়া, অফশোর মডেল পিএসসি-২০২৬ অনুমোদন করে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। অনশোর মডেল পিএসসি অনুমোদনের প্রক্রিয়াও চলমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অফশোর ও অনশোর এলাকায় সফলভাবে গ্যাস অনুসন্ধান করা গেলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মহেশখালীতে এলএনজি টার্মিনাল

এলএনজি সরবরাহ বৃদ্ধির জন্য সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। মহেশখালীর গভীর সমুদ্র ও কুতুবজোম এলাকায় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলছে। আশা করা হচ্ছে, ২০২৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে রিগ্যাসিফায়েড এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে।

আগামী দুই বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানি আরও ৬০০ এমএমসিএফডি বৃদ্ধির পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী জানান।

এছাড়া, পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ২/১টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সহায়ক হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কর্তৃত্ববাদী আওয়ামী লীগ সরকার বাপেক্সকে পঙ্গু করে দিয়েছিল, যার ফলে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার বাপেক্সের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনে গুরুত্ব দিচ্ছে।

১০ বছরের বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিকল্পনা

কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মোবাশের আলম ভূঁইয়ার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী ১০ বছরের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনার কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ চলছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত আগামী ১০ বছরে কীভাবে সাজানো হবে, সে বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী শিগগিরই সংসদ ও জনগণের সামনে বিস্তারিত তুলে ধরবেন। ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করার লক্ষ্য সামনে রেখেই এই পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

ফুলবাড়ীর কয়লা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সাবিকুন নাহার মুন্নীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী ফুলবাড়ীর কয়লা উত্তোলনের বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, সরকার জ্বালানি সমস্যার সমাধান করতে চায়। তাঁর ভাষ্য, ফুলবাড়ীর কয়লা “পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো কয়লার মধ্যে একটি”। এই কয়লা উত্তোলন করা গেলে বিদেশি মুদ্রা সাশ্রয় হবে এবং দেশের জন্য তা উপকারী হতে পারে।

তবে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন করা হলে সেখানে বসতবাড়ি ও কৃষিজমি রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে স্থানীয় মানুষকে কীভাবে পুনর্বাসন করা হবে, সেটি ঠিক করতে হবে। তাঁদের আয়-রোজগার যেন বন্ধ না হয় এবং প্রকল্প থেকে স্থানীয় মানুষও যেন উপকৃত হন, তা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, সব ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে পরিবেশকে অগ্রাধিকার দিয়েই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ছাদে সৌরবিদ্যুৎ বাড়ানোর উদ্যোগ

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে।

গত ৬ জুন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে প্রয়োজনীয় প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারিসহ গুরুত্বপূর্ণ পণ্যে শর্তসাপেক্ষে কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সাপ্লিমেন্টারি ডিউটি, অগ্রিম আয়কর এবং অতিরিক্ত ২ শতাংশ অগ্রিম আয়কর থেকে অব্যাহতি দিয়েছে।

আগামী ছয় মাস ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ থেকে প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিদ্যুৎ কেনার কথা জানিয়েছে সরকার। পাইকারি দরের অতিরিক্ত অর্থ প্রণোদনা হিসেবে দেওয়া হবে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড় খরচ ৬ থেকে ৭ টাকা হওয়ায় এতে সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফার সুযোগ রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে ৪০ শতাংশ মুনাফা ও ৫ শতাংশ প্রিমিয়াম প্রযোজ্য হবে এবং এ সুবিধা তিন বছরের জন্য কার্যকর থাকবে।

সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এর জন্য নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন করা হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

সৌরবিদ্যুতের পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ, বায়ুশক্তি ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

নতুন বিমানঘাঁটি নয়, বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহারের তাগিদ

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে বিমানবাহিনীর অবকাঠামো নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনার কথা উঠে আসে।

সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমানবাহিনীকে আধুনিক ও শক্তিশালী করতে বাস্তবসম্মত এবং ব্যয় সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিতে হবে। আকাশ ও সমুদ্রসীমার নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়টিও এতে বিবেচনায় রাখতে হবে।

প্রতিটি অঞ্চলে প্রশিক্ষণের জন্য আলাদা বিমানঘাঁটি, নতুন রানওয়ে ও আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ করা অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সব অঞ্চলে শিল্প ও পরিবহন অবকাঠামো সমানভাবে গড়ে ওঠেনি। তাই বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সামরিক প্রশিক্ষণ ও প্রশাসনিক ব্যয় কমাতে শুধু নিয়মিত প্রশিক্ষণের জন্য নতুন রানওয়ে নির্মাণের পরিবর্তে বিদ্যমান সুবিধাগুলো যথাসম্ভব ও সঠিকভাবে ব্যবহার করাই বেশি কার্যকর।

এতে সরকারি অর্থ ও সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বের শুরুতে ৩০ মিনিট সময় নির্ধারিত ছিল। মোট আটটি লিখিত প্রশ্নের মধ্যে তিনি চারটির সরাসরি উত্তর দেন এবং ছয়টি সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
ভূরুঙ্গামারী

সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শন ভুটানের প্রতিনিধি দলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ এম


সোনাহাট স্থলবন্দর পরিদর্শন ভুটানের প্রতিনিধি দলের

কুমিল্লার দেবীদ্বারে কৃষি অধিদপ্তরের সাবেক উপ-পরিচালক, বীর মুক্তিযোদ্ধা কৃষিবিদ এম এ আউয়াল মোল্লাকে (৭৬) রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। জানাজার নামাজ চলাকালীন সময়ে মুসুল্লিদের পকেট থেকে মোবাইল চুরির অভিযোগে স্থানীয় জনতা দুই পেশাদার চোরকে আটক করেছে। পরে তাদেরকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বাদ জোহর দেবীদ্বার পৌর এলাকার বারেরা মোল্লা বাড়ির মরহুম হারুন অর রশিদের ছেলে বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ আউয়াল মোল্লার জানাজার নামাজে এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহকে গার্ড অব অনার প্রদানের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন করা হয়। দেবীদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক অজয় চক্রবর্তীর নেতৃত্বে রাষ্ট্রীয় এ সালাম গ্রহণ করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. ফয়সল উদ্দিন।

পুলিশের পক্ষ থেকে আটক অভিযুক্ত মোবাইল চোরদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজন হলেন ঢাকা যাত্রাবাড়ীর সায়েদাবাদ এলাকার দুলাল দেবনাথের ছেলে রতন চন্দ্র দেবনাথ (৪২) এবং অন্যজন শনির আখড়া এলাকার আতিক মিয়ার ছেলে মিন্টু মিয়া (৫৫)।

পুলিশ জানায়, এই চোর চক্রটি অত্যন্ত সুকৌশলী ও পেশাদার। তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বিখ্যাত, সুপরিচিত এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মৃত্যুর পর তাদের জানাজার খোঁজখবর রাখে। এরপর ঢাকা থেকে মুসুল্লি সেজে সুদূর এলাকায় এসে জানাজায় অংশ নেয়। মুসুল্লিদের ভিড় এবং আবেগঘন পরিবেশের সুযোগ নিয়ে তারা পকেট থেকে মোবাইল চুরি করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। আজ দেবীদ্বারে জানাজার নামাজ চলাকালীন সাধারণ মানুষ তাদের হাতেনাতে ধরে ফেলে।

দেবীদ্বার থানা পুলিশ জানায়, আটকদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

স্থানীয়রা জানান, কুমিল্লা জেলা পুলিশ থেকে আগত একদল বিউগল বাদক দলের করুণস্বরে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। গার্ড অব অনার প্রদান শেষে জানাজার সময় মোবাইল চুরির ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, ৩টি আই ফোনসহ অন্তত ১১টি মোবাইল চুরি হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রয়াত এ বীর মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধকালীন সময়ে ন‍্যাপ-কমিউনিস্ট পার্টি-ছাত্র ইউনিয়ন কর্তৃক গঠিত বিশেষ গেরিলা বাহিনীর সদস‍্য ছিলেন এবং দেবীদ্বার, মুরাদনগর, চান্দিনা থানা কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউনিয়ায় মাদক-অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ এম


কাউনিয়ায় মাদক-অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, আটক ৯

বরিশাল নগরীর কাউনিয়া থানা এলাকায় মাদক, অনলাইন জুয়া ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আকস্মিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ (বিএমপি)। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এ অভিযানে বিভিন্ন স্থান থেকে ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।


বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত নগরীর পান্থ সড়ক, রোকেয়া আজিম সড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (কাউনিয়া জোন) পবিত্র কুমার হালদারের নেতৃত্বে কাউনিয়া থানার একটি বিশেষ আভিযানিক দল অভিযানে অংশ নেয়। এ সময় মাদক ব্যবসা, মাদক সেবন, অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি ও তল্লাশি চালানো হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অভিযান চলাকালে অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং মাদক সেবনের অভিযোগে বিভিন্ন স্থান থেকে মোট ৯ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

অভিযান চলাকালে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করেন। এতে এলাকায় মাদক ও অপরাধসংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহে পুলিশের কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

বরিশাল নগরীতে মাদক, অনলাইন জুয়া ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি এ ধরনের আকস্মিক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে হাসপাতালে চিকিৎসককে হেনস্তার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৪৯ এম


বরিশালে হাসপাতালে চিকিৎসককে হেনস্তার অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে এনেস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. শাওনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ডা. আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে মিডটাউন হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, ওই সময় ডা. শাওনের সঙ্গে ডা. আনোয়ার হোসেনের কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বলে দাবি করা হয়েছে। পরে হাসপাতালের নিরাপত্তাকর্মী ও স্টাফদের ডেকে তাকে হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। ফুটেজটির সত্যতা ও ঘটনার সঙ্গে এর প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করা হচ্ছে।

ঘটনার সূত্রপাত একটি অস্ত্রোপচারকে কেন্দ্র করে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, জরায়ু-সংক্রান্ত একটি অস্ত্রোপচারের সময় রোগীকে এনেস্থেশিয়া দেওয়ার পর একপর্যায়ে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পরে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন না করেই সেলাই করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে ওই রোগী হাসপাতালটিতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এনেস্থেশিয়া প্রয়োগ ও অস্ত্রোপচারের বিষয়টি নিয়ে ডা. শাওন আপত্তি তোলার পর দুই চিকিৎসকের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ডা. শাওনের দাবি, রোগীর নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি এ বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তার অভিযোগ, এর জেরেই তাকে হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে।

ডা. শাওন আরও দাবি করেন, ডা. আনোয়ার নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে বিশেষজ্ঞ না হয়েও বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার ও এনেস্থেশিয়ার কাজ করেন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড রোগীর নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

তবে ডা. শাওনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মিডটাউন হাসপাতালের এমডি ডা. আনোয়ার হোসেন। তার দাবি, তিনি এমবিবিএস চিকিৎসক এবং দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার কারণে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রোপচার ও এনেস্থেশিয়া ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ। ডা. শাওনের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার বিষয়টি স্বীকার করলেও তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করার অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।

ডা. আনোয়ার বলেন, ডা. শাওন ঈর্ষাবশত তার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছিলেন। রাগের মাথায় তাকে দু-একটি কথা বললেও শারীরিকভাবে হেনস্তা করার অভিযোগ সঠিক নয়।

রোগীর চিকিৎসা, অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত এবং এনেস্থেশিয়া প্রয়োগের বিষয়টি যথাযথ চিকিৎসা-প্রটোকল অনুযায়ী হয়েছিল কি না সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%