ঢাকা রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০১ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৬ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ঢাকাসহ কয়েকটি জেলায় রাতে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা


ঢাকাসহ কয়েকটি জেলায় রাতে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

ঢাকাসহ দেশের ১৩টি জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে বলে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদফতরের দ্বারা প্রদান করা সতর্কবার্তায় এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, যশোর, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর, মাদারীপুর, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা কিংবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এই সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা ও দেখা দিতে পারে। সেই জন্য এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত প্রদর্শন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: কোর্ট মার্শালে দোষী সাব্যস্ত, বরখাস্ত লে. কর্নেল ফারুখ হোসেন

এদিকে, সংস্থাটির অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, শনিবার (১৩ জুন) সকাল পর্যন্ত দেশের সব বিভাগে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময় কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

দেশের সব বিভাগে আগামী এক সপ্তাহ ঝড়বৃষ্টি ও ভারি বর্ষণের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও আবহাওয়া অফিসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

আবহাওয়া সংক্রান্ত আরও সংবাদ পড়তে ক্লিক করুন এখানে

আরও পড়ুন: ঢাকায় ৩ নভেম্বর শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এইচএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করল ঢাকা বোর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২২ পি.এম


এইচএসসি পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্র তালিকা প্রকাশ করল ঢাকা বোর্ড

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার চূড়ান্ত কেন্দ্রের তালিকা ও পরীক্ষার জন্য নির্দেশনাবলি ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দিনে বোর্ডের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইটে উক্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবারের ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৩১৭টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে ৩০৯টি কেন্দ্র দেশের অভ্যন্তরে এবং ৮টি কেন্দ্র দেশের বাইরে রয়েছে। তালিকার সাথে কেন্দ্র কোড, কেন্দ্রের আওতাধীন কলেজের নাম ও কোড এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিস্তারিত তথ্যও জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নির্বাচিত কলেজের অধ্যক্ষ, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অথবা কোনো সিনিয়র অধ্যাপক কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তারা নির্ধারিত কলেজ থেকে কেন্দ্র ফি সংগ্রহ করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ঢাকা বোর্ড থেকে অলিখিত উত্তরপত্রসহ গোপনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করবেন। প্রতিদিনের পরীক্ষার শেষে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে ওএমআর পরীক্ষার প্রথম অংশ ডাকযোগে বোর্ডের কম্পিউটার কেন্দ্রে পাঠাতে হবে এবং উত্তরপত্রগুলো পরীক্ষার নিয়ন্ত্রক বরাবর পাঠাতে হবে নীতিমালা অনুযায়ী।

অন্যদিকে, ভেন্যু কেন্দ্রগুলো মূল কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ ও কাগজপত্রসহ পরীক্ষা পরিচালনা করবে এবং পরীক্ষা শেষে মূল কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে জমা দেবে।

এছাড়া পরীক্ষা সুচারুভাবে সম্পন্ন করার জন্য জেলা সদরে জেলা প্রশাসক এবং উপজেলার নির্বাহী অফিসাররা তত্ত্বাবধায়ক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে থাকবেন।

কেন্দ্রের তালিকা দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড

দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল-কে উত্তর কোরিয়ায় ড্রোনের অনুপ্রবেশের নির্দেশ দেয়ার অভিযোগে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে সিউলের একটি আদালত। শুক্রবার (১২ জুন), সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট এ বিষয়ে রায় ঘোষণা করে।

আদালতের রায়ে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের অক্টোবরে ইউন সুক-ইওল উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর নির্দেশ দেন। এর উদ্দেশ্য ছিল দুই কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি করা, এবং সেই পরিস্থিতিকে ২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর ঘোষিত সামরিক আইন জারির জন্য যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করা।

রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিপন্ন করার জন্য এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে ইউন সুক-ইওলকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। বিশেষ কৌঁসুলির সুপারিশ অনুযায়ী আদালত তাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করে।

একই মামলায় সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম ইয়ং-হিউনকেও ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রতিরক্ষা কাউন্টার-ইন্টেলিজেন্স কমান্ডের সাবেক প্রধান ইয়ো ইন-হিয়ংকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড, এবং ড্রোন অপারেশনস কমান্ডের সাবেক প্রধান কিম ইয়ং-দেকে তিন বছরের সাজা দেয়া হয়েছে, তবে সেটি পাঁচ বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছে।

আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছে যে, অভিযুক্তরা সামরিক আইন জারির পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে উত্তর কোরিয়াকে উসকানি দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। এভাবে সীমান্তে সংঘাত বা জাতীয় নিরাপত্তা সংকট সৃষ্টি করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করা হয়।

কিন্তু ইউনের আইনজীবীরা দাবি করেছেন, ড্রোন অভিযানটি উত্তর কোরিয়ার আবর্জনাবাহী বেলুন পাঠানোর জবাবে পরিচালিত একটি বৈধ সামরিক অভিযান ছিল। তারা আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আপিল করেছেন।

এদিকে, আদালত মনে করে যে, এই ড্রোন অভিযান দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক সক্ষমতা ও কৌশলগত সম্পদ উত্তর কোরিয়ার কাছে উন্মুক্ত করে দিয়ে দেশের নিরাপত্তা স্বার্থকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

এটি মনে রাখতে হবে, সামরিক আইন জারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউন সুক-ইওল বর্তমানে একাধিক মামলার মুখোমুখি রয়েছেন। এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে, সামরিক আইন জারির মাধ্যমে বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছিল। সেই রায়ের বিরুদ্ধেও তিনি আপিল করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১২৫তম বর্ষ উদযাপনে মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩০ পি.এম


১২৫তম বর্ষ উদযাপনে মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১২৫তম বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠান নিঃসন্দেহে নবীন-প্রবীণের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। উৎসবের একটি আনন্দময় পরিবেশে উল্লাস, গান, গল্প, এবং আড্ডায় সবাই মাতলেন।

শুক্রবার (১২ জুন) রূপগঞ্জের প্রাণকেন্দ্র মুড়াপাড়ায় এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আলোকিত মানুষ গড়ার বিদ্যাপীঠ ও ঐতিহ্যবাহী সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ১২৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠানে সাবেক শিক্ষার্থীরা আনন্দ এবং উল্লাসে মেতে উঠেছিলেন, যখন তারা প্রিয় শিক্ষকদের কাছে পেয়ে গেলেন। অনুষ্ঠানে কেউ কেউ প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে স্বামী-স্ত্রী, সন্তান এমনকি নাতি-পুতি নিয়েও যোগ দেন। একসময়ের সহপাঠীদের কাছে পেয়ে শৈশব এবং কৈশোরের সেই দিনগুলোর স্মৃতিচারণে তারা মাতোয়ারা হন।

অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিদ্যালয় মাঠে স্থাপিত ফটোবুথ, মঞ্চ, পেন্ডেল, বিদ্যালয় ভবন, এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্যাম্পাসে দল বেঁধে ছবি তোলার কাজ চলছিল। কেউ কেউ সেলফি তুলছিলেন। ঘনিষ্ঠ বন্ধুর আলিঙ্গনে আবেগঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হচ্ছিল। শিক্ষার্থীরা স্মৃতিচারণায় নিজেদের ভুবনে প্রবাহিত হচ্ছিলেন। উৎসবে আসা শিক্ষার্থীদের অনেকেই দেশ এবং বিদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। নবীন-প্রবীণের প্রাণোচ্ছল অংশগ্রহণে সবুজ প্রকৃতি আরো চঞ্চল হয়ে উঠেছিল। মুখরিত হয়ে উঠেছিল স্কুলের মাঠপ্রাঙ্গণ। আনন্দের ঢেউ সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ছিল।

সকাল সাড়ে ৮টা থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে নবীন-প্রবীণদের এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে বাঁধভাঙা আনন্দ এবং উৎসবের লক্ষ্য ছিল থাকা। কুশল বিনিময়ে প্রতিষ্ঠান চত্বর মুখর হয়ে উঠেছিল। শৈশবের কথা বলার পাশাপাশি নানা ব্যাচের শিক্ষার্থীরা সেলফি এবং ফটোসেশনের কাজেও ব্যস্ত ছিলেন।

সকাল ১০টায় গুণীজনদের উত্তরীয় পরিয়ে, জাতীয় সংগীতের সুরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর ১২৫টি বেলুন উড়িয়ে এবং শান্তির প্রতীক কবুতর অবমুক্ত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

১২৫তম বর্ষপূর্তিকে সামনে রেখে ‘এসো মিলি হৃদয়ের টানে ও ১২৫তম বর্ষে শত প্রাণ, বাজুক মনে ঐক্যতান’ স্লোগানকে ধারণ করে বিদ্যালয়ের এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এই উপলক্ষে তোরণ নির্মাণ, বিদ্যালয় মাঠে বিশাল পেন্ডেল, কালের যাত্রার ধ্বনি নামে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করা হয়। পাঁচ হাজারেরও বেশি সাবেক এবং বর্তমান শিক্ষার্থী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। কৃতি শিক্ষার্থী, প্রয়াত ছাত্র, শিক্ষক এবং গুণীজনদের সম্মাননা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ, পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ করা হয়। প্রয়াত শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের স্মরণে দোয়া এবং এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। জাতীয় সংগীত পরিবেশন, ১২৫টি বেলুন উড়ানো এবং কবুতর অবমুক্তকরণ, স্মারক উন্মোচন ও বিতরণ হয়। ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, আনন্দ শোভাযাত্রা, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, স্মৃতিচারণ, আবৃতি, যাদু প্রদর্শনী, একক সংগীত, এবং ব্যান্ড লাইভ কনসার্টও অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৮৮ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম.এ মোমেনের বক্তব্য অনুযায়ী, ১৯০১ সালে ৩৩বিঘা জমি নিয়ে সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দীর্ঘ এক শতাব্দী ধরে, জ্ঞানের যে মশাল এ প্রতিষ্ঠানটি প্রজ্জ্বলিত রেখেছে, তার আলো আজ বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রাক্তন চেয়ারম্যান, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভাষাতাত্ত্বিক, সাহিত্যিক এবং প্রাবন্ধিক ডক্টর কাজী দীন মুহাম্মদ, এই বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। বাংলার প্রথম সেনাপ্রধান এবং ৩নং সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম) এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। এইভাবে বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী এই বিদ্যালয় থেকে পাস করে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, আইনজ্ঞ, শিল্পোদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, এবং সাংবাদিক হয়েছেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা আলোকিত মানুষ গড়ার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

উদ্বোধনের পর ১২৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন কমিটির আহবায়ক ১৯৬৯ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি এবং বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের মূল আয়োজন শুরু হয়।

শৈশব এবং কৈশোরের মধুময় স্মৃতিচারণ করে স্বাগত বক্তব্যে আয়োজক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব গোলাম ফারুক খোকন বলেন, বিজ্ঞানসম্মত বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়নকে আরো আধুনিকভাবে দিতে হবে। গরিব মেধাবীদের সহযোগিতা করা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে কাজী মনিরুজ্জামান বলেন, ‘আজ গৌরবময় ঐতিহাসিক দিন। ১৯০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয় থেকে শত শত শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। কে কোন পেশার, সেটা বড় কথা নয়, সবার আগে ভালো মানুষ হতে হবে। নৈতিক মূল্যবোধ শিখতে হবে। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২৫তম বর্ষপূর্তি শুধুমাত্র সময়ের পরিমাপ নয়, এটা একটি দীর্ঘ সংগ্রাম, ঐতিহ্য, সাফল্য এবং অগণিত মানুষের ভালোবাসা ও অবদানের প্রতিফলন। এখান থেকে গড়ে উঠেছেন অসংখ্য মেধাবী এবং দেশপ্রেমী মানুষ। যাঁরা দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখে চলেছেন। বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনার সঙ্গে যেসব গুণীজন জড়িত, তাঁদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।’

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ জেলা সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলাম, রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি হাসান আলী, রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ওয়াহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলা সহকারী পুলিশ সুপার জিয়াউদ্দিন বশির, ভুলতা অ্যাপোলো হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. সাদিকুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক ডা. আলমগীর হোসেন ভুঁইয়া, এফবিসিসিআইয়ের সদস্য গণেশ চন্দ্র সাহা, মারুফ শারমীন স্মৃতি সংস্থার সভাপতি আলহাজ লায়ন মোজাম্মেল হক ভুঁইয়া, ব্যবসায়ী পারভিন আক্তার ভুঁইয়া, রূপগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহবায়ক শাহজাদা ভুঁইয়া, সরকারি মুড়াপাড়া কলেজের অধ্যক্ষ হাফিজুর রহমনা, কাঞ্চন সলিমউদ্দিন চৌধুরী কলেজের অধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর মালুম, গন্ধর্বপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র সাহা, সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু শংকর চক্রবর্তী, আয়োজক কমিটির কর্মকর্তাগণ আল-আমিন, সরকার, মনির হোসেন, এসকে মাহমুদ জেসপার প্রমুখ।

পরে মধ্যাহ্নভোজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ব্যান্ড শো-এর মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইএইচএফ ট্রফিতে অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগে ভারতের সঙ্গে লড়াই করে হারল বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৩১ পি.এম


আইএইচএফ ট্রফিতে অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগে ভারতের সঙ্গে লড়াই করে হারল বাংলাদেশ

ঢাকায় চলমান বয়সভিত্তিক পুরুষ আইএইচএফ (আন্তর্জাতিক হ্যান্ডবল ফেডারেশন) ট্রফিতে আজ শুক্রবার অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগে বাংলাদেশ ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল। দুর্দান্ত লড়াই করেও বাংলাদেশ হার মেনে নিতে বাধ্য হয়েছে।

হারের কারণে ম্যাচ শেষে কোচ ও কর্মকর্তারা জেবে দাই বমের কান্না থামাতে পারছিলেন না। বমের কান্নার পেছনে ছিল পুরো ম্যাচে বলতে গেলে নিঃসঙ্গ শেরপা হিসেবে একা লড়াই করে যাওয়া কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের এই ছাত্র। বাংলাদেশ পুরো ম্যাচে ৩৫ গোল করার মধ্যে দাই বম একাই ১৮ গোল করেছেন। অথচ ১৪ গোল করেও ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন ভারতের ললিত ললিত।

পল্টনস্থ শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী জাতীয় হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে দুপুরের সময়ে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ ৩৫-৩৯ গোলে ভারতকে হারিয়েছে।

তবে ভারতকে হারাতে যথেষ্ট ঘাম ঝরাতে হয়েছে। ম্যাচের বেশিরভাগ সময় গোল ব্যবধান নিয়ে বাংলাদেশ ভারতের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলেছিল। আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আজ নিজেদের সেরা ম্যাচটি খেলেছে।

হ্যান্ডবলে পুরুষ বিভাগে বাংলাদেশ কখনোই ভারতকে কোনো প্রতিযোগিতায় হারাতে পারেনি। দাই বমের লড়াকু মানসিকতা ভারতকে হারানোর স্বপ্ন দেখছিলো বাংলাদেশ। কিন্তু অন্যান্য খেলোয়াড়রা স্কোর করতে ব্যর্থ হয়েছে। ম্যাচের বেশিরভাগ সময় বাংলাদেশ অন্তত ৪ গোলের পিছনে ছিল। শেষ পর্যন্ত ঐ ৪ গোলের ব্যবধান ঘোচাতে পারেনি বাংলাদেশ।

এমন হারে বাংলাদেশের অ-২০ দলের অধিনায়ক আসাদুল্লাহ আদিবের কোনো আফসোস নেই। তিনি বলেছেন, ‘আমরা এই ম্যাচে কখনও হাল ছেড়ে দিইনি। প্রতিটি মিনিট বাঘের মতো লড়াই করেছি। সব সময় চেষ্টা করেছি কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ম্যাচটা জিততে পারিনি। আমরা যেভাবে লড়াই করেছি সেটা পরের ম্যাচের জন্য অনুপ্রেরণা দেবে।’

আগামী ১৩ জুন শনিবার অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগে দুপুর ১টায় বাংলাদেশ নেপালের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হবে। একই দিনে অন্য ম্যাচে ভারত আফগানিস্তানের বিপক্ষে লড়বে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৭
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:২০
ইশা ০৬:৩২
সূর্যোদয় : ০৬:০৪ সূর্যাস্ত : ০৫:২০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%