বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১১:৩০ পি.এম
পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে ২৮ জুন ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষ্যে অবহিতকরণ এবং পরিকল্পনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আয়োজনে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাস্তবায়নে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে, কমপ্লেক্সের হলরুমে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ হুমায়ন কবীরের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ইউএনও রিপামনি দেবী এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওসি মোঃ মতিয়ার রহমান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আটোয়ারী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আনিসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মনোজ রায় হিরু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক নিতিশ চন্দ্র বর্মন, আটোয়ারী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ ইউসুফ আলী, সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহেরুল ইসলাম সহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।
এই উপজেলার জন্য আগামী ২৮ জুন ৬-১১ মাস বয়সী ১৯০০ শিশুকে নীল রংয়ের এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী ১৭০০০ শিশুকে লাল রংয়ের ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। উপজেলার মোট ১৪৫ টি কেন্দ্রে একযোগে উক্ত ক্যাম্পেইনে প্রায় ২৯০ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবে।
ভিটামিন-এ ক্যাপসুল শিশুদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। একে "চোখের ভিটামিন" বলা হয়ে থাকে। শিশুদের কেন ভিটামিন-এ খাওয়ানো প্রয়োজন, তা নিয়ে নিচে কিছু কারণ উল্লেখ করা হলো:
১. রাতকানা রোগ প্রতিরোধ: ভিটামিন-এর অভাবে শিশু অন্ধকারে দেখতে পায় না। ভিটামিন এ ক্যাপসুল এই সমস্যাটি থেকে শিশুদের রক্ষা করে।
২. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: ভিটামিন-এ শিশুদের শরীরের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে। ফলে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, হাম-এর মতো রোগে আক্রান্ত হলেও জটিলতা কম হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন-এ ক্যাপসুল শিশুমৃত্যু ২০-৩০% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।
৩. চোখ ও ত্বক ভালো রাখে: চোখের কর্নিয়া সুস্থ রাখে এবং ত্বক-মিউকাস ঝিল্লিরক্ষা করে। ফলে ইনফেকশন সহজে ঢুকতে পারে না।
৪. স্বাভাবিক বৃদ্ধি: হাড় ও দাঁত গঠনে সাহায্য করে এবং শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি সঠিকভাবে হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ফয়সাল আহমেদ মুন্না, যিনি বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ছাত্র সংসদ (বাকসু)-এর সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক, গ্রেফতার হয়েছেন।
কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ তাকে বৃহস্পতিবার নগরীর একটি এলাকা থেকে গ্রেফতার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ সূত্র। গ্রেফতারের পর তাকে কোতোয়ালি মডেল থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্রের দাবি, ফয়সাল আহমেদ মুন্নার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়াও অব্যাহত আছে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে। তবে গ্রেফতারের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি।
ফয়সাল আহমেদ মুন্না বরিশাল সরকারি বিএম কলেজ ছাত্র সংসদ (বাকসু)-এর সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন এবং তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে জানা যায়। দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন মামলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এই ধারাবাহিকতায়।
এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে জানানো হবে।
গ্রেফতার হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে এই বিষয়ে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত ফয়সাল আহমেদ মুন্নাকে আগামীকাল আদালতে সোপর্দ করা হবে। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অগ্নিকান্ডের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী বণিক সমিতির সার্বিক সহযোগিতায় বুধবার রাতের দিকে সমিতির কার্যালয়ে এই সহায়তা প্রদান করা হয়। ভূরুঙ্গামারী বণিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৬১ জন ব্যবসায়ীর প্রত্যেককে ১১ হাজার টাকা করে মোট ৬ লাখ ৭১ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
এতে উল্লেখযোগ্য যে, গত ৫ জুন ভূরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ আগুন লেগে শতাধিক দোকান পুড়ে যায়। ভূরুঙ্গামারীর ব্যবসায়ী সমাজের সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত এসব ব্যবসায়ীদের পাশে দাঁড়াতে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
ভূরুঙ্গামারী বণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল গফুর, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব তাইফুর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মামুন ব্যাপারী, কোষাধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান লাকী, সাংগঠনিক সম্পাদক রইসুল আলম রিপন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আবুল হাসেম ও শাহ আলম উপস্থিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের হাতে অর্থ সহায়তা তুলে দেন।
অর্থ সহায়তা প্রদানের পর ক্ষতিগ্রস্ত এই ব্যবসায়ীরা ভূরুঙ্গামারী বণিক সমিতির প্রতি তাদের গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
“চলো যাই যুদ্ধে, মাদকের বিরুদ্ধে” এই স্লোগানকে ধারণ করে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের নতুন হাট বাজারে মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাদক বিক্রেতা ও মাদক সেবীদের বিরুদ্ধে এই মানব বন্ধনটি অনুষ্ঠিত হয়। বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) দুপুরে স্থানীয় হাইস্কুল মোড়ে ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত মানব বন্ধনে সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক শাহ জালাল। বক্তৃতা দেন ইউপি চেয়ারম্যান মানিক উদ্দিন, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শামছুল হক, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক মিজানুর রহমান মিন্টু, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মাঈদুল ইসলাম লাভলু, এবং ইউনিয়ন কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান।
বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে জানিয়েছেন, মাদকের ছোবল থেকে চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নকে বাঁচাতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদক বিক্রেতা ও মাদক সেবীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে তারা মাদক বিক্রেতাদের অবিলম্বে মাদক বিক্রি বন্ধ করার আহবান করে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করে তুলতে তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ধারাবাহিক শ্রেণিকক্ষ ও মাঠভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে ‘কমিপ্রহেন্সিভ নেচার লার্নিং টু অ্যাক্টিভেট স্কুল চিলড্রেন’ প্রকল্প। প্রকল্পটি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির উদ্যোগে ০৬ দিনব্যাপী সিংড়া জাতীয় উদ্যানে পৃথকভাবে ৬টি ফিল্ড ট্রিপ অনুষ্ঠিত হয়। ফিল্ড ট্রিপে অংশ নেয় বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের চাউলিয়া মিশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নন্দগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সিংড়া আদিবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম-পঞ্চম শ্রেণির মোট ১৯৬ জন শিক্ষার্থী। শ্রেণিভিত্তিক প্রয়োজন ও বয়স বিবেচনায় প্রথম-দ্বিতীয় এবং তৃতীয়-পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শিক্ষার্থীরা ফিল্ড ট্রিপে পাখি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণ করে এবং তাদের খাদ্যাভাস, পরিবেশে ভূমিকা, জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব ও বিদ্যমান হুমকি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে। এই ট্রিপগুলোতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং প্রকল্প কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে চাউলিয়া মিশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন বীরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. শাহজিদা হক। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ে শিশুদের সচেতন করে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শ্রেণিকক্ষের পাঠের পাশাপাশি মাঠভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেয়। এরূপ উদ্যোগ পরিবেশবান্ধব ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এক্সপোরার ও প্রকল্পের লিডার রেজভীন আক্তার বলেন, সিংড়া জাতীয় উদ্যান ও শালবন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। শিশুদের প্রকৃতির সঙ্গে সরাসরি পরিচিত করার মাধ্যমে তাদের মধ্যে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করা সম্ভব। গত কয়েক মাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ে আগ্রহ ও সচেতনতার ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতের জন্য আশাব্যঞ্জক।
সিংড়া আদিবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিজেন্দ্র নাথ দাস বলেন, শিক্ষার্থীরা বইয়ের বাইরে বাস্তব পরিবেশ থেকে শেখার সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত উৎসাহিত। বিশেষ করে স্থানীয় বন, উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে তাদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বিকাশেও সহায়ক। ১৮ মাস মেয়াদি প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয় ২০২৫ সালের জুন মাসে। তবে বিদ্যালয়ভিত্তিক পরিবেশ শিক্ষা ও সচেতনতামূলক মূল কার্যক্রম শুরু হয় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে। প্রকল্পটির লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধি, প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণীর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা এবং সংরক্ষণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা। প্রকল্পটি স্থানীয় বাঙালি ও আদিবাসী সাঁওতাল সমপ্রদায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় ৯৬টিরও বেশি শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষা সেশন এবং ১২টিরও বেশি ফিল্ড ট্রিপ পরিচালিত হয়েছে। এসব কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা ইন্টারক্টেভি শিখন পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করছে। শ্রেণিকক্ষভিত্তিক সেশনগুলোতে বিষয়ভিত্তিক পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা, অনুশীলনী, কুইজ ও শিক্ষামূলক গেম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রামাণ্যচিত্র ও শিক্ষামূলক ভিডিও প্রদর্শনের মাধ্যমে পরিবেশ শিক্ষা আরও আকর্ষণীয় করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। পূর্ববর্তী ফিল্ড ট্রিপগুলোতে শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদ সম্পর্কে জেনেছে এবং উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শিশুদের সম্পৃক্ত করে তোলার মাধ্যমে একটি সচেতন ও দায়িত্বশীল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ