রিপোর্ট-শাহ্ জালাল,কালকিনি, মাদারীপুর
০৪:৪৮ পি.এম
মাদারীপুরের কালকিনিতে একটি ঘটনার মধ্যে, এক গৃহবধূকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা ও স্বর্ণালংকার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বাপ্পি সরদার নামক এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ করা হয়েছে যে, সে তার স্বামীকে মারধর করার সঙ্গে সঙ্গে প্রাণনাশের হুমকিও দিয়েছে।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার কালকিনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।অভিযোগকারী মোসাম্মাত খাদিজা বেগম, যিনি মিজানুর রহমানের স্ত্রী। তাদের বসবাসের জায়গা হলো উপজেলার বাঁশগাড়ি ইউনিয়নের বজরুসসার গ্রাম। বর্তমানে খাদিজা তার ছোট দুটি সন্তানের সঙ্গে খাশের হাট বাজারের পাশে একটি ভাড়া বাসায় রয়েছেন। অভিযুক্ত বাপ্পি সরদার একই এলাকার হোসেন সরদারের ছেলে।খাদিজা বেগম অভিযোগ করে জানান, তার স্বামী কাজের জন্য চট্টগ্রামে অবস্থান করছেন। একদিন, বাপ্পি সরদার তার কাছে এসে নিজেকে মিজানুর রহমানের বন্ধু পরিচয় দিয়ে তার স্বামীর মোবাইল নম্বর চান। খাদিজা নাম্বার দিতে না চাইলে, বাপ্পি তার ছোট সন্তানের হাতে থাকা মোবাইল নিয়ে গিয়ে খাদিজার মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।খাদিজার দাবি, কয়েকদিন পর রাতে বাপ্পি ফোন করে পরিচয়নামা তুলে ধরেন এবং বিভিন্নভাবে তাকে ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করেন। তার সঙ্গে কথা না বললে, স্বামীকে মারধরের হুমকি দেওয়া হতো। পরবর্তীতে, তাকে বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাবও দেওয়া হয়। এসব প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায়, এক পর্যায়ে বাপ্পি লোকজন নিয়ে মিজানুর রহমানকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ করেন খাদিজা।অভিযোগে আরও উল্লিখিত হয়েছে যে, বাপ্পি খাদিজাকে ভয় দেখিয়ে দাবি করেন, তার কাছে খাদিজার গোপন ছবি ও ভিডিও রয়েছে। টাকা না দিলে, সেগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি তার স্বামীকে দেখানোর হুমকি দেওয়া হয়। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে খাদিজা বলেন, তিনি বাপ্পির কাছে নগদ ৩০ হাজার টাকা দেন।খাদিজার অনুযায়ী, কয়েকদিন পর আবার টাকা দাবি করা হলে, তিনি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। তখন বাপ্পি তাকে কানের দুল দিতে বলেন। পরে খাদিজা বাধ্য হয়ে চার আনা ওজনের কানের দুল দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।খাদিজা আরও অভিযোগ করেন, এই বিষয়টি যখন তার স্বামীর কাছে জানানো হয়, তখন মিজানুর রহমান বাপ্পির বাড়িতে যান এবং এ ব্যাপারে জানতে চান। এরপর, বাপ্পি কয়েকজন লোক নিয়ে খাদিজার ভাড়া বাসায় এসে তাকে ও তার স্বামীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।এই ঘটনায় পরিবারটি বর্তমানে চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে বলেও জানান খাদিজা।এদিকে, ওই ভাড়া বাড়ির বাসিন্দা জুয়েল রানা এবং কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বাপ্পি সরদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ তুলেছেন এবং বলেছেন, তিনি এলাকায় ভয়ভীতি দেখান এবং নারীদের ব্ল্যাকমেইল করে টাকা হাতিয়ে নেন বলে তাদের জানা রয়েছে।অভিযুক্ত বাপ্পির কাকা, বাঁশগাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তিনি প্রশাসনকে ভয় পান না বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।ভুক্তভোগী খাদিজা বেগম বলেন, “আমি একজন সাধারণ নারী। আমি কোনো অন্যায় করিনি। আমাকে ভয় দেখিয়ে টাকা ও কানের দুল নেওয়া হয়েছে। এখন আমাকে ও আমার স্বামীকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমি নিরাপত্তা চাই এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।”এ প্রসঙ্গে কালকিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।তবে, অভিযুক্ত বাপ্পি সরদারের বক্তব্য জানতে গেলে, সাংবাদিকের সঙ্গে আলাপ না করে তিনি পালিয়ে যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জে হোসেন আলী ফাউন্ডেশনের মেধাবৃত্তি পরীক্ষায় কৃতকার্য ১৬২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।
শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার সুরমা ইউনিয়ন বেরীগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এই বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান। হোসেন আলী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মো. ইউসুফ আহমেদ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কাজী মো. মমিনুল ও মো. ফারুক আহমেদ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু বিষয়ক সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. আবুল হায়াত, আইনজীবী হেলেনা আক্তার, রঙ্গারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই, সুরমা ইউনিয়ন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তামিম জুবায়ের মিনহাজ, সমাজসেবক সুলতান আহমেদ, অগ্রগামী হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. ইউসুফ আহমেদ, সৈয়দ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. রাসেল আহমেদ, হাফেজ নুরুল ইসলাম, ফারজানা ইয়াসমিন, আব্দুল বারী, হাসিবুল ইসলাম আরিফ, ডা. হাবিব উল্লাহ ও ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এবং শিক্ষায় উৎসাহ জোগাতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বক্তারা শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান, তারা পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হতে ও আগামীতে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করতে। পরে অতিথিবৃন্দ মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও নগদ অর্থ তুলে দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কাতারে আটক ইরানি পাইলটদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে একটি বিশেষজ্ঞ দলের অনুমতি দিতে কাতার সম্মতি জানিয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের একজন সামরিক কর্মকর্তা। সাংবাদিকদের জানান, একই সঙ্গে তাদের অবস্থা নির্ণয় এবং দেশে ফিরিয়ে আনতে তেহরান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
শনিবার এই তথ্যে জানিয়েছেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফের ‘মিসিং ইন অ্যাকশন সার্চ কমিটি’র কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরজাদেহ। তিনি বলেন, কাতার ও কুয়েতে আটক ইরানি বন্দীদের বিষয়ে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটি (আইসিআরসি)-কে দ্রুত কাতারে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন। বাকেরজাদেহের দাবি, আটক পাইলটরা গুরুতর আহত ও অসুস্থ। কাতার সরকারের সম্মতি এবং সহযোগিতার ওপরে তিনি স্বাগত জানান।
অন্যান্য বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বাকেরজাদেহ বলেন, পাইলটদের যেখানে রাখা হয়েছে, সেই স্থানটি উপযুক্ত নয়। তাদের দ্রুত স্থলভাগে নিয়ে একটি সুসজ্জিত হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য কাতার সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি কুয়েতে আটক অন্যান্য ইরানি নাগরিকদের সম্পর্কে বলেন, কুয়েত সরকার প্রথমে ওই বন্দীদের সঙ্গে রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাতের জন্য সম্মতি দিয়েছে। তার মতে, এটি তাদের দ্রুত মুক্তির বিষয়ে আশার আলো সৃষ্টি করেছে।
চারটি জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী চার ইরানি বন্দীর অধিকারসমূহের প্রতি সম্মান জানানোর আবেদনের পাশাপাশি পরিবারের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের জন্য তিনি কুয়েতের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়াও তিনি আইসিআরসির প্রতি ভিডিও কলের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান।
বাকেরজাদেহ আশা প্রকাশ করেন যে, আইসিআরসি দ্রুত যোগাযোগের ব্যবস্থা করবে এবং মুক্তির জন্য জরুরি ভিত্তিতে কাজ করবে। আগে এ ধরনের উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরানি বন্দীদের ক্ষেত্রেও একই ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
আগে ইরান দাবি করেছে, গত ২ মার্চ কাতারে মার্কিন-পরিচালিত আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে অভিযানের পর তিন পাইলট নিখোঁজ হয়। গত ১৫ আগস্ট আইসিআরসির প্রেসিডেন্টের কাছে চিঠি দিয়ে তিনি নিখোঁজ পাইলটদের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান।
বাকেরজাদেহ দাবি করেন যে, ইরানের বিমানবাহিনীর দুটি যুদ্ধবিমান ওই অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিল। যুদ্ধের সময় পাইলটরা বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন। তিনি নিহত পাইলট এবং আটক পাইলটদের নাম উল্লেখ করেছেন এবং জানান যে কাতারি বাহিনী তাদের জীবিত অবস্থায় আটক করেছে।
তিনি বলেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পরও তেহরান তাদের সঙ্গে দেখা করতে কিংবা যোগাযোগ করতে পারেনি। যুদ্ধবন্দীদের অধিকার বিষয়ক তৃতীয় জেনেভা কনভেনশনের কথা উল্লেখ করে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে দ্রুত এই যোগাযোগের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান তিনি।
এছাড়া ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, কাতারী সরকার তাদেরকে নিয়ে কোনো তথ্য নেই।
সূত্র: তাসনিম নিউজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে, এ কথা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি রাজধানীর উত্তরা এলাকায় শনিবার (২২ আগস্ট) বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন।
শফিকুল ইসলাম খান আরো জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশনার আলোকেই এই দীর্ঘমেয়াদী সবুজায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ এগিয়ে এসেছে, যা একটি টেকসই পরিবেশ বিনির্মাণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, নগরীর সবুজায়ন কর্মসূচিতে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন আগামী পাঁচ বছরে ৫ লাখ বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। এরই মধ্যে ৫৫ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে এবং মহাখালী, ফার্মগেট, বিজয়নগরসহ প্রধান সড়কসমূহের মিডিয়ানে সৌন্দর্যবর্ধন ও সবুজায়নের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে।
তিনি আরও বলেন, পুরো দেশে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকাকে সবুজায়নে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে এভাবে পরিবেশ সুরক্ষায় সম্পৃক্ত করা অন্য সকলের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, সবুজায়নের পাশাপাশি একটি পরিচ্ছন্ন ঢাকা গড়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কেবল সিটি কর্পোরেশনের একক চেষ্টায় একটি মেগাসিটিকে সম্পূর্ণ পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়। এজন্য সাধারণ নাগরিকদের দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।
অন্যদিকে, তিনি রাস্তায় কিংবা যত্রতত্র প্লাস্টিক বোতল, ওয়ান টাইম কাপ, টিস্যু, পানির কন্টেইনার ও আবর্জনা না ফেলে নির্ধারিত ডাস্টবিন বা স্থানে ফেলার বিনীত অনুরোধ জানান। নাগরিকদের সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে "ক্লিন ঢাকা, গ্রিন ঢাকা" রূপকল্পকে বাস্তবে রূপ দিতে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির একটি বিশেষ দিক হলো রোপণকৃত গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও সুরক্ষার নিশ্চয়তা। কর্মসূচির আওতায় ৫০০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থী সরাসরি রোপণকৃত গাছের পরিচর্যা কাজে যুক্ত থাকবে।
শিক্ষার্থী বন্ধুদের উৎসাহিত করতে পরবর্তীতে তাঁদের বৃত্তির আওতায় আনা হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৬ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমান, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জহুরুল আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের পরিবেশ, জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবুল কাশেম এবং অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ছয় মাস আগে গঠিত মন্ত্রিসভায় আজ যে সংযোজন ঘটেছে, বিশ্বের সব দেশে এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই সংযোজনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের যে সমস্যাগুলো সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে ওয়াকিফহাল, এসব সমস্যা দূর করার লক্ষ্যে দেশকে গতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা এবং বিশ্বে বাংলাদেশের সুনাম পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করাই মূল লক্ষ্য।
শনিবার (২২ আগস্ট) দুপুরে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. মঈন খান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অকাল বিদায়ের পরে ৮২ সালে বিএনপির হাল ধরেছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। ১৯৮২ সালে তিনি নতুন করে দেশের হাল ধরেন এবং রাজপথে সংগ্রাম করে আপসহীন নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৯৯১ সালে তিনি জনগণের ভোটে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় ২০২৬ সালে এসে আবার নতুন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই দেশকে নতুনভাবে ইনশাআল্লাহ গড়ে তোলা হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, এটি দেশের জন্য একটি দ্বিতীয় ক্রান্তিকাল। এর আগে আরেকটি ক্রান্তিকালে, যখন দেশের সমগ্র মানুষ কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছিল, তখন স্বাধীনতার যুদ্ধের সময় এ দেশের একটি রাজনৈতিক দল, যারা নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলে দাবি করে, তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা বর্তমানে রয়েছে। সেই সময় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন। নতুন প্রজন্মের জন্য আজ এই ইতিহাসগুলো বলা প্রয়োজন, কেননা বারবার বাংলাদেশের গণতন্ত্রের পরিক্রমা ব্যাহত হয়েছে এবং প্রতিবারই বিএনপি দেশকে নতুন গণতন্ত্রের পথে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা করেছে।
এ সময় ড. মঈন খানের সঙ্গে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এবং দুই নতুন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়) ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন (ধর্ম মন্ত্রণালয়) উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ