ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

‘বিটিএসের টানে’ দেশ ছাড়ছিলেন তারা, এসআইয়ের স্ত্রীর বুদ্ধিতে উদ্ধার


‘বিটিএসের টানে’ দেশ ছাড়ছিলেন তারা, এসআইয়ের স্ত্রীর বুদ্ধিতে উদ্ধার

একই বিদ্যালয়ের তিন কিশোরী পাবনা থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে কুড়িগ্রামে পৌঁছায়, বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার কথা বলে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সীমান্ত পেরিয়ে কোথাও চলে যাওয়া। তবে কুড়িগ্রামে গিয়ে অপরিচিত এলাকায় পথ হারিয়ে ফেলায় শেষ পর্যন্ত এক পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) এই ঘটনা ঘটে। তিন কিশোরীর মধ্যে একজন অষ্টম শ্রেণির এবং অপর দুজন ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তারা একই এলাকার বাসিন্দা এবং তাদের মধ্যে দুজন পরস্পরের আত্মীয়।

তাদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা সাধারণ বলে জানা গেছে। কিছু অভিভাবক ফার্নিচারের কাজ করেন, আবার কেউ ওয়ার্কশপে কাজ করেন।

আরও পড়ুন: আমার দেখা মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব রফিকুল ইসলাম জামাল ভাইয়ের অবিস্মরণীয় ও কালজয়ী রাজনৈতিক অধ্যায়

তথ্য অনুযায়ী, তিনজনের একজন একপর্যায়ে বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও চলে যাওয়ার চিন্তা করতে শুরু করে। দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতদল বিটিএসের প্রতি আগ্রহী হয়ে ওঠে বিভিন্ন ভিডিও ও বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান দেখার মাধ্যমে। পরবর্তীতে ওই কিশোরী সীমান্ত এলাকা দিয়ে দেশের বাইরে যাওয়ার পরিকল্পনা তার দুই সহপাঠীকে জানায় এবং তারা তার সঙ্গে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী রবিবার সকাল ১০টার দিকে তিনজন স্কুলে এসে একত্রিত হয়। তবে তারা ক্লাসে না গিয়ে অটোরিকশাযোগে পাবনা বাস টার্মিনালে পৌঁছে বাসে করে নাটোরে যায়। নাটোর থেকে বাসে রংপুর এবং রংপুর থেকে কুড়িগ্রামে পৌঁছায় তারা। সন্ধ্যার আগে কুড়িগ্রাম বাস টার্মিনালে পৌঁছানোর পর রাত কাটানোর জন্য থাকার জায়গা খুঁজতে থাকে। পরে একটি অপরিচিত মহল্লায় ঢুকে পড়ে তারা।

কুড়িগ্রাম সদর থানার এসআই তাজ ওই মহল্লায় বসবাস করেন। তার স্ত্রী অপরিচিত তিন কিশোরীকে দেখে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের কথাবার্তা ও চলাফেরায় সন্দেহ হলে তিনি তাদের নিজের বাড়িতে নিয়ে আশ্রয় দেন। খাবারের ব্যবস্থা করেন এবং বিশ্রামের সুযোগ দেন। পরে বিষয়টি স্বামী এসআই তাজকে জানান। এসআই তাজ ও তার স্ত্রী কৌশলে তিন কিশোরীর কাছ থেকে তাদের পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের অবস্থানের কথা জানান। একই সঙ্গে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পুলিশকে অবহিত করা হয়।

এদিকে, তিন কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে পাবনা সদর থানায় পৃথকভাবে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে কুড়িগ্রাম সদর থানা পুলিশের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি শিশু-কিশোরদের মানসিক অবস্থা, পরিবারের আচরণ এবং অনলাইনভিত্তিক নানা কনটেন্টের প্রভাব নিয়ে নতুন করে ভাবনার সুযোগ তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা বাণী

পাবনা সদর থানার ওসি তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘তিন কিশোরী নিখোঁজ হওয়ার পর তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি করার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ তাদের উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে। বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের একপর্যায়ে কুড়িগ্রাম সদর থানার একজন এসআইয়ের মাধ্যমে তাদের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে কুড়িগ্রাম পুলিশের সহযোগিতায় তিন কিশোরীকে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফরিদপুরে স্ত্রী হ-ত্যা-র দায়ে স্বামী ও শাশুড়ির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২০ পি.এম


ফরিদপুরে স্ত্রী হ-ত্যা-র দায়ে স্বামী ও শাশুড়ির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে স্ত্রী সুমি (গিরিনা) হত্যা মামলায় স্বামী ও শাশুড়িকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন। এ সময় সুমির স্বামী পলাতক ছিলেন, তবে শাশুড়ি ও খালাসপ্রাপ্ত শ্বশুর আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার এজাহার, অভিযোগপত্র ও নথিপত্রের ভিত্তিতে জানা যায়, মৃত সুমি (গিরিনা) ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলার কেশরাইল গ্রামের আতিয়ার রহমান তালুকদারের স্ত্রী। ২০১০ সালে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সুমিকে স্বর্ণালংকার ও টাকা-পয়সা দেওয়া হয়েছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার বাদী, নিহতের ভাই মো. সরোয়ার মোল্যা (৪৫), এজাহারে অভিযোগ করেন যে, বিয়ের পর সুমি অন্তঃসত্ত্বা হলে তার স্বামী আতিয়ার রহমান তাকে ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটান। এরপর থেকেই স্বামী, শাশুড়ি ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে সুমিকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন এবং বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে।

এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, সুমি ও তার স্বামীকে পারিবারিকভাবে বুঝিয়ে-শুনিয়ে একপর্যায়ে কেশরাইলের বাড়িতে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার পরও সুমিকে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার ভাই।

২০১১ সালের ১১ মে সকালে কেশরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. আবুজার মোল্যা মোবাইল ফোনে সুমির মৃত্যুর খবর তার ভাইকে জানান। খবর পেয়ে স্বজনরা কেশরাইল গ্রামে গিয়ে আতিয়ার রহমান তালুকদারের বাড়ির একটি ঘরের মধ্যে পালংকের ওপর সুমির মরদেহ দেখতে পান।

মামলার নথিতে বাদী অভিযোগ করেন, সুমিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ঘরের মধ্যে রেখে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি বোয়ালমারী থানায় মামলা করেন।

মামলার আসামিদের মধ্যে স্বামী আতিয়ার রহমান তালুকদার (২৮) এবং তার মা মোছা. রাহেলা বেগম (৫০) কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এ মামলার অপর আসামি বাবা খলিলুর রহমান তালুকদার (৫৫) কে খালাস দেওয়া হয়েছে।

আদালতের অতিরিক্ত পিপি চৌধুরী জাহিদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আতিয়ার রহমান তালুকদার ও তার মা মোছা. রাহেলা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৫ বছর পর আদালতের এই রায় ঘোষণা হলো। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষকদের পে স্কেল প্রজ্ঞাপন সম্পর্কে নতুন তথ্য দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


শিক্ষকদের পে স্কেল প্রজ্ঞাপন সম্পর্কে নতুন তথ্য দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর সুবিধা প্রদান করা হবে। তবে, তাদের জন্য একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন। শিক্ষকদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন কবে জারি হবে, জানতে চাইলে মন্ত্রী জানান, অর্থ মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। তিনি উল্লেখ করেন, "আরেকটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না।"

গত ১ সেপ্টেম্বর, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে উল্লেখ করেছিলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নতুন বেতন কাঠামোতে বেতন দেওয়া হবে।’

বর্তমানে দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন প্রায় ৪ লাখ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পৌনে ২ লাখের মতো এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছেন। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় বেশি, তারা এমপিওর বাইরেও শিক্ষক ও কর্মচারীদের টাকা দেয়। কিন্তু বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সেই সক্ষমতা থাকে না।

বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম পে স্কেলের আওতায় আসার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এটি কার্যকর করার জন্য পৃথক গেজেট জারি করতে হবে। ফলে, প্রায় ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এই বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতের প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদলের বৈঠক, কৌশলগত অংশীদারি জোরদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


ভারতের প্রতিরক্ষা সচিবের সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদলের বৈঠক, কৌশলগত অংশীদারি জোরদার

ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সোমবার বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

এই প্রতিনিধিদলটি, যা মার্কিন হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ব্রায়ান মাস্ট-এর নেতৃত্বে ভারত সফর করছে, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ‘ভারত-মার্কিন ব্যাপক বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারি’কে আরো এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছে।

বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প খাতে পারস্পরিক অংশীদারি এবং উন্নত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

রাজস্থানে ভারত ও মার্কিন সেনাবাহিনীর যৌথ সামরিক মহড়া ‘যুদ্ধ অভ্যাস ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। এই মহড়া দুই দেশের সামরিক বাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতা এবং ইন্টারঅপারেবিলিটি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অভিন্ন লক্ষ্যগুলো পুনর্ব্যক্ত করা হয়, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকারকে আরো শক্তিশালী করবে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের সফর ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনা দুই দেশের সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরের জন্মে নারী নয়, পুরুষ হতে চেয়েছিলেন: লতা মঙ্গেশকর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৪:২১ পি.এম


পরের জন্মে নারী নয়, পুরুষ হতে চেয়েছিলেন: লতা মঙ্গেশকর

কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর পুনর্জন্ম হলে পুরুষ হিসেবে জন্মাতে চেয়েছিলেন। জাভেদ আখতারের সঙ্গে এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে তিনি এই ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছিলেন। শুধু পুরুষ হয়ে জন্মানোর ইচ্ছা নয়, পরবর্তী জীবনে লতা মঙ্গেশকর হয়ে ফিরে আসার ইচ্ছাও তার ছিল না বলে জানান তিনি।

পুনর্জন্মের প্রসঙ্গে লতা মন্তব্য করেন, "আবার জন্ম না হলেই তার ভালো।" যদি পুনর্জন্ম ঘটে, তাহলে তিনি আর লতা মঙ্গেশকর হতে চান না। এর পেছনে তার জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, "লতা মঙ্গেশকরের জীবনে যে কষ্ট ছিল, তা সবচেয়ে ভালো জানেন লতা নিজেই।"

লতা শুধু নিজের পরিচয় পরিবর্তনের কথা বলেননি, বরং পরবর্তী জীবনে তুলনামূলক সাধারণ ও ছোট একটি পরিবারে জন্মানোর ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন। তিনি নারী নয়, পুরুষ হিসেবে জন্মাতে চান।

লতার এই বক্তব্যটি তার একটি পুরোনো সাক্ষাৎকার থেকে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তিনি অকপটে নিজের জীবন ও পুনর্জন্ম নিয়ে ভাবনার কথা জানিয়েছেন।

লতার জীবন ছিল দায়িত্ব ও সংগ্রামে ভরা। মাত্র ১৩ বছর বয়সে কাজ শুরু করেন তিনি। ১৯৪২ সালে তার বাবা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকরের মৃত্যুর পর পরিবারের আর্থিক দায়িত্ব তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, "তাদের পরিবারের নয়জন সদস্য একসময় একটি ঘরে থাকতেন।" অর্থ সাশ্রয়ের জন্য অনেক সময় তিনি বাসে না উঠে হেঁটেও যাতায়াত করতেন।

সংগীতের জগতে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পথটিও সহজ ছিল না। শুরুর দিকে চলচ্চিত্রে গান গাওয়া ও অভিনয়ের মাধ্যমে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হয় তাকে। ১৯৪৮ সালে ‘মজবুর’ সিনেমার ‘দিল মেরা তোড়া’ গান দিয়ে বড় সুযোগ পান। পরবর্তী বছর ‘মহল’ সিনেমার ‘আয়েগা আনেওয়ালা’ গানটি তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। এরপর কয়েক দশক ধরে হিন্দি, বাংলা, মারাঠিসহ বিভিন্ন ভাষায় গান গেয়ে ভারতীয় সংগীতের অন্যতম প্রভাবশালী কণ্ঠ হয়ে ওঠেন লতা।

ব্যক্তিজীবনে তিনি নিজের মতো করে পথ চলেছেন। ১৯৯৯ সালের এক সাক্ষাৎকারে লতা জানান, ১৩ বছর বয়সে কাজ শুরু করার পর পরিবারের নয়জন সদস্যের জীবিকার দায়িত্ব তার ওপর ছিল। বিয়ের কথা ভাবার মতো সময়ও তিনি পাননি। একই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "নিজের জীবন নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই।"

২০২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৯২ বছর বয়সে লতা মঙ্গেশকর মারা যান। মৃত্যুর পরও তার পুরোনো সাক্ষাৎকার, জীবন ও সংগীতজীবনের নানা অজানা দিক নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ কমেনি। পুনর্জন্ম নিয়ে তার এই পুরোনো কথোপকথনও সেই আগ্রহের একটি উদাহরণ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%