সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:২০ পি.এম
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে স্ত্রী সুমি (গিরিনা) হত্যা মামলায় স্বামী ও শাশুড়িকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফরিদপুরের জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতের বিচারক মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন। এ সময় সুমির স্বামী পলাতক ছিলেন, তবে শাশুড়ি ও খালাসপ্রাপ্ত শ্বশুর আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার এজাহার, অভিযোগপত্র ও নথিপত্রের ভিত্তিতে জানা যায়, মৃত সুমি (গিরিনা) ছিলেন বোয়ালমারী উপজেলার কেশরাইল গ্রামের আতিয়ার রহমান তালুকদারের স্ত্রী। ২০১০ সালে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সুমিকে স্বর্ণালংকার ও টাকা-পয়সা দেওয়া হয়েছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বাদী, নিহতের ভাই মো. সরোয়ার মোল্যা (৪৫), এজাহারে অভিযোগ করেন যে, বিয়ের পর সুমি অন্তঃসত্ত্বা হলে তার স্বামী আতিয়ার রহমান তাকে ওষুধ খাইয়ে গর্ভপাত ঘটান। এরপর থেকেই স্বামী, শাশুড়ি ও শ্বশুরের বিরুদ্ধে সুমিকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন এবং বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে।
এজাহারে আরো উল্লেখ করা হয়, সুমি ও তার স্বামীকে পারিবারিকভাবে বুঝিয়ে-শুনিয়ে একপর্যায়ে কেশরাইলের বাড়িতে পাঠানো হয়। সেখানে যাওয়ার পরও সুমিকে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার ভাই।
২০১১ সালের ১১ মে সকালে কেশরাইল মসজিদের ইমাম হাফেজ মো. আবুজার মোল্যা মোবাইল ফোনে সুমির মৃত্যুর খবর তার ভাইকে জানান। খবর পেয়ে স্বজনরা কেশরাইল গ্রামে গিয়ে আতিয়ার রহমান তালুকদারের বাড়ির একটি ঘরের মধ্যে পালংকের ওপর সুমির মরদেহ দেখতে পান।
মামলার নথিতে বাদী অভিযোগ করেন, সুমিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ ঘরের মধ্যে রেখে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি বোয়ালমারী থানায় মামলা করেন।
মামলার আসামিদের মধ্যে স্বামী আতিয়ার রহমান তালুকদার (২৮) এবং তার মা মোছা. রাহেলা বেগম (৫০) কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এ মামলার অপর আসামি বাবা খলিলুর রহমান তালুকদার (৫৫) কে খালাস দেওয়া হয়েছে।
আদালতের অতিরিক্ত পিপি চৌধুরী জাহিদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আতিয়ার রহমান তালুকদার ও তার মা মোছা. রাহেলা বেগমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। একই সাথে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি আসামিদের খালাস দেওয়া হয়েছে। প্রায় ১৫ বছর পর আদালতের এই রায় ঘোষণা হলো। এ রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নতুন জাতীয় বেতন কাঠামোর সুবিধা প্রদান করা হবে। তবে, তাদের জন্য একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন আজ এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হন। শিক্ষকদের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন কবে জারি হবে, জানতে চাইলে মন্ত্রী জানান, অর্থ মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে কাজ করছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে স্কেলের জন্য পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। তিনি উল্লেখ করেন, "আরেকটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়ে আমার মন্তব্য করা ঠিক হবে না।"
গত ১ সেপ্টেম্বর, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টে উল্লেখ করেছিলেন, ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদেরও নতুন বেতন কাঠামোতে বেতন দেওয়া হবে।’
বর্তমানে দেশে ছয় লাখের বেশি শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্ত। এর মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন প্রায় ৪ লাখ, মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন পৌনে ২ লাখের মতো এবং কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন ২৩ হাজারের বেশি শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছেন। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয় বেশি, তারা এমপিওর বাইরেও শিক্ষক ও কর্মচারীদের টাকা দেয়। কিন্তু বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সেই সক্ষমতা থাকে না।
বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম পে স্কেলের আওতায় আসার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এটি কার্যকর করার জন্য পৃথক গেজেট জারি করতে হবে। ফলে, প্রায় ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এই বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব রাজেশ কুমার সিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সোমবার বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এই প্রতিনিধিদলটি, যা মার্কিন হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ব্রায়ান মাস্ট-এর নেতৃত্বে ভারত সফর করছে, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে ‘ভারত-মার্কিন ব্যাপক বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারি’কে আরো এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছে।
বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা শিল্প খাতে পারস্পরিক অংশীদারি এবং উন্নত প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
রাজস্থানে ভারত ও মার্কিন সেনাবাহিনীর যৌথ সামরিক মহড়া ‘যুদ্ধ অভ্যাস ২০২৬’ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর এই দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। এই মহড়া দুই দেশের সামরিক বাহিনীর কৌশলগত সক্ষমতা এবং ইন্টারঅপারেবিলিটি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অভিন্ন লক্ষ্যগুলো পুনর্ব্যক্ত করা হয়, যা ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থায়িত্ব এবং নিরাপত্তা বজায় রাখতে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকারকে আরো শক্তিশালী করবে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের সফর ও দ্বিপক্ষীয় আলোচনা দুই দেশের সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর পুনর্জন্ম হলে পুরুষ হিসেবে জন্মাতে চেয়েছিলেন। জাভেদ আখতারের সঙ্গে এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে তিনি এই ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছিলেন। শুধু পুরুষ হয়ে জন্মানোর ইচ্ছা নয়, পরবর্তী জীবনে লতা মঙ্গেশকর হয়ে ফিরে আসার ইচ্ছাও তার ছিল না বলে জানান তিনি।
পুনর্জন্মের প্রসঙ্গে লতা মন্তব্য করেন, "আবার জন্ম না হলেই তার ভালো।" যদি পুনর্জন্ম ঘটে, তাহলে তিনি আর লতা মঙ্গেশকর হতে চান না। এর পেছনে তার জীবনের কঠিন অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, "লতা মঙ্গেশকরের জীবনে যে কষ্ট ছিল, তা সবচেয়ে ভালো জানেন লতা নিজেই।"
লতা শুধু নিজের পরিচয় পরিবর্তনের কথা বলেননি, বরং পরবর্তী জীবনে তুলনামূলক সাধারণ ও ছোট একটি পরিবারে জন্মানোর ইচ্ছার কথাও জানিয়েছেন। তিনি নারী নয়, পুরুষ হিসেবে জন্মাতে চান।
লতার এই বক্তব্যটি তার একটি পুরোনো সাক্ষাৎকার থেকে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তিনি অকপটে নিজের জীবন ও পুনর্জন্ম নিয়ে ভাবনার কথা জানিয়েছেন।
লতার জীবন ছিল দায়িত্ব ও সংগ্রামে ভরা। মাত্র ১৩ বছর বয়সে কাজ শুরু করেন তিনি। ১৯৪২ সালে তার বাবা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকরের মৃত্যুর পর পরিবারের আর্থিক দায়িত্ব তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে ওঠে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, "তাদের পরিবারের নয়জন সদস্য একসময় একটি ঘরে থাকতেন।" অর্থ সাশ্রয়ের জন্য অনেক সময় তিনি বাসে না উঠে হেঁটেও যাতায়াত করতেন।
সংগীতের জগতে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পথটিও সহজ ছিল না। শুরুর দিকে চলচ্চিত্রে গান গাওয়া ও অভিনয়ের মাধ্যমে পরিবারের পাশে দাঁড়াতে হয় তাকে। ১৯৪৮ সালে ‘মজবুর’ সিনেমার ‘দিল মেরা তোড়া’ গান দিয়ে বড় সুযোগ পান। পরবর্তী বছর ‘মহল’ সিনেমার ‘আয়েগা আনেওয়ালা’ গানটি তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। এরপর কয়েক দশক ধরে হিন্দি, বাংলা, মারাঠিসহ বিভিন্ন ভাষায় গান গেয়ে ভারতীয় সংগীতের অন্যতম প্রভাবশালী কণ্ঠ হয়ে ওঠেন লতা।
ব্যক্তিজীবনে তিনি নিজের মতো করে পথ চলেছেন। ১৯৯৯ সালের এক সাক্ষাৎকারে লতা জানান, ১৩ বছর বয়সে কাজ শুরু করার পর পরিবারের নয়জন সদস্যের জীবিকার দায়িত্ব তার ওপর ছিল। বিয়ের কথা ভাবার মতো সময়ও তিনি পাননি। একই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, "নিজের জীবন নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই।"
২০২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৯২ বছর বয়সে লতা মঙ্গেশকর মারা যান। মৃত্যুর পরও তার পুরোনো সাক্ষাৎকার, জীবন ও সংগীতজীবনের নানা অজানা দিক নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ কমেনি। পুনর্জন্ম নিয়ে তার এই পুরোনো কথোপকথনও সেই আগ্রহের একটি উদাহরণ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সৈয়দপুর সেনানিবাসে অবস্থিত ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার্স (ইএমই) সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে (ইএমইসি অ্যান্ড এস) অনুষ্ঠিত হয়েছে ২০২৬ সালের জন্য বার্ষিক অধিনায়ক সম্মেলন এবং ৬ষ্ঠ কোর পুনর্মিলনী।
এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। ২৭ ও ২৮ সেপ্টেম্বর দুই দিনব্যাপী আয়োজিত এই সম্মেলনে ইএমই কোরের সব ইউনিটের অধিনায়ক ও কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন সেনাপ্রধান।
তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী ইএমই কোরের বীর সেনানীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। সেনাপ্রধান যুদ্ধ ও শান্তিকালীন সময়ে সেনাবাহিনীর অস্ত্র, যানবাহন এবং সামরিক যন্ত্রপাতির সুরক্ষায় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণে ইএমই কোরের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ও পেশাদারির প্রশংসা করেন।
কোরের সার্বিক উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে একবিংশ শতাব্দীর সামরিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ইএমই কোরের প্রত্যেক সদস্যকে সদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান তিনি।
৬ষ্ঠ কোর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান প্রধান অতিথি হিসেবে মনোমুগ্ধকর পুনর্মিলনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। সেনা সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন কোরের সদস্যদের মাঝে পারস্পরিক ঐক্য, সৌহার্দ্য এবং পেশাগত মমত্ববোধকে আরো সুদৃঢ় করে। তিনি সবাইকে উদাত্ত আহ্বান জানান যে, আগামীতে দেশ ও জাতির সার্বিক সেবায় আত্মনিবেদিত থাকতে হবে।
উক্ত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ইএমই কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও বাংলাদেশ রুরাল ইলেক্ট্রিফিকেশন বোর্ডের (বিআরইবি) চেয়ারম্যান, সেনাবাহিনীর মাস্টার জেনারেল অব দি অর্ডন্যান্স, ভারপ্রাপ্ত জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড), সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও রংপুর এলাকা কমান্ডারসহ সেনাসদর ও রংপুর এরিয়ার ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া ইএমই কোরের বিভিন্ন ইউনিটের অধিনায়কগণ, কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং সেনা সদস্যরা এতে অংশ নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ