ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ কেজি ৩২০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার


চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ কেজি ৩২০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২ কেজি ৩২০ গ্রাম হেরোইন নিয়েও দুজনকে আটক করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। একই সঙ্গে একটি মোটরসাইকেল এবং তার চাবিও উদ্ধার করা হয়েছে, যা মাদক পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছিল। আটককৃতদের মধ্যে একজন কিশোর রয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটের সময় সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ছোট মরাপাগলা গ্রামের একটি মেহগনি বাগানের সামনে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। পরে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জেলা পুলিশ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে।

আটককৃত ব্যক্তিরা হচ্ছেন সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের শুকনাপাড়া এলাকার মো. আশরাফুল ওরফে শুকুদ্দির ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম (৩৩) এবং একই এলাকার মো. কবিরুল ইসলাম ওরফে কবিরের ছেলে মো. সিফাত আলী (১৫ বছর ১ মাস ২৫ দিন)।

আরও পড়ুন: মাদারবাড়ি বালুর মাঠে ১৫ হাজার স্কয়ার ফুটের দৃষ্টিনন্দন খেলার মাঠ হবে

জেলা পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মাদকদ্রব্যের ভয়াবহ প্রভাব থেকে যুবসমাজসহ সাধারণ জনগণকে রক্ষা করার লক্ষ্য নিয়ে পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে। জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে উপপরিদর্শক (এসআই) ফয়সাল হাসানের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল বুধবার সন্ধ্যায় ছোট মরাপাগলা এলাকায় অভিযান শুরু করে।

অভিযানে সাইফুল ইসলাম ও সিফাত আলীকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের হেফাজত থেকে ২ কেজি ৩২০ গ্রাম অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এছাড়া মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত লাল রঙের হিরো ব্র্যান্ডের এইচএফ-ডিলাক্স একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনার সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জেলা পুলিশ জানিয়েছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের যুবসমাজসহ সকল স্তরের মানুষের মধ্যে মাদকের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করতে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। মাদক সংক্রান্ত কোনো তথ্য থাকলে পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে, এবং তথ্যদাতার পরিচয় গোপন রাখা হবে।

আরও পড়ুন: সিলেটে রাবার বাগান থেকে বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র ও দুটি এয়ারগান উদ্ধার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ মাসে চট্টগ্রামে ৩২৯টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০১ এম


৬ মাসে চট্টগ্রামে ৩২৯টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেন প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১৮০ দিন বা ছয় মাস পেরোনোর মধ্যে, চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ আংশিক) সংসদীয় আসন এলাকার উন্নয়নচিত্রে যুক্ত হয়েছে একের পর এক দৃশ্যমান উন্নয়ন।

সড়ক, সেতু-কালভার্ট, খাল খনন ও জলাবদ্ধতা নিরসন থেকে শুরু করে পানি, বিদ্যুৎ ও সেচব্যবস্থা, মসজিদ-মাদ্রাসা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মন্দির-শ্মশানসহ ধর্মীয় ও সামাজিক অবকাঠামোতে এসেছে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন। স্থানীয় জনজীবনের নানা প্রয়োজনকে সামনে রেখে এগিয়েছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড।

১৮০ দিনে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা ৪৫০টি প্রকল্পের মধ্যে ৩২৯টির কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এর বাইরে সরকারি বরাদ্দে নেওয়া ২৭টি প্রকল্পের প্রতিটিই শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে আরও ৪৮টি প্রকল্পের কাজ চলমান; যার অর্ধেকের বেশি ইতোমধ্যে এগিয়ে গেছে। এসব প্রকল্পে গড় অগ্রগতি ৬৪ শতাংশ।

এলাকাবাসী বলছেন, সরকারের প্রথম ৬ মাসে একটি সংসদীয় এলাকার মানুষের প্রয়োজন মেটাতে এই চমক দেখিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, ভূমি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

এ প্রসঙ্গে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন বলেন, 'স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সবচেয়ে প্রয়োজনীয় প্রকল্পটিকে দ্রুত বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী পুরো এলাকার সমন্বিত উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।'

তিনি জানান, ইতোমধ্যে সংসদীয় এলাকার মসজিদ ও ঈদগাহে ৩৮টি, মাদ্রাসা ও হেফজখানায় ২৫টি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। খাল ও জলাবদ্ধতা নিরসনে নেওয়া হয়েছে ১৯টি প্রকল্প, সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ করতে নির্মাণ করা হয়েছে ১২টি সেতু ও কালভার্ট। পানি, বিদ্যুৎ ও সেচ খাতের ৪৮টি সরকারি প্রকল্পই শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে ভূমি ও সরকারি সম্পত্তি পুনরুদ্ধারে নেওয়া উদ্যোগগুলোও শতভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, এ উন্নয়ন উদ্যোগ কেবল অসাধারণ প্রতিমন্ত্রীর নিজ সংসদীয় আসনেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার উন্নয়নেও ১৮০ দিনের মধ্যে অনেকগুলো জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছেন। বিশেষ করে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় পানি সংকট নিরসনে ইতোমধ্যে বেশ কিছু প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। পাহাড়ের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য তিনি নির্দিষ্ট পরিকল্পনায় কাজ করছেন।

হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপির আহবায়ক জাকের হোসেন বলেন, 'হাটহাজারীতে ৬ মাসে যে উন্নয়ন হয়েছে, তা বিগত ১৭ বছরেও হয়নি। ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় এখানে সব ক্ষেত্রে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। বিশেষ করে হাটহাজারী বাস স্টেশনে যে যানজট ছিল, সেখানে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধারের কারণে যানজট এখন নেই বললেই চলে।'

তিনি বলেন, উপজেলায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টির জন্য খাল খনন ও নালা-নর্দমা পরিষ্কার করার কারণে এবার জলাবদ্ধতাও হয়নি। তিনি এখানে ৬০০ বেডের একটি হাসপাতাল করার চেষ্টা করছেন, একই সাথে ক্রীড়া ব্যবস্থার উন্নয়নে মিনি স্টেডিয়াম করারও পরিকল্পনা করছেন। এসব উন্নয়নে এলাকার মানুষজন যথেষ্ট খুশি।

জাকের হোসেন আরও বলেন, 'তিনি বিগত ২০ বছর ধরে সব সময় হাটহাজারীতে ছিলেন, তিনি জানেন কোথায় কী করতে হবে। তাই দ্রুত এত উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে। এজন্য আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই।'

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, 'সময়ের হিসেবে ১৮০ দিন খুবই অল্প, কিন্তু মানুষের প্রতি দায়িত্বের ভার অনেক বেশি। এই অল্প সময়ের মধ্যেই আমি চেষ্টা করেছি মানুষের আস্থা ও প্রত্যাশার প্রতি সৎ ও নিবেদিত থাকতে। কারণ আমি বিশ্বাস করি, একটি সরকার শুধু প্রতিশ্রুতিতে নয়, কাজের দৃশ্যমান অগ্রগতিতেই মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেয়।'

তিনি বলেন, এই ১৮০ দিনে যা করার পরিকল্পনা ছিল, তা বাস্তবায়নের পথেও দৃঢ়ভাবে এগিয়েছি। উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ- এই চারটি ভিত্তিকে সামনে রেখে কাজ করেছি। প্রতিটি সিদ্ধান্তে ছিল একটি লক্ষ্য- মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। আমার নির্বাচনী এলাকা এবং মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়া পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন খাতে দৃশ্যমান অগ্রগতি আনতে দ্রুত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে মানুষ তাদের জীবনে পরিবর্তনের ছোঁয়া অনুভব করতে পারেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'আমাদের এই উন্নয়ন ও অগ্রগতির মহানায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাজ করছি, মানুষের জীবনমানের উন্নতি ঘটছে দ্রুত। এজন্য প্রধানমন্ত্রীরকে আন্তরিক ধন্যবাদ।'

সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার আলোকে মন্ত্রণালয়ের নানা প্রকল্পের ওপর আলোকপাত করে তিনি জানান, সরকারের কর্মপরিকল্পনার আওতায় গৃহীত সব কার্যক্রম ধাপে ধাপে সমন্বিত ডাটাবেইসে সংরক্ষণ ও আপডেট করা হবে, যাতে জনগণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করতে পারেন।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে শতভাগ স্বয়ংক্রিয় ভূমিসেবা অ্যাপ চালু করা হয়েছে। জনগণ অ্যাপ ব্যবহার করে সব ভূমিসেবা পাচ্ছেন। এই অ্যাপের মাধ্যমে করা যাচ্ছে- ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, নামজারির ফি জমা, খতিয়ান সংগ্রহ, ডিসিআর প্রতিলিপি সংগ্রহ, খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহ, মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ, খতিয়ান অনুসন্ধান ও যাচাইসহ সব ধরনের সেবা মিলছে। একই সাথে হেল্পলাইন নাম্বার ১৬১২২ এর মাধ্যমেও সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। সেইসঙ্গে, হাটহাজারী-রাঙামাটি মহাসড়ক এখন সৌরবিদ্যুৎ চালিত স্মার্ট স্ট্রিট লাইটের আলোয় আরও নিরাপদ, আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন হয়েছে। পরিবেশবান্ধব এই প্রযুক্তির ব্যবহার যেমন বিদ্যুৎ সাশ্রয় করছে, তেমনি আলোকিত করেছে গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ককে।

হাটহাজারী পৌরসভাকে ব্যাংক বুথ, দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তি, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও সহজ সেবাপ্রাপ্তির মাধ্যমে আরও কার্যকর ও নাগরিক বান্ধব করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় হাটহাজারী উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভার ওয়ার্ড, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, উপজেলা ও পৌরসভা প্রশাসনের মাধ্যমে ৩ লাখ ৬২ হাজার গাছের চারা রোপণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটির আসামবস্তি এলাকায় বৃহৎ শ্মশান ঘাটে মৃতদেহ সৎকারের জন্য গভীর নলকূপ স্থাপন কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রাজস্থলীর দুর্গম কুক্যাছড়ি খিয়াং পাড়ার people's দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির সংকট নিরসনে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হাটহাজারী উপজেলার সরকারহাট বাজার সংলগ্ন মির্জাপুর মৌজার সরকারি আনুমানিক ১ কোটি টাকা বাজারমূল্যের ৩ শতক সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে। আল মুহসিনাত বালিকা হিফজখানার ছাত্রীদের গরম ও লোডশেডিংয়ের কষ্ট লাঘবে সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

চলমান কিছু প্রকল্পের কাজের মধ্যে রয়েছে- মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া বিলে কৃষকদের সেচ প্রকল্প পাইপলাইন নির্মাণকাজ, ১৪ নম্বর শিকারপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড বাথুয়া গ্রামে আসাদ আলী রোড থেকে নেয়ামত আলী রোড পর্যন্ত জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যক্রম, পশ্চিম চারিয়া কাজী পাড়া সন্দ্বীপ কলোনি অন্তর্গত আনিস খাল সংলগ্ন রাস্তা মেরামত, মেখল ইউনিয়ন এর হারিয়াননালা খাল খনন কর্মসূচি।

এছাড়াও রয়েছে হাটহাজারীর জলাবদ্ধতা নিরসনে বউ বাজার থেকে দশতলা পর্যন্ত নালা পরিষ্কার কার্যক্রম, ফটিকা কামাল পাড়া থেকে সেন বাড়ি হয়ে দশতলার পেছনে নালা পরিষ্কার ও খাল খনন কার্যক্রম, মেখল ৫ নম্বর ওয়ার্ড ফতেহ আলী কাঞ্চন বাড়ির সড়ক মেরামত, চৌধুরীহাট জিসি টু মদুনাঘাট (দাতারাম চৌধুরী সড়ক) সংস্কার কাজ ও অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, ইজিপিপি প্রকল্পের আওতায় সুন্দরী ছড়া পুনঃখনন, আবদুল গফুর তালুকদার বাড়ি জামে মসজিদ ও ফতেয়াবাদ-রামদাশহাট-মদুনাঘাট সড়ক মেরামত কাজ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেন্ডুলকারের রেকর্ড ছুঁলেন রুট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ এম


টেন্ডুলকারের রেকর্ড ছুঁলেন রুট

টেস্ট ক্রিকেটে আরও একটি কীর্তি গড়লেন জো রুট, ইংল্যান্ডের তারকা ব্যাটসম্যান। পাকিস্তানের বিপক্ষে হেডিংলি টেস্টে ফিফটি তুলে নিয়ে, এই ম্যাচে তিনি সাচিন টেন্ডুলকারের সাথে সবচেয়ে বেশি টেস্ট ফিফটির রেকর্ডে এক সারিতে চলে আসেন।

সিরিজের প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ১১২ বলে ৬৬ রান করার পর আউট হন রুট। তার এই ইনিংসে রয়েছে ১০টি চারের সমাহার, যা টেস্ট ক্যারিয়ারে তার ৬৮তম ফিফটি হিসেবে গণ্য হয়েছে। টেস্টে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরির মালিক সাচিন টেন্ডুলকারও ২০০ ম্যাচে ৬৮টি ফিফটি করে গিয়েছেন।

তবে উল্লেখযোগ্য যে, রুট ৬৮তম ফিফটিতে পৌঁছাতে টেন্ডুলকারের চেয়ে ৩৩টি টেস্ট কম খেলে এই অর্জন লাভ করেছেন। ১৬৭তম টেস্টে এসে কিংবদন্তি ভারতীয় ব্যাটসম্যানের রেকর্ডে তিনি অধিকার করেছেন।

টেস্টে সবচেয়ে বেশি ফিফটির তালিকায় জো রুট এবং সাচিন টেন্ডুলকারের পর তৃতীয় স্থানে রয়েছেন শিবনারাইন চন্দরপল, যিনি ১৬৪ ম্যাচে ৬৬টি ফিফটি করেছেন। পরবর্তী স্থানে রয়েছেন অ্যালান বোর্ডার ও রাহুল দ্রাবিড়, উভয়েরই ফিফটি সংখ্যা ৬৩টি। এছাড়াও রিকি পন্টিংয়ের রয়েছে ৬২টি ফিফটি।

বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় দিনের খেলা ৩৭ রান নিয়ে শুরু করেন রুট। ৯৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করার পর, পরে খুররাম শাহজাদের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ এই ব্যাটসম্যান।

দলের ২ উইকেটে ৪৮ রানের সময় ক্রিজে এসে জর্ডান কক্সের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ১৫০ রানের একটি জুটি গড়েন রুট। তার বিদায়ের পরও ইনিংসে তার অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। এই ইনিংসের পর বর্তমানে টেস্টে রুটের মোট রান ১৪ হাজার ১৮০ দাঁড়িয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকদের তালিকায় তার ওপরে আছেন শুধুমাত্র টেন্ডুলকার, যার সংগ্রহ ১৫ হাজার ৯২১ রান।

সুতরাং, ফিফটির রেকর্ডে টেন্ডুলকারকে ছুঁয়ে ফেলবার পর, এবার টেস্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকার ক্ষেত্রে রুটের সামনে ছাড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বার্সেলোনায় ফেরাই ছিল আমার একমাত্র লক্ষ্য’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:০৭ এম


‘বার্সেলোনায় ফেরাই ছিল আমার একমাত্র লক্ষ্য’

বার্সেলোনায় তৃতীয়বারের মতো ফিরলেন জোয়াও কান্সেলো। কাতালান ক্লাবটিতে আগের দুই দফায় ধারে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও এবার তিনি স্থায়ীভাবে যুক্ত হলেন। ক্লাবটিতে আবার ফিরে আসার জন্য গত কিছু সপ্তাহ তিনি কঠিন সময় পার করলেও তিনি তার সিদ্ধান্তে থাকেন অটল বলে জানিয়েছেন।

২০২৩-২৪ মৌসুমে ৩২ বছর বয়সী কান্সেলো প্রথমবার ম্যানচেস্টার সিটি থেকে ধারে বার্সেলোনায় যোগ দেন। এর পর গত জানুয়ারিতে আবারও আল-হিলাল থেকে ধারের ভিত্তিতে কাতালান ক্লাবটিতে ফিরে আসেন। এবারের চুক্তিতে তিনি সৌদি ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তি বাতিল করে বার্সেলোনার সঙ্গে তিন বছরের চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

গত বৃহস্পতিবার কান্সেলো চুক্তি সম্পন্ন করেন বার্সেলোনা সভাপতি হুয়ান লাপোর্তার উপস্থিতিতে। তিনি দুই দফায় ক্লাবটির হয়ে ৬৫ ম্যাচে ছয় গোল ও নয়টি অ্যাসিস্ট করেছেন।

বার্সেলোনায় ফিরে কান্সেলো তার অনুভূতি জানিয়ে বলেছেন, ‘বার্সার প্রতি আমার ভালোবাসা সবসময় একই ছিল। আমি এখানে আসতে পেরে খুব খুশি। আমার একমাত্র লক্ষ্যই ছিল বার্সেলোনায় ফেরা।’

কান্সেলোর প্রথম মেয়াদ শিরোপাহীন ছিল যদিও গত মৌসুমে তিনি বার্সেলোনার হয়ে শিরোপা জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। এটি তার শৈশবের স্বপ্ন পূরণের মতো। তিনি বলেন, ‘গত কিছু সপ্তাহ বেশ কঠিন ছিল। তবে আমি কী চাই তাতে পরিষ্কার ছিলাম। একমাত্র সম্ভবনা ছিল আল-হিলালে আরও এক বছর থাকতে। কারণ আমার একমাত্র লক্ষ্য বার্সায় ফিরে আসা ছিল। আমার প্রতিনিধিরাও জানতেন, আমি শুধুমাত্র এখানেই খেলতে চেয়েছি।’

নতুন মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে কান্সেলো বড় স্বপ্ন দেখছেন। তার লক্ষ্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়। তিনি বলেন, ‘বার্সার মতো ক্লাবকে সবকিছু জেতার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়। আমরা অবশ্যই চ্যাম্পিয়ন্স লিগের জন্য লড়ব। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততে আমরা সম্ভাব্য সবকিছু করব।’

বার্সেলোনায় এবার সাবেক সতীর্থ রদ্রির সঙ্গে খেলবেন কান্সেলো। তিনি ২০২৪ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী রদ্রির প্রশংসা করে বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ারে যাদের সঙ্গে খেলেছি তাদের মধ্যে রদ্রি অন্যতম সেরা। আক্রমণ ও রক্ষণ—দুটো দিকেই সে অনেক অবদান রাখে। সিটিতে তার সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল। তার সঙ্গে খেলা খুব সহজ।’

হান্সি ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনা টানা তৃতীয় লা লিগা শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে নতুন মৌসুম শুরু করবে। দলটি চলতি দলবদলে শক্তি বাড়িয়েছে। আগামী রবিবার এলচের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে লিগ শিরোপা ধরে রাখার অভিযান শুরু করবে কাতালান ক্লাবটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আইআরজিসির সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে হিজবুল্লাহর ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৮:১০ এম


আইআরজিসির সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে হিজবুল্লাহর ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরসের (আইআরজিসি) সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে সংগঠনটিকে আবারও ‘স্পেশালি ডিজিগনেটেড গ্লোবাল টেররিস্ট’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন প্রশাসনের দাবি, হিজবুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং ইরানি রেভল্যুশনারি গার্ড কোরসের কুদস ফোর্সের নির্দেশনায় ইরানি সরকারের হয়ে কাজ করছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ১০ ব্যক্তিকেও রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে হিজবুল্লাহর জন্য বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই অর্থ পাচার নেটওয়ার্কের সদস্যরা বাণিজ্যিক উড়োজাহাজে লেবানন, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানের মধ্যে যাতায়াত করে। এভাবে তারা শত শত কোটি ডলার পর্যন্ত অর্থ স্থানান্তর করে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের দাবি, এই কুরিয়ার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্থানান্তরিত অর্থ অঞ্চলজুড়ে বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সহায়তা করতে ব্যবহৃত হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৭ সালে প্রথম হিজবুল্লাহকে ‘ফরেন টেররিস্ট অর্গানাইজেশন’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। এবারের পদক্ষেপ সংগঠনটির বর্তমান কার্যক্রম ও ইরানের সঙ্গে এর সম্পর্ককে লক্ষ্য করে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক চাপের ঘোষণার পরই হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে এই নিষেধাজ্ঞা এলো। এর আগে ইরানকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন করতে একটি ‘বিধ্বংসী অর্থনৈতিক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা দিয়েছিল ওয়াশিংটন।

সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%