০১:৫৭ এম
নরসিংদীর পলাশে ঘটনাটি ঘটেছে, যেখানে বালু ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেনের কানে বিএনপি নেতার কামড়ের অভিযোগ করা হয়েছে। এই ঘটনা মিথ্যা বলে দাবি জানিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা এই দাবি করেন। তার সাথে উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বর্তমান ডিজিটাল যুগে আমাদের সকলকে জানি, যে যুগে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলমান। এই ধরনের কর্মকাণ্ডে যা কিছু ঘটতে পারে, দা, ছুরি কিংবা গুলি, কিন্তু এখানে কিছুই নেই। অথচ, তারা কানে কামড় দিতে পারে! এর মানে, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এটি ঘটেছে। কিছুদিন আগে একটি ঘটনা ঘটেছিল এবং এর ধারাবাহিকতায় পরিকল্পিতভাবে কানে কামড়কে ভাইরাল করা হয়েছে। মিডিয়াকে কাজে লাগিয়ে চেষ্টা করা হচ্ছে মানুষকে বিভ্রান্তি করতে; উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ মিথ্যা সংবাদটি ছাপানো হয়েছে।’
আরও পড়ুন: মহাখালীতে ট্রেনের ধাক্কায় যুবক মো. রায়হান নিহত
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দিবাগত রাতে মেসার্স সজীব ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. সজীব মিয়া কানে কামড়ের ঘটনায় মামলা করেন। মামলায় ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহিউদ্দিন চিশতিয়াকে প্রধান আসামি করে আরও ১০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, বাদী সজীব মিয়া বাংলাদেশের ‘টিকে খান’ নামের একটি শিল্পগ্রুপের মাধ্যমে বালু, ইট ও রড সরবরাহের কাজ পান। সাখাওয়াত হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে ড্রেজার মেশিন ও পাইপ ভাড়াসহ কাজের জন্য নিয়োগ করা হয়। ১৩ জুলাই বিকেলে ঘোড়াশালের টেকপাড়াস্থ বাংলাদেশ জুট মিলসের ভেতরে নদীর পাড়ে ড্রেজার মেশিন সেটিং করার সময় একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রের সঙ্গে, রামদা, চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, হকিস্টিক, লাঠি ও পিস্তল নিয়ে ঘটনার স্থলে চড়াও হয়। এর পরেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন