বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৫৯ পি.এম
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। তিনি বলেন, উসকানি দিয়ে কেউ যেন ব্যাঘাত ঘটাতে না পারে, সেদিকে সকলের খেয়াল রাখতে হবে। তিনি আবারও বললেন, কেউ যেন কোনো চক্রান্ত করতে না পারে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী উল্লেখ করেন, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রথযাত্রা উৎসব নির্বিঘ্ন করতে সরকারসহ বিএনপি কাজ করবে। তিনি বলেন, কোনো অপশক্তি এই জাতির ঐক্য ভাঙতে পারবে না। চক্রান্ত ও উসকানি থেকে দূরে থেকে নির্ভয়ে রথযাত্রা পালিত হবে। সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে কেউ যেন সক্ষম না হয়, সে জন্যও বিএনপি সতর্ক অবস্থানে থাকবে।
স্কুল ফিডিং কার্যক্রম নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে রিজভী বলেন, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আরও সচেতন হতে হবে। তিনি আহ্বান জানান, মানহীন খাবার দিয়ে যারা অপরাধ করছেন, তাদের শাস্তির আওতায় আনা উচিত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাস্টমস বিভাগের চার সদস্য পদে পরিবর্তন করা হয়েছে। এ পরিবর্তনের মধ্যে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিল ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট পদেও রদবদল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুটি পৃথক আদেশের মাধ্যমে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, আদেশ অনুসারে, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট আপিল ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ লুৎফর রহমানকে এনবিআরের সদস্য (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে, এনবিআরের সদস্য তাসমিনা হোসেনকে ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্ট করা হয়েছে।
আরেকটি আদেশ অনুযায়ী কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসনের সদস্য মো. মোয়াজ্জেম হোসেনকে ভ্যাট নিরীক্ষা বিভাগে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, সৈয়দ মুশফিকুর রহমানকে মূসক নিরীক্ষা থেকে শুল্ক ব্যবস্থাপনা ও আইটি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সদস্য (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ লুৎফুর রহমানকে কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে পুরোপুরি দখলমুক্ত করে আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও শৃঙ্খলাপূর্ণ টার্মিনালে রূপ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল বেলা রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল পরিদর্শনের পর তিনি এই ঘোষণা দেন।
ডিএসসিসি প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, ‘টার্মিনাল কোনোভাবেই বাসের ডাম্পিং স্টোরে পরিণত হতে পারে না। এখানে শুধুমাত্র যাত্রী ওঠানামার জন্য বাসগুলি অবস্থান করবে, এছাড়া অন্য কোনো বাস রাখা যাবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে টার্মিনাল ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের অনুরোধ করা হয়েছে। যদি এই সময়ের পরে নিয়ম না মানা হয় তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এছাড়াও শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসের জন্য আলাদা স্থান নির্ধারণের বিষয়টি জানিয়ে আব্দুস সালাম বলেন, ‘টার্মিনালের ভেতরের অবৈধ দোকানপাট ও হকার উচ্ছেদ করে পুরো এলাকাকে সুশৃঙ্খল করার উদ্যোগ নেয়া হবে। টার্মিনাল পরিচ্ছন্ন না থাকলে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।’
এ দিন সিটি করপোরেশন সায়েদাবাদ বাস টার্মিনালকে একটি পরিচ্ছন্ন ও কার্যকর যাত্রীসেবার কেন্দ্রে পরিণত করার পক্ষপাতি হিসেবে কাজ করার কথাও জানান তিনি। পাশাপাশি গুলিস্তান এলাকা থেকে বাস টার্মিনাল সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনাও প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে রাজধানীর সড়ক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভেনেজুয়েলার ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ৩০ কোটি মার্কিন ডলারের জরুরি সহায়তা চেয়ে জাতিসংঘ বুধবার আবেদন করেছে।
এদিকে, এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৮০০-এরও বেশি হয়ে গেছে।
ল্যাটিন আমেরিকার ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়াবহ ভূমিকম্প, যার ফলে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।
এছাড়া, ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে আরও হাজারো মানুষ এখনো নিখোঁজ রয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত লা গুয়াইরায় বহু পরিবার এখনও ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বজনদের লাশ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।
ভেনেজুয়েলা থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানাচ্ছে।
দুর্যোগের বিষয়ে এক বৈঠকে জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার বলেন, ‘অনেক দাতা দেশ ইতোমধ্যেই সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। তাদের প্রতি আমি শ্রদ্ধা ও ধন্যবাদ জানাই।’
তিনি আরও বলেন, আগামী ছয় মাসে ১৩ লাখ মানুষের জন্য জরুরি সহায়তার জন্য ২৯ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রয়োজন। এই লক্ষ্যেই তহবিলের আবেদন করা হয়েছে।
এদিকে, পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের জন্য অর্থ জোগাড়ের উদ্দেশ্যে জব্দ করা রাষ্ট্রীয় সম্পদ মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে কারাকাস।
জাতিসংঘের বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভান গিল বলেন, ‘যেসব দেশ ভেনেজুয়েলার সম্পদ আটকে রেখেছে, তাদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি যাতে তারা এ সব সম্পদ দেশটির পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য ছাড় দেয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘অবৈধ নিষেধাজ্ঞার ফলস্বরূপ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ভেনেজুয়েলা রাষ্ট্রের মালিকানাধীন একাধিক হিসাব জব্দ রয়েছে।’
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রড্রিগেজ জানান, যুক্তরাজ্যের নিষেধাজ্ঞার আওতায় জব্দ থাকা ভেনেজুয়েলার প্রায় ৩০ টন স্বর্ণ ছাড়ানোর জন্য তিনি রাজা তৃতীয় চার্লসকে চিঠি দিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে তিনি বলেছেন, ‘আমি ইংল্যান্ডের রাজার কাছে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যাতে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডে রাখা স্বর্ণ ছাড় করা হয়। এই স্বর্ণ আমাদের জনগণের এবং ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে আমাদের এই স্বর্ণের প্রয়োজন।’
ত্রাণ কার্যক্রম সহজে পরিচালনার জন্য, যুক্তরাজ্য ইতোমধ্যেই চার মাসের জন্য ভেনেজুয়েলার ওপর আরোপিত কয়েকটি অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।
২০১৯ সাল থেকে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। দেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর চিন্তাধারার সরকারকে অবৈধ বিবেচনা করে তার ওপর চাপ সৃষ্টি করাই ছিল সেই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে মার্কিন বাহিনী মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর কারাকাসের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক উন্নতি হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসন ডেলসি রড্রিগেজকে সমর্থন জানিয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ করে ভেনেজুয়েলার বিশাল তেলসম্পদ উন্নয়নের সুবিধার্থে ধীরে ধীরে নিষেধাজ্ঞাও শিথিল করেছে।
২৪ জুনের ভূমিকম্পের আগেই দীর্ঘ কয়েক দশকের অর্থনৈতিক সংকটে ভেনেজুয়েলার অবকাঠামো ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছিল।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পে ৬৭০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে। এটি দেশটির মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ছয় শতাংশের সমান।
ভূমিকম্পের ফলে কারাকাসের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে এখনো বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালু হয়নি।
৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুই দফা ভূমিকম্পের দুই সপ্তাহ পরে আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলো জীবিত কাউকে খুঁজে পাওয়ার অভিযান প্রায় শেষ হয়ে গেছে। তবে স্বজনরা এখনও ধ্বংসস্তূপে তাদের প্রিয়জনদের লাশের খোঁজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
সরকার বুধবার মৃতের সংখ্যা হালনাগাদ করেছে এবং তা ৩ হাজার ৮১১ জনের কথা জানিয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন প্রায় ১৭ হাজার মানুষ।
ভূমিকম্পের কারণে লা গুয়াইরার বহু আবাসিক ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। এতে প্রায় ১৮ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন।
লা গুয়াইরার কারাবালেদা এলাকায়, বুধবার তিনটি পরিবার একটি মোড়ে বসে ত্রাণের জন্য অপেক্ষা করছিল। এর আগে তারা আশেপাশে খাবার, পানি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী খুঁজেছে।
তারা কিছু ডায়াপার, বোতলজাত পানি, টয়লেট পেপার এবং কিছু খাবার সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়েছেন।
সমুদ্র সৈকতে আগে নারকেলের মিষ্টি বিক্রি করা ২৬ বছর বয়সী স্টেফানি গারাতে জানান, ‘আমি জানি না, আর কতদিন এভাবে কাটাতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অন্তত আজ আমাদের কিছু চাল, স্প্যাগেটি এবং সারডিন দেওয়া হয়েছে।’
৩৪ বছর বয়সী হেয়ারড্রেসার জেনেসিস রামিরেজ একটি ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে তার দুই ভাতিজার খোঁজ করছিলেন।
তিনি বলেন, ‘যখন এক শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে একটি ভবন থেকে, তখন আমি কীভাবে আশা ছেড়ে দিই? কীভাবে বিশ্বাস হারাই?’
তিনি আরও জানান, ‘তাদের লাশ না দেখা পর্যন্ত আশা হারানো যায় না।’
ওপিপি আবাসন কমপ্লেক্সে, যেখান থেকে কয়েকটি টাওয়ার পুরোপুরি ধসে পড়েছে, সেখানে প্রায় একডজন খননযন্ত্র ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চালাচ্ছে।
সেখানে কিছু মানুষ এখনও তাদের স্বজনদের লাশ উদ্ধারের আশায় অপেক্ষা করছেন।
চারপাশে পচনধরা লাশের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। একটি কালো লাশ বহনের ব্যাগের পাশে দাঁড়িয়ে এক নারী কান্নায় ভেঙে পড়েন।
সেখানে দায়িত্ব পালনরত একজন সেনাসদস্য বলেন, ‘এখন আমাদের সামনে শুধু লাশ উদ্ধারের কাজই বাকি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চলমান ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি অভিযোগ করেছেন, ওয়াশিংটন বিশ্বকাপের আয়োজনের ক্ষেত্রে নিয়ম ভেঙেছে, প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোকে ভয় দেখিয়েছে, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জানা যায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফিফার ওপর রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর বিতর্কের প্রেক্ষাপটে ইরানের প্রেসিডেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একটি পোস্টে এসব অভিযোগ করেন।
পোস্টে পেজেশকিয়ান লেখেন, বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে মার্কিন সরকারের আচরণ তাদের পরিচিত পররাষ্ট্রনীতিরই প্রতিফলন, নিয়ম বাঁকানো, প্রতিদ্বন্দ্বীদের ওপর দাদাগিরি করা, বাধা সৃষ্টি করা এবং জালিয়াতি। এটিই তাদের পরিচিত ‘ম্যাগা প্লেবুক’। ইরান এ ধরনের নোংরা খেলাকে সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করে। তারা তাদের অধিকারের পক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে।
ইরানের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে মার্কিন ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগানকে নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক। রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে ফাউলের জন্য বালোগান লাল কার্ড দেখেন। নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী নকআউট ম্যাচে তাঁর এক ম্যাচের স্বয়ংক্রিয় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
কিন্তু বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ম্যাচের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ফোন করে এই সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার আবেদন জানান বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এরপর ফিফা বালোগানের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করে এবং তাকে মাঠে নামার অনুমতি দেয়।
ফিফার এই সিদ্ধান্তকে ‘নজিরবিহীন’ ও ‘রাজনৈতিক প্রভাবাধীন’ বলে সমালোচনা করে বেলজিয়াম ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং উয়েফা। তবুও সে ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র ৪-১ গোলে বেলজিয়ামের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়।
ইরানের দাবি, বিশ্বকাপ জুড়ে তাদের দলের সঙ্গে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে মার্কিন প্রশাসন। ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার অজুহাতে টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ইরান দলের টেকনিক্যাল স্টাফ এবং কর্মকর্তাদের ভিসা প্রদানে দীর্ঘসূত্রতা করা হয়। একই সাথে নিরাপত্তার কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ইরান দলের কোনও বেস ক্যাম্প অথবা অনুশীলনের সুযোগ দেওয়া হয়নি।
এর ফলে পুরো দলকে বাধ্য হয়ে মেক্সিকোর টিজুয়ানায় অবস্থান করতে হয়েছে। প্রতিটি ম্যাচের দিন বিমানযোগে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ম্যাচ খেলে আবার দ্রুত ফিরে আসতে হয়েছে তাদের।
ইরানের মতে, এই দীর্ঘ ভ্রমণ এবং লজিস্টিক জটিলতা দলের পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তবুও, গ্রুপ পর্বে তারা কোনো ম্যাচে হারেনি। কিন্তু গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় গত ২৮ জুন নকআউট পর্বে ওঠার আগে তাদের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ