০২:১৫ এম
ইরান, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেছে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ছয় দিনের শোক শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংঘাত আবার শুরু হলো। ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য ফের গভীর অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন, ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে একটি সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই যুদ্ধবিরতি টিকত না। কারণ, চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ইরানে কোনো একক ক্ষমতাশীল গোষ্ঠী উপস্থিত নেই।
আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গে সফটওয়্যার কারসাজিতে ৫.৩৮ লাখ ভোটার বাদ
বোল্টনের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের শীর্ষ নেতারা প্রাণ হারিয়েছেন। এর ফলে সেখানে ক্ষমতার শূন্যতা এবং লড়াই চলছে। একটি দিকে প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনা করতে চান। অন্যদিকে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সেখানে হরমুজ প্রণালি ও সামরিক অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ করছে। চুক্তি করছে এক পক্ষ, এবং হরমুজের নিয়ন্ত্রণ অন্য পক্ষের হাতে। এই বিষয়টি সমাধানের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইরানের এই পদক্ষেপ বিশ্ববাণিজ্যে বড় প্রভাব ফেলছে বলে জানান বোল্টন। তিনি ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেন, সংঘাতের পরের ধাপ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কোনো কৌশল বা পরিকল্পনা নেই। সামনে ২০২৬ সালের নির্বাচন আসছে। তাই ট্রাম্প বর্তমানে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে সামরিক পদক্ষেপ এড়াতে চান। এই সুযোগটাই নিজেদের জন্য নিচ্ছে ইরানের কট্টরপন্থীরা।
ইরানের শোকসভায় মানুষের বিশাল ভিড়কে ‘সরকার-নিয়ন্ত্রিত’ নাটক বলে দাবি করেন বোল্টন। তিনি বলেন, ভেতরে ভেতরে পানি সংকট ও অর্থনৈতিক দুর্দশার কারণে ইরান জর্জরিত। তিনি সতর্ক করে বলেন, সঠিক পরিকল্পনার অভাবে এই অঞ্চল এখন একটি বড় যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
আরও পড়ুন: গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহারে সতর্কতা মানা খুবই জরুরি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন