ঢাকা রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর অপরাধ দমনে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর, ময়মনসিংহে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা


মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোর অপরাধ দমনে জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর জোর, ময়মনসিংহে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা

মাদক, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ, নারীর প্রতি সহিংসতা ও কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে ময়মনসিংহ জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায়।
রোববার (১২ জুলাই) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুর রহমান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জেলার বিভিন্ন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাগণ (ইউএনও), আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধিরা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।
সভায় অংশীজনদের বক্তব্যে মাদক, সন্ত্রাস, বাল্যবিবাহ, নারীর প্রতি সহিংসতা ও কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক সভা, প্রচার-প্রচারণা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরা হয়।
এ সময় জেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জননিরাপত্তা জোরদারে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহাম্মদপুরে ‘কবজি কাটা’ গ্রুপের এক সদস্য গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৩ এম


মোহাম্মদপুরে ‘কবজি কাটা’ গ্রুপের এক সদস্য গ্রেফতার

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার কুখ্যাত কিশোর গ্যাং ‘কবজি কাটা’ গ্রুপের এক সক্রিয় সদস্য শহিদুল ইসলাম আপন (২৮) কে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)।

রবিবার (১২ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এই তথ্যটি প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগের একটি অভিযানিক দল শনিবার (১১ জুলাই) রাত আনুমানিক ৯টার সময় রাজধানীর শেখেরটেক এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালীন ‘কবজি কাটা’ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য আপনকে গ্রেফতার করা হয়। এই অভিযানে তার কাছ থেকে একটি চাপাতি এবং একটি সুইচ-গিয়ারও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতার আপনের বিরুদ্ধে রাজধানীর আদাবর থানায় একটি পূর্বের মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিশরে মানব পাচারের বিভীষিকা পেরিয়ে ফিরে আসার গল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৭ এম


মিশরে মানব পাচারের বিভীষিকা পেরিয়ে ফিরে আসার গল্প

ইতালি পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে কয়েকজন বাংলাদেশিকে মিশরে আটকে রেখে নির্যাতন এবং প্রতারণার অভিযোগের একটি ঘটনা আবারও আলোচনায় এসেছে। আরটিভির মিশর প্রতিনিধি আফছার হোসাইন দু’বছর আগের সেই ঘটনার বিশদ বিবরণ তুলে ধরেছেন।

ঘটনার সম্পর্কে আফছার হোসাইন বলেন, ঠিক দুই বছর আগে এক অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলো। আমি রিসিভ করতেই ওপাশে একজন শক্ত গলায় কাঁদছেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, আপনি কে? কেন কাঁদছেন? তিনি বললেন, আমার নাম আবুল কাসেম। আমি মিশরের আশরা রামাদান থেকে বলছি। আমার বাড়ি কিশোরগঞ্জ। বহু চেষ্টা করে আপনার নম্বর পেয়েছি। আল্লাহর দোহাই লাগে, আমাদের বাঁচান।

আমি জানতে চাইলাম, আপনার কি হয়েছে? তিনি বললেন, আমি কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার সরারচর ইউনিয়ন পরিষদে চাকরি করতাম। নিকলী উপজেলার কারপাশা ইউনিয়ন পরিষদে চাকরি করত মোহাম্মদ শরীফ মিয়া। সেই কারপাশা জালালপুর গ্রামের মিশরে বসবাসরত জহির মিয়া ও মিনা বেগম নামে এক দালাল দম্পতি ইতালি পাঠানোর আশ্বাস দিয়ে আমাকে, আবুল কাসেম, মোহাম্মদ শরীফ মিয়া এবং কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা মো. জামান মিয়াকে মিশরে নিয়ে এসেছে। তারা আমাদের প্রায় তিন মাস ধরে একটি ঘরে বন্দি করে রেখেছে।

এতে কারপাশা ইউনিয়নের উদ্যোক্তা মোহাম্মদ শরীফ মিয়া’র স্ত্রী ফুলনাহার বেগমের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করিয়ে দেওয়ার কথা বলে আমাদের দালালের বাড়িতে রেখে গৃহকর্ম করানো হচ্ছে। আমরা ৪জন— আমি, আমার বন্ধুর স্ত্রী এবং দুটি বন্ধু। আমাদের দেশে ফিরতে সাহায্য করুন।

আমি বললাম, বাংলাদেশের দূতাবাসে যোগাযোগ করতে। তিনি জানালেন, তাদের কাছে দূতাবাসের কোনো নম্বর নেই এবং নিজেদের ফোনও নেই। তারা অন্য একজনের ফোন থেকে আমাকে কল করেছে।

আমি দালালের নাম এবং ফোন নম্বর চাইলে তিনি সেটা জানিয়ে ফোন কেটে দেন। কিছুক্ষণ পর আমার WhatsApp-এ বাংলাদেশ থেকে সেই দালালের পাসপোর্টের কপি, ছবি, ফেসবুক লিংক এবং আবুল কাসেমের সাথে অন্য একজন ভুক্তভোগীর দুটি ভিডিও পাঠানো হয়। এই ভিডিয়োগুলোতে তাদের অমানবিক এবং অসহায় জীবনযাপনের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছিল।

সেদিন রাতে আমি দালালকে ফোন করে তিনজনের নাম জিজ্ঞাসা করি। প্রথমে তিনি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। পরে স্বীকার করে বলেন, হ্যাঁ, আমি এনেছি এবং গার্মেন্টসে চাকরি দিয়েছি। এরপর উল্টো আমাকে ধমক দিয়ে ফোন কেটে দেন। এরপর যতবার ফোন করেছি, তিনি আর রিসিভ করেননি।

পরদিন সকালে আমি বিষয়টি বাংলাদেশে দূতাবাসের তত্‍কালীন শ্রম কাউন্সিলর ইসমাইল হোসেনকে জানায় এবং দালালের নম্বর দিয়ে আবুল কাসেমদের সহায়তার জন্য অনুরোধ করি।

দূতাবাস থেকে আবুল কাসেমকে যোগাযোগ করে আসতে বলা হলে তিনি জানান, তার ডিউটি রয়েছে আর পরের সপ্তাহে আসবেন। কিন্তু পরের সপ্তাহে তিনি তাঁর স্ত্রীকে পাঠান। দুর্ভাগ্যবশত তিনি শ্রম কাউন্সিলরের সামনে ঘটনার সবকিছু অস্বীকার করেন।

এদিকে আমি কিশোরগঞ্জের কয়েকটি পাবলিক ফেসবুক গ্রুপে দালালের ছবি এবং ঘটনার বিস্তারিত নিয়ে একটি পোস্ট করি। পোস্টটি নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে নানা মন্তব্য শুরু হয়। সে সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের একজন নেতা পোস্টটি মুছে ফেলার জন্য আমাকে হুমকি দেন। কিন্তু আমি পোস্টটি সরাইনি।

পরদিন আবুল কাসেম দালালের ফোন থেকে আমাকে কল করে বলেন, স্যার, দালাল বলেছে আগামীকাল আমাদের দেশে পাঠিয়ে দেবে। আপনার কাছে দয়া করে পোস্টটি ডিলিট করার অনুরোধ করছি।

পরবর্তীতে বিমানবন্দর থেকে আবার ফোন করে তিনি জানান, স্যার, আমরা দেশে ফিরে যাচ্ছি। আপনার জন্য আমরা নতুন জীবন পেলাম। আপনি যদি কখনো দেশে আসেন, তাহলে একবার আপনার সঙ্গে দেখা করতে চাই।

কয়েক মাস পর দেশে গিয়েছিলাম। তিনি বারবার মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করেছেন এবং দেখা করার অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু সময়ের অভাবে দেখা হয়ে ওঠেনি।

আজ (১২ জুলাই) হঠাৎ টাইমলাইনে কাসেম ও তার পরিবারের একটি ছবি চোখে পড়তেই সেই দুই বছর আগের ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল। মনে হলো, এই ঘটনাটি আবারও লেখা উচিত— যাতে মানুষ বুঝতে পারে, বিদেশে সুস্পষ্ট জীবন যাপনের স্বপ্ন দেখিয়ে মানব পাচারকারীরা কতটা নিষ্ঠুরভাবে নিরীহ মানুষের জীবন নিয়ে খেলছে। কারণ বিদেশে সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখিয়ে মানব পাচারকারীরা এখনো অসংখ্য নিরীহ মানুষকে প্রতারণার জালে আটকে ফেলছে। অনেকেই অর্থ, সম্মান, স্বাধীনতা এবং কখনো কখনো জীবনও হারিয়ে ফেলছেন।

প্রবাসে যাওয়ার আগে দালাল নয়, যাচাই করা বৈধ পথ বেছে নিন। মনে রাখবেন, একটি ভুল সিদ্ধান্ত শুধু একজন মানুষের জীবন নষ্ট করে না, পুরো একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ঠেলে দিতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেধাপাচার রোধে কাজ করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩১ এম


মেধাপাচার রোধে কাজ করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, সরকার মেধাপাচার রোধে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনে অবদান রেখে বিশ্বে নেতৃত্ব দিতে হবে।’ তিনি এ জন্য বলেন যে, বর্তমান সরকার রিভার্স ব্রেন ড্রেন নিয়ে কাজ করছে। তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়কে হার্ভার্ড, ক্যামব্রিজ ও এমআইটির আদলে গড়ে তোলা হবে।

শনিবার (১১ জুলাই) গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) উদ্যোগে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন এবং সামার-২০২৬ টার্মের নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য অনুষ্ঠিত ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের অংশ হিসেবে গাকৃবিতে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এই উপলক্ষে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান, গাজীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি, জেলা প্রশাসক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তারা। র‍্যালির শেষে শিক্ষামন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ফল ও ঔষধি জাতের গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বেগম সুফিয়া কামাল অডিটোরিয়ামে ওরিয়েন্টেশনের মূল অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাকৃবির ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এম মঞ্জুরুল করিম রনি এবং গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডুয়েট উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল, গাকৃবির প্রো-ভিসি প্রফেসর ড. মো. জাহিদুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. সফিউল ইসলাম আফ্রাদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নবীন শিক্ষার্থীরা। সামার-২০২৬ টার্মে স্নাতক (বিএস) পর্যায়ে ৫১৩ জন, স্নাতকোত্তর (এমএস) পর্যায়ে ৩০ জন এবং পিএইচডি পর্যায়ে ৩ জনসহ মোট ৫৪৬ জন শিক্ষার্থী এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. আবদুল্লাহ্ মৃধা। এরপর নবীন শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য ও গবেষণাভিত্তিক তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রক্টর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল আলম শৃঙ্খলা, নৈতিকতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মনীতি ও ভর্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর শিক্ষামন্ত্রী এবং সংসদ সদস্যদের শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করেন। পরে উপস্থিত সংসদ সদস্য ও জেলা প্রশাসক তাদের মূল্যবান বক্তব্য দেন।

সভাপতির বক্তব্যে গাকৃবির ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, ‘গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আজ দেশের উচ্চশিক্ষা ও কৃষি গবেষণার অন্যতম বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।’ আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি জাতীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই) সাসটেইনেবিলিটি ইমপ্যাক্ট রেটিং ২০২৬-এ দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে এবং এসডিজি-১-এ বিশ্বে ৮২তম, এসডিজি-২-এ ৬৬তম এবং এসডিজি-৪ সূচকে ১০১-২০০-এর মধ্যে স্থান পেয়েছে।’

উপাচার্য আরও বলেন, ‘ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস ফর ইনোভেশন (উরি) ২০২৬-এ ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নমুখী প্রযুক্তি হস্তান্তর’ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বিশ্বের শীর্ষ ১০০-এর মধ্যে ২৩তম এবং কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংস: সাসটেইনেবিলিটি ২০২৬-এ দেশের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে।’

তিনি আরও বলছেন, তার দায়িত্ব গ্রহণের পর ছয়টি উন্নত জাতের উদ্ভাবনে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া হয়েছে এবং গাকৃবি ৯৭টি উচ্চফলনশীল জাত ও ২০টির বেশি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন শিক্ষামন্ত্রী। পরে ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শরীফ রায়হানের ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ২০, ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৫ এম


টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ২০, ছত্রভঙ্গ করতে সাউন্ড গ্রেনেড

অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো. বেলায়েত হোসেন। 

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদকবিরোধী অভিযানে হাজি মাজার বস্তি থেকে ২০ জন মাদকসেবীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় আসামিদের ঘিরে লোকের একটি জনসমাগম দেখা যায়। তা মোকাবেলা করতে পুলিশ ৪টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে।

রবিবার (১২ জুলাই) রাত ৮টার দিকে তুরাগ নদীর তীরে অবস্থিত ওই বস্তিতে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ ও টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ যৌথভাবে এ অভিযানটি চালায়। বিপুলসংখ্যক পুলিশ সেখানে গিয়ে মাদক সেবনের অভিযোগে ২০ জনকে আটক করে। আসামিদের আটকের পর পুলিশ যখন তাদের গাড়িতে উঠাচ্ছিল, তখন বস্তির অনেক মানুষ আসামিদের ঘিরে ফেলার চেষ্টা করলে নিরাপত্তার কারণে সাথে সাথে ৪টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হয়।

অভিযানের সময় বিস্ফোরিত সাউন্ড গ্রেনেডের ধোঁয়ায় পুরো মাজার বস্তি আচ্ছন্ন হয়ে যায়। গ্রেনেডের বিস্ফোরণের তীব্র শব্দ শুনে সাধারণ মানুষ ভয়ে এদিক-ওদিক ছুটাছুটি শুরু করেন। মাজার বস্তি ও এর আশপাশের টঙ্গী বাজারের পশ্চিম অংশ এবং সেনাকল্যাণ ভবন এলাকায় দোকানপাট সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে পুলিশ আটক হওয়া ২০ জন আসামিকে টঙ্গী পশ্চিম থানায় নিয়ে যায়।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান কালের কণ্ঠকে জানিয়েছেন, জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. বেলায়েত হোসেনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। আসামি আটকের পর অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে ৪টি সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করা হয়েছে। কলিজা ধরুন, আসামিরা এখন টঙ্গী পশ্চিম থানা হেফাজতে আছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. বেলায়েত হোসেন বলেছেন, জিএমপি কমিশনারের নির্দেশে আমরা মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করছি।

আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩০
ইশা ০৬:৪১
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:৩০
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%