ঢাকা শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ১৭ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বজ্রপাতে শিক্ষকসহ দুজনের মৃত্যু


বজ্রপাতে শিক্ষকসহ দুজনের মৃত্যু

ময়মনসিংহের পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে একজন শিক্ষকও রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে মুক্তাগাছা উপজেলার বড়গ্রাম ইউনিয়নের রৌহারচর গ্রামে এবং একই দিনে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন পাঁচভাগ ইউনিয়নের মধ্য লামকাইন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

মৃতদের মধ্যে একজন হলেন মুক্তাগাছা উপজেলার রৌয়ারচর গ্রামের মৃত ইছব আলীর ছেলে খালেকুল আজাদ (৬০), যিনি স্থানীয় গাবতলী ডিগ্রী কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। অপরজন গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানাধীন পাঁচভাগ ইউনিয়নের মধ্য লামকাইন গ্রামের মৃত রুকন উদ্দিনের ছেলে সিয়াম খান (২৮)।

আরও পড়ুন: টাইব্রেকারের রোমাঞ্চে চ্যাম্পিয়ন দ্বীপ স্পোর্টিং রয়েলস, জমজমাট আয়োজনে শেষ হলো ফুটসাল টুর্নামেন্ট–২০২৬

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, শিক্ষক খালেকুল আজাদ মুক্তাগাছা পৌর শহরের হৃদয়মোড়ে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। বেলা সাড়ে ১২টার দিকে তিনি গ্রামের বাড়ি রৌহারচরে ছিলেন। হাঁটাহাঁটি করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে সকালে গফরগাঁওয়ের লামকাইন গ্রামে সিয়াম বাড়ীর আঙিনায় দাঁড়িয়ে ছিলেন। সেই সময় আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। হঠাৎ বজ্রপাতে সিয়াম গুরুতর আহত হন। তখন পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। থানায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলামও একই ধরনের মন্তব্য করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন।

আরও পড়ুন: চরফ্যাশন রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নিজস্ব প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৫ পি.এম


কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

“সৃষ্টির সেবাই সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত”—এই মানবিক দর্শনকে সামনে রেখে সমাজসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশন। এর প্রতিষ্ঠাতা কাজী জাহিদুল ইসলাম অভি মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিবেদিত করে ইতোমধ্যে এলাকায় ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন।

পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার খেতাছিরা গ্রামের সন্তান কাজী জাহিদুল ইসলাম অভি দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সময়, অর্থ ও শ্রম ব্যয় করে মানবসেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন ২০২৬) বিকেল ৪টায় তাফালবাড়িয়া ৯৯ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সহস্রাধিক নারী-পুরুষের উপস্থিতিতে কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কাজী জাহিদুল ইসলাম অভি বলেন, “আমি সবসময় সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই। সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে মানুষের পাশে থাকাই আমার অঙ্গীকার। মানুষের জন্য আমার সামর্থ্যের সর্বোচ্চটুকু বিলিয়ে দিতে আমি প্রস্তুত।”

তিনি আরও বলেন, সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের সহায়তায় অতীতেও বিভিন্ন সময় লক্ষাধিক টাকার সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি শীতবস্ত্র বিতরণ, ইফতার সামগ্রী, ঈদ উপহারসহ নানা সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সভায় উপস্থিত বক্তারা কাজী একতা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকাসক্ত ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছেন পুলিশ কর্মকর্তা বাবা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


মাদকাসক্ত ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেছেন পুলিশ কর্মকর্তা বাবা

তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলের শহর আদানায় এক অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তার মাদকাসক্ত ছেলেকে গুলি করে হত্যা করেন। স্থানীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৩ জুন) মাদক সেবন সংক্রান্ত বিরোধের সময় এই ঘটনার উদ্ভব ঘটে।

৫২ বছর বয়সী সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ফারুক কায়হান ২৩ বছর বয়সি তার ছেলে আহমেত কায়হান মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাদকাসক্তির সঙ্গে যুদ্ধ করা ছেলে বাবার কাছে মাদক কেনার জন্য টাকা চেয়েছিল।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, যখন বাবা টাকা দিতে অস্বীকার করেন, তখন ছেলে একটি বড় দা (ক্লিভার) বের করে বাবাকে হত্যার হুমকি দেয়। এরপর, ওই অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা তার পিস্তল বের করে ছেলের ওপর একাধিক গুলি চালান। গুলির ফলস্বরূপ ঘটনাস্থলেই ছেলে মারা যায়।

স্থানীয় সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে, গুলি চালানোর পর বাবা ছেলের মরদেহের পাশে বসে ছিলেন এবং নিজেই পুলিশের কাছে ফোন করেন। পুলিশ এসে বাবাকে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনা তুরস্কে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং কর্তৃপক্ষ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেক্সিকোতে শিক্ষকদের বিক্ষোভ, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বকাপের আগে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


মেক্সিকোতে শিক্ষকদের বিক্ষোভ, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বকাপের আগে

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ আর মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যে শুরু হতে যাচ্ছে। কিন্তু ফুটবল উৎসবের প্রস্তুতির মাঝেই মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে আন্দোলন ও বিক্ষোভে। শিক্ষকদের চলমান আন্দোলন বিশ্বকাপ আয়োজনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ উৎপন্ন করেছে।

বুধবার (৩ জুন) বিক্ষোভকারী শিক্ষকরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সদর দপ্তরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় তারা ল্যাম্পপোস্ট ব্যবহার করে সরকারি ভবনের দরজা ও স্থাপনায় হামলা চালান। এর একদিন আগে, কট্টরপন্থী শিক্ষক সংগঠন সিএনটিই-এর সদস্যরা বিশ্বকাপ উপলক্ষে স্থাপন করা কয়েকজন ফুটবলারের বিশাল প্লাস্টিকের মূর্তি ভেঙে ফেলেন। পরে তারা মূর্তিগুলোর জার্সি খুলে আগুন ধরিয়ে দেন।

বিশ্বকাপের ঠিক আগে এমন ঘটনার কারণে আয়োজকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিদেশি দল, কর্মকর্তা ও সমর্থকদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লাউদিয়া শিনবাউম জানিয়েছেন, সরকার কোনো ধরনের দমনমূলক পদক্ষেপ নেবে না। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খোঁজা হবে।

শিক্ষকদের দাবি, তাদের বেতন বৃদ্ধি ও পেনশন সংস্কার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কার্যকর আলোচনা করতে হবে। সরকার ৯ শতাংশ বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব দিলেও আন্দোলনকারীরা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং তাদের দাবি, বেতন ১০০ শতাংশ বৃদ্ধি করতে হবে।

দাবি পূরণ না হলে আগামী ১১ জুন বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে বড় ধরনের বিক্ষোভের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে সিএনটিই’র পক্ষ থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভোট, চাপে ট্রাম্প প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৪ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


ইরান যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদে ভোট, চাপে ট্রাম্প প্রশাসন

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ বাড়িয়েছে মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদ (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত বন্ধে।

বুধবার অনুষ্ঠিত ভোটে, আইনপ্রণেতারা যুদ্ধ সীমিত করার পক্ষে মত দিয়েছেন। এই ভোটের ফলে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ চলমান সংঘাতের চার মাস পূর্তি উপলক্ষে এটি যথেষ্ট তাৎপর্য রাখে।

তবে, বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হলেও এই ভোটের বাস্তব কার্যকারিতা যুদ্ধ থামানোর ক্ষেত্রে ততটা কার্যকর হবে না। এর কারণ হলো, প্রেসিডেন্টের ভেটো ক্ষমতা এবং কংগ্রেসের উভয় কক্ষে রিপাবলিকানদের প্রভাব এখনও ট্রাম্পের পক্ষে রয়েছে।

বুধবার প্রতিনিধি পরিষদে ‘ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট’ বা যুদ্ধক্ষমতা আইন প্রয়োগের পক্ষে ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এই আইন কংগ্রেসকে প্রেসিডেন্টকে বিদেশে পরিচালিত সামরিক অভিযান বন্ধ করতে বাধ্য করার ক্ষমতা দেয়, যদি তিনি কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া যুদ্ধ পরিচালনা করতে চান।

ডেমোক্র্যাটরা দাবি করছেন যে, ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণার ক্ষমতা কংগ্রেসের। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তারা বিভিন্ন সময় যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছেন।

অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন এমন দাবি করে আসছে যে, ইরানে পরিচালিত সামরিক অভিযান কংগ্রেসের আলাদা অনুমোদনের প্রয়োজন নেই।

১৯৭৩ সালে প্রণীত ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট অনুযায়ী, বিদেশে সামরিক সংঘাতে জড়ানোর আগে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে হয়। শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আসন্ন ও তাৎক্ষণিক হামলার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট একক সিদ্ধান্তে সেনা মোতায়েন করতে পারেন। সেক্ষেত্রে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কংগ্রেসকে অবহিত করতে হয়।

যদি কংগ্রেস পরবর্তীতে যুদ্ধ অনুমোদন না দেয়, তাহলে ৬০ দিনের মধ্যে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।

সমালোচকদের মতে, ইরানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র কোনো তাৎক্ষণিক হামলার মুখে ছিল না; বরং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলই প্রথম হামলা চালিয়েছিল। তাছাড়া যুদ্ধ শুরু হওয়ার ৬০ দিন পরও ট্রাম্প প্রশাসন সেনা প্রত্যাহার করেনি।

বুধবারের ভোটে ২১৫ জন আইনপ্রণেতা ট্রাম্পের যুদ্ধক্ষমতা সীমিত করার পক্ষে ভোট দেন, বিপক্ষে ভোট পড়ে ২০৮টি।

এই সাফল্য ডেমোক্র্যাটদের জন্য আসে কয়েকজন রিপাবলিকান সদস্যের অবস্থান পরিবর্তনের কারণে। চারজন রিপাবলিকান সদস্য দলীয় অবস্থানের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবটির পক্ষে ভোট দেন, যা ট্রাম্পের নীতির প্রতি অসন্তোষের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

দুই সপ্তাহ আগে অনুষ্ঠিত ভোটেও মিশিগানের টম ব্যারেট, ওহাইওর ওয়ারেন ডেভিডসন এবং কেন্টাকির থমাস ম্যাসি ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দিয়েছিলেন। এবার তাদের সঙ্গে যোগ দেন পেনসিলভানিয়ার ব্রায়ান ফিটজপ্যাট্রিক।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের অর্থনৈতিক প্রভাব, বৈশ্বিক বাণিজ্যে অস্থিরতা এবং ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা হ্রাস রিপাবলিকানদের কিছু অংশকে অস্বস্তিতে ফেলেছে।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, আপাতত এর উত্তর ‘না’। প্রতিনিধি পরিষদের পর একই প্রস্তাব সিনেটেও পাস হতে হবে। কিন্তু সিনেটে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে এবং তারা এখনও যুদ্ধ বন্ধের উদ্যোগগুলো আটকে দিতে সক্ষম হয়েছে।

দুই সপ্তাহ আগে সিনেটে যুদ্ধ বন্ধের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে অনুষ্ঠিত ভোটে ৫০ জন পক্ষে এবং ৪৭ জন বিপক্ষে ভোট দেন। চারজন রিপাবলিকান ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে ভোট দিলেও প্রয়োজনীয় সমর্থন পাওয়া যায়নি।

ধরে নেওয়া যাক, সিনেটেও প্রস্তাবটি পাস হলো, তাও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সেটিতে ভেটো দিতে পারবেন। সেই ভেটো অকার্যকর করতে কংগ্রেসের উভয় কক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হবে, যা বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় অত্যন্ত কঠিন।

বিতর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- যুক্তরাষ্ট্র আদৌ এখন ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে আছে কি না।

৮ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে, যদিও সেটি অত্যন্ত নাজুক। ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, যুদ্ধবিরতির ফলে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধ শেষ হয়েছে এবং তাই ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্টের অনেক বিধান বর্তমানে প্রযোজ্য নয়।

গত ১ মে ট্রাম্প ঘোষণা দেন যে, যুদ্ধবিরতি কার্যত শত্রুতার অবসান ঘটিয়েছে। তবে সমালোচকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইরানের বন্দর অবরোধ অব্যাহত রেখেছে এবং ইরানি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে তেহরানও হরমুজ প্রণালীতে বিভিন্ন ধরনের বাধা বজায় রেখেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সম্প্রতি কংগ্রেসে শুনানির সময় দাবি করেন, “ইরান যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে।”

কিন্তু সিনেটের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির সদস্য জিন শাহিন এই বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেন, যুদ্ধ চলাকালে প্রশাসন কংগ্রেসকে পর্যাপ্ত তথ্য দেয়নি এবং জবাবদিহিতা এড়িয়ে গেছে।

তার অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র যখন ইরানে হামলা চালাচ্ছিল এবং ইরান মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও দূতাবাসে হামলা করছিল, তখন প্রশাসন কংগ্রেসকে জানিয়েছিল যে, তারা ‘সক্রিয় শত্রুতায়’ জড়িত নয়।

এ প্রশ্নের উত্তরও স্পষ্ট নয়, তবে ট্রাম্প প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা মনে করেন প্রেসিডেন্টের হাতে সেই সুযোগ এখনও রয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মে মাসে সিনেটের একটি শুনানিতে বলেন, যুদ্ধক্ষমতা আইনের আওতায় প্রেসিডেন্টকে যে ৬০ দিনের সামরিক ক্ষমতা দেওয়া হয়, যুদ্ধবিরতির পর তা নতুনভাবে গণনা শুরু হয়েছে বলে প্রশাসন মনে করে।

তার ভাষায়, “প্রেসিডেন্ট যদি আবার সামরিক অভিযান শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনগত ক্ষমতা আমাদের হাতে রয়েছে।”

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিনিধি পরিষদের ভোট ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সতর্কবার্তা হলেও এটি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান সম্পূর্ণভাবে ঠেকাতে পারবে না। তবে যুদ্ধবিরোধী জনমত এবং কংগ্রেসের ক্রমবর্ধমান চাপ ভবিষ্যতে হোয়াইট হাউসের সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। সূত্র: আল-জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪১
জোহর ১১:৪৫
আসর ০৩:৫৩
মাগরিব ০৫:৩১
ইশা ০৬:৪২
সূর্যোদয় : ০৫:৫৬ সূর্যাস্ত : ০৫:৩১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%