০৯:৩০ পি.এম
মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের হাতে স্থানীয় ব্যবসাগুলোর নিয়ন্ত্রণ অবৈধভাবে চলে যাওয়ার অভিযোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। এই বিষয়ে অসংখ্য অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং সেগুলোর ভিত্তিতে তিনি আইন লঙ্ঘনকারী এবং ব্যবসার লাইসেন্স, ভিসা বা সুযোগ-সুবিধার অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর প্রয়োগকারী পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, আইন অমান্যকারী বিদেশি নাগরিক বা তাদের সাহায্যকারী মালয়েশিয়ান নাগরিক কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।
শুক্রবার (৫ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের মুখপন্থী ফাহমি ফাজিল এই সিদ্ধান্তের কথা গণমাধ্যমকে জানান। সম্প্রতি অনলাইন প্ল্যাটফর্মে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দেশ থেকে বিতাড়িত করার দাবিতে ওঠা একটি পিটিশনের বিষয় উল্লেখ করলে ফাহমি জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দিষ্ট কোনো জাতিগোষ্ঠী বা শরণার্থী সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে এই নির্দেশনা দেননি। মূলত স্থানীয় ব্যবসায়িক খাতে বিদেশি নাগরিকদের অবৈধ সম্পৃক্ততা এবং নিয়মের ব্যত্যয় ঘটার প্রবণতা বন্ধ করতেই এই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ২ বছরের বেতনবৃদ্ধি স্থগিত, ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭টি প্রমাণিত
এদিকে, মালয়েশিয়ার পেনাংয়ের একটি সামাজিক কল্যাণ সংস্থা (সুরপ্লাস) দেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি এবং তাদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এই সংস্থার চেয়ারম্যান সোফিয়ান মোহদ জাইন জানান, মানবিক কারণে শরণার্থীদের শিক্ষা বা স্বাস্থ্যসেবার জন্য সুবিধা পাওয়ার বিষয়টি তারা স্বাগত জানালেও, শরণার্থী মর্যাদা থাকা সত্ত্বেও কিছু ব্যবসায়ী কীভাবে বিশাল মূলধনের ব্যবসা পরিচালনা করছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে এবং বৈধ লাইসেন্সধারী সকল ব্যবসায়ীকে দেশের প্রচলিত নিয়মকানুন কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন