বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:১০ পি.এম
বাগেরহাট সদর উপজেলার রণবিজয়পুর এলাকায় একটি মোটরসাইকেল এবং মাহেন্দ্রর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে শেখ তানজিম ইসলাম রাজ (১৬) নামে একজন স্কুলছাত্র নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল ৯টার সময় বাগেরহাট-ফকিরহাট আন্তঃজেলা সড়কের সদর উপজেলা পরিষদের সামনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছিল।
পুলিশ জানায়, রাজ তার মোটরসাইকেলে বাগেরহাট থেকে ফকিরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। রণবিজয়পুর এলাকায়, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাহেন্দ্রর সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
শেখ তানজিম ইসলাম রাজ বাগেরহাট জেলার সুন্দরঘোনা এলাকার সুলতান শেখের ছেলে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মোটরসাইকেলটি জব্দ করে। তবে সংঘর্ষের পর মাহেন্দ্রর চালক যানবাহনটি নিয়ে পালিয়ে যান।
পুলিশ নিহতের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। বাগেরহাট সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামসুল আরেফিন জানিয়েছেন, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক মাহেন্দ্রর চালককে শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের লালপুরে পুলিশের বিশেষ মাদকবিরোধী অভিযানের মাধ্যমে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ একজনকে আটক করা হয়েছে। আটকজনটি স্থানীয় বাসিন্দা মো. শাকিল সরদার (৩৫) । বুধবার দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটে উপজেলার দূড়দুড়িয়া ইউনিয়নের নওপাড়া গ্রামে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালপুর থানার এসআই (নি.) মো. মনিরুল ইসলাম, এসআই (নি.) মো. শাহিনুর রহমান এবং এএসআই (নি.) মো. আনছার আলী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালান। এ অভিযানকালে শাকিল সরদারকে তার নিজ বসতবাড়ি থেকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে ২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার হয়, যার মোট ওজন প্রায় ২.৫০ গ্রাম।
পুলিশ জানিয়েছে, শাকিল সরদার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তাকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল এবং অবশেষে অভিযানের মাধ্যমে তাকে হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হয়।
এ ঘটনায় লালপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটক আসামিকে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে, পুলিশের পক্ষ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
লালপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম পলাশ জানান, ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। যেই মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকবে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার পূর্ব কেদারপুর গ্রাম থেকে গাঁজাসহ মো. আলাউদ্দিন খান (৩৭) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তিনি মো. আফসার উদ্দিনের ছেলে এবং কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব কেদারপুর গ্রামের বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে কেদারপুর ইউনিয়নের পূর্ব কেদারপুর গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জনতার বাজার এলাকা থেকে পুলিশ তাকে আটক করে। এ সময় তার কাছে অবৈধ গাঁজা উদ্ধার হয়। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসমা উল হুসনার আদালত তার বিরুদ্ধে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। বাবুগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান হাওলাদার জানান, ‘মাদকের বিরুদ্ধে বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সমাজ থেকে মাদক নির্মূলে আমরা সর্বদা তৎপর রয়েছি।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যশোরের অভয়নগরে মাদকাসক্ত সন্তানের নির্যাতনের কারণে অতিষ্ঠ হয়ে মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে উপজেলা প্রশাসনের কাছে মামলা করেন। পরে অভিযোগ পাওয়ার পর প্রশাসনের অভিযান শুরু হয়। অভিযানের ফলে শরিফুল ইসলাম (২৮) নামক ওই যুবককে আটক করে পুলিশ।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে শরিফুলকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ১টার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শেখ সালাউদ্দীন দিপু এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায় যে, শরিফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন। তার নেশার টাকা জোগাড় করতে গিয়ে প্রায়ই তিনি তার মায়ের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের পেশকার সুব্রত কুমার রায় জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বুইকারা গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট সেবনের সরঞ্জামসহ অভিযুক্তকে আটক করা হয়। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক শেখ সালাউদ্দীন দিপু সংবাদমাধ্যম কালের কণ্ঠকে জানান, ‘শরিফুল ইসলাম নামে মাদকাসক্ত এক ছেলের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে তার মা উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে মাদক সেবনের সরঞ্জামসহ আটক করা হয়। শুনানি শেষে ইয়াবা ট্যাবলেট সংরক্ষণ ও পরিবহনের অপরাধে তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম কেবল অতীত ইতিহাস নন, বরং তিনি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস। তিনি আমাদের যাপিত জীবনের অনিবার্য অংশ হয়ে আছেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে, বাংলাদেশ সচিবালয়ে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, প্রতিটি রাষ্ট্র এবং সমাজে এমন কিছু ক্ষণজন্মা মানুষ জন্ম নেন, যারা আমাদের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক জীবন কিংবা আমাদের সাহিত্য, সংস্কৃতি, সামাজিক মূল্যবোধ, সামাজিক দর্শন ও আমাদের মনোজগতে প্রবলভাবে প্রভাব বিস্তার করে থাকেন। কবি নজরুল তেমনই একজন ক্ষণজন্মা ব্যক্তিত্ব। কৈশোর থেকে পরিণত বয়স, আমাদের জীবনের সব পর্যায়েই তেঁর প্রভাব অপরিসীম।
কবি কাজী নজরুল ইসলামকে বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদ্রোহী কবি, প্রেমের কবি, বিরহের কবি, তারুণ্যের কবি, বাংলাদেশের ঐতিহ্যের কবি কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয়, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের অবিস্মরণীয় নাম। পরাধীন, পর্যুদস্ত, পরাভূত জাতির ভাগ্যাকাশে তার আবির্ভাব ছিল আলোকবর্তিকার মতো।
তিনি বলেন, পরাধীনতা, জুলুম, নির্যাতন, শোষণ, অসাম্য, বৈষম্য, কুসংস্কার, তথা যা কিছু অন্যায়, অবিচার ও অসুন্দর, তার বিরুদ্ধে কবির কলম ছিল শাণিত অস্ত্র। বিপ্লব, বিদ্রোহ কিংবা রণ-সঙ্গীত, ইসলামী তাহজীব তমদ্দুন কিংবা ইসলামী মূল্যবোধের গান অথবা ভজন-কীর্তন কিংবা শ্যামা সংগীত, প্রেম, প্রকৃতি কিংবা মানবিক মূল্যবোধ, কৈশোরের আনন্দ কিংবা যৌবনের উন্মাদনা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই নজরুল প্রকাশ ছিল শুদ্ধ।
‘মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রেও কাজী নজরুল ইসলাম অন্যতম প্রধান দিশারি’ এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের জীবন, আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, সংগ্রাম, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য তার রচনার মধ্যে মহিমাময় হিসেবে উচ্চারিত হয়েছে। কবি নজরুলের সৃষ্টিশীলতার মধ্যে আতিথ্য রয়েছে সব কালের, সব মানুষের।
তিনি বলেন, অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা। তার প্রাসঙ্গিকতা ও প্রয়োজন ফুরানোর নয়।
তারেক রহমান বলেন, আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার কবিতা ও গান যেমন ছিল অনুপ্রেরণার প্রবল উৎস, তেমনি আমাদের সব আন্দোলন-সংগ্রামে তার সৃষ্টিশীলতাই হয়ে ওঠে প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মূল ভাষা।
তিনি বলেন, শুধু অতীত ইতিহাস নয়, বর্তমান প্রজন্মের জন্য, এমনকি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও নজরুল আমাদের জীবনে প্রাসঙ্গিক। এ কারণেই আমাদের জাতীয় কবির জীবন ও কর্মের সঙ্গে, গণমানুষ বিশেষ করে বর্তমান প্রজন্মের সম্পর্ক আরও গভীর ও নিবিড় করার লক্ষ্যে নানা আয়োজনে ‘নজরুল বর্ষ’ শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী ‘নজরুল বর্ষ’ উদযাপনে উপস্থিত সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আজকের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তাগণ, নজরুল গবেষক এবং নজরুল সংগীত শিল্পীগণ যারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন, সবাইকে অভিনন্দন।
তিনি অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তাদের চেয়ে নজরুল গবেষক ও নজরুলপ্রেমীদের প্রাধান্য দেওয়ার ইঙ্গিত করে বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের অনুষ্ঠানে যেমন নজরুল গবেষকদের উপস্থিতি মানায় না, তেমনি নজরুল বর্ষের অনুষ্ঠানেও আমলাদের চেয়ে নজরুল অনুরাগীদের অংশগ্রহণই বেশি কাম্য।
নতুন প্রজন্মের ওপর তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহ এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ও নেতিবাচক প্রভাবের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান জটিল বাস্তবতায় আমাদের উদীয়মান প্রজন্মকে সঠিক পথ দেখাতে নজরুলের ‘আমি হবো সকাল বেলার পাখি’ কিংবা ‘থাকব নাকো বদ্ধ ঘর’-এর মতো নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন কবিতা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
তিনি বলেন, নজরুল আমাদের যাপিত জীবনের অনিবার্য অংশ। নজরুল কেবল অতীত ইতিহাস নয়, তিনি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও প্রেরণার উৎস।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমার কাছে মনে হয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলেন ‘বাংলাদেশের মন’। তিনি আজীবন সাম্যের গান গেয়েছেন, যেখানে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম-খ্রিস্টানের কোনো ভেদাভেদ নেই। বর্তমান সরকারও এমন এক বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণের লক্ষ্যে কাজ করছে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ এবং এমনকি প্রতিটি প্রাণীও নিরাপদে থাকবে।
এ সময় সারাদেশে নজরুল বিশেষজ্ঞ ও নজরুল প্রেমীদের নিয়ে গঠিত ‘নজরুল বর্ষ উদযাপন জাতীয় কমিটি’র মাধ্যমে বছরব্যাপী সাহিত্য সম্মেলন, গবেষণা, সেমিনার, সাংস্কৃতিক উৎসব, নজরুল সংগীতের আসর, নাট্যোৎসব এবং চিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন সফল করার আহ্বান জানান তিনি।
একইসঙ্গে বর্তমান জটিল বৈশ্বিক বাস্তবতায় নতুন প্রজন্মকে বিপথগামিতা থেকে রক্ষা করতে কবির নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন সাহিত্যকে আলোকবর্তিকা হিসেবে ব্যবহারের তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।
পরিশেষে জাতীয় কবির জীবন, কর্ম, সাহিত্য ও মানবিক চেতনার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২০২৭’ এর বছরব্যাপী কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
পরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে বিশেষ স্মারক ডাকটিকিট ও লোগো উন্মোচন করা হয়।
সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী)।
উল্লেখ্য, সরকার ২০২৬ সালের ২৫ মে থেকে ২০২৭ সালের ২৫ মে পর্যন্ত সময়কালকে ‘নজরুল বর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর পাশাপাশি কবির স্মৃতিবিজড়িত ময়মনসিংহের ত্রিশালকে ‘নজরুল সিটি’ ঘোষণার সম্ভাব্যতা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও অনুষ্ঠানে জানানো হয়। সূত্র: বাসস
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ