ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
প্রেসিডেন্ট নির্বাচন

ফ্রান্সে প্রথম মুসলিম প্রার্থী আনাস কা-জিবের প্রার্থীতা ঘোষণা


ফ্রান্সে প্রথম মুসলিম প্রার্থী আনাস কা-জিবের প্রার্থীতা ঘোষণা

শ্রমিক অধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচারের বার্তা নিয়েও প্রার্থী হয়েছেন আনাস কা-জিব।

ফ্রান্সের ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি দেশটির বাম ও শ্রমিক রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। মরক্কো বংশোদ্ভূত ফরাসি রেলশ্রমিক সংগঠক আনাস কা-জিব, ফ্রান্সের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হয়েছেন। ট্রটস্কিস্ট রাজনৈতিক সংগঠন ‘রেভল্যুশিওঁ পারমানঁত’র হয়ে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়া ঘোষণা করেছেন।

সোমবার (১ জুন) একটি ভিডিও বার্তায় কা-জিব ব্যক্ত করেছেন, তার প্রার্থিতা হবে শ্রমিক শ্রেণি, নিম্ন আয়ের মানুষ এবং অভিবাসী জনগণের বাস্তব অভিজ্ঞতার প্রতিফলন। তিনি একটি ন্যায্য, সমতাভিত্তিক ও শ্রমিকবান্ধব সমাজ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন: মালদ্বীপের স্পিকারের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ, আলোচনা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নিয়ে

৩৯ বছর বয়সি এই শ্রমিক নেতা দীর্ঘদিন ধরে ফ্রান্সের রেলখাতে কর্মরত রয়েছেন এবং শ্রমিক ইউনিয়ন সুড রেল (Sud Rail)-এর সক্রিয় সদস্য। বিভিন্ন সামাজিক প্রেক্ষাপটে তিনি মরক্কো বংশোদ্ভূত অভিবাসী পরিবারের সঙ্গে যুক্ত।

শ্রমিক আন্দোলনের পাশাপাশি কা-জিব ফরাসি গণমাধ্যমেও পরিচিত মুখ ছিলেন। তিনি জনপ্রিয় টেলিভিশন ও রেডিও টকশো ‘লে গ্রঁদ গ্যুল’-এ অংশ নিয়ে সামাজিক বৈষম্য, শ্রমিক অধিকার এবং জনজীবনের বিভিন্ন ইস্যুতে নিয়মিত নিজের মতামত প্রকাশ করেন।

রাজনৈতিকভাবে কা-জিব বর্ণবাদবিরোধী, উপনিবেশবাদবিরোধী এবং সাম্রাজ্যবাদবিরোধী অবস্থান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে শ্রমিক ও অভিবাসী জনগণের অধিকারের পক্ষে কথা বলে আসছেন।

এর আগে ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমর্থন (পারঁনাজ) না পাওয়ায় তিনি প্রার্থী হতে পারেননি। তবে এইবার তার সংগঠন দাবী করছে, তারা আগের তুলনায় বেশি স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধির সমর্থন অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দশম স্থলবাহিনী সংলাপ ঢাকা সেনানিবাসে সফলভাবে সম্পন্ন

বিশ্লেষকদের মতে, ফ্রান্সের বাম রাজনৈতিক পরিসর যদিও বিভক্ত, তবুও শ্রমিক এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের বিষয়গুলো নতুন করে আলোচনায় আসছে। এখানে কা-জিবের প্রার্থিতা একটি নতুন রাজনৈতিক বার্তা যোগ করেছে। এছাড়াও ফ্রান্সের শ্রমিক রাজনীতি, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং অভিবাসী, মুসলিম কমিউনিটির জন্য এ এক নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গরমেও হাত-পা ঠান্ডা হওয়া কোনো গুরুতর রোগের লক্ষণ?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৩ এম


গরমেও হাত-পা ঠান্ডা হওয়া কোনো গুরুতর রোগের লক্ষণ?

গরমের সময়েও যদি হাত-পা ঠান্ডা থাকে, এটি গুরুতর সমস্যা হতে পারে। সাধারণত, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য হাত-পা ঠান্ডা হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু যখন এটি সবসময় ঘটে এবং পরিবেশ স্বাভাবিক থাকে, তখন এটি রক্তস্বল্পতা, থাইরয়েড বা স্নায়ুর সমস্যা ইঙ্গিত করতে পারে।

শীতের দিনে হাত-পা ঠান্ডা হওয়া স্বাভাবিক হলেও গরমকালে হাত-পা ঠান্ডা থাকা অনেকের জন্য অবাক ব্যাপার। অনেকেই এটি গুরুত্ব দেবেন না, কিন্তু চিকিৎসকের মতে, এটি দীর্ঘদিন ধরে সমস্যা হলে শরীরের গোপন অসুস্থতার সংকেত হতে পারে। যদিও দেখা যায়, সব সময় হাত-পা ঠান্ডা হওয়া কোন রোগ নয়। এটি শরীরের অভ্যন্তরে লুকানো সমস্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত বলেও মনে হয়। তাই এই লক্ষণগুলো অবহেলা না করে, প্রয়োজনে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।

শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের নিজস্ব একটি পদ্ধতি রয়েছে। যখন শরীর ঠান্ডা অনুভব করে, তখন গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোকে উষ্ণ রাখার জন্য হাত-পায়ের দিকে রক্তপ্রবাহ কিছুটা কমিয়ে দেয়। ফলে হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যেতে পারে। কিন্তু আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও যদি এ সমস্যা ঘটে, তাহলে কারণ খুঁজে দেখা উচিত।

এই সমস্যার অন্যতম সাধারণ কারণ রক্ত সঞ্চালনের সমস্যাও হতে পারে। শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত ঠিকমতো পৌঁছালে হাত ও পা ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে। হৃদযন্ত্র তথা রক্তনালির সমস্যাসম্পন্ন রোগীদের মধ্যে এই লক্ষণ বেশি দেখা যায়।

অ্যানিমিয়া বা রক্তস্বল্পতা হাত-পা ঠান্ডা হওয়ার একটি প্রধান কারণ হতে পারে। শরীরে পর্যাপ্ত লোহিত রক্তকণিকা না থাকলে অক্সিজেন সঠিকভাবে পৌঁছাতে পারে না, যার ফলে ক্লান্তি, দুর্বলতা ও হাত-পা ঠান্ডা হওয়ার সমস্যা সৃষ্টি হয়।

থাইরয়েডের সমস্যাও এর জন্য দায়ী হতে পারে। বিশেষ করে হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলে শরীরের বিপাকক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এতে শরীর কম তাপ উৎপন্ন করে এবং বাইরের তুলনায় বেশি ঠান্ডা অনুভব করেন। অতিরিক্ত ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি, ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া এবং চুলপড়া এর লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও এ সমস্যা অস্বাভাবিক নয়, কারণ অনিয়ন্ত্রিত রক্তে শর্করার মাত্রা স্নায়ু ও রক্তনালিতে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে হাত-পায়ে অসাড়তা, ঝিনঝিনি ভাব ও ঠান্ডা অনুভব হতে পারে।

আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো রেনোডস সিনড্রোম। ঠান্ডা আবহাওয়া বা মানসিক চাপের কারণে হাত-পায়ের ছোট রক্তনালিগুলো হঠাৎ সঙ্কুচিত হয়ে যায়। এতে আঙুল সাদা বা নীলচে হতে পারে এবং অসাড়তা অনুভব হয়।

অতিগুরুতরভাবে চিকিৎসকরা বলেছেন যে, অতিরিক্ত মানসিক চাপ ও উদ্বেগও হাত-পা ঠান্ডা করে দিতে পারে। স্ট্রেসের ফলে শরীরে কিছু হরমোনের নিঃসরণ ঘটে, যা রক্তনালিকে সঙ্কুচিত করে দেয়। তাই, যদি ঠান্ডা হাত-পায়ের সাথে ব্যথা, অবশ ভাব, ত্বকের রঙ বদলে যাওয়া, মাথা ঘোরা এবং অতিরিক্ত ক্লান্তি বা শ্বাসকষ্টের উপসর্গ দেখা দেয়, তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চলছে, রুবিওর দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৩৮ এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা চলছে, রুবিওর দাবি

যুক্তরাষ্ট্র এখনও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইরানের সঙ্গে এবং তেহরান এমন কিছু বিষয়ে কথা বলতে রাজি হতে পারে, যেটি আগে তারা আলোচনা করতে অস্বীকার করেছিল বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনায় বসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা পূর্বে আলোচনার টেবিলে আসেনি। মঙ্গলবার (২ জুন) মার্কিন কংগ্রেসে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেছেন। নতুন তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক যোগাযোগে ইরান ধীরে ধীরে তাদের অবস্থান কিছুটা নমনীয় করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও দুই পক্ষের মধ্যে এখনও অনেক বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে, তবে আলোচনার পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। রুবিও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া। সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইল–ইরান সংঘাতের পর এই জলপথটি উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ওয়াশিংটনের মতে, এই পথ খোলা না থাকলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। রুবিও আরও জানান, ইরানের সঙ্গে আলোচনার প্রথম শর্ত হলো তারা হরমুজ প্রণালি খুলবে। তেহরানকে তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভবিষ্যৎ নিয়েও নির্দিষ্ট আলোচনায় যেতে হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু—দুই দিকেই স্পষ্ট অগ্রগতি ছাড়া কোনো চুক্তি সম্ভব নয়। গত সোমবার (১ জুন) ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে শান্তি আলোচনা স্থগিত করেছে ইরান। লেবানন ও গাজায় ইসরাইলের অব্যাহত হামলার প্রতিবাদে দেশটি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ অবসানের চুক্তি নিয়ে দূরত্ব বাড়তে থাকায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চলমান সব ধরনের আলোচনা ও বার্তা আদান-প্রদান স্থগিত করেছে তেহরান। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, লেবাননে জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীর (ইসরাইল) ক্রমাগত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড আলোচনা স্থগিতের অন্যতম কারণ। দেশটিতে হামলা বন্ধের বিষয়টি যুদ্ধবিরতির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল। কিন্তু সেটিও বারবার লঙ্ঘন হয়েছে। এসব বিবেচনায় ইরানের আলোচক দল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে সব ধরনের সংলাপ এবং খসড়া চুক্তির জন্য বার্তা আদান-প্রদান স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাসনিম আরও জানায়, গাজা ও লেবাননে ইসরাইলি অভিযান বন্ধ এবং লেবাননের ভূখণ্ডের কিছু অংশ থেকে ইসরাইলি বাহিনী প্রত্যাহারসহ তাদের দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ইরানি আলোচকরা ‘মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে আলোচনা ও বার্তা আদান-প্রদান’ স্থগিত রাখবে। ইরান এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন যুদ্ধবিরতি চুক্তির বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের কাছে তাদের চূড়ান্ত অবস্থান জানায়নি বলে জানিয়েছে দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ এজেন্সি। সংস্থাটির এক প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি অবহিত সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, তেহরান এখনো চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া পর্যালোচনা করছে এবং এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব মধ্যস্থতাকারীদের কাছে পাঠানো হয়নি। সূত্রটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র অতীতে বহুবার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে ইরানের ধারণা। এই কারণে আলোচনায় তেহরান সতর্ক অবস্থান নিয়েছে এবং দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস এখনও আলোচনার ওপর প্রভাব ফেলছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তি থেকে ‘বাস্তব ও দৃশ্যমান সুবিধা’ নিশ্চিত করতে চায় ইরান। ফলে যুদ্ধবিরতির কাঠামো চূড়ান্ত করার প্রচেষ্টা চললেও আলোচনা এখনও অব্যাহত রয়েছে। যুদ্ধের অবসানে একটি চুক্তি নিশ্চিত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে চলতি সপ্তাহে ইরানের কাছে একটি সংশোধিত খসড়া প্রস্তাব পাঠিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে আগের তুলনায় আরও কঠোর শর্ত রাখা হয়েছে বলে মার্কিন গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাগনিকে মোটরসাইকেল চালানো শেখাতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কা, মামার মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৮ এম


ভাগনিকে মোটরসাইকেল চালানো শেখাতে গিয়ে ট্রাকের ধাক্কা, মামার মৃত্যু

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় আপনের ভাগনিকে মোটরসাইকেল চালানো শেখানোর সময় সড়ক বিভাগের একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা লেগে এক কলেজছাত্র নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মেয়েটির ১৫ বছর বয়সি ভাগনি গুরুতর আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে চাঁদপুরের মতলব সেতুর দক্ষিণ অংশের সংযোগ সড়কে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত তরুণের নাম রাব্বি (২০)। তিনি মতলব দক্ষিণ পৌর এলাকার বাইশপুর বেপারি বাড়ির মিজানুর রহমানের ছেলে এবং মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজের স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। দুর্ঘটনায় আহত ভাগনির নাম ইশাত (১৫) যিনি ঢাকার একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ইশাতের বাবা মো. জুয়েল সচিবালয়ের একজন গাড়িচালক। তারা সপরিবারে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় বসবাস করে। ঈদ উপলক্ষে তিনি মায়ের সঙ্গে মতলব দক্ষিণ উপজেলায় নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল। মঙ্গলবার বিকেলে মামা রাব্বি তাকে মোটরসাইকেল চালানো শেখাতে নিয়ে যান।

চাঁদপুর সদর হাসপাতালে আসা রাব্বির চাচি মরিয়ম বেগম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুর্ঘটনাস্থল দিয়ে যাওয়ার সময় হতাহতদের উদ্ধারকারী অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. জসিম জানান, ‘মতলব সেতুর দক্ষিণ অংশে সড়ক বিভাগের রাস্তা মেরামতের কাজ চলছিল। সেখানে একটি ট্রাক থামানো ছিল। মোটরবাইক চালানো শেখানোর সময় গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে রাব্বি ও তার ভাগনি সরাসরি ওই ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা খায়। সড়ক বিভাগের কর্মীরা আমার খালি অ্যাম্বুলেন্স দেখে থামালে আমি তাদের রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাই।’

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এনামুল হক বলেন, রাব্বি নামের ওই তরুণকে হাসপাতালে আনার আগেই মৃত্যু হয়েছে। আর আহত কিশোরী ইশাতকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

মতলব দক্ষিণ থানার পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেপালে ১৫ জন বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ এম


নেপালে ১৫ জন বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

নেপালে পুলিশের মাধ্যমে অনলাইনে প্রতারণার অভিযোগে ১৫ জন বাংলাদেশিসহ চার ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম রাতোপতির সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৯ মে) রাজধানী কাঠমাণ্ডুর ১৬ নং ওয়ার্ডে পাকনাজোলে অবস্থিত ‘হোটেল এস’ থেকে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার করা বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন মজিদুল ইসলাম রিদয় (২৫), শফিউল ইসলাম (২২), আব্দুল্লাহ আল জোবায়ির (২৬), আপন চন্দা সাহা (২২), আবুল হাসনাইন (২৬), আল শাহরিয়ার (২৪), ফয়সাল (৩০), আজাদ হোসেন (৩৫), মো. আজমাইন (১৯), তামিম হাসান সৌরভ (২০), জাকারিয়া জান্নাত (২০), শাকিল আনোয়ার (২৪), বিল্লাল রাফাত (২১), অমিত হাসান সৈকত (২৫) এবং ইসমাম হাসান স্বাধীন (৩০)।

বিবিসি নেপালি সার্ভিসের সংবাদদাতা অশোক দাহাল বলেছেন, নেপাল পুলিশের কাঠমান্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিস থেকে জানা যায়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা একজন চীনা নাগরিকের পরিচালিত একটি ‘স্ক্যাম সেন্টারে’ কর্মরত ছিলেন।

ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিসের মুখপাত্র ও পুলিশ সুপার রামেশ্বর কার্কি জানিয়েছেন, ওই চীনা নাগরিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তাকে খুঁজছে।

পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, গ্রেপ্তার বাংলাদেশি নাগরিকদের বেশিরভাগই আগে কম্বোডিয়ায় কাজ করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা বলেছেন, তাদের নেপালে নিয়ে এসেছিল পরিচয় হওয়া চীনা অপারেটররা।

পুলিশ সুপার কার্কির মতে, সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নারীদের আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে এ চক্রটি ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করত।

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই চক্রটি স্থানীয় নেপালিদের নয়, বরং প্রধানত বাংলাদেশি এবং ভারতীয় নাগরিকদের টার্গেট করেছিল।

পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার গ্রেপ্তার ১৯ জনকে অভিবাসন আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের ডিপোর্ট, অর্থাৎ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।

জানা গেছে, স্ক্যাম সেন্টার পরিচালনার জন্য পলাতক চীনা নাগরিক থামেল এলাকার একটি পুরো হোটেল ভাড়া নিয়েছিলেন। হোটেলের মালিক প্রতি মাসে সাত লাখ নেপালি রুপি ভাড়ার বিনিময়ে হোটেলটি লিজ দিয়েছিলেন।

পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%