প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপালে পুলিশের মাধ্যমে অনলাইনে প্রতারণার অভিযোগে ১৫ জন বাংলাদেশিসহ চার ভারতীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম রাতোপতির সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৯ মে) রাজধানী কাঠমাণ্ডুর ১৬ নং ওয়ার্ডে পাকনাজোলে অবস্থিত ‘হোটেল এস’ থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তার করা বাংলাদেশিদের মধ্যে রয়েছেন মজিদুল ইসলাম রিদয় (২৫), শফিউল ইসলাম (২২), আব্দুল্লাহ আল জোবায়ির (২৬), আপন চন্দা সাহা (২২), আবুল হাসনাইন (২৬), আল শাহরিয়ার (২৪), ফয়সাল (৩০), আজাদ হোসেন (৩৫), মো. আজমাইন (১৯), তামিম হাসান সৌরভ (২০), জাকারিয়া জান্নাত (২০), শাকিল আনোয়ার (২৪), বিল্লাল রাফাত (২১), অমিত হাসান সৈকত (২৫) এবং ইসমাম হাসান স্বাধীন (৩০)।
বিবিসি নেপালি সার্ভিসের সংবাদদাতা অশোক দাহাল বলেছেন, নেপাল পুলিশের কাঠমান্ডু ভ্যালি ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিস থেকে জানা যায়, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা একজন চীনা নাগরিকের পরিচালিত একটি ‘স্ক্যাম সেন্টারে’ কর্মরত ছিলেন।
ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিসের মুখপাত্র ও পুলিশ সুপার রামেশ্বর কার্কি জানিয়েছেন, ওই চীনা নাগরিক বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পুলিশ তাকে খুঁজছে।
পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, গ্রেপ্তার বাংলাদেশি নাগরিকদের বেশিরভাগই আগে কম্বোডিয়ায় কাজ করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে তারা বলেছেন, তাদের নেপালে নিয়ে এসেছিল পরিচয় হওয়া চীনা অপারেটররা।
পুলিশ সুপার কার্কির মতে, সামাজিক মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নারীদের আপত্তিকর ছবি পাঠিয়ে এ চক্রটি ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করত।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই চক্রটি স্থানীয় নেপালিদের নয়, বরং প্রধানত বাংলাদেশি এবং ভারতীয় নাগরিকদের টার্গেট করেছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার গ্রেপ্তার ১৯ জনকে অভিবাসন আইনের অধীনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের ডিপোর্ট, অর্থাৎ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে।
জানা গেছে, স্ক্যাম সেন্টার পরিচালনার জন্য পলাতক চীনা নাগরিক থামেল এলাকার একটি পুরো হোটেল ভাড়া নিয়েছিলেন। হোটেলের মালিক প্রতি মাসে সাত লাখ নেপালি রুপি ভাড়ার বিনিময়ে হোটেলটি লিজ দিয়েছিলেন।
পুলিশ জানায়, অভিযানের সময় কম্পিউটার, মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন