ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইসরাইলি সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে মৃতদেহ বিক্রি


ইসরাইলি সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য মার্কিন নৌবাহিনীর কাছে মৃতদেহ বিক্রি

আল জাজিরার অনুসন্ধানশীল সিরিজ ‘ডাইরেক্ট ফ্রম’-এর মাধ্যমে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী এবং ইসরাইলি সামরিক চিকিৎসা দলের প্রশিক্ষণের জন্য মৃতদেহ অধিগৃহীত এবং দান করা মৃতদেহ কয়েকটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

নেভাদার মেডিকেল কেস ম্যানেজার মিরিয়াম ভলপিন ২০২৫ সালে ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার (ইউএসসি) একটি ছাত্র সাংবাদিকের দ্বারা একটি বার্তা পাওয়ার পর অনুশোচনায় পড়ে যান। তার মা জিনেট ভলপিন, যিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ফ্লাইট নার্স হিসেবে কাজ করেছেন, মৃত্যুর আগে গবেষণার উদ্দেশ্যে তার দেহ ইউএসসিকে দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ২০২১ সালে ১০১ বছর বয়সে তার মৃত্যু ঘটে।

এছাড়া, সাম্প্রতিক অনুসন্ধানের ফলস্বরূপ মিরিয়াম ভলপিনের উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে যে, তার মায়ের মৃতদেহ সম্ভবত যুদ্ধক্ষেত্রের অস্ত্রোপচার প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হয়েছিল, যা ইসরাইলের গাজা অভিযানের মতো সংঘর্ষের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

আরও পড়ুন: ২ বছরের বেতনবৃদ্ধি স্থগিত, ২৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৭টি প্রমাণিত

ছাত্র সাংবাদিকদের গবেষণায় উন্মোচিত হয়েছে যে, দক্ষিণ ক্যালিফোর্নিয়ার ইউএসসি এবং ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, সান ডিয়েগোর (ইউসিএসডি) এই দুটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর মাধ্যমে ইসরাইলি সার্জিক্যাল টিমের প্রশিক্ষণের জন্য মানবদেহ সরবরাহ করেছে। এই অনুসন্ধানের নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে ইউএসসি অন্তত ৮৯টি ‘ফ্রেশ ক্যাডাভার’ বা সংরক্ষিত মৃতদেহ সরবরাহ করেছে, যা মার্কিন নৌবাহিনী ও ইসরাইলি সামরিক চিকিৎসা দলগুলোকে প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছিল।

২০২০ সালে ইউএসসি ও মার্কিন নৌবাহিনীর প্রশিক্ষকদের প্রকাশিত একটি মেডিকেল গবেষণাপত্রে দেখা যায় যে, সেখানে চার দিনের একটি ‘কমব্যাট ট্রমা সার্জারি স্কিলস কোর্স’ পরিচালিত হয়েছিল। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর ‘ফরওয়ার্ড সার্জিক্যাল টিম’-এর জন্য এই কোর্স পরিচালিত হয়েছিল। প্রশিক্ষণের সময় মৃতদেহগুলোকে ‘পারফিউশন’ নামক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে রক্তসঞ্চালন করে জীবন্ত মানুষের মতো করে তোলা হচ্ছিল। এতে যুদ্ধক্ষেত্রে আহত সৈনিকদের শরীরে রক্তক্ষরণের পরিস্থিতি খুব বাস্তবসম্মতভাবে অনুকরণ করা সম্ভব হচ্ছিল।

গবেষণাপত্রে এমন প্রশিক্ষণে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধজনিত জখমের চিকিৎসা অনুশীলনের উল্লেখ রয়েছে, যেমন বুকে ও পায়ে গুলিবিদ্ধ হওয়া এবং মুখমণ্ডল ও দেহে বিস্ফোরণের আঘাতের চিকিৎসা।

ইউএসসি আল জাজিরার একাধিক প্রশ্নের জবাবে জানায়নি, মৃতদেহে কী ধরনের আঘাত সৃষ্টি করা হয়েছিল বা কীভাবে প্রশিক্ষণ পরিচালন করা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়টি দাবি করেছে, এটি একটি ‘শিক্ষামূলক’ কার্যক্রম; যা সামরিক কর্মসূচি নয় এবং অংশগ্রহণকারী চিকিৎসাকর্মীরা সাধারণ নাগরিক। অন্যান্যদিকে, মার্কিন নৌবাহিনী জানিয়েছেন যে, অভিজ্ঞ ট্রমা সার্জনরা অস্ত্রোপচারের কৌশল ব্যবহার করে জটিল আঘাতের পরিস্থিতি তৈরি করেন, যাতে প্রশিক্ষণার্থীরা বাস্তবসম্মত পরিবেশে দক্ষতা অর্জন করতে পারে।

আরও পড়ুন: রিজভী: গ্যারান্টি ক্লজের অভাবে তিস্তার পানি পায়নি বাংলাদেশ

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে যে, ইউএসসি একসময় এই প্রশিক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় মৃতদেহ সরবরাহে সক্ষমতা হারায় এবং তারা তখন ইউসিএসডির সহায়তা নেয়। ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ইউসিএসডি থেকে ১২৪টি মৃতদেহ ইউএসসিতে স্থানান্তরিত হয়েছে। তবে ইউসিএসডি দাবি করেছে যে, তাদের দানকৃত মৃতদেহ সামরিক প্রশিক্ষণে ব্যবহৃত হওয়ার অভিযোগটি ভুল।

দাতা পরিবারে ক্ষোভ ও প্রশ্নও এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, দেহদাতারা মৃত্যুর পর তাদের দেহ কীভাবে ব্যবহার করা হবে সে বিষয়ে শর্ত আরোপ করতে পারেন না। বরং পরিবারের সদস্যদেরও এর তথ্য পাওয়ার সুযোগ থাকে না। ফলে অনেক পরিবার প্রশ্ন তুলছে যে, যদি তারা আগে জানতেন যে, দানকৃত মৃতদেহ সামরিক প্রশিক্ষণে ব্যবহার হবে, তবে কি তারা সেই সিদ্ধান্তে সম্মতি দিতেন?

আল জাজিরার অনুসন্ধান নৈতিকতা, স্বচ্ছতা এবং দাতাদের সম্মতির সীমা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিতর্কের জন্ম দেয়।

আরও পড়ুন: ঝালকাঠিতে মা ইলিশ সংরক্ষণে ৭৫ হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরজিকর কাণ্ডে আইনগত সমস্যায় রচনা ব্যানার্জি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ এম


আরজিকর কাণ্ডে আইনগত সমস্যায় রচনা ব্যানার্জি

আরজিকর হাসপাতালের সেই নৃশংস ঘটনার প্রেক্ষিতে ফেঁসেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা সাংসদ ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী রচনা ব্যানার্জি। কলকাতার চারু মার্কেট থানায় তার বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ (জিডি) দায়ের করা হয়েছে।

কলকাতার চারু মার্কেট থানায় তৃণমূল কংগ্রেসের তারকা সাংসদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত জিডিটি করেছেন একজন আইনজীবী। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, নায়িকার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালেই থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছিল।

কিন্তু ওই সময় সরকারের পক্ষ থেকে ও প্রশাসনের তরফে কেউই কোনো আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। তাই রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর, তিনি আবারও চারু মার্কেট থানায় নতুন করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনের সূত্রে জানা যায়, নায়িকার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে রচনা ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে আরজিকর হাসপাতালের ওই নৃশংস ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন।

একজন সাংসদ হয়েও, ওই ভিডিওবার্তায় তিনি একাধিকবার নিহত নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের নাম উচ্চারণ করেছিলেন যা দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ দণ্ডনীয় অপরাধ।

এ বিষয়ে, তবে এখনও কোনো অফিসিয়াল মন্তব্য করেননি টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও দিদি নাম্বার ওয়ানের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা রচনা ব্যানার্জি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দামে কমে দেশে কি পরিমাণে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে আজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ এম


দামে কমে দেশে কি পরিমাণে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে আজ

সর্বশেষ সমন্বয়ের পর দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমিয়ে দেয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ (বুধবার, ৩ জুন) মূল্যবান এই ধাতু দুটি বিক্রি হচ্ছে সর্বশেষ নির্ধারিত দামে।

সবশেষ মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে মুক্তি পেতে থাকা এক বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্বর্ণ ও রুপার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ওই দিন মূল্যবান এই ধাতু দুইটির দাম যথাক্রমে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা এবং ১১৭ টাকা কমানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য কমেছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণ ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

এ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি মূল্য হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে, পূর্ববর্তী ২৫ মে সকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৮ হাজার ১২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৭ হাজার ৩৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৭ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৮৯ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছিল যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

এখন পর্যন্ত চলতি বছর দেশের বাজারে ৭০ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম ৩৭ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং কমানো হয়েছে ৩৩ দফা। এছাড়া, গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের দাম কমানোর ফলে দেশের বাজারে রুপার দামও কমানো হয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকায়। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬০৭ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ৩ হাজার ৪৪১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এবং চলতি বছর রুপার দাম ৪১ দফা সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ২২ দফা বাড়ানো এবং কমানো হয়েছে ১৯ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল ৩ বার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জোরপূর্বক ‘পুশইনের’ প্রতিবাদে বেনাপোল সীমান্তে যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৪ এম


জোরপূর্বক ‘পুশইনের’ প্রতিবাদে বেনাপোল সীমান্তে যাচ্ছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ভারত থেকে জোরপূর্বক ‘পুশইন’ ইস্যুর প্রতিবাদে যশোরের বেনাপোল সীমান্তে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

বুধবার (৩ জুন) সকালে তিনি বেনাপোল সীমান্ত সফরে যাচ্ছেন। এ সফরের মূল উদ্দেশ্য সীমান্ত নিরাপত্তা, সার্বভৌমত্ব এবং স্থানীয় বাস্তবতা পর্যবেক্ষণ করা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বেনাপোল সীমান্ত এলাকায় পৌঁছাবেন। এরপর বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে সাদিপুর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন। পরে দুপুর ১টায় বেনাপোলের পর্যটন হোটেলের লবিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ও প্রেস ব্রিফিং করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর এ সফরকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতির দিকে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও রাজনৈতিক মহল গভীর নজর রাখছে।

এ দিকে, তার এ সফরকে ঘিরে সীমান্ত এলাকায় রাজনৈতিক আলোচনা ও নানা ধরনের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় কয়েকটি মহলে উত্তেজনা বিরাজ করছে বলেও জানা গেছে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানান, এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর আগমনে কোনো প্রটোকল নেই। তবে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ এলাকায় সতর্ক থাকবে।

এর আগে মঙ্গলবার (২ জুন) বিকালে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের এক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন যে, সীমান্ত নিরাপত্তা, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং স্থানীয় বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণই এ সফরের মূল উদ্দেশ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতিসংঘে ৬ দফা কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করলেন খলিলুর রহমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৩ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:১৭ এম


জাতিসংঘে ৬ দফা কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করলেন খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর খলিলুর রহমান এ বিষয়ে বক্তব্য দেন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্বে নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি জাতিসংঘে প্রদত্ত প্রথম বক্তব্যে বৈশ্বিক শান্তি, টেকসই উন্নয়ন, মানবাধিকার এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের উদ্দেশ্যে ছয়টি কর্মস্তম্ভভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার ঘোষণা করেন।

গতকাল মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘে উপস্থিত সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তারা তার প্রতি বিশ্বাস ও সমর্থন প্রদানের কারণেই তিনি আজকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন।

তিনি সেই দায়িত্বকে বিনয় ও শ্রদ্ধার সঙ্গে নিয়েছেন এমনটি উল্লেখ করেন। খলিলুর রহমান এ সময়ে তাকে মনোনয়ন দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ দেন।

পাশাপাশি, নির্বাচনের প্রচারণা চলাকালে সহযোগিতা করায় সংক্রান্ত দেশের জনগণ, তার টিম এবং বিশ্বটির বিভিন্ন প্রান্তের শুভানুধ্যায়ীদের প্রতিও তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আন্দ্রেয়াস কাকৌরিসের প্রশংসা করে বলেন, তিনি একটি গঠনমূলক ও দৃষ্টান্তমূলক প্রচারণা পরিচালনা করেছেন, যা ভবিষ্যতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য অনুসরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।

বক্তব্যে, নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে খলিলুর রহমান উল্লেখ করেন, জাতিসংঘ তার নবম দশকে প্রবেশ করতে যাচ্ছে একটি সময়, যখন সংস্থাটির প্রতি বৈশ্বিক আস্থা বিভিন্ন দিক থেকে পরীক্ষার মুখোমুখি। বর্তমানে যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে মানবিক সংকট অব্যাহত রয়েছে, উন্নয়ন অর্জনগুলো বিপদের সম্মুখীন এবং অনেক ক্ষেত্রেই পিছিয়ে যাচ্ছে।

একই সঙ্গে মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও পশ্চাদপসরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার উপর ক্রমবর্ধমান চাপ এবং জাতিসংঘের আর্থিক সংকট সংস্থাটির কার্যকারিতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি করছে।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য তিনি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।

শান্তি ও নিরাপত্তা খাতে নিজের অগ্রাধিকার তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের অভিজ্ঞতা ও অবদান থেকে তিনি অনুপ্রেরণা নেবেন। সাইপ্রাস থেকে সুদান পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

তিনি বলেন, সংঘাত প্রতিরোধ, রাজনৈতিক সমাধান, শান্তি প্রতিষ্ঠা জোরদার করা এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা মুসলমানদের অগ্রাধিকারে রাখতে একটি সমন্বিত শান্তিরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার পক্ষে তিনি কাজ করবেন। পাশাপাশি, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও নিজের গুরুত্বারোপ করেন।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের প্রসঙ্গে খলিলুর রহমান বলেন, ২০৩০ এজেন্ডার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি এবং অর্জনের মধ্যে এখনো বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। ২০২৭ সালের এসডিজি সম্মেলনকে সামনে রেখে পিছিয়ে থাকা লক্ষ্যগুলো অর্জনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

এ ছাড়া এসডিজি অর্থায়নের ঘাটতি দূর করা, ঋণের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক মূদ্রা কাঠামোর সংস্কার এবং নারী ও কন্যাশিশুদের পূর্ণ ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেছেন ইউএনজিএর নবনির্বাচিত সভাপতি।

স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য গৃহীত দোহা কর্মসূচি ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তিনি বিশেষ নজর দেবেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%