শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:৪১ পি.এম
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এল সালভাদরের ব্যয়সংকোচনমূলক সংস্কার কর্মসূচির আওতায় দেশটিকে নতুন করে প্রায় ১৪ কোটি ডলার অর্থায়নের জন্য একটি প্রাথমিক চুক্তিতে পৌঁছেছে।
খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আইএমএফ জানায়, এল সালভাদর সরকারের কাছ থেকে তারা নিশ্চিত হয়েছে যে, সাম্প্রতিক বিটকয়েন কেনার জন্য ব্যবহৃত অর্থ সরকারি তহবিল থেকে আসেনি, বরং এটি ব্যক্তিগত অনুদান থেকে এসেছে। এই তথ্য পাওয়ার পর নতুন অর্থ ছাড়ের বিষয়ে একটি প্রাথমিক সমঝোতা সম্পন্ন হয়।
এই চুক্তির আওতায় ৪০ মাস মেয়াদি ঋণ কর্মসূচির দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যালোচনা একসঙ্গে সম্পন্ন করা হবে। তবে অর্থ ছাড়ের আগে আইএমএফের নির্বাহী বোর্ডের অনুমোদন এবং কিছু পূর্বশর্ত পূরণ করা প্রয়োজন। প্রেসিডেন্ট নাইব বুকেলে ১৪০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার পর বিটকয়েনের বিষয়টি এই চুক্তির অন্যতম আলোচিত দিক হয়ে উঠেছে।
আইএমএফের কর্মসূচিতে এল সালভাদরকে বিটকয়েন নিয়ে তার পরীক্ষামূলক কার্যক্রম সীমিত করার শর্ত দেওয়া হয়েছিল। এই উদ্যোগের ফলে দেশটি ক্রিপ্টোকারেন্সি খাতের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত হয়ে ওঠে এবং এটি বিশ্ব অর্থনীতিতে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। আইএমএফ এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, ‘এখন থেকে নথিভুক্ত অনুদানের বাইরে আর কোনো অতিরিক্ত বিটকয়েন কেনার প্রত্যাশা করা হচ্ছে না।’
এছাড়া, বিটকয়েনের বিষয়টি ছাড়াও এল সালভাদরের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আইএমএফ ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে। কয়েক বছর ধরে ধীরগতির অর্থনীতির পর বর্তমানে দেশটির অর্থনীতি ভালো করছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
আইএমএফ বলেছে, ‘এল সালভাদরের অর্থনীতি শক্তিশালীভাবে এগিয়ে চলেছে।’ গত বছর দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাসের চেয়ে বেশি ছিল এবং ২০২৬ সালে প্রবৃদ্ধি ৪.৫ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।
বিনিয়োগ, ভোক্তাদের ব্যয়, প্রবাসী আয়, পর্যটন এবং দেশে পুঁজি প্রবাহের ওপর ভিত্তি করে এই প্রবৃদ্ধি হবে বলে জানিয়েছে আইএমএফ। উন্নত নিরাপত্তাব্যবস্থা ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধির জন্যও সরকারের প্রশংসা করেছে আইএমএফ। সংস্থাটি বলেছে, এই কর্মসূচির কারণে দেশটিতে দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমছে।
এল সালভাদরের প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করে। মধ্য আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে এই দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে ধীর। তবে আইএমএফের কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ব্যয়সংকোচন নীতির ফলে সরকারি কর্মীদের ওপর বড় চাপ পড়েছে।
অর্থনীতিবিদদের ধারণা, ৬০ লাখ জনসংখ্যার দেশটিতে ২০২৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫ হাজার সরকারি কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর দাবি, ২০১৯ সালে প্রেসিডেন্ট নাইব বুকেলে ক্ষমতায় আসার পর থেকে সরকারি চাকরি হারানো মানুষের সংখ্যা ৪৭ হাজার।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী ও শ্রীশ্রী লোকনাথ বাবার আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় সম্মিলিত জন্মাষ্টমী উদ্যাপন কমিটির আয়োজনে আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী হরি মন্দির প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
পরে সেখানে শ্রীশ্রী লোকনাথ বাবার আবির্ভাব তিথি উপলক্ষে পূজা-অর্চনা, মহাপ্রসাদ বিতরণ, গীতা পাঠ ও প্রতিযোগিতা, লীলামৃত পাঠ ও প্রতিযোগিতা, শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও প্রদীপ প্রজ্বালন প্রতিযোগিতা, ধর্মীয় সংগীতানুষ্ঠান এবং শ্রীকৃষ্ণের পূজা-অর্চনা অনুষ্ঠিত হয়।
আলফাডাঙ্গা উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সভাপতি প্রভাষক প্রবীর কুমার বিশ্বাস বলেন, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবের আনন্দের মধ্য দিয়ে এবারের আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।
এ সময় উপজেলা পূজা উদ্যাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কুমার কুণ্ডু, কেন্দ্রীয় শ্রীশ্রী হরি মন্দিরের সভাপতি শ্রী নিত্য গোপাল মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক শ্রী নিখিল কুমার কুণ্ডু, প্রভাষক দুলাল কুমার বিশ্বাসসহ বিপুলসংখ্যক ধর্মীয় ভক্ত উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী পূজা-অর্চনা, আনন্দ শোভাযাত্রা, ধর্মীয় পাঠ, প্রতিযোগিতা ও সংগীতানুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আলফাডাঙ্গায় উৎসবটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সিলেট নগরীর শাহপরান থানাধীন দাসপাড়া-দেউয়াছর এলাকায় গভীর রাতে যুবদল নেতা জসিমের বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটের দিকে মৃত মইনুদ্দিনের ছেলে ও যুবদল নেতা জসিমের বাড়িতে একদল দুর্বৃত্তরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পপ্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়দের দাবি, রাতের নীরবতার মধ্যে হঠাৎ করে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে হামলায় যুবদল নেতা জসীম উদ্দীন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে এবং বাসার গেইট ও দরজা সহ বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এসময় যুবদল নেতা জসিম উদ্দিন ৯৯৯ কল দিলে, শাহপরান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অনেক সময় পরে উপস্থিত হন। হামলার কারণ, হামলাকারীদের পরিচয় এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়েছে কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দক্ষিণ কোরিয়া বর্তমানে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টায় ‘সহায়তা’ বা ‘অবদান’ রাখার বিষয়টি বিবেচনা করছে, যদি তাদের সামরিক প্রস্তুতি ব্যাহত না হয়। তবে, এ বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে।
এএফপি সংবাদ সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে সহায়তা দিতে দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর বারবার চাপ সৃষ্টি করে আসছেন। ট্রাম্পের দাবি, সিউল হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে সহায়তা চেয়ে তার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে।
শুক্রবার, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানান, ‘সামরিক প্রস্তুতিতে কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটিয়ে নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে হরমুজ প্রণালীতে অবদান রাখার বিষয়টি পরিচালনা করা সম্ভব।’
পরে, প্রেসিডেন্টের কার্যালয় একটি পৃথক বিবৃতিতে জানায়, আজকের ব্রিফিংয়ে সামরিক সহায়তা বলতে যুদ্ধে অংশগ্রহণ, যুদ্ধের বাইরে বিভিন্ন দায়িত্ব এবং অনুসন্ধান অভিযানসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন বিকল্পের সাধারণ বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। তবে, বাস্তবে কী ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে, সে বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
দক্ষিণ কোরিয়ার স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম জেটিবিসি এক দিন আগে জানায়, হরমুজ প্রণালীতে সহায়তার জন্য সেনা পাঠানোর বিষয়টির দিকে সরকার ‘ঝুঁকছে’ এবং সংসদের অনুমোদন চাওয়ার আগে এ বিষয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
ছয় মাস আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে সহায়তা আদায়ে বেশ সমস্যায় পড়েছেন।
বর্তমানে ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখায় এবং ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর পাল্টা অবরোধ জোরদার করায় যুদ্ধ পরিস্থিতি অনেকটা অচলাবস্থায় রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের কাছে তেল ও গ্যাস উত্তোলন প্রকল্প নিয়ে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে দীর্ঘকালীন বিরোধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মাইলেই। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) তিনি একটি টেলিভিশন ভাষণে ফকল্যান্ডসের ওপর আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্বের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন এবং তেল প্রকল্পে যুক্ত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার ঘোষণা দিয়েছেন।
মাইলেই উল্লেখ করেন, আর্জেন্টিনার অনুমোদন ছাড়া ফকল্যান্ডস এলাকায় তেল ও গ্যাস উত্তোলন প্রকল্পে যুক্ত কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার প্রক্রিয়া দ্রুততর করা হবে। তিনি একটি ডিক্রি জারি করার পাশাপাশি জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নতুন আইন কংগ্রেসে পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও জানান। কোম্পানিগুলোর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডার, পরিচালক ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট।
মাইলেইয়ের ঘোষণার কেন্দ্রে রয়েছে ‘সি লায়ন’ তেল প্রকল্প। ফকল্যান্ডসের কাছে এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান রকহপার এক্সপ্লোরেশন এবং ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান নাভিতাস পেট্রোলিয়াম। আর্জেন্টিনা এই তেল উত্তোলনকে নিজেদের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করে।
তেল প্রকল্পের পাশাপাশি দেশের দক্ষিণাঞ্চলে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন মাইলেই। তিনি তিয়েরা দেল ফুয়েগো প্রদেশে নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণ এবং দক্ষিণ আটলান্টিকে আর্জেন্টিনার উপস্থিতি জোরদারের জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের কথাও জানিয়েছেন।
ফকল্যান্ডসকে আর্জেন্টিনা ‘মালভিনাস’ নামে উল্লেখ করে দ্বীপপুঞ্জটির ওপর সার্বভৌমত্ব দাবি করে। অন্যদিকে, দ্বীপগুলো বর্তমানে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যুক্তরাজ্য ফকল্যান্ডসের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্বের দাবি বজায় রেখেছে এবং দ্বীপবাসীর আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে গুরুত্ব দেয়। ২০১৩ সালের এক গণভোটে ৯৯.৮ শতাংশ ভোটার ব্রিটিশ ওভারসিজ টেরিটরি হিসেবে থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছিলেন।
এদিকে, ফকল্যান্ডস ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এই বিরোধে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের অবস্থান পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। মাইলেই তার ভাষণে ট্রাম্পের মন্তব্যকে আর্জেন্টিনার সার্বভৌমত্বের দাবির পক্ষে ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে তুলে ধরেছেন।
১৯৮২ সালে ফকল্যান্ডস নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার মধ্যে যুদ্ধ হয়েছিল। যুদ্ধের পর দ্বীপপুঞ্জটি ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। আর্জেন্টিনা অবশ্য ফকল্যান্ডসের ওপর নিজেদের সার্বভৌমত্বের দাবি অব্যাহত রেখেছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, এপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ