বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১১:০৭ এম
সাভারের আশুলিয়ায় সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির একজন ছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে পুলিশ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ঢাকা জেলা উত্তরের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক তৌহিদুর ইসলাম সানভী এবং নাজিমকে গ্রেফতার করেছে। তবে মামলার প্রধান আসামি শাকিল (২৩) এখনো পলাতক রয়েছে।
মঙ্গলবার রাতে, পুলিশ আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়েছে এবং তাদের গ্রেফতার করেছে। বুধবার দুপুরে তাদের আদালতে উপস্থিত করা হয়েছে।
পুলিশ ও মামলার এজাহারের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী আশুলিয়ার কন্ডা এলাকার বাসিন্দা এবং সাভার ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত শাকিল তাদের প্রতিবেশী। অভিযোগ রয়েছে যে, স্কুলে যাতায়াতের সময় শাকিল ও তার সহযোগীরা ওই ছাত্রীর সঙ্গে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করতেন।
মামলার বাদী ও ভুক্তভোগীর মা আরিফা আক্তার জানিয়েছেন, গত ১০ আগস্ট সকাল ৮টার দিকে তিনি মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিয়ে বাড়িতে ফিরে যান। দুপুর সোয়া ২টার দিকে মেয়েকে আনতে গিয়ে স্কুলে গিয়ে জানতে পারেন, সে সেখানে নেই। পরে মেয়ের বান্ধবীদের কাছ থেকে জানেন, দুপুর ২টার দিকে নবীনগর এলাকায় স্কুলের সামনে থেকে শাকিল ও তার সহযোগীরা ফুসলিয়ে তাকে নিয়ে গেছে।
পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও মেয়েটির খোঁজ পাননি। এরপর মঙ্গলবার আশুলিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেছেন, পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তে তৌহিদুর ইসলাম সানভী এবং নাজিমের সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতার বিষয়ে তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার পর তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তারপর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মামলার প্রধান আসামি শাকিলকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানের একটি ওয়ার্ড কার্যালয়ে বিএনপির অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির ছেলে মনির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার দুপুরে মনির হোসেনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৭ জুলাই দিবাগত রাতে বালুচর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চান্দেরচর লেকু মার্কেট এলাকায় বিএনপির কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়। এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মালামালসহ আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার ফলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পাঁচ দিন পরে, অর্থাৎ ২২ জুলাই যুবদল কর্মী আব্দুস সালাম অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে সিরাজদীখান থানায় মামলা করেন। এরপর পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত শুরু করে।
তদন্তের অংশ হিসেবে ২২ জুলাই নাহিদ হাসান (২৩) ও ওসমান গনি (২৪) নামে দুজনকে আটক করেছিল পুলিশ এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়ার পর, পুলিশ জানায়, বিএনপির ২ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শহিদুল ইসলামের ছেলে মনির হোসেনের সম্পৃক্ততার সন্দেহ উত্থাপন হয়েছে।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘ সময় পলাতক থাকার পর, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতের দিকে মনির হোসেনকে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। যথা সময়ে, জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ দাবি করে যে মনির হোসেন অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের কারণে প্রতিপক্ষকে ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে বিএনপির ওই কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছিল। তবে, এ প্রচেষ্টায় অন্য কেউ জড়িত কি না, সে ব্যপারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বালুচর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব আবুল হোসেন মন্তব্য করেছেন, "কারও ইন্ধনে হয়তো এমন কাজ করা হয়ে থাকতে পারে। তবে এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। রাজনৈতিক কার্যালয় ব্যক্তিগত বিরোধ সমাধানের জায়গা নয়। ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক বিরোধ থাকলে আইনগতভাবে তা সমাধান করা উচিত।"
এ বিষয়ে বালুচর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল লতিফ বলেন, "ঘটনার বিষয়টি আমি অবগত আছি। বিএনপি নেতার ছেলে হোক বা অন্য কেউ হোক, এ ন্যক্কারজনক ঘটনায় অপরাধীর শাস্তি হওয়ার উচিত।"
সিরাজদীখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, "বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আদালতে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন আসামি মনির হোসেন। আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় মোবাইল চোর সন্দেহে মো. তারেক ঢালী (১৭) নামের এক তরুণকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে স্থানীয় প্রভাবশালী মহল। বর্তমানে ওই তরুণ মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের গোবিন্দপুর দক্ষিণ পাড়া প্রধানীয়া বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছিল।
ভুক্তভোগীর স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, গোবিন্দপুর গ্রামের জাকির হোসেন ঢালীর ছেলে তারেক ঢাকায় চাকরি করে। তার দুই ভাই রয়েছে।
ছুটিতে বাড়িতে এসে অবস্থান করছিলেন। গত মঙ্গলবার ভোর বেলা তাকে বাড়ি থেকে পাশের প্রধানীয়া বাড়ির আল-আমীন, সফিক, তানিম, মোতালেব তুলে নিয়ে যায়। পরে তাদের (প্রধানীয় বাড়ি) বাড়িতে মোবাইল চুরি করেছে সন্দেহে গাছের সঙ্গে বেঁধে তাকে বেধড়ক পিটিয়েছে। এরপর মাথায় গামছা বেঁধে গরম পানি ঢেলে দিছে।
পরে স্থানীয় সোবহান ঢালী ও মো. রাকিব প্রধানসহ আরো কয়েকজন বিকেলে তাকে উদ্ধার করে।
এরপর ওই তরুণকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযানে নেমে অভিযুক্ত শফিক প্রধান (৩৫) নামের একজনকে আটক করেছে।
ভুক্তভোগী তারেকের মা খুকী বেগম বলেন, ‘১২ বছর আগে ওর বাবা মারা যায়। খাইয়া নাখাইয়া ছেলে দুইটাকে নিয়ে জীবন কাটাই।
আমার ছেলেকে নির্যাতনের সময় সবাই দেখেছিল। কেউ এগিয়ে যায়নি। পরে কয়েকজন তাকে উদ্ধার করে। আমি গরিব মানুষ। বিনা অপরাধে যারা আমার ছেলেকে মেরেছে আমি তাদের বিচার চাই।’
স্থানীয় নবী উল্লাহ পাটোয়ারী বলেন, বুধবার আছরের দিকে পুলিশ আহতের বাড়িতে আসে। তারা দুই ভাই ঢাকায় শহীদুল্লাহ্ হলের ক্যান্টিনে কাজ করে। খুবই অসহায় ছেলেটাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায়। ছেলেটাকে যারা এমনভাবে মেরেছে আমরা তাদের শাস্তি চাই। ওসি সাহেব এসে সঠিক বিচারের আশ্বাস দিয়ে গেছেন।
মতলব দক্ষিণ থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, ‘অভিযুক্ত সফিক প্রধানকে এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রচারণার সাথে পপ তারকা টেইলর সুইফটের গান আর যুক্ত থাকছে না। ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার অফিসিয়াল টিকটক অ্যাকাউন্ট থেকে সুইফটের গান ও অডিওর বেশ কিছু পোস্ট থেকে গানগুলো সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের প্রচারণার ওই অ্যাকাউন্টে সুইফটের জনপ্রিয় গান ‘অগাস্ট’ ব্যবহার করে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে সেই ভিডিও থেকে গানটি সরিয়ে অন্য একটি কান্ট্রি মিউজিক যুক্ত করা হয়।
এছাড়াও, সুইফটের ‘ফাদার ফিগার’ গানটির কথা উল্লেখ করে তৈরি করা আরেকটি পোস্টেও পরিবর্তন করা হয়েছে। সেখানে এখন গানটি শোনা যাচ্ছে না, বরং দেখা যাচ্ছে, ‘দিস সাউন্ড ইজ নট অ্যাভেইলেবল।’—এমন একটি বার্তা প্রদর্শিত হচ্ছে।
কেন গানগুলো সরানো হলো? সুইফটের গানগুলো অবশ্যই কেন ট্রাম্পের প্রচারণার পোস্ট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এরকম একজন শিল্পীর মুখপাত্রের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে বলেননি।
তবে, ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে সুইফটের গান ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক আগে থেকেই তৈরি হয়েছিল। শিল্পীদের অনুমতি ছাড়া তাদের গান রাজনৈতিক প্রচারণায় ব্যবহার করা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আপত্তির বিষয়টি বিদ্যমান।
শুধু টেইলর সুইফটই নয়, আরও বেশ কয়েকজন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীও ট্রাম্পের প্রচারণায় নিজেদের গান ব্যবহারের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে এসেছেন। কেটি পেরি, সাবরিনা কার্পেন্টার এবং অলিভিয়া রদ্রিগোর মতো তারকারাও প্রকাশ্যে রাজনৈতিক প্রচারণায় তাদের গান বা সুর ব্যবহারের বিরোধিতা করেছেন।
এ কারণে ট্রাম্পের প্রচারণা থেকে সুইফটের গান সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি নতুন করে আলোচনার ডেস্কের প্রধান বিষয় হয়ে উঠেছে। যদিও এর পেছনে সুইফটের কোনো আপত্তি বা আইনি পদক্ষেপ রয়েছে কি না, তা বিজ্ঞানী নয়।
সূত্র: গার্ডিয়ান
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের বাজারে সবশেষ ৫ দফা দাম সমন্বয়ে ৪ বারেই স্বর্ণের দাম বেড়েছে। এর মধ্যে টানা ৩ দফায় ৭ হাজার ১১৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সবশেষ বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) টানা ৩য় দফা স্বর্ণের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এবার ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়ানো হয়েছে সংগঠনটির পক্ষ থেকে।
বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের নতুন দাম পড়বে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৬ হাজার ১৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম বহাল থাকবে।
এছাড়া, সবশেষ গত ১১ আগস্ট সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ১ হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৩৫ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৯০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫২২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছে সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১০২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে দাম ৫১ দফা বাড়ানো হয়েছে, ৫০ দফা কমানো হয়েছে এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ