ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঈশ্বরদীতে রাতের আঁধারে পদ্মা নদী থেকে জামায়াত নেতাদের অবৈধভাবে বালু উত্তোলন


ঈশ্বরদীতে রাতের আঁধারে পদ্মা নদী থেকে জামায়াত নেতাদের অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

পাবনার ঈশ্বরদীতে সাঁড়া ইউনিয়নের ঘোষপাড়া এলাকায় রাতের আঁধারে চলছে অবৈধভাবে পদ্মা নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। অনুসন্ধানে জানা গেছে, জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৩০-৪০ জন নেতাকর্মী ব্যবসায়ী অংশীদার হয়ে পদ্মা এন্টারপ্রাইজ নামে একটি বিশাল বালুর খোলা গড়ে তুলেছেন। সেখানে অবৈধভাবে উত্তোলিত বালু মজুদ করা হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর খানের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে পদ্মা এন্টারপ্রাইজ এর স্বত্তাধিকারী মোঃ মঞ্জু খান বালুর খোলাটি তৈরি করেন। জমির মালিক আবু বক্কর খান নিশ্চিত করেছেন, তিনি নিজে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নন। কেবল তিন বছরের জন্য তিনি মঞ্জু খানের কাছে জায়গাটি ভাড়া দিয়েছেন। অন্যদিকে, বালুর খোলায় মঞ্জু খানের সাথে প্রধান ব্যবসায়িক অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের এক ঝাঁক নেতা কর্মী।

ব্যবসায়িক অংশীদারদের বিষয়ে জানতে চাইলে মঞ্জু খান বেশ কয়েক জন অংশীদারের কথা স্বীকার করলেও তাদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হয়নি। রাতের আঁধারে বালু কাটার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানালেন, নদীতে যারা দায়িত্বে রয়েছে তাদের কাছ থেকে বালু কেনা হয়। নৌকার মাঝিদের কাছে টাকা দিলে তারা বালু এনে দেন। রাতের বেলা বালু উত্তোলন যে আইনত নিষিদ্ধ, এ বিষয়ে তাকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হলে তিনি দায় এড়িয়ে যান।

আরও পড়ুন: বরিশালে বালু ব্যবসায়ীকে ৪ লাখ জরিমানা, মা ইলিশ অভিযানে ৮ জন দণ্ডিত

সাঁড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর রুকন মোঃ ইলিয়াস খান উক্ত ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা সরাসরি স্বীকার করেছেন। তবে তার বক্তব্য, তিনি নিজে সরাসরি তা পরিচালনা করেন না। রাতের বেলা অবৈধ বালু তোলার বিষয়টি তোলা হলে তিনি কোন সদুত্তর না দিয়ে এড়িয়ে যান।

স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে রাতের আঁধারে পদ্মা নদীর তলদেশ ক্ষতবিক্ষত করে ড্রেজার দিয়ে বালু কাটা হচ্ছে। এর ফলে পাকশী হার্ডিং ব্রিজ, লালনশাহ সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ভেড়ামারা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, সাঁড়া নদী রক্ষা বাঁধসহ সাঁড়া ইউনিয়নে ভয়াবহ নদী ভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে। অন্যদিকে, রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হচ্ছে এই অবৈধ বালু সিন্ডিকেট।

ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব বলেন, রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এই তথ্য আমাদের কাছে ছিল না। আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। ঘটনা সত্য হলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

আরও পড়ুন: ইঞ্জিন বিকল হয়ে ট্রলারডুবি, নিখোঁজ দুই জেলে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেরপুরে স্থায়ী সাব রেজিস্ট্রার নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২০ পি.এম


শেরপুরে স্থায়ী সাব রেজিস্ট্রার নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন

বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় স্থায়ী সাব রেজিস্ট্রার নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন ও কলম বিরতি কর্মসূচি পালন করেছেন দলিল লেখকেরা। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে শেরপুর উপজেলা সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সামনে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি শেরপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে দলের লেখক সমিতির নেতারা বলেন, শেরপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়মিত সাব রেজিস্ট্রার না থাকার কারণে দলিল নিবন্ধন কার্যক্রমে ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে সপ্তাহে মাত্র দুইদিন সাব রেজিস্ট্রার অফিসে বসেন। ফলে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৮০টি দলিল নিবন্ধন হলেও বিপুল পরিমাণ দলিল অপেক্ষমাণ থেকে যাচ্ছে। এতে করে দলিলের জট তৈরি হচ্ছে এবং সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

তারা আরো বলেন, শেরপুর উপজেলার আয়তন ও জনসংখ্যার তুলনায় সাব রেজিস্ট্রি অফিসের কার্যক্রম অনেক বড়। প্রতিদিন প্রায় ১৫০জন সেবাগ্রহীতা দলিল নিবন্ধনের জন্য অফিসে আসছেন। তবে নিয়মিত সাব রেজিস্ট্রার না থাকার কারণে নির্ধারিত সময়ে সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না।

মানববন্ধনে বক্তারা দাবি জানান, দ্রুত শেরপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসে একজন স্থায়ী সাব রেজিস্ট্রার নিয়োগ দিতে হবে। তাদের দাবি, নিয়মিত সাব রেজিস্ট্রার নিয়োগ করা হলে দলিলের জট কমে যাবে এবং সাধারণ মানুষ দ্রুত এবং নির্বিঘ্নে সেবা গ্রহণ করতে সক্ষম হবে। কর্মসূচিতে বাংলাদেশ দলিল লেখক সমিতি শেরপুর উপজেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও দলিল লেখকেরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মান্দায় চার বছর ধরে সম্মানীভাতা বঞ্চিত কালিকাপুরের ইউপি সদস্যরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২১ পি.এম


মান্দায় চার বছর ধরে সম্মানীভাতা বঞ্চিত কালিকাপুরের ইউপি সদস্যরা

নওগাঁর মান্দা উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচিত সদস্যরা চার বছরের বেশি সময় ধরে সম্মানীভাতা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে প্রত্যেক সদস্যের সম্মানীভাতা বকেয়া পড়েছে দুই লাখ টাকার বেশি বলে তাঁরা দাবি করেছেন। একইসঙ্গে অভিযোগ করা হয়েছে যে, সদস্যদের সম্পৃক্ত না করে বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ পরিচালনা করছেন ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম বাবু।

এই অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আল মাসুদ রানা অভিযোগগুলোর তদন্ত করেন। তিনি ইউপি সদস্যদের কাছ থেকে লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করেছেন। এর সঙ্গে পরিষদের বাৎসরিক আয়-ব্যয়ের তথ্যও চেয়ারম্যানের কাছে চাওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে আল মাসুদ রানা মন্তব্য করেছেন, ‘সবে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্যদের কাছ থেকে লিখিত বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যানের কাছেও পরিষদের বাৎসরিক আয়-ব্যয়ের তথ্য চাওয়া হয়েছে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করে ইউএনওর কাছে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।’

জানা যায়, কালিকাপুর ইউনিয়ন পরিষদের নয়জন সদস্য গত বছরের ২৪ নভেম্বর মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তাঁরা সম্মানীভাতা না পাওয়া এবং বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে তাঁদের সম্পৃক্ত না করার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। অভিযোগ দাখিলের প্রায় নয় মাস পরে আজ বৃহস্পতিবার এ তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ইউপি সদস্য নাজিম উদ্দিন মোল্লা জানিয়েছেন, নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তিনি সম্মানীভাতা হিসেবে মাত্র ৩০ হাজার টাকা পেয়েছেন। তাঁর ওয়ার্ডে কোনো প্রকল্পের কাজ দেওয়া হয়নি, অভিযোগ করেন তিনি। অন্য সদস্যদের দিয়ে তাঁর ওয়ার্ডে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে বলেও দাবি করছেন তিনি। শীতার্ত মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য কোনো কম্বলও তাঁর ভাগ্যে জোটেনি বলে জানান।

আরেক সদস্য গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত সম্মানীভাতা হিসেবে ৪০ হাজার টাকা পেয়েছি। এই বিষয়ে প্রতিবাদ করায় আমার ভাগ্যে কোনো প্রকল্প জোটেনি।’

ইউপি সদস্য ইউনুস আলী সরদার দাবি করেন, বিভিন্ন প্রকল্পে সদস্যদের সভাপতি করা হলেও প্রকল্পের কাজ সম্পর্কে তাঁদের কিছুই জানানো হয় না। শুধুই কাগজপত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এরপর চেয়ারম্যান নিজেই বিল উত্তোলন করেন। এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তাঁদের সম্মানীভাতা বন্ধ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে ইউপি সদস্যদের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম বাবু। তিনি বলেছেন, হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স থেকে পাওয়া অর্থ ছাড়া পরিষদের তেমন কোনো আয় নেই। প্রতিবছর পরিষদের আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হওয়ায় সদস্যদের সম্মানীভাতা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেছেন, ইউপি সদস্যদের দেওয়া অভিযোগ তদন্তের জন্য উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তানোরে দেবোত্তর সম্পত্তি দখলের অভিযোগে আতঙ্কিত স্থানীয় হিন্দুরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২২ পি.এম


তানোরে দেবোত্তর সম্পত্তি দখলের অভিযোগে আতঙ্কিত স্থানীয় হিন্দুরা

রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার শিবরামপুর এলাকায় কালীমাতার নামে রেকর্ডভুক্ত দেবোত্তর সম্পত্তি দখলের চেষ্টা এবং সেখানে বসবাসরত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে উচ্ছেদের চেষ্টার অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কাছে স্থানীয় মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দসহ কিছু হিন্দু বাসিন্দা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগকারীরা জানান, তানোর উপজেলার শিবরামপুর মৌজায় কালীমাতার নামে প্রায় ৫ একর ৪ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত রয়েছে। এই সম্পত্তির একটি অংশ স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন ভোগদখল করে আসছেন এবং ওই এলাকায় কালীমাতার মন্দিরে নিয়মিত পূজা-অর্চনাও হয়ে আসছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, শিবরামপুর মৌজার সিএস খতিয়ান নম্বর ১৩৭ ও ১৩৮ এবং আরএস খতিয়ান নম্বর ১২৩-এ সংশ্লিষ্ট জমির তথ্য রয়েছে। অভিযোগকারীদের মতে, বিভিন্ন সময়ে ভূমি রেকর্ডে এসব সম্পত্তিকে দেবোত্তর হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সেবায়েত ও জিম্মাদারদের নামের উল্লেখও বিভিন্ন রেকর্ডে প্রতিফলিত হয়েছে বলে তারা দাবি করেছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি একটি পক্ষ সেবায়েতদের ওয়ারিশদের কাছ থেকে ওই সম্পত্তি কেনার দাবি করে জমির দখল নেওয়ার চেষ্টা করছে। এর ফলে জমিতে বসবাসকারী কয়েকটি হিন্দু পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।

এছাড়া, অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয় যে, গত ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার নতুনহাট-নামোশংকরবাটি এলাকার খাইরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম ও কায়েম আলীসহ ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি শিবরামপুর এলাকায় গিয়ে স্থানীয় হিন্দুদের ধানিজমি ও বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করেন। এ সময় স্থানীয়রা একত্রিত হয়ে বাধা দেওয়ায় উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনার পর থেকে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তাদের প্রশ্ন, দেবোত্তর হিসেবে রেকর্ডভুক্ত কোনো সম্পত্তি কীভাবে ব্যক্তি মালিকানায় বিক্রি করা হলো এবং ওই সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তনের বৈধতা কী?

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিকার চেয়ে গত ১৬ আগস্ট ২০২৬ রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগকারীদের মধ্যে হেমন্ত কুমার মাহাতো, আকাশ মাহাতো, রঞ্জিত কুমার মাহাতো, দয়াল চন্দ্র মাহাতো, নিপেন্দ্রনাথ মাহাতো, সুজন মুন্ডা, দুঃখু মুন্ডা, নয়ন মাহাতো, শ্রীনাথ রাজবংশী, রাজকুমার মুন্ডা, প্রদীপ কুমার মাহাতো, দিপু, হরিপদ মাহাতো, খোশু মাহাতো, জোসনা সরেন, শ্রীমন্ত মাহাতো, দেবেন কর্মকার, মহেশ মাহাতো, মুড্ডা, উতফর মাহাতো, আনন্দ কর্মকার এবং বাদল কর্মকারের নাম উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগকারীরা সংশ্লিষ্ট জমির রেকর্ড ও দলিলপত্র যাচাই-বাছাই, সরেজমিন তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন।

স্থানীয় জনগণের আশঙ্কা, যদি দ্রুত বিষয়টির সুরাহা না হয়, তবে জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় আরও উত্তেজনা সৃষ্টি হতে পারে। অভিযোগের বিষয়ে খাইরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম ও কায়েম আলীর মুঠোফোনে কল করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বানারীপাড়া'র উদয়কাঠীতে সংখ্যালঘু পরিবারের পৈতৃক জমি জোরপূর্বক লিখে নেওয়ার অভিযোগ হুমায়ুন গাজীর বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বানারীপাড়া প্রতিনিধি

বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৯:২৩ পি.এম


বানারীপাড়া

বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা গ্রামে সংখ্যালঘু একটি পরিবারের বিরুদ্ধে ২০ শতাংশ পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক লিখে নিয়ে দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় হুমায়ুন গাজীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী পরিবারটি অভিযোগ করেছে যে, উন্নত ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে তাদের পৈতৃক ভিটা তুলে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে তারা ওই এলাকা ছেড়ে নেছারাবাদ উপজেলার মাদ্রা এলাকায় বসবাস করছেন।

ভুক্তভোগী নারায়ণ চন্দ্র সিকদারের (৭৭) মেয়ে অঞ্জনা সিকদার সাংবাদিকদের অভিযোগ করেন, তেতলা ও হারতা এলাকার সীমান্তবর্তী স্থানটিতে তাদের পূর্বপুরুষের শেষ সম্বল ২০ শতাংশ পৈতৃক সম্পত্তি ছিল। তার বক্তব্য অনুযায়ী, হুমায়ুন গাজী ছলচাতুরীর মাধ্যমে তার বাবা নারায়ণ চন্দ্র সিকদারের কাছ থেকে ওই সম্পত্তি লিখে নেয়। তবে তাদের দাবি, সম্পত্তির বিনিময়ে কোনও অর্থ দেওয়া হয়নি।

অঞ্জনা সিকদার দাবি করেন যে, সম্পত্তি লিখে নেওয়ার পর তাদের পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে। যখন তারা সম্পত্তি ফেরত অথবা সম্পত্তির মূল্য দাবি করেন, তখন হুমায়ুন গাজী তাদের প্রতি হুমকি দিয়েছেন। এমনকি বর্তমানে তারা নেছারাবাদ উপজেলার মাদ্রা এলাকায় বসবাস করে থাকলেও সেখানে গিয়ে প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও জানান, বিগত সরকারের আমলে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে অনেকের কাছে অভিযোগ করার পরও তারা কোনও প্রতিকার পাননি। তাদের চাওয়া, তাদের পৈতৃক সম্পত্তি ফেরত চাই। যদি সম্পত্তি ফেরত দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে ন্যায্য মূল্য পরিশোধের দাবি করা হচ্ছে।

অঞ্জনা সিকদার বলেন, “আমরা হুমায়ুন গাজীর হাত থেকে মুক্তি চাই। আমাদের পৈতৃক সম্পত্তি ফেরত চাই, অথবা সম্পত্তির ন্যায্য মূল্য চাই।”

এদিকে, স্থানীয়ভাবে হুমায়ুন গাজীর বিরুদ্ধে জমি দখল এবং মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে বলেও জানান ভুক্তভোগী পরিবার।

অভিযোগের বিষয়ে হুমায়ুন গাজীর বক্তব্য জানার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এজন্য তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ভুক্তভোগী পরিবারটি বিষয়টি তদন্ত করে তাদের পৈতৃক সম্পত্তি উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%