ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জাবিতে নতুন বিভাগ খোলার আগে সংকট নিরসনের আহ্বান


জাবিতে নতুন বিভাগ খোলার আগে সংকট নিরসনের আহ্বান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রস্তাবিত ৬টি নতুন বিভাগ চালুর আগে বিদ্যমান একাডেমিক ও অবকাঠামোগত সংকট সমাধানের দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রস্তাবিত ৬টি নতুন বিভাগ চালুর আগে বিদ্যমান ৩৭টি বিভাগের একাডেমিক ও অবকাঠামোগত সংকট সমাধান এবং সমন্বিত একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের দাবি জানিয়েছেন কয়েকটি প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনের নেতারা।

আজ শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট অধিবেশন শুরুর আগে দুপুর ২টায় সিনেট ভবনের সামনে তারা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসানের কাছে একটি স্মারকলিপিও প্রদান করেছেন।

আরও পড়ুন: সৌদি রুটে ১৪৪ ফ্লাইট স্থগিত, ২২ হাজার যাত্রী ভোগান্তিতে

জাহাঙ্গীরনগর বাঁচাও আন্দোলনের সংগঠক সানজিদা আফরিন, নিপীড়নের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর প্ল্যাটফর্মের সংগঠক তাসনীম ইয়াসমিন তন্বী, ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক ফাইজান আহমেদ অর্ক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সংগঠক সজীব আহমেদ জেনিচ এবং বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সংগঠক সোমা ডুমরী এই স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেছেন। তারাও জানান, সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তারা জেনেছেন, প্রস্তাবিত ৬টি নতুন বিভাগের বিষয়টি সিনেট সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। তবে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৭টি বিভাগই অবকাঠামো, শিক্ষক ও ল্যাব-সংকটসহ নানা সমস্যায় রয়েছে। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত একাডেমিক মাস্টারপ্ল্যানও এখনো প্রণীত হয়নি।

তাদের দাবি হচ্ছে, বিদ্যমান সংকটের সমাধান এবং দীর্ঘমেয়াদি একাডেমিক পরিকল্পনা ছাড়া নতুন বিভাগ চালু করা বাস্তবসম্মত হবে না। নতুন বিভাগে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য আবশ্যক আবাসন ব্যবস্থা এখন নেই বলেও উল্লেখ করেন তারা।

স্মারকলিপিতে আরও জানানো হয়, গবেষণা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, গবেষণা কেন্দ্রগুলোকে কার্যকর করা, থিসিস গবেষণার জন্য ন্যূনতম ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ নিশ্চিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ছাপাখানা স্থাপন, বিভাগগুলোর শিক্ষার্থীদের ক্লাসরুম ও ল্যাব-সংকট নিরসন, পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল সেন্টার বাস্তবায়ন, শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রবর্তন, সান্ধ্যকালীন এবং উইকেন্ড কোর্স বন্ধ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন চালুর দাবিও তারা জানিয়েছেন।

ছাত্র ইউনিয়ন জাবি সংসদের সাধারণ সম্পাদক ফাইজান আহমেদ অর্ক বলেন, আমাদের আপত্তি নতুন বিভাগ খোলার ধারণার বিরুদ্ধে নয়; আপত্তি হলো বিদ্যমান বাস্তবতা বিবেচনা না করেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রবণতার বিরুদ্ধে। বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭টি চলমান বিভাগ রয়েছে, অথচ এসব বিভাগের জন্য কোনো সমন্বিত একাডেমিক মাস্টার প্ল্যান নেই। অনেক বিভাগে শ্রেণিকক্ষের সংকট, পরীক্ষা গ্রহণে বিলম্ব, সেশনজট ও ইয়ার গ্যাপের মতো সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে রয়েছে। একই সঙ্গে সিসিএসের বরাদ্দ বাড়ানো হয়নি, প্রশাসনিক কার্যক্রমের অটোমেশনেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। বিদ্যমান বিভাগগুলোর মৌলিক সমস্যা সমাধান না করেই নতুন ছয়টি বিভাগ চালুর উদ্যোগটি আমাদের কাছে অযৌক্তিক মনে হয়।

আরও পড়ুন: নেতানিয়াহুকে ঠেকাতে বিদেশ থেকে দেশে ফিরছেন হাজার হাজার ইসরাইলি

শুধু একাডেমিক নয়, অবকাঠামোগত পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ঘাটতি রয়েছে। ক্যাম্পাসে এখনও আধুনিক স্যুয়ারেজ ব্যবস্থা নেই, নিজস্ব ছাপাখানা নেই, উন্নয়ন কার্যক্রম অনেক ক্ষেত্রে অপরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা পরিবেশ, মানুষের জন্য ও ক্যাম্পাসের সামগ্রিক ভারসাম্যের জন্য ক্ষতিকর।

আমরা চাই ওই প্রশাসন আগে একটি সমন্বিত একাডেমিক এবং অবকাঠামোগত মাস্টার পরিকল্পনা প্রণয়ন করুক। বর্তমানে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ, তুলনামূলক সাহিত্য ও সংস্কৃতি ইনস্টিটিউট (আইসিএলসি), আইন বিভাগসহ বিভিন্ন একাডেমিক ইউনিটে শ্রেণিকক্ষের সংকট রয়েছে। এসব মৌলিক সমস্যা সমাধানের আগে নতুন বিভাগ চালুর সিদ্ধান্ত বাস্তবসম্মত নয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিরোজপুরে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

‎ ‎পিরোজপুর প্রতিনিধি

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৮ পি.এম


পিরোজপুরে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির আয়োজনে চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত

পিরোজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির উদ্যোগে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চাকরি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) সকালে পিরোজপুর শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে এ মেলার আয়োজন করা হয়।
‎
‎মেলার উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দি পিরোজপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু।
‎
‎আয়োজকরা জানান, চাকরি মেলার মাধ্যমে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দেশের বিভিন্ন ফ্যাক্টরি, ডিপো, মার্কেট সেলস ও শোরুম সেলস বিভাগে আকর্ষণীয় বেতনে প্রায় পাঁচশত জনবল নিয়োগ দেওয়া হবে। এ উপলক্ষে আগ্রহী চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণের পাশাপাশি সরাসরি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।
‎
‎মেলায় সেলস রিপ্রেজেন্টেটিভ (বিক্রয় প্রতিনিধি), সেলস এক্সিকিউটিভ (শোরুম সেলস), ট্রেইনি শোরুম ম্যানেজার, সিকিউরিটি গার্ড এবং ড্রাইভার পদে প্রার্থী বাছাই ও নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
‎
‎আয়োজকরা জানান, এ ধরনের চাকরি মেলা জেলার বেকার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং স্থানীয় মানবসম্পদকে জাতীয় পর্যায়ে যুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিলে ইসলামের ইতিহাস, মুসলমানদের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:১৯ পি.এম


ব্রাজিলে ইসলামের ইতিহাস, মুসলমানদের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ

দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম দেশ ব্রাজিল সাধারণত ফুটবল, কার্নিভাল এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য বিশ্বব্যাপি পরিচিত। তবে অনেকের জানার বিষয় হল, এই দেশটির মাটিতে ইসলাম বহন করছে এক দীর্ঘ, বেদনাবিধুর ও গৌরবময় ইতিহাস। দাসত্ব, নির্যাতন ও ধর্মীয় নিপীড়নের অন্ধকার অধ্যায় অতিক্রম করে বর্তমানে ব্রাজিলের মুসলিম সমাজ শিক্ষা, বাণিজ্য, সামাজিক নেতৃত্ব ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিজেদের একটি শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে। তাদের এই যাত্রা জরুরি ধৈর্য, আত্মত্যাগ ও ঈমানের এক অন্যতম দৃষ্টান্ত।

বর্তমানে ব্রাজিলে প্রায় দেড় লক্ষ মুসলমান বসবাস করছেন, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ০.১ শতাংশ। আমেরিকা আবিষ্কারের প্রাথমিক সময়ে পর্তুগিজ নাবিকেরা আফ্রিকান মুসলমানদের দাস হিসেবে ব্রাজিলে নিয়ে আসেন। দীর্ঘ প্রায় পাঁচশত বছরের ইতিহাসকে অতিক্রম করে আজ মুসলমানরা দেশের অন্যতম অগ্রসর ও সম্মানিত সম্প্রদায়ে পরিণত হয়েছে।

ষোড়শ শতকের শুরুতে পর্তুগিজ নাবিক পেদ্রো আলভারেস কর্কওয়াল ব্রাজিল উপকূলে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন বেশ কয়েকজন মুসলিম নাবিক, যাদের মাধ্যমেই ব্রাজিল ও আশপাশে ইসলামের পরিচয় ছড়িয়ে পড়ে। ইতিহাসের পাতা থেকে শিহাবুদ্দিন ইবনে মাজেদ ও মুসা ইবনে সাতি বিশেষভাবে স্মরণীয়।

অন্যদিকে, স্পেনে মুসলিম শাসনের অবসানের পর বহু স্প্যানিশ মুসলমানও আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে ব্রাজিলে আশ্রয় গ্রহণ করেন।

ব্রাজিলে আগত বহু মুসলমান পর্তুগিজ শাসকদের নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। অনেককে হত্যা করা হয়, আবার অসংখ্য আফ্রিকান মুসলমানকে দাস হিসেবে এখানে নিয়ে আসা হয়। ব্রাজিলের জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত বিভিন্ন ঐতিহাসিক দলিল থেকে জানা যায়, এসব আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মুসলমান নিজেদের ঈমান ও ধর্মীয় পরিচয় দৃঢ়ভাবে ধরে রেখেছিলেন। তারা আরবি ভাষায় কুরআন পাঠ করতেন এবং ইসলামের মৌলিক শিক্ষাগুলো নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করতেন।

মুসলিম দাসদের মধ্যে যারা বয়সে প্রবীণ ও জ্ঞানী ছিলেন, তারা অন্যদের কুরআন, ফিকহ, আকিদা এবং শরিয়তের শিক্ষা দিতেন। কঠিন দাসজীবনের মধ্যেও ইসলামের আলো তারা নিবিয়ে দেননি।

১৬০৫ সালে ব্রাজিলের উত্তরাঞ্চলের আলমিরস এলাকায় প্রায় ৩০ হাজার কৃষ্ণাঙ্গ মুসলমান বিদ্রোহ ঘোষণা করেন। তরুণ মুসলিম নেতা জানজা জুম্বা নিপীড়িত মুসলমানদের জন্য একটি স্বাধীন মুসলিম রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তার ভাই ও উত্তরসূরিরা দীর্ঘ সময় ধরে সেই রাজ্যটি টিকিয়ে রাখেন।

প্রায় এক শতাব্দী পরে, ১৬৯৪ সালে পর্তুগিজ বাহিনীর হাতে আলমিরসের পতন ঘটে। এরপর মুসলমানদের ওপর আবারও ভয়াবহ নির্যাতন নেমে আসে। অধিকাংশ মুসলমানকে জোরপূর্বক খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়েছিল।

১৮৮৮ সালে ব্রাজিলে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত মুসলমানদের ওপর অত্যাচার ও বৈষম্য অব্যাহত ছিল।

উনিশ শতকের শেষভাগ থেকে ব্রাজিলের মুসলমানদের ভাগ্য পরিবর্তিত হতে শুরু করে। আরব-ইসরাইল যুদ্ধ, লেবাননের গৃহযুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে লেবানন, ফিলিস্তিন, মিসর এবং সিরিয়া থেকে বিপুলসংখ্যক মুসলমান ব্রাজিলে অভিবাসন করেন। এর ফলে ব্রাজিলের সঙ্গে আরব ও মুসলিম বিশ্বের সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে এবং মুসলিম সমাজ নতুন করে শক্তি সঞ্চয় করেছে।

গত শতাব্দী এবং চলন্ত শতাব্দীতে ব্রাজিলে আগত অধিকাংশ মুসলমান ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গেও যুক্ত হন। বর্তমানে দেশটির অর্থনীতিতে মুসলিম ব্যবসায়ীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন।

এছাড়া সরকারি চাকরি, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং অন্যান্য পেশায়ও মুসলমানরা দক্ষতা ও সাফল্যের পরিচয় দিচ্ছেন।

বর্তমানে ব্রাজিলের প্রায় প্রতিটি শহরে মসজিদ আছে। দেশটিতে মসজিদের সংখ্যা প্রায় ১৩০, যা ২০০০ সালের তুলনায় চার গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

শিশুদের ইসলামি শিক্ষা প্রদানের জন্য মক্তব, মাদ্রাসা এবং ইসলামিক স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এসব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও বিভিন্ন কার্যক্রমে সরকারও সহযোগিতা করে থাকে।

ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরো শহরে আছে বৃহৎ ইসলামিক সেন্টার, ইসলামিক স্কুল এবং একাধিক বড় মসজিদ। এছাড়া সাও পাওলো শহরে শক্তিশালী মুসলিম কমিউনিটি বিদ্যমান। রিও ডি জেনিরো, সাও পাওলো এবং রিও গ্রান্দে দো সুল অঞ্চলে তুলনামূলকভাবে মুসলমানদের বসবাস বেশি। অন্যদিকে পারানা অঞ্চলেও আরব বংশোদ্ভূত উল্লেখযোগ্য মুসলিম সম্প্রদায়ের বাসস্থান রয়েছে।

ব্রাজিলের মুসলমানদের ইতিহাস কেবল একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ইতিহাস নয়; এটি সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, ধৈর্য এবং পুনর্জাগরণের একটি অনন্য কাহিনী। দাসত্বের শৃঙ্খল, ধর্মীয় নিপীড়ন এবং দীর্ঘ প্রতিকূলতা অতিক্রম করে আজ তারা শিক্ষা, অর্থনীতি, ব্যবসা ও সামাজিক নেতৃত্বে সম্মানজনক অবস্থান অর্জন করেছেন। তাদের এই পথচলা প্রমাণ করে— ইমান, অধ্যবসায় এবং ঐক্য থাকলে প্রতিকূলতার অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথ নির্মাণ করা সম্ভব।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন্দ্রীয় কমিটি প্রকাশ করল ইসলামী আন্দোলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২১ পি.এম


কেন্দ্রীয় কমিটি প্রকাশ করল ইসলামী আন্দোলন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। এতে আবারও আমির নির্বাচিত হয়েছেন চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। এ ছাড়া মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর বিজয়নগরের একটি হোটেলে মজলিশে শুরার বিশেষ অধিবেশন শেষে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম (চরমোনাই পীর) এ কমিটি ঘোষণা করেন। শুরার অধিবেশনে ২০২৫-২৬ বছরের সাংগঠনিক কার্যক্রম পর্যালোচনাসহ রাজনৈতিক কৌশল ও পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। ৫৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে অন্যান্য পদে রয়েছেন, নায়েবে আমির—মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মাওলানা আব্দুল হক আজাদ; যুগ্ম মহাসচিব—প্রকৌশলী মুহাম্মদ আশরাফুল আলম, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, শাহ ইফতেখার তারিক, মাওলানা মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন; সহকারী মহাসচিব—মুফতি সৈয়দ এসহাক মুহা. আবুল খায়ের, মাওলানা আহমাদ আবদুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলুল করীম মারুফ। এ ছাড়া সদস্য হিসেবে আছেন—মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন ওয়ালী উল্লাহ (এমপি), মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, আলহাজ হারুন অর রশীদ, হাফেজ মাওলানা নুরুল করীম আকরাম, শেখ আবু তাহের, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, মাওলানা মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন, আলহাজ আব্দুর রহমান, প্রকৌশলী আতিকুর রহমান মুজাহিদ, মুফতি হেমায়েতুল্লাহ কাসেমী, প্রফেসর ড. বেলাল নূর আজীজি, মাওলানা মুহাম্মদ খলিলুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ আবুল কাশেম, মুফতি দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, শেখ মুহাম্মদ নুরুন নাবী, হাফেজ মাওলনা মাহমুদুল হাসান (এল.এল.বি.), মাওলানা মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, উপাধ্যক্ষ মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, কে এম শরীয়তুল্লাহ, অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বরকতুল্লাহ লতিফ, অধ্যাপক নাছির উদ্দিন খাঁন, মুফতি মানসুর আহমাদ সাকী, আলহাজ মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, মুফতি রেজাউল করীম আববার, মুফতি শামসুদ্দোহা আশরাফী, আলহাজ মুহাম্মদ আল ইকবাল, আলহাজ মুহাম্মদ সেলিম মাহমুদ, প্রভাষক মাওলানা আলমগীর হোসাইন তালুকদার, কে এম বেলাল হোসাইন, মাওলানা শেখ মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, মুহাম্মদ আব্দুজ জলিল, মুহাম্মদ আল-আমীন (ঠাকুরগাঁও), ইঞ্জিনিয়ার শেখ মারুফ ও এম এম কামাল হোসাইন (ভোলা)। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেন, ‘ইসলামী আন্দোলন গতানুগতিক কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়, বরং শরিয়ার পূর্ণ অনুসরণ ও বাস্তবায়নই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। শরিয়া ও ইসলামকে প্রধান্য দিয়েই আমরা রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ করি। এতে বাহ্যিক চড়াই-উৎরাই আমরা মেনে নিই। সময় থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। সেজন্য দলকে আরো সুসংহত করতে হবে।’ তিনি জানান, আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। জাতির প্রত্যাশা পূরণে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর ধারাবাহিক ব্যর্থতা আমাদের দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে তুলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষ রোপণ অভিযান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মোঃ জিয়াউর রহমান ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৫ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রশিবিরের বৃক্ষ রোপণ অভিযান

সবুজ দেশের সুস্থ বাতাস লাগুক সবার প্রাণে, এই স্লোগানকে সামনে রেখে ইসলামি ছাত্রশিবির সারাদেশে বৃক্ষ রোপণ অভিযান পালন করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ঠাকুরগাঁও জেলার শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজে, বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবির ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ শাখা বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি পালন করেছে।

এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান ও ইসলামি ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি জননেতা জনাব দেলওয়ার হোসেন।

এছাড়াও ইসলামি ছাত্রশিবির ঠাকুরগাঁও শহর শাখা ও কলেজ শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এটি উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, এসময় প্রায় শতাধিক বৃক্ষ রোপণ ও বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%