ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার ও জনগণের মধ্যে তথ্যের সেতুবন্ধনে পিআইডি’র ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : তথ্য প্রতিমন্ত্রী


সরকার ও জনগণের মধ্যে তথ্যের সেতুবন্ধনে পিআইডি’র ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উল্লেখ করেন, সরকার ও জনগণের মধ্যে তথ্যের সেতুবন্ধন তৈরিতে তথ্য অধিদফতরের (পিআইডি) ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

তিনি জানান, জনগণের কাছে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড, উন্নয়ন ও সেবার তথ্য পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি দুর্যোগকালীন সময়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি, জনগণকে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান এবং সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত করার ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠান সবসময় তৎপর রয়েছে।

আজ শনিবার চট্টগ্রামের আঞ্চলিক তথ্য অফিস পরিদর্শনকালে এর সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে একটি মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: রংপুর ও রাজশাহী সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের পথে

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পিআইডি’র কাজের পরিধি প্রত্যাশার চেয়েও অনেক বিস্তৃত। তবে, জনবল সংকটের কারণে অনেক ক্ষেত্রে কাজের ওপর চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি জানান, পিআইডি’র জনবল সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর একটি উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সাথে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বাড়িয়ে বিদ্যমান জনবল ও সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও যোগ করেন, বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজের মধ্যে যেসব ক্ষেত্রে সমন্বয় ও সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে, সেখানে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজের গতি বৃদ্ধি করা সম্ভব। বিশেষ করে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় জনগণকে সচেতন ও অবহিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিতভাবে কাজ করা জরুরি। 

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সংবাদ প্রচার বা তথ্য সরবরাহের পাশাপাশি, দুর্যোগের সময় জনগণকে সচেতন করা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়াও তথ্য বিভাগের কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে আরো কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলা জরুরি।

পিআইডি’র কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জনগণকে মানসম্মত সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে চলমান কার্যক্রমগুলোকে আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে হবে। সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও সর্বোচ্চ সেবা এবং তথ্যে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: পদ্মা ও তিস্তায় ব্যারাজ তৈরি করব: প্রধানমন্ত্রী

মতবিনিময় সভায় আঞ্চলিক তথ্য অফিস, চট্টগ্রামের উপ প্রধান তথ্য অফিসার বাপ্পী চক্রবর্তী চট্টগ্রাম পিআইডির কার্যক্রম সম্পর্কে একটি তথ্যচিত্র উপস্থাপন করেন। এ সময় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে নতুন পুলিশ কমিশনারের যোগদান উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৭ পি.এম


বরিশালে নতুন পুলিশ কমিশনারের যোগদান উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) নতুন কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ'র যোগদান উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে একটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে আলোচনা হয় নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তা ও পুলিশের সঙ্গে গণমাধ্যমের সমন্বয়ের বিষয়ে।

মিট দ্য প্রেসে সাংবাদিকরা বরিশাল নগরীর সার্বিক নিরাপত্তা, মাদক ও কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, যানজট নিরসন, চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধ এবং সাধারণ মানুষের পুলিশের সেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতামত তুলে ধরেন।

নতুন কমিশনারের দায়িত্ব গ্রহণকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি, অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ এবং জনবান্ধব পুলিশিং জোরদারের প্রত্যাশা জেগে উঠেছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরাও পুলিশের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে জনগণকে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্য দিতে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মিট দ্য প্রেসে বিএমপি’র ঊর্ধতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন কমিশনারের সাথে বরিশালের গণমাধ্যমকর্মীদের আনুষ্ঠানিক মতবিনিময়ের সূচনা হলো।

সম্প্রতি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহকে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি গত ৫ আগস্ট পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন। এর আগে তিনি পুলিশ সদর দপ্তরে ডিআইজি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি অতীতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কাউখালীতে খালের দুই পাশের সড়ক বেহাল, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,কাউখালী প্রতিনিধি

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫০ পি.এম


কাউখালীতে খালের দুই পাশের সড়ক বেহাল, চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা শহরের অন্যতম ব্যস্ততম সড়ক এসবি সরকারি বালিকা বিদ্যালয় সড়ক ও কচুয়াকাটি খালের দুই পাশের সড়ক দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে বেহাল হয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার হাজারো মানুষ। দ্রুত সড়ক দুটি সংস্কার করা না হলে খালের সঙ্গে সড়ক বিলীন হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, কাউখালী এসবি সরকারি বালিকা বিদ্যালয় সড়কের কচুয়াকাটি খালের উত্তর পাড়ে স্কুল এলাকা থেকে বেইলি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার এবং খালের দক্ষিণ পাশে উত্তর বাজার থেকে বেইলি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও সড়কের পিচ ও ইট উঠে গিয়ে মাটি বের হয়ে গেছে। বৃষ্টির পানি জমে এসব স্থানে কাদার সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন এসব সড়ক দিয়ে রিকশা, অটোরিকশা, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চালকদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। বিশেষ করে বৃষ্টির সময় খানাখন্দে পানি ও কাঁদা জমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল হোসেন “এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ চলাচল করেন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে বাজারের ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ সবাইকে এই রাস্তা ব্যবহার করতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার অবস্থা খারাপ হলেও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। দ্রুত সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
আরেক বাসিন্দা ব্যবসায়ী সুজন হোসেন“খালের দুই পাশের রাস্তার অনেক জায়গায় পিচ ও ইট উঠে গেছে। বর্ষার সময় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। খালের পাড়ের কিছু অংশও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে কোনো এক সময় রাস্তার অংশ খালের মধ্যে ধসে পড়তে পারে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ চলাচল করলেও দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। দ্রুত সংস্কার না হলে জনদুর্ভোগের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও উপজেলা শহরের স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থাও ব্যাহত হতে পারে।
এ বিষয়ে কাউখালী উপজেলা প্রকৌশলী ইমতিয়াজ হোসাইন রাসেল বলেন, “সড়ক দুটির বর্তমান অবস্থা আমরা অবগত আছি। ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে। জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে দ্রুত সংস্কারের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
কাউখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, “খালের দুই পাশের সড়কগুলো জনগুরুত্বপূর্ণ। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে যাতে জনসাধারণকে দুর্ভোগে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসীর দাবি, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও অবনতির আগেই কচুয়াকাটি খালের উত্তর ও দক্ষিণ পাশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক দুটি দ্রুত সংস্কার করে মানুষের চলাচলের উপযোগী করা হোক। একই সঙ্গে খালের পাড় সংরক্ষণ করে সড়ক রক্ষায় স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাজ্যে ভিসার অপব্যবহারে শীর্ষে পাকিস্তানি নাগরিকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৫ পি.এম


যুক্তরাজ্যে ভিসার অপব্যবহারে শীর্ষে পাকিস্তানি নাগরিকরা

পাকিস্তানিদের যন্ত্রণা চরমে পৌঁছেছে এবং এতে ব্রিটেনের অভিবাসন ব্যবস্থা নজিরবিহীন সংকটে পড়েছে। সরকারের নতুন তথ্য অনুসারে, পাকিস্তানি নাগরিকরা বৈধ ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের পর আশ্রয়ের জন্য আবেদন করছে রেকর্ড পরিমাণে। এই আবেদনকারীদের মধ্যে স্টুডেন্ট, ওয়ার্ক এবং ভিজিটর ভিসাধারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

বৈধ ভিসাকে স্থায়ী বসবাসের ‘গোপন দরজা’ হিসেবে ব্যবহারের প্রবণতা ব্রিটিশ নীতিনির্ধারকদের মাঝে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বিশ্বের ১৭৫টি দেশকে পেছনে ফেলে পাকিস্তান এখন যুক্তরাজ্যে আশ্রয় প্রার্থীর সর্ববৃহৎ উৎস হয়ে উঠেছে। মোট আশ্রয় আবেদনের ১০টির মধ্যে একটি পাকিস্তানি নাগরিকের, যা ২০২২ সালের তুলনায় পাঁচগুণেরও বেশি। দীর্ঘদিন ধরে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেওয়া নৌকা অভিবাসন ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু; কিন্তু নতুন তথ্য জানাচ্ছে— বিমানবন্দরের বৈধ প্রবেশপথ দিয়েই চলছে সবচেয়ে বড় অপব্যবহার।

এ প্রবণতার মূল কৌশল হচ্ছে ‘ভিসা সুইচিং’। পর্যটক, ছাত্র অথবা অস্থায়ী কর্মী হিসেবে ভিসা নিয়ে প্রবেশ করার পর হাজার হাজার মানুষ রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন জমা দিচ্ছে। সীমান্ত পার হওয়ার পর খুব অল্প কিছু দিনেই তারা শরণার্থী আবেদনের সুযোগ নিচ্ছে। গত বছর প্রায় ১০,০০০ পাকিস্তানি বৈধ কাগজপত্রের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করার পর তাদের মত পাল্টিয়ে আশ্রয় দাবি করেছেন। সবচেয়ে বড় অনিয়ম ঘটছে স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে। উচ্চশিক্ষার জন্য আসা ৫,৮৮৮ জন পাকিস্তানি ছাত্র পড়াশোনা সম্পন্ন না করেই আশ্রয়ের আবেদন করেছেন, যা ভারত ও বাংলাদেশের সম্মিলিত সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে। یہ ধারাটি এক পরিকল্পিত অপব্যবহারের পরিচায়ক— প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে প্রবেশ নিশ্চিত করা, পরে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় অজুহাতে আশ্রয়ের আবেদন করা।

ওয়ার্ক ভিসা ও ভিজিটর ভিসার ক্ষেত্রেও পাকিস্তান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। ২০২৪ সালে মোট আশ্রয় আবেদনের ৩৭.৬ শতাংশই এসেছে সেই সব ব্যক্তির কাছ থেকে, যারা সাময়িক ভিসা ব্যবহারের মাধ্যমে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করেছিলেন। অফিস ফর ন্যাশনাল স্ট্যাটিসটিকসের সাবেক সিনিয়র কর্মকর্তা জেমি জেনকিন্স এই পরিসংখ্যানকে ‘পদ্ধতিগত ব্যর্থতা’ বলে মন্তব্য করেছেন।

তার মতে, যুক্তরাজ্যের উদার ভিসা নীতি এক প্রকার ফাঁকফোকর তৈরি করেছে যা নিষ্ঠুরভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজনীতিবিদরা যখন ছোট নৌকায় স্লোগানে ব্যস্ত, তখন বৈধ প্রবেশপথে আশ্রয় ব্যবস্থার ভাঙন গভীর হচ্ছে বলে তিনি সতর্ক করেন। পরিস্থিতি ব্রিটিশ সমাজে নতুন বিতর্কের সূচনা করেছে। বিশেষত সেই অঞ্চলে উত্তেজনা বেশি, যেখানে অতীতে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পুরুষদের জড়িত থাকার অভিযোগে ‘গ্রুমিং গ্যাং’ কেলেঙ্কারি এখনও প্রভাব ফেলছে। অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ সামাজিক আস্থা বাড়ানোর বদলে আরও কমিয়ে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

শ্যাডো হোম সেক্রেটারি ক্রিস ফিলিপ বলেন, ব্রিটেনের সীমান্ত ব্যবস্থা প্রকাশ্যে অপব্যবহারের শিকার। তার দাবি, আশ্রয় প্রক্রিয়া কখনই ছাত্র বা পর্যটকদের জন্য বিকল্প প্রবেশের পথ হিসেবে তৈরি হয়নি। বিরোধী দল অবিলম্বে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক মন্দা, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি দেশত্যাগের আগ্রহ বাড়ালেও সমালোচকদের মতে, দারিদ্র্য আশ্রয়ের বৈধ ভিত্তি নয়। নিপীড়ন ছাড়া অন্য কোন কারণকে শরণার্থী মর্যাদার যুক্তি হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। হোম সেক্রেটারি শাবানা মাহমুদের নেতৃত্বে হোম অফিস ভিসা ব্যবস্থার অপব্যবহার রোধে নতুন কঠোর নীতি আনার পরিকল্পনা করছে। যারা ভিসা সুইচিংয়ে জড়াবে, তাদের স্থায়ী বসবাস পেতে ২০ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে এবং প্রতি ৩০ মাসে তাদের স্ট্যাটাস পর্যালোচনা করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রুটের কাঁধে ফের অধিনায়কত্ব, কতটা ঝুঁকি নিল ইংল্যান্ড?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৫৬ পি.এম


রুটের কাঁধে ফের অধিনায়কত্ব, কতটা ঝুঁকি নিল ইংল্যান্ড?

রুট ইতিমধ্যে ইংল্যান্ডের টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটার হয়ে উঠেছেন। এখন তার সামনে সম্ভবত শচীন টেন্ডুলকারের ১৫ হাজার ৯২১ টেস্ট রানের রেকর্ড অতিক্রম করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু অধিনায়কত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব তার এই যাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।

৩৫ বছরের এই রুট আগে প্রায় পাঁচ বছর ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন। সেই সময় নেতৃত্বের দায়িত্ব এটি তার জন্য মানসিকভাবে ক্লান্তি নিয়ে এসেছিল। এক সময় তিনি অধিনায়কত্বকে নিজের ক্যারিয়ারের জন্য বাধা হিসেবে আপাতভাবে মনে করেছিলেন।

তবে তিনি আবারও দলের প্রয়োজনের জন্য নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণে রাজি হয়েছেন। কিন্তু এই মেয়াদ কতদিন স্থায়ী হবে, সেই বিষয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজমান। ইংল্যান্ড সম্ভবত ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের অপেক্ষা করে হ্যারি ব্রুককে ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে প্রস্তুত করার পরিকল্পনা নিয়েছে, এমন সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে।

রুটের জন্য স্বস্তির একটি সুযোগ হতে পারেন নতুন প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। নিউজিল্যান্ডের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক ফ্লেমিং কৌশলগতভাবে দক্ষ এবং খেলোয়াড়দের ওপর চাপ কমিয়ে নিজ দায়িত্বের ওপর চাপ নিতে পরিচিত। মইন আলী উল্লেখ করেছেন যে, ফ্লেমিং খেলোয়াড়দের চাপ নিজের দিকে টেনে নিতে পারেন।

তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯ আগস্ট হতে যাওয়া তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ফ্লেমিং উপস্থিত থাকবেন না। তার অনুপস্থিতিতে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মার্কাস ট্রেসকোথিক। এর ফলে শুরুতেই রুটকে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে হতে পারে।

এছাড়া ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণের পুনর্গঠন প্রক্রিয়াও চলছে। স্টুয়ার্ট ব্রড, বেন স্টোকস এবং জেমস অ্যান্ডারসনের মতো অভিজ্ঞরা অবসর নেয়ার পর দলের বোলিং বিভাগ অভিজ্ঞতা হারিয়েছে। এর ফলে নতুন করে একটি দল তৈরি করার সময় রুটকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে।

রুটের রানের বিষয়ে কখনই বড় প্রশ্ন ওঠেনি। বরং নেতৃত্বের অতিরিক্ত চাপ তার ব্যাটিংকে কতটা প্রভাবিত করে, সেটি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাপমুক্ত থাকলে রুট আরও কিছু বছর শীর্ষ পর্যায়ে ব্যাটিং করতে পারবেন, এই বিশ্বাসও মার্টিন প্রকাশ করেছেন।

ইংল্যান্ড আবারও রুটকে অধিনায়কত্বে ফিরিয়ে এনে একটি ঝুঁকি নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্ত কতটা সফল হবে, সেটি সময়ই বলবে। তবে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে মূল্যবান ব্যাটারের ব্যাটিং যেন নেতৃত্বের চাপের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা এখন তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%