ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

আওয়ামী লীগ আর কখনো দেশে রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


আওয়ামী লীগ আর কখনো দেশে রাজনীতি করতে পারবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, বর্তমান নিষিদ্ধ কার্যক্রম আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না।

তিনি শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে চলমান জুলাই জাতীয় সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন।

জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সে সময় তারেক রহমানের সঙ্গে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে নির্ঘুম রাত কাটিয়ে দলকে সংগঠিত করে অরাজনৈতিক পরিচয়ে জুলাই আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘটাতে সক্ষম হই। এটা পর্দার অন্তরালের কথা।’

আরও পড়ুন: কক্সবাজারে নলকূপ খননের স্থান থেকে গ্যাসের আগুন, বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে

ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতির প্রত্যাশা অনেক। অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনায় সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। সরকার তার পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছে।’

তিনি আরও অভিযোগ করতে বলেন যে, আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে সালাহউদ্দিন আহমদ।

তিনি মন্তব্য করেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন হয়েছে। তারা এ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনৈতিকভাবে তাদের দাফন হয়ে গেছে।’

শিগগিরই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে বলেও মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যা মামলায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

তিনি বলেন, ‘জুলাই চেতনা নিয়ে কেউ যেন ব্যবসা না করি, চেতনা বিক্রি ভালো নয়। যারা চেতনা ব্যবসা করবে তাদের পরিণতিও দেশের মানুষ দেখবে।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে লাইফগার্ড সংকটে নিরাপত্তা ঝুঁকি, বাড়ছে সাগরে ডুবে মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ পি.এম


কক্সবাজারে লাইফগার্ড সংকটে নিরাপত্তা ঝুঁকি, বাড়ছে সাগরে ডুবে মৃত্যু

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে প্রতিদিন হাজারো পর্যটকের ভিড় জমে। কিন্তু পর্যাপ্ত লাইফগার্ড ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকার কারণে অনেকের আনন্দভ্রমণ মুহূর্তেই শোকে পরিণত হচ্ছে। সাগরের প্রবল স্রোতে প্রতি বছর মৃত্যু ও নিখোঁজের ঘটনা বাড়ছে। সী সেফ লাইফগার্ড সংস্থা জানিয়েছে, ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ সৈকতের মাত্র দুই কিলোমিটারে লাইফগার্ড সেবা রয়েছে। বাকি অংশে যথেষ্ট নিরাপত্তা, সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড বা নিরাপত্তা পতাকা মজুত নেই। ফলে জনপ্রিয় ১৫-২০টি পয়েন্টে সমুদ্রস্নানে নামা পর্যটকদের জন্য চরম ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। সংস্থার ওপর ভিত্তি করে তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ বছরে সাগরে ডুবে ৭৬ জন পর্যটক মারা গেছেন। এর মধ্যে গত বছরেই প্রাণ হারিয়েছেন ২৫ জন; তবে এ সময়ে এক হাজার ২৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। পর্যটন সংশ্লিষ্টদের মতে, পর্যাপ্ত নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত না করলে এ ধরনের দুর্ঘটনা আরও বাড়তে পারে। সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে দেখার পরে দেখা গেছে, বিপজ্জনক এলাকা চিহ্নিত করে লাল পতাকা টাঙানো হলেও যথেষ্ট সতর্কবার্তা, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার বা দৃশ্যমান লাইফগার্ড নেই। নিরাপত্তা ব্যবস্থার এমন ঘাটতির মাঝেও পর্যটকরা অবাধে সমুদ্রে নামছেন। সী-সেফ লাইফগার্ডের তথ্য অনুসারে, গত বছর এ পয়েন্টে সমুদ্রস্নানে নেমে ১২ জন প্রাণ হারিয়েছেন। লাল পতাকা থাকা সত্ত্বেও এই পতাকার গুরুত্ব সম্পর্কে অনেক পর্যটকের ধারণা নেই। ফলে বড় ঢেউ ও তীব্র স্রোতের মধ্যেও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অনেকেই গোসল করছেন, নারী-পুরুষ, এমনকি শিশু-কিশোরও। শরীয়তপুর থেকে আসা পর্যটক জীবন মোল্লা জানান, নিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সম্পর্কে তার কোনো ধারণা ছিল না। বান্দরবান ভ্রমণ শেষে কক্সবাজারে এসে গাড়ি থেকে নেমেই তিনি সমুদ্রে নেমে পড়েন। সমুদ্রস্নানের সময় আরেক পর্যটক মো. লিংকন জানান, ‘সৈকতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না থাকার কারণে নিরাপদ এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা কোথায়, তা বোঝা যাচ্ছে না। লাল পতাকার অর্থ বিপজ্জনক এবং সমুদ্রে নামা নিষেধ জানালেও অনেকেই সেখানে নামছেন দেখে আমরাও নেমে পড়েছি।’ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত থেকে ৩২ কিলোমিটার দূরে ইনানী। মেরিন ড্রাইভে গিয়ে পর্যটকরা পাথুরে সৈকত, ইনানী জেটি বা পাতুয়ারটেকে নামেন। অনেকেই বালিয়াড়ি পেরিয়ে সমুদ্রস্নানে নেমে পড়েন। তবে ইনানী সৈকতের তিনটি পয়েন্টে লাইফগার্ড সেবা নেই। সেখানে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড বা নিরাপত্তা চিহ্নিত পতাকা নেই। ইনানীতে আসা পর্যটক শফিউল আলম জানান, কক্সবাজার থেকে আসার পথে কিছু সাইনবোর্ড দেখা গেলেও ইনানী সৈকতের আশপাশে যথেষ্ট সতর্কবার্তা নেই। পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য সৈকতের বিভিন্ন স্থানে জোয়ার-ভাটা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এবং নিরাপদে সমুদ্রে নামার নির্দেশনা সংবলিত সাইনবোর্ড স্থাপন জরুরি। গাজীপুর থেকে আসা তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘সৈকতের এই অংশে কোথাও লাল-হলুদ সতর্কতামূলক পতাকা দেখতে পাইনি। কখন সমুদ্রে নামা নিরাপদ এবং কখন ঝুঁকিপূর্ণ, এ ধরনের কোনো নির্দেশনা চোখে পড়েনি।’ ঢাকার বনানী থেকে আসা পর্যটক রোকেয়া বেগম বলেন, ‘সমুদ্রে নামার সময় কিছুটা ঝুঁকি অনুভব হয়। কারণ সমুদ্রের আচরণ সম্পর্কে আমাদের মতো অনেক পর্যটকের ধারণা থাকে না। পর্যটকদের সচেতন করতে সৈকতে দায়িত্বশীল কর্মী বা লাইফগার্ড থাকা জরুরি।’ পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক পর্যটক এলেও বিচকর্মী এবং দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থা নেই। ইনানী এলাকার পর্যটন ব্যবসায়ী সিয়াম আহমেদ বলেন, ‘সৈকতের বিভিন্ন স্থানে ২০০ থেকে ৩০০ মিটার পরপর বিচকর্মী বা লাইফগার্ড থাকলে পর্যটকদের সতর্ক করা সম্ভব হবে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।’ একই এলাকার ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, দুর্ঘটনা ঘটলে ট্যুরিস্ট পুলিশ বা ফায়ার সার্ভিসকে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে দেখা যায়, তবে জরুরি মুহূর্তে দ্রুত উদ্ধার নিশ্চিত করা যায় কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। সী সেফ লাইফগার্ড সংস্থার সুপারভাইজার মো. ওসমান গনি বলেন, ‘আমাদের উদ্ধার সরঞ্জাম হচ্ছে মূলত রেসকিউ টিউব ও রেসকিউ বোর্ড, যা হাতে প্যাডেল করে পরিচালনা করতে হয়। সৈকতের বিস্তৃতি বেশি হওয়ায় কয়েকটি পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত লাইফগার্ড সদস্য এবং আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম প্রয়োজন। পর্যটকদেরও সচেতন হতে হবে।’ ইনানী ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও বিকেলে হ্যান্ড মাইক ব্যবহার করে পর্যটকদের সতর্ক করা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় না যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হয়। তবে সৈকতটি অনেক বিস্তৃত হওয়ায় সার্বক্ষণিক নজরদারি সম্ভব হয় না। পর্যাপ্ত রেসকিউ টিম থাকলে দ্রুত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করাও সহজ হবে।’ সার্বিক বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ‘অনেক পর্যটক গোসল করতে নেমে নিরাপদ সীমার বাইরে চলে যান। তারা জোয়ার-ভাটার স্রোতে পড়ে বিপদে পড়ছেন। একটি বিদেশি সংস্থার অর্থায়নে ২৭ সদস্যের লাইফগার্ড দল বর্তমানে কাজ করছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনবল বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক উদ্ধার সরঞ্জাম সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরো জানান, লাইফগার্ড সেবার মানোন্নয়নে সম্প্রতি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কৃষি কার্ড চালু হলে মধ্যস্বত্বভোগীদের সুযোগ থাকবে না: কৃষিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪১ পি.এম


কৃষি কার্ড চালু হলে মধ্যস্বত্বভোগীদের সুযোগ থাকবে না: কৃষিমন্ত্রী

মধ্যস্বত্বভোগীদের সুবিধা গ্রহণের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ, কারণ কৃষি কার্ডের ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়েছে।

তিনি নিশ্চিত করেছেন যে কৃষি কার্ডের মাধ্যমে দেশে কৃষকদের একটি ডেটাবেস তৈরি হবে। এর ফলে আমরা জানতে পারবো দেশের কোন অঞ্চলে কি ধরনের ফসল উৎপাদিত হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোন এলাকায় আলু বেশি উৎপাদন হয়, তবে আমরা তাদের জানানোর সুযোগ পাবো ওই অঞ্চলের জন্য চাহিদা কেমন। এই অবস্থায় কৃষকেরা তাদের উৎপাদন চাহিদার ভিত্তিতে করবে। যার ফলে যদি যোগান ও চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য থাকে, তাহলে মধ্যস্বত্বভোগীরা আর সুবিধা গ্রহণ করতে পারবে না।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের কিছু প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে এই মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী।

তিনি আরও বলেন, প্রতি মৌসুমে বিশেষ কিছু সবজি বেশি উৎপাদন হয়। ফলস্বরূপ, অধিক উৎপাদনের কারণে চাহিদা অনুযায়ী সবজির দাম নির্ধারণ করা সম্ভব হয়না। অনেক সময় দেখা যায়, কৃষকের খেতে টমেটো রয়েছে, কিন্তু দাম কম হওয়ায় তারা টমেটো তুলতে পারেন না। কৃষকেরা ক্ষেত থেকে টমেটো নিয়ে বাজারে বিক্রি করতে এমন খরচও লাভজনক হয়না। এই কারণে কৃষকেরা ক্ষতির সম্মুখীন হন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইউনিয়ন পর্যায়ে মিনি কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণের বিষয়টি ভাবা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী যে কনসেপ্ট দিয়েছেন, তার আলোকে ইউনিয়নে কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণ করা হবে। এবং সেটি সোলার প্যানেলের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। এর ফলে কৃষকেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেনা।

কৃষিমন্ত্রী শেষে বলেন, দেশের অর্থনীতির অগ্রগতির জন্য কৃষির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলের আর্থিক অগ্রগতি প্রয়োজন। কৃষকদের উন্নয়নের জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে দারিদ্র্য সমস্যা মোকাবেলা করে যেসব কৃষক আছেন এবং যারা কৃষি ঋণে ভোগান্তিতে আছেন, তাদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৯ মাসেও পরীক্ষার ফলাফল হাতে পাননি ইবির তিন শিক্ষার্থী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


১৯ মাসেও পরীক্ষার ফলাফল হাতে পাননি ইবির তিন শিক্ষার্থী

১৯ মাস ধরে আটকে রয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)-এর গণিত বিভাগের তিন শিক্ষার্থীর মাস্টার্সের ফল। একই বর্ষের অন্য শিক্ষার্থীরা প্রায় দুই বছর আগে মাস্টার্স শেষ করেছেন কিন্তু প্রশাসনিক জটিলতার কারণে ওই তিন শিক্ষার্থীর ফল প্রকাশ হচ্ছে না। ফলে তাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটির গণিত বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের নন-থিসিস শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু একই বর্ষের থিসিস গ্রুপের তিন শিক্ষার্থী এইচ এম আরাফাত, আফিদা সুলতানা ও সুইটির ফল এখনো আটকে রয়েছে। তাদের সমস্ত একাডেমিক কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও মৌখিক পরীক্ষা (ভাইভা) থামিয়ে রাখা হয়েছে, এজন্য ফল বের করা যায়নি।

তথ্য নিয়ে জানা গেছে, তিন শিক্ষার্থীর মধ্যে সুইটি মাস্টার্স করতে যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী সশরীরে ভাইভা দেওয়া অপরিহার্য। অন্যদিকে, একজনকে বাদ দিয়ে অন্যদের ভাইভা নেওয়ার নিয়ম নেই বলে প্রশাসন জানিয়েছে। এ কারণে সুইটি অনুপস্থিত থাকায় অন্য দুই শিক্ষার্থীর ভাইভা সম্পন্ন হয়নি।

এছাড়াও, বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের মাস্টার্স সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু ২০১৭-১৮ ব্যাচের ফল প্রকাশ না হওয়ায় ওই ব্যাচের থিসিস গ্রুপের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রমও আটকে আছে। ফল আটকে থাকা শিক্ষার্থী এইচ এম আরাফাত মন্তব্য করেছেন, 'বিভাগে সেশনজটের কারণে আমাদের অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করতে অনেক সময় লেগেছে। অন্যরা প্রায় দুই বছর আগে মাস্টার্স শেষ করলেও আমরা এখনো রেজাল্ট পাচ্ছি না।' তিনি আরো বলেন, 'একজন শিক্ষার্থী বিদেশে মাস্টার্স করছে। তার ফল না হলেও চলে, কিন্তু আমাদের তো প্রয়োজন। আমাদের সময় নষ্ট হচ্ছে। একজনের কারণে আমরা আটকে থাকবো এমন নিয়ম হতে পারে না।'

আরাফাত আরও বলেন, 'অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে থাকা শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ভাইভা নিলেও আমাদের পুরনো নিয়মে আটকে রাখা হচ্ছে। মাস্টার্স ছাড়া আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করতে পারছি না, চাকরির জন্যও আবেদন করতে পারছি না। একজন শিক্ষার্থীর কারণে আমাদের এমন ভোগান্তিতে ফেলতে পারে না প্রশাসন।'

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. সজীব আলী জানিয়েছেন, 'বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করেছি এবং প্রশাসনকেও জানিয়েছি। অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী সশরীরে ভাইভা দিতে হবে। একজন শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকায় জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। পরবর্তী একাডেমিক কাউন্সিলে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে প্রশাসন।'

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক বলেন, 'বিভাগ থেকেই ফাইল পাঠাতে দেরি করেছে। তবে বিষয়টি উপাচার্যকে জানানো হয়েছে। তিনি যে সিদ্ধান্ত জানাবেন, সে অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে এনসিপি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৩ পি.এম


জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে এনসিপি

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জরুরি সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) বিকেল ৫টায় রাজধানী ঢাকার বাংলामোটরে অবস্থিত দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে এই সংবাদ সম্মেলন।

দলটি এক বার্তায় জানিয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আব্দুল্লাহ এমপি, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার ও আলী আহসান জুনায়েদ এবং বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরা।

এ অবস্থায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%