ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফুসফুস প্রতিস্থাপনে সফল নরওয়ের রাজকুমারী


ফুসফুস প্রতিস্থাপনে সফল নরওয়ের রাজকুমারী

নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিটের ফুসফুস প্রতিস্থাপন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবে চিকিৎসকেরা বুধবার জানিয়েছেন, তাকে পুরোপুরি সুস্থ হতে আরো কয়েক সপ্তাহ হাসপাতলে থাকতে হবে।

রাজপরিবারের জন্য এই ফুসফুস প্রতিস্থাপন একটি সেই সময়ে হয়েছে, যখন তারা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সংকটের মধ্যে রয়েছেন। এই সপ্তাহের শুরুতে, ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিটের আগের সম্পর্কের ২৯ বছর বয়সী ছেলে মারিয়াস বোরগ হোইবি ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে চার বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন। তবে তার আইনজীবী নিশ্চিত করেছেন যে, হোইবি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

নরওয়ের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হাকনের ৫২ বছর বয়সী স্ত্রী মেটে-মারিট ২০১৮ সালে পালমোনারি ফাইব্রোসিসে আক্রান্ত হয়েছিলেন। এই দীর্ঘমেয়াদি রোগে ফুসফুসে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং শরীরের অক্সিজেন গ্রহণের ক্ষমতা কমে যায়।

আরও পড়ুন: গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে আতিকুল ইসলামের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

অসলো বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল জানিয়েছে, ফুসফুস প্রতিস্থাপন সফল হয়েছে। কিন্তু অস্ত্রোপচারটি ঠিক কবে করা হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়নি। হাসপাতালের অধ্যাপক আরো হোম বলেছেন, অন্য রোগীদের মতো মেটে-মারিটকেও কয়েক সপ্তাহ হাসপাতালে থাকতে হবে।

এই সময় তার ওষুধের মাত্রা সমন্বয়, সম্ভাব্য জটিলতার চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম চলবে।

গত ৫ জুন তার স্বাস্থ্যের হঠাৎ অবনতি হওয়ায় তাকে ফুসফুস প্রতিস্থাপনের অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়। চিকিৎসকেরা বলছেন, অস্ত্রোপচার ছাড়া তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা সীমিত ছিল। রাজপ্রাসাদ জানিয়েছে, সমর্থন ও শুভকামনার জন্য যুবরাজ ও যুবরানী জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার পরবর্তী তথ্য জানানো হবে।

নরওয়েতে প্রতি বছর প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে রাজপরিবারের সদস্যদের জন্য কোন বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয় না।

আরও পড়ুন: জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নস্যাৎ করার জন্য দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

তারা আরো জানায়, এর আকার সঠিক হতে হবে, রক্তের গ্রুপও সঠিক হতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে, গ্রহীতার শরীরে ওই অঙ্গের টিস্যুর ধরনের বিরুদ্ধে কোন অ্যান্টিবডি নেই। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সঠিক অঙ্গটি সঠিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়া। এর মানে হলো, সফলতার সম্ভাবনা বাড়ানোর জন্য অনেকগুলো বিষয়কে অনুকূলে থাকতে হয়।

অসলো বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, নরওয়েতে ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা রোগীদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ অস্ত্রোপচারের পর অন্তত এক বছর বেঁচে থাকেন। আর প্রায় ৫৫ শতাংশ রোগী ১০ বছর বা তারও বেশি সময় জীবিত থাকেন।

গত ডিসেম্বরে যুবরাজ হাকন জানিয়েছিলেন, মেটে-মারিটের শারীরিক অবস্থার ওঠানামা হচ্ছিল এবং তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গিয়েছিল। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোরে রাজকুমারীর অসুস্থতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলার প্রশংসা করেন। তার মতে, এতে একই রোগে আক্রান্ত অন্য মানুষ উপকৃত হতে পারবেন।

মেটে-মারিটের সঙ্গে যুবরাজ হাকনের পরিচয় ঘটে ১৯৯৯ সালে একটি সঙ্গীত উৎসবে। তখন তিনি একজন একক মা এবং সাধারণ পরিবারের সদস্য ছিলেন। তাদের সম্পর্ক শুরুতে বিতর্কের জন্ম দিলেও পরে তা নরওয়ের সবচেয়ে আলোচিত ও জনপ্রিয় রাজকীয় প্রেমকাহিনীগুলোর মধ্যে একটিতে রূপ নিয়েছে।

আরও পড়ুন: মাদরাসা বোর্ড পরীক্ষার প্রশ্নপত্র একীভূত করার পরিকল্পনা সরকারের

কিন্তু এ বছর একের পর এক কেলেঙ্কারির কারণে নরওয়ের রাজতন্ত্রের প্রতি জনসমর্থন কমে গেছে বলেও জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে মেটে-মারিটের ছেলে মারিয়াস বোরগ হোইবির বহুল আলোচিত বিচার ও সাজা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে।

এদিকে, নরওয়ের রাজকুমারী মার্থা লুইস প্রয়াত মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে অতীতে সম্পর্ক থাকার জন্য রাজা ও রানির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি জানান, এপস্টাইনকে একসময় বন্ধু মনে করলেও তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। ফেব্রুয়ারিতে পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, নরওয়েতে রাজতন্ত্র বজায় রাখার পক্ষে সমর্থন রেকর্ড সর্বনিম্ন ৬০ শতাংশে নেমে আসে। তবে মে মাসে সেই সমর্থন কিছুটা বেড়ে ৬৪ শতাংশে পৌঁছায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৭৫ কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে ১.৭ গুণ বেশি বন্দি আছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


৭৫ কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে ১.৭ গুণ বেশি বন্দি আছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের ৭৫টি কারাগারে অনুমোদিত ধারণক্ষমতার তুলনায় প্রায় ১.৭ গুণ বন্দি রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর উত্থাপিত এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গত ৭ জুন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশের ৭৫টি কারাগারের মোট অনুমোদিত ধারণক্ষমতা ৪৫ হাজার ১৩৬ জন (পুরুষ ৪৩ হাজার ১০৭ এবং নারী ২ হাজার ২৯ জন)। এর বিপরীতে বর্তমানে ৭৭ হাজার ৪০ জন (পুরুষ ৭৪ হাজার ৩৬ এবং নারী ২ হাজার ৭৭ জন) বন্দি আবদ্ধ রয়েছেন। যা মোট ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ।

ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত বন্দি রয়েছে বলেই কিছু কিছু কারাগারে আবাসন সমস্যা বিরাজ করছে বলে তিনি স্বীকার করেন।

বন্দিদের আবাসন সংকট কাটাতে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ জানালেন, ইতোমধ্যে কেরাণীগঞ্জে বিশেষ কেন্দ্রীয় কারাগার, সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২, ফেনী জেলা কারাগার-২ এবং খুলনা জেলা কারাগার-২ চালু করা হয়েছে। এছাড়া, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর ও পিরোজপুর জেলা কারাগার-২ শিগগিরই চালু হবে।

তিনি আরো বলেন, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা ও জামালপুর কারাগারগুলি পুনর্নির্মাণের কাজ এবং নরসিংদীতে নতুন কারাগার নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। এই চটি কারাগারের কাজ শেষ হলে বন্দি ধারণক্ষমতা আরও ২ হাজার ৯৫৫ জন বৃদ্ধি পাবে এবং মোট ধারণক্ষমতা ৪৮ হাজার ১৩১ জনে উন্নীত হবে।

এছাড়া রাজশাহী, রংপুর, নোয়াখালী, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি কারাগারের পুনর্নির্মাণে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কারাগারগুলোর বন্দি ধারণক্ষমতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে এবং আবাসন সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিজের কেনা বাড়িতেও ঠাঁই হলো না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২০ পি.এম


নিজের কেনা বাড়িতেও ঠাঁই হলো না মেক্সিকো প্রবাসী সাজেদার

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার নতুনপাড়ার বসুন্ধরা আবাসিক কলোনির একটি বাড়ির কারণে সৃষ্টি হয়েছে কোটি টাকার সম্পদ নিয়ে বিরোধ। অভিযোগ রয়েছে যে, দীর্ঘদিন ধরে মেক্সিকোতে বসবাসকারী এক প্রবাসী নারী তার বড় বোন ও ভগ্নিপতির প্রতি আস্থা রেখে বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠিয়েছিলেন।

সে অর্থের মাধ্যমে জমি ক্রয়, বাড়ি নির্মাণ ও বিভিন্ন সম্পদ গড়ে উঠলেও দেশে ফিরে সাজেদা নিজের নামে থাকা বাড়িতে উঠতে পারছেন না।

ভুক্তভোগী সাজেদা আক্তারের বাড়ি উপজেলার সাচনা বাজার ইউনিয়নের দুর্লভপুর গ্রামে। তিনি দীর্ঘ বছর ধরেই মেক্সিকোতে বসবাস করেছেন, আর তার স্বামী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন।

নিঃসন্তান হওয়ায় সাজেদা আপন বড় বোন রংমালা ও ভগ্নিপতি তৈয়বুর রহমানকে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করতেন।

তিনি দাবি করেছেন, বিদেশে অবস্থানকালে তিনি বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক এবং পরিচিতজনদের হাত ধরে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেশে পাঠান। সেই অর্থে নতুনপাড়া এলাকার বসুন্ধরা আবাসিক কলোনিতে ৬ শতাংশ জমি কিনে এবং একটি বসতবাড়ি নির্মাণ করা হয়। জমির দলিল, নামজারি ও বিদ্যুৎ সংযোগসহ বাড়ির সকল গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র সাজেদা আক্তারের নামে রয়েছে।

কিন্তু এখন তার বড় বোন রংমালা, ভগ্নিপতি তৈয়বুর রহমান এবং তাদের সন্তানরা ওই বাড়িতে বসবাস করছেন। প্রায় দুই বছর আগে দেশে ফিরে সাজেদা নিজের পাঠানো অর্থ এবং বাড়িতে বাস করার অধিকার চাইলে তাকে সেখানে উঠতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন।

নিরুপায় হয়ে সাজেদা একাধিকবার পারিবারিক এবং সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছেন। কয়েক মাস আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উদ্যোগেও উভয় পক্ষকে নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। তবে রংমালা ও তার স্বামী বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করা হচ্ছে।

ফলে এখনো কোনো সমঝোতায় আসা সম্ভব হয়নি। বিচার চেয়ে বিভিন্ন মহলে গিয়ে প্রতিকার না পেয়ে সাজেদা আক্তার শেষ পর্যন্ত জামালগঞ্জের আমল গ্রহণকারী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার অভিযোগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, বিদেশে অবস্থানকালে বিভিন্ন সময়ে নগদ অর্থ, ব্যাংক থেকে প্রেরিত টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, জমি ক্রয়ের অর্থ, বাড়ি নির্মাণ ব্যয় এবং অন্যান্য সম্পদ তার বড় বোন রংমালার পরিবারের জিম্মায় রেখেছিলেন। কিন্তু দেশে ফিরে হিসাবের উপর তিনি প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ ২৫ হাজার টাকার অর্থ ও সম্পদ পাচ্ছেন না। এই অর্থ ও সম্পদ ফেরত পেতে তিনি আইনি লড়াই চালাতে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। বর্তমানে মামলাটি আদালতের নির্দেশে সিআইডিতে তদন্তের অধীনে রয়েছে।

এ ব্যাপারে সিআইডি ইন্সপেক্টর রমা প্রসাদ জানিয়েছেন, মামলাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং শীঘ্রই তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত রংমালার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বর্তমানে যে বাড়িতে তারা বসবাস করছেন, তার দলিল, নামজারি ও বিদ্যুৎ সংযোগ সাজেদা আক্তারের নামেই রয়েছে। রংমালার দাবি, ছোট বোন সাজেদার জন্য বাড়িটি কেনার সময় তিনি ব্যক্তিগতভাবে ১ লাখ টাকা দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, সাজেদার পাঠানো অর্থসংক্রান্ত সকল দাবি-দাওয়া এবং আমার পরিবারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহার করা হলে আমি বাড়িটি ছেড়ে দিতে রাজি আছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্যাটে-বলে মিলে গেলেই সিনেমার কথা অফিশিয়ালি জানাব: ফারিন খান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


ব্যাটে-বলে মিলে গেলেই সিনেমার কথা অফিশিয়ালি জানাব: ফারিন খান

সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী ফারিন খান। অভিনয়ের শুরুটা বড় পর্দা দিয়ে হলেও বর্তমানে তিনি ছোট পর্দায় নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু এ লাস্যময়ী বড় পর্দাকে মোটেও ইতি বলেননি, বরং শিগগিরই রুপালি পর্দা রাঙাতে চান।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে মুঠোফোনে বাংলাদেশ প্রতিদিনকে ফারিন খান বলেন, "এই মুহূর্তে একটি নাটকের শুটিংয়ে আছি। বর্তমানে ছোট পর্দার কাজ নিয়েই বেশি ব্যস্ততা। অভিনয়টাতেই মনোযোগী হতে চাচ্ছি বলতে পারেন।"

সিনেমায় কবে ফিরছেন, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, "আসলে কথা তো অনেকের সঙ্গেই হচ্ছে। এর মধ্যে অনেকগুলো ভালো চিত্রনাট্য হাতে এসেছে। সেগুলো নিয়ে কথাবার্তাও বেশ ইতিবাচকভাবেই আগাচ্ছে। তবে এগুলো তো আসলে অফিশিয়াল না। যখন সবকিছু ঠিক হবে, আই মিন ব্যাটে-বলে মিলে যাবে তখন সবাইকে জানাব।"

ফারিন খান (ছবি: সংগৃহীত) এর কথায়, "আমার প্রথম সিনেমা ‘ধ্যাততেরিকি’ মুক্তি পেয়েছিল প্রায় ৯ বছর আগে। সিনেমাজগতে যখন পা রাখি তখন ছিলাম এসএসসি পরীক্ষার্থী। বয়স কম ছিল, ছিল পড়াশোনার চাপ। তা ছাড়া পরিবারের সদস্যরাও চাননি সিনেমায় নিয়মিত কাজ করি। সেজন্য অভিনয়ে বিরতি নিতে বাধ্য হয়েছিলাম। নইলে আরও বেশ কিছু সিনেমায় আমাকে দেখা যেত।"

গত ঈদে ‘বলো ভালোবাসি’সহ বেশ কয়েকটি নাটকে দেখা গেছে ফারিনকে। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি মডেলিংয়েও সরব রয়েছেন। প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে তার ‘রোদের জোছনা’ নাটকটি। নাটকটিতে জোছনা চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। নাটকটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেছেন আবু হুরায়রা তানভীর।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পারিবারিক বিরোধে থানার সামনেই দুপক্ষের সংঘর্ষ, আটক ৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:২৬ পি.এম


পারিবারিক বিরোধে থানার সামনেই দুপক্ষের সংঘর্ষ, আটক ৩

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের কারণে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে আসার সময় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।

এ বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য দিয়েছেন তিতাস থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিরুল হক।

তিনি বলেন, উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের নাগেরচর গ্রামের দুই সহোদর ভাইয়ের মধ্যে দীর্ঘদিন থেকে একটি পারিবারিক বিরোধ চলছিল।

বুধবার (১৭ জুন) সকালে এই বিরোধের জেরে এক ভাই জামাল হোসেনের বাড়িতে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে বেশ কয়েকজন আহত হন।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান, সেখানে তাদের চিকিৎসা প্রদান করা হয়। ঘটনার পর পরিবারিকভাবে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করা হয়, কিন্তু সেটি ব্যর্থ হয়। পরে ভুক্তভোগী শাহজাহান দুপুরে থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দিতে আসেন।

অভিযোগ দায়েরের পর শাহজাহান এবং তার স্বজনরা থানার সামনে অবস্থান করলে, সেখানেই প্রতিপক্ষের লোকজনের সঙ্গে শুরু হয় তাদের আবারও বাগবিতণ্ডা। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এই কারণে থানার সামনে একটি উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

তিতাস থানা পুলিশ এই সময় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে আটক করে।

ওসি মমিরুল হক সময় সংবাদকে জানান, পারিবারিক বিরোধের কারণে প্রাথমিকভাবে গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে অভিযোগ দিতে আসার সময় থানার সামনেও দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনার পর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%