ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকারের লক্ষ্য টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা: পানিসম্পদ মন্ত্রী


সরকারের লক্ষ্য টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা: পানিসম্পদ মন্ত্রী

 

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ মন্ত্রী, আজ রাজধানী ঢাকার মতিঝিলে ডিসিসিআই আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন। ছবিটি বাসস থেকে নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা, ২৯ জুলাই, ২০২৬ (বাসস) : পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, সরকারের লক্ষ্য শুধুমাত্র খাল খনন করা নয়; বরং নদী, খাল, জলাধার এবং পরিবেশ সংরক্ষণের মাধ্যমে টেকসই পানি ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের লড়াই বদলে দিচ্ছে সুপ্রিম কোর্ট

এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়ী সমাজ এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ।

আজ রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত সেমিনারে ‘বাংলাদেশে বৃত্তাকার নৌ-পথের পুনরুজ্জীবন ও অভ্যন্তরীণ নৌ-বাণিজ্যের সম্প্রসারণে খাল খনন কর্মসূচির ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি আরও বলেন, দেশের খাল হচ্ছে প্রকৃতির রক্তনালী। যদি খাল এবং নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পারস্পরিক সংযোগ ঠিক না থাকে, তাহলে পরিবেশ, পানি ব্যবস্থাপনা ও অর্থনীতি মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে। তাই খাল পুনঃখনন এবং নদী সংরক্ষণে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে একত্রে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

মন্ত্রী জানান, মানুষের শরীরে যেমন রক্ত চলাচলের জন্য রক্তনালী অপরিহার্য, তেমনি দেশের খালগুলিও প্রকৃতির রক্তনালীর মত। একটি খালের সঙ্গে অন্য খাল ও নদীর সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে পানি প্রবাহ ব্যাহত হবে, ফলে কৃষি, পরিবেশ, নৌ-পরিবহন এবং নগরজীবনে তার প্রভাব পড়বে।

আরও পড়ুন: নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে আইন প্রয়োগের দাবি জানালো নিসচার

তিনি এই বিষয়টিও উল্লেখ করেন যে, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় বর্তমানে ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম), সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এবং ওয়ারপোর মতো বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানের সাথে গবেষণা ও আলোচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

অতীতের বিচ্ছিন্ন উদ্যোগের পরিবর্তে এখন সমন্বিতভাবে কাজ করার দিকে জোর দেওয়া হচ্ছে।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন ভূমি, কৃষি, স্থানীয় সরকার, নৌপরিবহন, পরিবেশ এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করার। পূর্বে খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে এ ধরনের সমন্বিত উদ্যোগ নেই থাকায় প্রত্যাশিত সুফল মিলছে না।

এ সময় তিনি আরও বলেন, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ, বালু এবং টঙ্গী নদীগুলোর বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। শিল্পবর্জ্য, দখল এবং অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে নদীগুলোর মারাত্মক সংকট দেখা দিচ্ছে। এই সমস্যা শুধু একটি মন্ত্রণালয়ের নয়, বরং এটি পুরো রাষ্ট্র এবং জনগণের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

আরও পড়ুন: ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয়দের হামলা শিক্ষকের বাড়ি ও মাদ্রাসায়

মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘকাল ধরে ঢাকার নদীগুলোকে দূষণমুক্ত করার, নদীর তীরে ওয়াকওয়ে নির্মাণ এবং জলপথে ওয়াটার ট্যাক্সি চালুর পরিকল্পনাগুলোর কথা বলা হলেও এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি। অথচ প্রতিবেশী দেশের বিভিন্ন শহরে নদীকেন্দ্রিক উন্নয়ন অর্থনীতি এবং পর্যটনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দ্রুত নিচে নামার কারণে উদ্বেগ প্রকাশ করে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, যদি উপরিভাগের পানির উৎস সংরক্ষণ করা না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বড় ধরনের সংকটের মুখোমুখি হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার জন্য আগামী ৫০ থেকে ১০০ বছরের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এখন থেকেই পরিকল্পনা গ্রহণের উপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

সরকারের পরিকল্পনার বিষয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল পুনঃখনন, বৃক্ষরোপণ এবং পরিবেশ ও পানি ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন সম্পর্কে পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ছিল। দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য বিশেষজ্ঞদের সাথে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে সরকার।

আরও পড়ুন: রামপালে ফয়লাহাট আছিয়া মাদ্রাসার সুবর্ণজয়ন্তী ও মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ। সেমিনারের নির্ধারিত আলোচনায় পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থার প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর, স্থাপত্য অধিদপ্তরের সাবেক প্রধান স্থপতি কাজী গোলাম নাসির, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)-এর পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক মোহাম্মদ আবেদ হোসেন, সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস-এর ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মো. মোতালেব হোসেন সরকার, ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং-এর সিনিয়র স্পেশালিস্ট মো. তানিম সারওয়ার, আল্টাফুয়েল ড্রেজিং অ্যান্ড মেরিন সার্ভিসেস-এর চেয়ারম্যান ক্যাপ্টেন শওকত ইকবাল এবং ভিত্তি স্থপতি বৃন্দ লিমিটেড-এর ফাউন্ডার পার্টার স্থপতি ইকবাল হাবিব প্রমুখ অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘নগদ’ বিক্রির আলোচনা নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


‘নগদ’ বিক্রির আলোচনা নিয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য

‘নগদ’ বিক্রি সম্পর্কে যে সমস্ত খবর ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো বলতে গিয়ে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন যে, এই খবরগুলো ভিত্তিহীন।

মন্ত্রী বলেছেন, ডাক বিভাগকে অধিক জনপ্রিয় করে তোলার জন্য যে উদ্যোগগুলো চলমান রয়েছে, সেগুলোতে ‘নগদ’ বিক্রি নিয়ে ছড়ানো জল্পনা বা গুজব ভিত্তিহীন। এ ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না জনগণ। বাজার প্রতিযোগিতার স্বার্থে এই ফিন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানটির সরকারি ব্যবস্থাপনা অব্যাহত রাখবে সরকার।

বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ডাক ভবনে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিসের উদ্বোধন এবং নগদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংগৃহীত রাজস্বের আওতায় ১৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ডাক অধিদপ্তরের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করার সময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফকির মাহবুব আনাম বিস্তারিত উল্লেখ করে বলেন, পোস্ট অফিস ফ্র্যাঞ্চাইজি ব্যবস্থা নতুন কোনো ধারণা নয়। এটি দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সফলভাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। বাংলাদেশেও এই উদ্যোগের মাধ্যমে ডাকসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে।

তিনি বলেন, জনগণ ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিসের সুবিধা সম্পর্কে ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে, যাতে আরও উদ্যোক্তা এ কার্যক্রমে যুক্ত হন।

মন্ত্রী যোগ করেছেন, পর্যায়ক্রমে দেশের সব পোস্ট অফিসকে ফ্র্যাঞ্চাইজি মডেলে পরিচালনা করার সুযোগ তৈরি হবে। এতে নাগরিক সেবার পরিধি বাড়বে এবং নতুন কর্মসংস্থান ও ব্যবসার সুযোগ জন্ম নেবে। তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজি উদ্যোক্তাদের শুভ কামনা জানিয়ে আশ্বস্ত করেছেন যে, কার্যক্রম চালাতে কোনো সমস্যা হলে ডাক বিভাগ সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।

নগদের রাজস্বের চেক গ্রহণের পরে মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে। নগদের মুনাফা অর্জন এই সফলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি বলেন, উন্নত নাগরিকসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি অত্যন্ত অপরিহার্য। ডাক বিভাগের সঙ্গে নগদের অংশীদারিত্বের ফলে জনগণের আস্থা এবং সরকারের রাজস্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রযুক্তিনির্ভর সেবা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলছে।

উল্লেখ্য, প্রথম পর্যায়ে ঢাকার অভ্যন্তরে ৪টি এবং ঢাকার বাইরে ৪টি ফ্র্যাঞ্চাইজি পোস্ট অফিস চালু করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে দেশের সব অঞ্চলে এই কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিজিটাল কনটেন্টে স্বাস্থ্যবার্তা ছড়ানোর আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৩ পি.এম


ডিজিটাল কনটেন্টে স্বাস্থ্যবার্তা ছড়ানোর আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, দেশের সার্বিক জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে সামাজিক স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রমকে আধুনিক ও সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে। এই লক্ষ্যে স্বাস্থ্য ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বিদ্যমান সম্পদ ও সক্ষমতার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে যৌথভাবে কাজ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

আজ (বুধবার) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যৌথ মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান বলেন, উন্নত দেশগুলোতে শিশুদের ছোটবেলা থেকেই স্বাস্থ্যঝুঁকি ও সচেতনতা বিষয়ে শিক্ষাদান করা হয়। বাংলাদেশেও সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি কার্যকর ‘সোশ্যাল হেলথ অ্যাওয়ারনেস’ কর্মসূচি গ্রহণের প্রয়োজন আছে।

তিনি আরো বলেন, এটি শুধুমাত্র জন্মনিয়ন্ত্রণ বিষয়েই নয়; বরং শিশুস্বাস্থ্য, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কৈশোরকালীন স্বাস্থ্য শিক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধÑসর্বক্ষেত্রে এই কর্মসূচির আওতাধীন হওয়া উচিত।

ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, যানবাহন বা জ্বালানির মতো সীমিত সম্পদ এবং জনবল সংকট থাকা সত্ত্বেও কাজ থেমে থাকতে পারে না। সরকারি সম্পদ জনগণের, তাই সমন্বয়ের মাধ্যমে এটি কার্যকর করতে হবে। তিনি গণমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে স্বাস্থ্যবার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখাতে প্রচারের ক্ষেত্রে অনেক জায়গায় কাজের পুনরাবৃত্তি (ওভারল্যাপিং) রয়েছে, যা সমন্বয়ের মাধ্যমে কমানো সম্ভব। তথ্য অধিদপ্তর ও ডিএফপির মাধ্যমে আধুনিক ভিডিও, রিলস ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে তা দেশব্যাপী প্রচার করা যেতে পারে।

একইসঙ্গে মাঠপর্যায়ে উঠান বৈঠক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে এসব বার্তা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়েও সমন্বয়ের ওপর তিনি জোর দেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রজন্মের আচরণগত পরিবর্তন বিবেচনায় নিয়ে ডিজিটাল কনটেন্টের মাধ্যমে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি। বই পড়ে অনেকেই আগ্রহ পায় না, কিন্তু ভিজ্যুয়াল কনটেন্ট মানুষের মনে বেশি প্রভাব ফেলে বলেও তিনি দাবি করেন।

সভায় তিনি দ্রুততম সময়ে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা (অ্যাকশন প্ল্যান) প্রণয়নের নির্দেশনা দেন, যাতে সারা দেশে পাইলট প্রকল্প অথবা পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের রূপরেখা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি কিশোর-কিশোরীদের লক্ষ্য করে আচরণগত পরিবর্তনমূলক বার্তা প্রচারের ওপর জোর দেন।

তিনি বলেন, শৈশবে যে অভ্যাস গড়ে ওঠে, তা পরবর্তী জীবনে দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। তাই সঠিক বয়সে সঠিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। পাশাপাশি পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে একটি যৌথ কর্মশালা আয়োজনের প্রস্তাব দেন; যেখানে গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ এবং স্বাস্থ্যখাতের বিশেষজ্ঞরা একসঙ্গে কাজ করে লক্ষ্যভিত্তিক বার্তা নির্ধারণ করবেন।

আরও বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. আবদুল জলিল, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. জিন্নাত রেহানা এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মাহফুজা আক্তার।

সভায় দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করে জনস্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যকর, আধুনিক ও লক্ষ্যভিত্তিক প্রচার চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার প্রশ্নই ওঠে না: ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার প্রশ্নই ওঠে না: ইরান

ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, ইরান আলোচনার জন্য মরিয়া। However, 지난 ১৬-১৭ দিনে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য কোনো অনুরোধ পাঠায়নি।

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত দুই সপ্তাহে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনার উদ্যোগ নেয়নি এবং তারা হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না বলে জানিয়েছেন দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন, যেটি জর্ডানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতে নতুন দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে হয়।

গারিবাবাদি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বিরোধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠেছে। এই নৌপথের মাধ্যমে বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশের বেশি পরিবাহিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, কৌশলগত জলপথে অবাধ নৌ চলাচল পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে।

তিনি দাবি করেছেন, গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, সমুদ্রপথে মাইন অপসারণের দায়িত্ব ইরানের। এই কারণে মার্কিন যুদ্ধজাহাজকে প্রণালির কাছে আসতে দেওয়া হয়নি।

গারিবাবাদি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। যদি প্রণালিটি আগের অবস্থায় ফিরে যায়, তাহলে এই যুদ্ধে ইরানের সাফল্য পূর্ণাঙ্গ হবে না।

তিনি আরও জানিয়েছেন, ওমান দক্ষিণাঞ্চলে মাইন অপসারণের জন্য অন্য একটি দেশকে আনতে চেয়েছিলেন কিন্তু আমরা তা অনুমোদন করিনি।

গারিবাবাদি ইঙ্গিত দেন যে, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজ থেকে ইরান যাতায়াত ফি আদায়ের অধিকারও সংরক্ষণ করে। তার মতে, সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ইরান কেবল ৬০ দিনের জন্য বিনামূল্যে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বাধ্য।

সূত্র : সিএনএন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৬ পি.এম


হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে জেলা এনসিপি বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে স্বাধীনতার স্মৃতি স্তম্ভ থেকে একটি প্রতিবাদী বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। এরপর সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, হবিগঞ্জে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতাদের ওপর হামলা চালিয়ে আন্দোলন দমন করা যাবে না। তারা অবিলম্বে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান জুয়েলের সঞ্চালনায়, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন এনসিপির আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, যুবশক্তির সদস্য সচিব তারিকুজ্জামান তমাল ও ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব সাদিকুর রহমান।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিডিয়া সেল প্রধান রাশেদুজ্জামান তাওহীদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান সরকার, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব দিনার মিনহাজ, সদর উপজেলার সদস্য সচিব আব্দুল মালেক, নারী শক্তির আহ্বায়ক নাসিরা খন্দকার নিসা, সদস্য সচিব মেরিনা পারভীন, স্বেচ্ছাসেবক শক্তির আহ্বায়ক তাজুল ইসলামসহ অন্যান্য অঙ্গসংগঠন ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%