বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০১:২৫ পি.এম
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী শক্তির উৎস এবং অনুপ্রেরণা।
আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবির ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়ে গণমাধ্যমের কাছে তিনি এ কথা বলেন।
রিজভী বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন যে কোনো আন্দোলন ও সংগ্রামের মূল অনুপ্রেরণা। তিনি জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, কাজী নজরুল আমাদেরকে অত্যাচার ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে শিখিয়েছেন। নজরুল ছিলেন যে কোনো আন্দোলন-সংগ্রামের প্রধান অনুপ্রেরণার উৎস।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে শুরু করে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত কাজী নজরুলই ছিলেন মূল অনুপ্রেরণা। দেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে কাজী নজরুলের বাণী আমাদের শিক্ষা দেয়।
রুহুল কবির রিজভী আরও বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে আমাদের শক্তির একটি উৎস। আজকের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি এবং আমার দল তাঁর আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
রিজভী বলেন, কাজী নজরুলের মতো মহীরুহ প্রতিভার চর্চা ও অনুশীলন দেশে আবার শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের প্রেরণা। তাঁর লেখনি, সাহিত্যকর্ম এবং বাণী আমাদের পথ চলতে সাহায্য করে। নজরুল আমাদেরকে নির্ভীক করে সামনে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত করে।
কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে ছিলেন বিএনপির সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাঈদ সোহরাব, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী সমাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা-জাসাস এর আহ্বায়ক চিত্রনায়ক হেলাল খান, সদস্য সচিব জাকির হোসেন রোকনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীগণ।
উল্লেখ্য, কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (১৮৯৯ সালের ২৫ মে) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে। ডাকনাম ছিল ‘দুখু মিয়া’। তিনি শৈশব থেকেই কঠিন দারিদ্র্য মোকাবিলা করে বড় হয়েছেন।
কবি কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র ২৩ বছর সৃষ্টিশীল ছিলেন। তাঁর সাহিত্যজীবনের এই ২৩ বছরের সৃষ্টিকর্ম বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। নজরুলের সাহিত্যকর্ম বাংলা ভাষাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
কবি নজরুলের কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছে। তাঁর কবিতা ও গান যুগে যুগে শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তির পথ দেখিয়ে চলেছে। তিনি ছিলেন চিরপ্রেমের কবিও।
ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) ১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র না ফেরার দেশে পাড়ি জমান দ্রোহ ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের দক্ষিণী জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর জীবন এখন একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবাহিত হচ্ছে। মাতৃত্বের অনুভূতি তার প্রতিদিনের জীবনযাপনকে পরিবর্তন করেছে। এই বিশেষ অধ্যায়টি তিনি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে উপভোগ করছেন। পাশাপাশি, নিজের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়ার ব্যাপারে তিনি যথেষ্ট সচেতন হয়ে উঠেছেন।
সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শরীরচর্চার কিছু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেছেন সামান্থা। সেখানে কখনো তিনি মনোযোগ দিয়ে ব্যায়াম করতে দেখা গিয়েছে, আবার কখনো ক্লান্ত হয়ে মেঝেতে শুয়ে হাসিমুখে পোজ দিয়েছেন। মজার ছলে তিনি উল্লেখ করেছেন, এখন এমন অনেক দিনও আসছে, যেদিন শরীরচর্চার বড় একটি অংশ মেঝেতে শুয়ে বিশ্রাম নিয়ে কাটছে।
শুধু ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করেই তিনি থেমে থাকেননি। মাতৃত্বের এই সময়ের উপলব্ধি নিয়েও তিনি কথা বলেছেন। একটি ছবির সঙ্গে দেওয়া বার্তায় অভিনেত্রী জানিয়েছেন, এখন তিনি নিজের শরীরের সংকেতগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনতে শিখেছেন।
তবে, অন্য কেউ যেন তার শরীরচর্চার ছবি দেখে একইভাবে ব্যায়াম শুরু না করেন, সে বিষয়ে তিনি সতর্ক করেছেন। সামান্থা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের শরীরচর্চার অভ্যাসের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই তিনি এই সময়েও ব্যায়াম করছেন। তার প্রশিক্ষকও গর্ভবতী নারীদের শরীরচর্চায় বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত।
সামান্থার মতে, প্রতিটি নারীর গর্ভাবস্থার অভিজ্ঞতা ভিন্ন। কারো জন্য যে ধরনের ব্যায়াম নিরাপদ, অন্যের জন্য সেটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। তাই, তার প্রকাশিত ছবি বা ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজের মতো করে শরীরচর্চা শুরু না করার জন্য তিনি অনুরোধ করেছেন। গর্ভাবস্থায় ব্যায়াম করার আগে অবশ্যই চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার ওপর তিনি জোর দিয়েছেন।
এর আগে, স্বামী রাজের সঙ্গে একান্ত সময় কাটানোর কিছু মুহূর্তও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাগ করেছেন সামান্থা। ‘বেবিমুন’-এর সেই স্মৃতিগুলো ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।
সূত্র :
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যু ঘটেছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকালে তার মৃত্যু হয়।
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিদিনের ডেঙ্গু তথ্য থেকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
নিহত নারীর নাম ছুইদা বানু (৬৫) এবং তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলায় বাস করতেন। বুধবার দুপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন।
পরে বিকালে তার মৃত্যু হয়।
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল সূত্রে আরও জানা যায়, চলতি বছরে হাসপাতালটিতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। আজ ২৭ আগস্ট চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১০৭ জন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১৪ জন কর্মকর্তাকে বদলি ও নতুন পদায়ন করা হয়েছে। জনস্বার্থে, পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত তাদের বিভিন্ন ইউনিট ও জেলায় নতুন কর্মস্থলে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১ শাখা থেকে দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই আদেশ জারি করা হয়। ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।
প্রথম প্রজ্ঞাপনে সাত কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। এর মধ্যে গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামানকে বরগুনায় এবং মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ শিবলী সাদিককে গাজীপুরে বদলি করা হয়েছে।
পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হোসেন সুমনকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার হিসেবে ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) পদায়ন করা হয়েছে।
এছাড়া, ডিএম হাসিবুল বেনজীরকে সিলেট থেকে গাইবান্ধায়, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলামকে এপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টার, খাগড়াছড়িতে এবং বান্দরবান সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মান্না দেকে এপিবিএনে বদলি করা হয়েছে।
সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানকে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সার্কেলে বদলি করা হয়েছে।
দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপনে আরও সাত কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজা সারোয়ারকে সাতক্ষীরায় এবং পিটিসি, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মাকসুদা লিমাকে পুলিশ স্টাফ কলেজ, ঢাকায় বদলি করা হয়েছে।
সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিনুর রহমানকে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় এবং রেলওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জোনাঈদ আফ্রিদকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ সার্কেলে বদলি করা হয়েছে।
এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাহমিদা সুলতানা নেলিকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে পদায়ন করা হয়েছে।
এছাড়া, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার ইসফাকুল কবির সরকারকে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সার্কেলে বদলি করা হয়েছে। অন্যদিকে, এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার জনি লাল দেবকে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে সিলেট মহানগর পুলিশে (এসএমপি) পদায়ন করা হয়েছে।
দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, গত ১৯ আগস্ট জারি করা প্রজ্ঞাপনে র্যাবের সহকারী পুলিশ সুপার এইচএম গোলাম রব্বিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা সার্কেলে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বদলির যে আদেশ দেওয়া হয়েছিল, তা বাতিল করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্বভার হস্তান্তর না করলে ৬ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) হিসেবে গণ্য করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি সংক্রান্ত ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৭ সালে দায়ের হওয়া ১৫টি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক রাজনৈতিক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মির্জা আব্বাসকে খালাস প্রদান করেছেন আদালত।
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মুহাম্মদ কামরুল হাসান খান বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) এই রায় প্রদান করেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, বিনা দরপত্রে ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রি সংক্রান্ত ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকা দুর্নীতির অভিযোগে মির্জা আব্বাসসহ মোট ২১ জনকে আসামি করে পৃথক ১৫টি মামলা দায়ের করে দুদক। এর মধ্যে মির্জা আব্বাসসহ ১২ জনকে প্রত্যেক মামলায় আসামি করা হয়েছে।
অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— এস এম জাফর উল্লাহ, মো. এমদাদুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, গোলাম নবী, কাজী রিয়াজুল মনির, জিয়াউদ্দিন আহমেদ, আব্দুস সাদেক, হুমায়ন খান, মীর মোশাররফ হোসেন, ইকবাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. শহীদ আলম।
এছাড়া, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে দুই মামলায়, আহমেদ আকবর সোবহানকে দুই মামলায়, মেহেদী হাসান, শফিকুর রহমান কিরন, নুরুচ্ছাফা, মো. শুকুর মিয়া, হাসনা আহমেদ, আলী হায়দার চৌধুরীকে পৃথক মামলায় আসামি করা হয়েছে। সকলেই এসব মামলায় খালাস পেয়েছেন।
২০০৭ সালের ২৯ মার্চ এই মামলা দায়ের করে সংস্থাটি। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার পর, ওই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর তৎকালীন বিচারক শাহেদ নূরউদ্দিন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।
মামলাগুলোর অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিত্যক্ত বাড়ি নম্বর এনডব্লিউ (আই)-৬, রোড নম্বর-৫৩, গুলশান, ঢাকায় নিলাম দরপত্র আহ্বান করা হয়। বাড়ি নম্বর কে-৬, সড়ক নম্বর-৮৯, গুলশান, বাড়ি নম্বর সিএনজি-১৬, সড়ক-১১৩, গুলশান, বাড়ি নম্বর বি-৫, সড়ক নম্বর-১১৩, গুলশান, বাড়ি নম্বর-১২০, সড়ক-২, পুরাতন ধানমন্ডি, বাড়ি নম্বর-১৩৯, সড়ক নম্বর-২, ধানমন্ডি, বাড়ি নম্বর-৫৪০/এ (পুরাতন), সড়ক নম্বর-১২, ধানমন্ডি, বাড়ি নম্বর-৫৪০/বি (পুরাতন), সড়ক নম্বর-১২ (পুরাতন), বাড়ি নম্বর-৭২৩/এ (পুরাতন), সড়ক নম্বর-১৪ (পুরাতন), বাড়ি নম্বর-৭২৩/বি, সড়ক নম্বর-১৪ ধানমন্ডি, ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ১৭ নম্বর ও ১৮ নম্বর কলেজ স্ট্রিট, বাড়ি নম্বর-৭/১, নওরতন কলোনি, শান্তিনগরসহ মোট ১৮টি পরিত্যক্ত বাড়ি রাজউক কর্তৃক সাজানো দরপত্রে কারচুপি ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজের পছন্দের ব্যক্তিদের বাড়িগুলো পাইয়ে দিয়ে প্রকারান্তরে লাভবান হয়ে সরকারের ১২৭ কোটি ৬৪ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ টাকার অর্থের ক্ষতি সাধন করেছেন।
সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এবং অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে দ্য বাংলাদেশ অ্যাবানডন্ড প্রপার্টি (কন্ট্রোল, ম্যানেজমেন্ট ও ডিসপোজাল) অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী উল্লিখিত ১৮টি সরকারি বাড়ি বিক্রির ব্যবস্থা না করে লাভবান ও অন্যান্য প্রভাবশালীদের লাভবান করার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীদের দর বেশি হওয়া সত্ত্বেও তা আমলে না নিয়ে রাজউক কর্তৃক সাজানো কম মূল্যের দরপত্রের মাধ্যমে মূল্যায়ন না করে বিক্রির অনুমোদন করেন। আসামি মির্জা আব্বাসসহ অন্যান্য আসামিরা দণ্ডবিধির ৪০৯, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ৫(২) ধারাসহ দণ্ডবিধির ১০৯ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।
মামলার বিচার চলাকালে আদালত ২৪ সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ