ঢাকা সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে সফর, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১০ই আগস্ট, ২০২৬ইং ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩২বাং

ইনসুলিন পাম্প: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নতুন সম্ভাবনা


ইনসুলিন পাম্প: ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে নতুন সম্ভাবনা

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বহু মানুষের দিনে একাধিকবার ইনসুলিন নিতে হয়। বারবার সূচ ফোটানোর কারণে অস্বস্তি ও কষ্টের সৃষ্টি হয়। তবে বর্তমানে ইনসুলিন পাম্প নামে একটি যন্ত্র জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এই যন্ত্রটি ইনসুলিন নেওয়ার প্রক্রিয়াকে অনেক সহজ করে দিতে সক্ষম।

ইনসুলিন পাম্প হলো ছোট একটি ব্যাটারিচালিত যন্ত্র, যা সারাক্ষণ শরীরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এটি একটি সরু নলের মাধ্যমে নিরবচ্ছিন্নভাবে শরীরে ইনসুলিন সরবরাহ করে। সাধারণত বাহু বা তলপেটের মতো চর্বিযুক্ত অংশে এটি লাগানো হয়।

এর ফলে যে কোনো সময়ে ইনসুলিন নেওয়ার জন্য বারবার সূচ ফোটানোর প্রয়োজন হয় না। কিছু ইনসুলিন পাম্পে রক্তে শর্করার মাত্রা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা থাকে, যা দিনের বিভিন্ন সময়ে শর্করার ওঠানামা জানতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: সোমবার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইনসুলিন পাম্প কিছু ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে। যেমন: যাদের প্রথম ধরনের ডায়াবেটিস রয়েছে, যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা বারবার কমে যায়, যাদের খাবার খাওয়ার নির্দিষ্ট সময় নেই এবং যাদের শর্করার মাত্রা ঘন ঘন ওঠানামা করে। এই ধরনের রোগীদের জন্য ইনসুলিন পাম্প বিশেষভাবে সুবিধাজনক হতে পারে।

ইনসুলিন পাম্প ব্যবহার করার সময় কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। যেমন: যন্ত্রটি ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন। নল বন্ধ হয়ে গেলে বা ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে ইনসুলিন সরবরাহ বন্ধ হতে পারে। এতে হঠাৎ করে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই নিয়মিত শর্করা পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।

ইনসুলিন পাম্প ইনসুলিন নেওয়ার ঝামেলা কমাতে সাহায্য করে, তবে এর ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। রোগীর শারীরিক অবস্থা ও প্রয়োজন অনুযায়ী এই যন্ত্র উপযুক্ত কি না, তা চিকিৎসকরাই নির্ধারণ করবে।

আরও পড়ুন: রোববার রাজধানীর যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ থাকবে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বর্ষার দিনে সুস্বাদু খাবারে বাড়ুক আড্ডার আমেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ এম


বর্ষার দিনে সুস্বাদু খাবারে বাড়ুক আড্ডার আমেজ

 

বর্ষাকালের রিমঝিম বৃষ্টি অনেকের কাছে প্রশান্তির প্রতীক। আকাশজুড়ে মেঘ, জানালার কাঁচে বৃষ্টির টুপটাপ শব্দ এবং শীতল আবহাওয়া—সব মিলিয়ে তৈরি হয় এক অন্যরকম পরিবেশ। আর এই সময়টাকে আরও উপভোগ্য করে তুলতে গরম ও সুস্বাদু খাবারের কোন জুড়ি থাকে না।

বৃষ্টির দিনে ঘরে বসে গল্প, বই কিংবা প্রিয় সিনেমার সঙ্গে যদি থাকে পছন্দের কিছু খাবার, তাহলে আনন্দ যেন অনেক গুণ বেড়ে যায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক বর্ষার দিনে উপভোগ করার মতো কিছু জনপ্রিয় খাবারের কথা।

খিচুড়ি এবং ভাজাপোড়া

বৃষ্টি আর খিচুড়ির সম্পর্ক যেন চিরন্তন। মুগ বা মসুর ডালের খিচুড়ির সঙ্গে ইলিশ ভাজা, বেগুন ভাজা কিংবা ডিম ভাজা থাকলে খাবারের স্বাদ আরও বেড়ে যায়। বহুদিন ধরেই বাঙালির বর্ষার দিনের সবচেয়ে জনপ্রিয় খাবারের তালিকায় খিচুড়ি রয়েছে।

গরম চা বা কফি

বৃষ্টিভেজা আবহাওয়ায় এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা কিংবা কফি অনেকের কাছে অপরিহার্য। এর সঙ্গে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, সরিষার তেল ও চানাচুর মিশিয়ে মুড়ি মাখা থাকলে বিকেলের আড্ডা হয়ে ওঠে আরও প্রাণবন্ত। আদা চা কিংবা গ্রিন টিও এ সময় বেশ জনপ্রিয়।

চটপটি এবং ফুচকা

টক-ঝাল স্বাদের চটপটি এবং মচমচে ফুচকা বর্ষার বিকেলে এনে দিতে পারে ভিন্ন মাত্রার আনন্দ। বর্তমানে ঘরেই সহজে এসব খাবার তৈরি করা যায়। বন্ধু কিংবা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বসে চটপটি-ফুচকা খাওয়ার আনন্দ আলাদা।

আলুর চপ এবং ডালপুরি

গরম গরম আলুর চপ কিংবা ডালপুরি বৃষ্টির দিনের পরিচিত নাশতা। মশলাদার আলুর পুর আর মুচমুচে আবরণে তৈরি এসব খাবার চায়ের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। অনেকের কাছে এগুলো শৈশবের স্মৃতিও ফিরিয়ে আনে।

মিষ্টির স্বাদ

বর্ষার দিনে শুধুই ঝাল বা টক নয়, মিষ্টিও হতে পারে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। গরম জিলাপি কিংবা ঠান্ডা রসমালাই বৃষ্টিভেজা বিকেলে এনে দিতে পারে বাড়তি আনন্দ। জানালার পাশে বসে এক কাপ চায়ের সঙ্গে জিলাপি উপভোগ করার অনুভূতি সত্যিই বিশেষ।

ঝটপট নুডলস

ঠান্ডা আবহাওয়ায় দ্রুত তৈরি করা যায় এমন খাবারের মধ্যে নুডলস অন্যতম। ডিম, পেঁয়াজ, টমেটো এবং ধনেপাতা মিশিয়ে তৈরি নুডলস যেমন সুস্বাদু, তেমনি পেট ভরাতেও কার্যকর। অনেকেই বর্ষার দিনে ঝোলযুক্ত নুডলস বেশি পছন্দ করেন।

হালিম এবং গরম স্যুপ

মুরগির মাংস দিয়ে তৈরি হালিম বর্ষার দিনে পুষ্টিকর ও সুস্বাদু একটি খাবার। পাশাপাশি চিকেন কর্ন স্যুপ কিংবা হট অ্যান্ড সাওয়ার স্যুপও হালকা ঠান্ডা আবহাওয়ায় বেশ আরাম দেয়। বারান্দায় বসে বৃষ্টি দেখতে দেখতে এসব খাবার উপভোগ করার মজাই আলাদা।

মুচমুচে পাকোড়া

বৃষ্টির দিনের সবচেয়ে জনপ্রিয় নাশতার একটি হলো পাকোড়া। পেঁয়াজ, আলু, ধনেপাতা কিংবা কাঁচামরিচ দিয়ে তৈরি গরম গরম পাকোড়া চায়ের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায়। নিরামিষভোজীদের জন্য মিশ্র সবজির পাকোড়াও ভালো বিকল্প হতে পারে।

হালকা নাশতায় পপকর্ন

যারা ভারী খাবারের বদলে হালকা কিছু খেতে চান, তাদের জন্য পপকর্ন হতে পারে ভালো পছন্দ। সিনেমা দেখতে দেখতে কিংবা অবসরে গল্প করতে করতে পপকর্ন খাওয়া যায় সহজেই। আঁশ, ভিটামিন এবং খনিজ উপাদানে সমৃদ্ধ এই খাবারটি স্বাস্থ্যকর নাশতা হিসেবেও পরিচিত।

বর্ষার দিন মানেই শুধু বৃষ্টি দেখা নয়, বরং প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটা এবং পছন্দের খাবার উপভোগ করার সুযোগ। তাই বৃষ্টিভেজা আবহাওয়াকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে পাতে রাখতে পারেন এসব সুস্বাদু খাবারের যেকোনোটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে দায়িত্ব পালনকালে ছুরিকাঘাতের শিকার ২ পুলিশ সদস্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫৫ এম


রাজধানীতে দায়িত্ব পালনকালে ছুরিকাঘাতের শিকার ২ পুলিশ সদস্য

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে দুই পুলিশ সদস্য ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। এ ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত একটার দিকে, জিয়া উদ্যানের গ্লাস ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ছিনতাই শেষে অটোরিকশায় করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল সন্দেহভাজন ছিনতাইকারী। ধরে টহল পুলিশ তাদের ধাওয়া শুরু করে। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা দুই পুলিশ সদস্যের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায় তারা।

দুজন পুলিশ সদস্যের বাম কাঁধে ছুরিকাঘাতের আঘাত রয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই ছিনতাইকারী আটক হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

একটি গানেই নেটদুনিয়ায় আলোচনার ঝড় তুললেন নোরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ এম


একটি গানেই নেটদুনিয়ায় আলোচনার ঝড় তুললেন নোরা

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী ও বলিউড তারকা নোরা ফাতেহির নতুন ফিফা গান ‘সির সির’। মুক্তির পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে গানটি নিয়ে আলোচনার তীব্রতা শুরু হয়েছে। ২০২৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের মিউজিক ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে তৈরি এই ট্র্যাকে নোরা ফাতেহির সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন ফরাসি সংগীতশিল্পী ভেজেড্রিম এবং প্রযোজনা করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে সঞ্জয়।

গানটির জমকালো ভিজ্যুয়াল, নোরার দুর্দান্ত পারফরমেন্স এবং এনার্জির কারণে একদল দর্শক যখন প্রশংসায় পঞ্চমুখ, ঠিক তখনই অন্য এক পক্ষের দাবি উঠেছে যে, গানটিতে ফুটবলের আসল আমেজ অনুপস্থিত। ফলে এটি প্রকাশের পর থেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েছেন এই শিল্পী।

গানটি মুক্তির পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোরার ভক্তরা তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। বিশ্বমঞ্চে নোরার এই ক্রমাগত সাফল্যকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকেই। তার নাচের দক্ষতার প্রশংসা করে এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘একেবারে আগুন পারফরমেন্স!’ আরেকজনের মন্তব্য ছিল, ‘নাচের দিক থেকে নোরাকে টেক্কা দেওয়ার মতো কেউ নেই।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘ভিডিওটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে এটি একটি নিশ্চিত ব্লকবাস্টার হিট হতে যাচ্ছে!’

বিশ্বমানের এই আয়োজনে নোরা ফাতেহির উপস্থিতি তার আন্তর্জাতিক খ্যাতিকে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে গেছে বলে জানান তার শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

তবে গানটি সবাইকে সমানভাবে মুগ্ধ করতে পারেনি। শ্রোতার একটি বড় অংশের মতে, একটি বিশ্বকাপ গানের জন্য যে ধরনের টানটান উত্তেজনা ও বাড়তি উন্মাদনার প্রয়োজন হয়, এই গানে তার অভাব রয়েছে। ফলে অবধারিতভাবেই গানটির সঙ্গে তুলনা চলে আসছে অতীতের জনপ্রিয় বিশ্বকাপ অ্যান্থেমগুলোর।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একজন লিখেছেন, ‘গানটি শুনে ফুটবলের সেই চেনা আমেজটা পাচ্ছি না।’ আরেকজন সরাসরি তুলনা টেনে বলেন, শাকিরার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ আজও অনবদ্য, এর কোনো বিকল্প নেই।’

অনেকের মতে, গানটির সুর বিশ্বকাপ ফুটবলের চেয়ে অনেক বেশি সাধারণ পপ বা বলিউড ঘরানার আইটেম সং-এর মতো শোনায়। এমনকি নোরার কিছু নাচের স্টেপ এবং মুখের অভিব্যক্তিও কিছু দর্শকের কাছে একঘেয়ে লেগেছে।

গানটি মুক্তির ঘোষণা দেওয়ার সময় নোরা ফাতেহি এর পেছনে থাকা পরিচালক, কোরিওগ্রাফার, সহ-নৃত্যশিল্পী, স্টাইলিস্ট এবং পুরো প্রোডাকশন টিমকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বিভিন্ন দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির শিল্পীদের নিয়ে তৈরি ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল অ্যালবামের অংশ এই ‘সির সির’ গানটি। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মঞ্চ মাতাতে দেখা যাবে নোরা ফাতেহিকে, আর তার ঠিক আগেই এই গানটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে তৈরি হলো মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডাকাতি-চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মোংলায় মানববন্ধন কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:০৮ এম


ডাকাতি-চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মোংলায় মানববন্ধন কর্মসূচি

নৌপথে ডাকাতি এবং চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানিয়ে মোংলায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন নৌযান শ্রমিক-কর্মচারীরা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর শহরের মামার ঘাট এলাকায় বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মোংলা শাখার সভাপতি গাজী মাইনুল ইসলাম মনু জানিয়েছেন, গত ৬ জুলাই সুন্দরবনের অভ্যন্তরে শিবসা নদীসংলগ্ন শিংয়ের নালা নৌপথে এমভি আব্দুল হাকিম-০১ নামক একটি কার্গো জাহাজে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। হামলাকারীরা জাহাজের কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে মারধর করার পাশাপাশি মালামাল লুট করে এবং মাস্টার ব্রিজের দিকে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোঁড়ে।

তিনি অভিযোগ করেছেন যে, ঘটনার কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এর ফলে নৌযান শ্রমিক-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ এবং উদ্বেগ বেড়ে গেছে।

মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তারা বলেছেন, নৌপথে ডাকাতি এবং চাঁদাবাজির ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় নৌযান শ্রমিকদের নিরাপত্তা বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে। তারা অবিলম্বে অপরাধীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করার এবং তাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

এই কর্মসূচিতে নৌযান শ্রমিক-কর্মচারী নেতা মো. সোহাগ চৌধুরী, মো. বেলাল হোসেন, অপূর্ব মণ্ডল, তরিকুল ইসলাম মাস্টার, কনক মাস্টার এবং মো. রিয়াজ আরও বক্তব্য দেন।

বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে নৌপথে ডাকাতি ও চাঁদাবাজি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে তারা নৌযান ধর্মঘট, কর্মবিরতি এবং আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে সফর, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:১১
জোহর ১২:০৫
আসর ০৪:৪০
মাগরিব ০৬:৩৬
ইশা ০৭:৫২
সূর্যোদয় : ০৫:৩২ সূর্যাস্ত : ০৬:৩৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%